শিরোনাম
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ২৮ ডিসেম্বর, ২০১৭ ০০:০০ টা
আপলোড : ২৮ ডিসেম্বর, ২০১৭ ০২:০৮

শিবকুমারের সন্তুরে মোহিত শ্রোতা

বেঙ্গল উচ্চাঙ্গসংগীত উৎসব ২০১৭

মোস্তফা মতিহার

শিবকুমারের সন্তুরে মোহিত শ্রোতা

ধানমন্ডির আবাহনী মাঠে বেঙ্গল উচ্চাঙ্গসংগীত উৎসবের দ্বিতীয় রাতে গতকাল উপমহাদেশের প্রখ্যাত পণ্ডিত শিবকুমার শর্মা সন্তুরের সুরে শাস্ত্রীয় আবহ ফুটে উঠেছিল। বিখ্যাত এই পণ্ডিতের সুরে মোহাবিষ্ট থাকেন মাঠের হাজার হাজার দর্শক-শ্রোতা। উচ্চাঙ্গসংগীতের প্রবাহ আর পৌষের কুয়াশায় ভেজা শিশির মিলেমিশে হয়ে যায় একাকার তাঁর সুরে।

দ্বিতীয় রাতের মূল আকর্ষণ ছিল পণ্ডিত শিবকুমার শর্মা সন্তুর। তাঁর শুদ্ধসংগীতে নিমজ্জিত শ্রোতা শুধু শ্রবণে নয় ধ্যানেই মগ্ন হয়ে পড়েন। সন্তুর মঞ্চে আসেন, নিজে বাজান, আর অগণিত সংগীতানুরাগীর হৃদয়ের তানপুরায় সুরের আলোড়ন সৃষ্টি করেন। রাগ ঝিঁঝোটিতে আলাপ, জোড়, ঝালা ও গৎ পরিবেশন করেন এই শিল্পী। তাঁকে তবলায় সঙ্গত করেন যোগেশ শামসি ও তানপুরায় তাকাহিরো আড়াই। পরিবেশনা শেষে পণ্ডিত শিবকুমার শর্মার হাতে উৎসব স্মারক তুলে দেন পানিসম্পদমন্ত্রী আনিসুল ইসলাম মাহমুদ।

এর আগে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় ভারতের প্রখ্যাত কত্থক নৃত্যশিল্পী ও তার দল অদিতি মঙ্গলদাস ড্যান্স কোম্পানির কত্থক নৃত্যের মধ্য দিয়ে উৎসবের দ্বিতীয় রাতের আসরের পর্দা ওঠে। উৎসব, প্রিয়তমের খোঁজে এবং তারানা নামের এই তিনটি ঘরানায় দলটি শাস্ত্রীয় কত্থক নাচের মুগ্ধতায় অনুষ্ঠানের পরিবেশে শৈল্পিকতা ছড়িয়ে দেন। ‘দৃষ্টিকোণ ড্যান্স ফাউন্ডেশন’ নামের এই দলটির নৃত্যাংশে ছিলেন অদিতি মঙ্গলদাস, গৌরী দিবাকর, মিনহাজ, আম্রপালি ভাণ্ডারী, অঞ্জনা কুমারী, মনোজ কুমার, ও সানি শিশোদিয়া। এই পরিবেশনার কণ্ঠ ও হারমোনিয়াম ছিলেন ফারাজ খান, তবলা ও পাঢ়ান্তে মোহিত গাঙ্গানি, পাখোয়াজ ও পাঢ়ান্তে ছিলেন আশীস গাঙ্গানি, বাঁশিতে রোহিত প্রসন্ন। পুরো পরিবেশনাটির মূল ধারণা, কোরিওগ্রাফি ও পোশাক পরিকল্পনায় ছিলেন অদিতি মঙ্গলদাস।


আপনার মন্তব্য