Bangladesh Pratidin || Highest Circulated Newspaper
শিরোনাম
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০ টা
আপলোড : ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০২:৪৭

নিয়ন্ত্রণহীন মাদক বাণিজ্য

আলী আজম

নিয়ন্ত্রণহীন মাদক বাণিজ্য

দক্ষিণাঞ্চলের প্রবেশদ্বার খ্যাত ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) ৫৪ নম্বর ওয়ার্ড। রাজধানীতে প্রবেশ করতে গিয়েই প্রথমেই যানজটের কবলে পড়েন দক্ষিণাঞ্চলের মানুষ। প্রথম বুড়িগঙ্গা সেতুর ঢালে গাড়ির অবৈধ স্ট্যান্ডের কারণে যানজট চিরস্থায়ী রূপ নিয়েছে। জুরাইনের আলম মার্কেট, খন্দকার রোড, মুন্সিবাড়ী, পাইপ রাস্তা, শাহাদাত হোসেন সড়ক, আইজি গেট, করিমুল্লাবাগ ওয়ার্ডের উল্লেখযোগ্য এলাকা। মাদক নিয়ন্ত্রণই এখানকার সবচেয়ে বড় সমস্যা। এটা সমাধানে একাধিক বার উদ্যোগ নেওয়া হলেও স্বার্থান্বেষী মহলের কারণে তা কার্যকর করা যাচ্ছে না বলে অভিযোগ উঠেছে। অল্প বৃষ্টিতেই ভাঙাচোরা রাস্তা-ঘাট ভরে যায়। সুয়ারেজ লাইনে ময়লা-আবর্জনা স্তূপ। যেখানে-সেখানে ফেলা হচ্ছে বর্জ্য।

সন্ধ্যা নামলেই বেশিরভাগ এলাকা অন্ধকারাচ্ছন্ন হয়ে পড়ে। মূল রাস্তা দিয়ে হাঁটতে পারলেও গলিতে প্রবেশে বিপাকে পড়তে হয় স্থানীয়দের। বেশি রাত করে ফিরলে কুকুরের যন্ত্রণা। এ ছাড়া নতুন সড়কে অপ্রয়োজনীয় গতিরোধকের কারণে যান চলাচল বিঘ্নিত হচ্ছে। ৩৮ হাজারের বেশি ভোটার নিয়ে এ এলাকায় ৩ লাখেরও বেশি মানুষ বাস করে। বিনোদন কেন্দ্র, কমিউনিটি সেন্টার, লাইব্রেরি, ব্যায়ামাগার নেই।

৫৪ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শরীফ মো. আলমগীর বলেন, এলাকায় রয়েছে মাদকের রমরমা ব্যবসা। উন্মুক্তভাবেই অলি-গলি, রাস্তা-ঘাটে মাদক দেদার বিক্রি হচ্ছে। রাতে এদের যন্ত্রণায় স্থানীয়রা রাস্তায় হাঁটতে পারেন না। এ ছাড়া জুরাইন কবরস্থান থেকে তুলার বাগিচা পর্যন্ত রাস্তার বেহাল দশা।

এ বিষয়ে কাউন্সিলর হাজী মো. মাসুদ বলেন, আগে অনেক সমস্যা ছিল। গত দুই বছরে চোখে পড়ার মতো বেশ কিছু উন্নয়ন করেছি। এখানকার প্রধান সমস্যা জলাবদ্ধতা। তা ৮০ শতাংশ দূর করা হয়েছে। অবৈধ দখলমুক্ত করা হয়েছে। পোস্তগোলা সেনানিবাস গেট থেকে আজিজিয়া মিষ্টান্ন ভাণ্ডার পর্যন্ত রাস্তা পাকা করা হয়েছে। এই রাস্তার দুই পাশে ফুটপাথ নির্মাণ করা হয়েছে। যা আগে কখনো ছিল না। জুরাইন কবরস্থানে এলইডি লাইট স্থাপনের কাজ চলছে। ওয়ার্ডের প্রতিটি রাস্তায় এলইডি লাইট স্থাপন করা হবে।

তিনি বলেন, জুরাইন সিটি করপোরেশন মার্কেটে কমিউনিটি সেন্টারে নির্মাণের চেষ্টা চলছে। একটি লাইব্রেরি ও ব্যায়ামাগারের জন্য নিজেই জমি দিচ্ছেন। মাদক নিয়ন্ত্রণে প্রায়ই সেমিনারের আয়োজন করে থাকেন। মাদক রাষ্ট্রীয় সমস্যা। এটা নিয়ন্ত্রণ রাখতে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করছি। জনসাধারণের সেবায় সব সময় নিজেকে মেলে ধরার চেষ্টা করছি।


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর