Bangladesh Pratidin || Highest Circulated Newspaper
শিরোনাম
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ টা
আপলোড : ৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ২৩:৩৫

ভাঙছে মেঘনা-রহমতখালি বিলীন হচ্ছে জমি ঘরবাড়ি

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি

ভাঙছে মেঘনা-রহমতখালি বিলীন হচ্ছে জমি ঘরবাড়ি
লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে মেঘনায় বিলীন হচ্ছে বসতি -বাংলাদেশ প্রতিদিন

লক্ষ্মীপুরে ভাঙছে মেঘনা ও রহমতখালি নদী। এতে বিলীন হচ্ছে নদীকূলের বাসিন্দাদের ফসলি জমি ও ঘরবাড়ি।

নদীভাঙনের কবলে পড়ে সদরের ৫টি ইউনিয়নের প্রায় হাজারো পরিবার এখন হয়ে পড়েছেন নিঃস্ব ও ভূমিহীন। বর্তমানে ভাঙন আতঙ্কে রয়েছে আরও অন্তত ৫০ হাজার পরিবার। পানি উন্নয়ন বোর্ড বলছে, ভাঙন ঠেকাতে নদীর তিনটি পয়েন্টকে চিহ্নিত করে ৩০ কোটি টাকার প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। সরেজমিন সদর উপজেলার ভাঙনকবলিত রহমতখালি নদী এলাকার কালিরচর, জগৎবেড় ও চর রমণী মোহন ইউনিয়নের কয়েকটি স্থান ঘুরে দেখা গেছে নদীভাঙনের দৃশ্য। সদর উপজেলা চেয়ারম্যান এ কে এম সালাহ্ উদ্দিন টিপু বলেন, বর্তমানে উপজেলার ৫টি ইউনিয়নের প্রায় ৫০ হাজার পরিবার ভাঙন আতঙ্কে রয়েছে। হাজারো পরিবার ঘরবাড়ি ও ফসলি জমি হারিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মূসা বলেন, ভাঙন ঠেকাতে তিনটি পয়েন্টকে চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব পয়েন্টে ২ হাজার ৫০০ মিটার নদী তীর রক্ষা বাঁধের জন্য মোট ২৯ কোটি ৪৮ লাখ টাকা বরদ্দ অনুমোদন হয়েছে। এদিকে মেঘনা নদীর তীব্র ভাঙনে ছোট হচ্ছে কমলনগর উপজেলা। ইতিমধ্যে নদীগর্ভে চলে গেছে কয়েকশ বাড়ি, স্কুল-মাদ্রাসা, মসজিদসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা। ভাঙনের মুখে রয়েছে চর ফলকন ইউপি কার্যালয়, ফলকন উচ্চ বিদ্যালয়, ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র, ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্র, মধ্যচর ফলকন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ সরকারি-বেসরকারি স্থাপনা, ঘরবাড়ি ও ফসলি জমি। উপজেলার সাহেবেরহাট, কালকিনি এলাকাজুড়ে বিরাজ করছে ভাঙন আতঙ্ক। সরজমিনে গত শুক্রবার গিয়ে দেখা যায়, মীর পাড়া জামে মসজিদের একাংশ ভেঙে পড়ছে। এর কিছুক্ষণের মধ্যে পুরো মসজিদ ভবনটি বিলীন হয়ে যায়।

 

স্থানীয় বাসিন্দা শাহাদাত হোসেন বলেন, গত শুক্রবার মীরপাড়া জামে মসজিদে জুমার নামাজ আদায় হয়েছে। অথচ এ শুক্রবার জুমার আগেই নদীতে মসজিদ বিলীন হয়ে গেছে। আশপাশের এলাকাও ভাঙছে। এখনই ভাঙন ঠেকানো না গেলে আশপাশের সব বাড়িঘর নদীগর্ভে চলে যাবে। চর ফলকন ইউপি চেয়ারম্যান হারুনুর রশিদ বলেন, তার ইউনিয়নের সাত নম্বর ওয়ার্ড ভাঙনের কবলে পড়েছে। ইতোমধ্যে কয়েকটি বাড়ি বিলীন হয়ে গেছে। ধসে গেছে মসজিদ। এভাবে ভাঙতে থাকলে পুরো ইউনিয়ন নদীতে হারিয়ে যাবে।


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর