শিরোনাম
প্রকাশ : ২২ জানুয়ারি, ২০২১ ১৯:০৯
প্রিন্ট করুন printer

কাউন্সিলর তরিকুলের হত্যা ছিলো পূর্ব পরিকল্পিত, ঘাতক আটক

সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি

কাউন্সিলর তরিকুলের হত্যা ছিলো পূর্ব পরিকল্পিত, ঘাতক আটক

সিরাজগঞ্জে কাউন্সিল তলিকুল ইসলাম খানকে ছুরিকাঘাতে হত্যাকারী ঘাতক জাহিদুল ইসলাম (২০) ইসলামকে গ্রেফতার করা হয়েছে। শুক্রবার দুপুর ১২টার দিকে সিরাজগঞ্জ সদর থানায় সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে পুলিশ সুপার হাসিবুল আলম এতথ্য নিশ্চিত করেছেন। এর আগে বৃহস্পতিবার গভীর রাতে ঢাকার যাত্রাবাড়ী থানার ধলপুর এলাকা থেকে ঢাকা মহানগর পুলিশের সহায়তায় জাহিদুলকে গ্রেফতার করা হয়। সে সিরাজগঞ্জ পৌর এলাকার সাহেদনগর ব্যাপারীপাড়া মহল্লার টিক্কা ব্যাপারীর ছেলে।  

সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার হাসিবুল আলম জানান, কাউন্সিলর তরিকুল হত্যায় সরাসরি অংশ নিয়েছিল জাহিদুল ইসলাম। তিনি জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশের কাছে জাহিদুল স্বীকারোক্তি দিয়ে বলেছে, উট পাখি প্রতীকের কাউন্সিলর প্রার্থী শাহাদত হোসেন বুদ্দিনের পক্ষে প্রচারণার জন্য নির্বাচনের তিনদিন আগে সে ঢাকা থেকে সিরাজগঞ্জে আসে। দুদিন সে প্রচার-প্রচারণায় অংশ নেয়। নির্বাচনের আগের রাতে মামলার এজাহারে উল্লেখিত এক আসামির (তদন্তের স্বার্থে নাম বলা হয়নি) বাড়িতে গোপন বৈঠক করা হয়।

বৈঠকে উটপাখি মার্কার বুদ্ধিন হেরে গেলে কাউন্সিলর প্রার্থী তরিকুল ইসলাম খানের ওপর হামলা চালানো হবে বলে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। বারবার শাহাদত হোসেন বুদ্ধিন হেরে যাওয়ায় এমন হামলার পরিকল্পনা করা হয়েছিল বলেও সে জানিয়েছে। বৈঠকে প্রধান আসামি শাহাদত হোসেন বুদ্দিনসহ মামলার অন্যান্য আসামিরা উপস্থিত ছিল। সে আরো জানায়, পরিকল্পনা অনুযায়ী হামলার জন্য এজাহার নামীয় এক আসামির বাড়িতে রামদাসহ বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র মজুদ রাখা হয়। ওই এজাহার নামীয় আসামি তাকে হত্যায় ব্যবহত ছুরিটিও দেন। 

পুলিশ সুপার বলেন, পরিকল্পনা অনুযায়ী ফলাফল ঘোষণার আগে অন্যান্য আসামিদের সাথে সে হত্যায় ব্যবহৃত ছুরিটি নিয়ে শহিদগঞ্জ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে প্রার্থী বুদ্ধিন ও তার অন্যান্য সমর্থকদের সাথে উপস্থিত হয়। সন্ধ্যা ৭টার কিছু আগে ফলাফল ঘোষণায় ডালিম প্রতীকের প্রার্থী তরিকুল ইসলাম খান বিজয়ী হলে পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী অন্যান্য আসামিদের সহযোগিতায় তরিকুলের পেটে ছুরিকাঘাত করে জাহিদুল স্থান ত্যাগ করেন। এরপর সে ছুরিটি নিজ বাড়িতে লুকিয়ে রেখে স্ত্রীকে নিয়ে ঢাকার যাত্রাবাড়ী থানার ধলপুরে চলে যান।  

পুলিশ সুপার আরও বলেন, গ্রেফতার জাহিদুলই সরাসরি এ হত্যার সঙ্গে জড়িত। তার দেওয়া তথ্যমতে ব্যাপারীপাড়া মহল্লার মোকছেদের একটি পরিত্যক্ত ডোবার পশ্চিম অংশে মাটিতে পোতা অবস্থায় হত্যায় ব্যবহৃত ছুরিটি উদ্ধার করা হয়েছে।
তিনি বলেন, চাঞ্চল্যকর এ হত্যা মামলার বাকি আসামিদের গ্রেফতারে পুলিশের বিভিন্ন টিম কাজ করছে। আশা করছি অল্পদিনের মধ্যেই আমরা ভাল কিছু করতে পারবো।  

সংবাদ সম্মেলনে সহকারী পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) স্নিগ্ধ আক্তার, সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বাহাউদ্দিন ফারুকী ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা তরিকুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।  

প্রসঙ্গত, ১৬ জানুয়ারি সিরাজগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচনে ৬ননছ ওয়ার্ড (নতুন ভাঙ্গাবাড়ী- বেপারী পাড়া-শাহেদনগর) কাউন্সিলর পদে ৮৫ ভোটে বিজয়ী হন তারিকুল ইসলাম। ফলাফল ঘোষণার পর বিজয় উল্লাস করার সময় প্রতিপক্ষের ছুরিকাঘাতে আহত হন তিনি। পরে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নেওয়ার পরে মারা যান।

এ ঘটনায়  রবিবার  রাতে নিহতের ছেলে ইকরামুল হাসান হৃদয় বাদী হয়ে পরাজিত প্রার্থী ও ৬ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহাদত হোসেন বুদ্দিনসহ ৩২ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৪০/৫০ জনকে আসামি করে থানায় মামলা দায়ের করেছেন। মামলার ৪ দিন পর মূল হত্যাকারীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এর আগে স্বপন ব্যাপারী নামে মামলার ২৭ নম্বর আসামি গ্রেফতার হয়ে জেল হাজতে রয়েছেন।  

বিডি প্রতিদিন/আল আমীন


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ২২:২২
আপডেট : ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ২২:২৭
প্রিন্ট করুন printer

বিএনপি-জামায়াত অপরাজনীতির খেলায় মেতেছে: এস এম কামাল

নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী

বিএনপি-জামায়াত অপরাজনীতির খেলায় মেতেছে: এস এম কামাল

বিএনপি-জামায়াত দেশে রাজনীতির নামে অপরাজনীতির খেলায় মেতেছে। তারা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা না করে নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ এবং বানচালের অপচেষ্টায় লিপ্ত থাকে। তারা কখনও জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়নি। যারা পিছনের দরজা দিয়ে ক্ষতায় আসতে চায়, তারা কখনও জনগণের ভালো চাইতে পারে না। তাদের এসব অপচেষ্টা রুখতে শেখ হাসিনার হাতকে আরও শক্তিশালী করতে হবে। 

রাজশাহীর চারঘাট পৌরসভার নির্বাচন আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী একরামুল হকের নির্বাচনী পথসভায় কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম কামাল হোসেন প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন। বৃহস্পতিবার বিকেলে চারঘাট পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এ পথসভা অনুষ্ঠিত হয়। 

নৌকার প্রার্থী একরামুল হককে বিপুল ভোটে বিজয়ী করার আহ্বান জানিয়ে সাধারণ ভোটারের উদ্দেশে এসএম কামাল হোসেন আরও বলেন, সবখানেই লেগেছে উন্নয়নের ছোঁয়া। তাই উন্নয়নের ধারাবাহিকতা টিকিয়ে রাখতে নৌকা মার্কায় ভোট বিপ্লব ঘটিয়ে নৌকার বিজয় সুনিশ্চিত করতে হবে। মনে রাখবেন নৌকা মনেই উন্নয়ন। নৌকা মানেই শান্তির অগ্রদূত। নৌকা মানেই শান্তির আবাসস্থল। তাই শান্তির রাজ্যে যারা আগুন নিয়ে খেলতে চায় তাদের বয়কট করুন।

উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আনোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন সাবেক এমপি রায়হানুল হক, উপজেলা চেয়ারম্যান ফকরুল ইসলাম, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মেরাজ উদ্দিন মোল্লা, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল ওয়াদুদ দারা, নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ডাবলু সরকার। 

বিডি-প্রতিদিন/সালাহ উদ্দীন


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ২২:০১
প্রিন্ট করুন printer

শেরপুর জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি মোখলেছুর, সম্পাদক তারিকুল

শেরপুর প্রতিনিধি

শেরপুর জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি মোখলেছুর, সম্পাদক তারিকুল
সভাপতি মোখলেছুর রহমান আকন্দ (বাঁয়ে) ও সাধারণ সম্পাদক তারিকুল ইসলাম ভাসানী।

শেরপুর জেলা আইনজীবী সমিতির কার্যনির্বাহী পরিষদের নির্বাচনে সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকসহ আওয়ামী লীগ ও সমমনাদের সমর্থিত সম্মিলিত আইনজীবী সমন্বয় পরিষদ নিরঙ্কুশভাবে জয়ী হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার সমিতির ২ নম্বর বার ভবনে অনুষ্ঠিত ওই নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্যানেল ১০ পদে ও বিএনপি সমর্থিত প্যানেল ৩ পদে জয়ী হয়েছে।

এতে সমন্বয় পরিষদ সমর্থিত অ্যাডভোকেট মোখলেছুর রহমান আকন্দ ৮৬ ভোট পেয়ে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি ও সমমনাদের সমর্থিত জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ঐক্য পরিষদের প্রার্থী অ্যাডভোকেট মো. সিরাজুল ইসলাম পেয়েছেন ৭২ ভোট।

আর সাধারণ সম্পাদক পদে ১০৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন সমন্বয় পরিষদের অ্যাডভোকেট তারিকুল ইসলাম ভাসানী। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ঐক্য পরিষদের প্রার্থী অ্যাডভোকেট ছামিউল ইসলাম আতাহার পেয়েছেন ৪২ ভোট। এই সমিতির মোট ভোটার ১৫৯ জন।

এছাড়া অন্যান্য পদে জয়ীরা হচ্ছেন সহ-সভাপতি পদে হরিদাস সাহা (আওয়ামী লীগ) ও আশরাফুল আলম লিচু (বিএনপি), সহ-সাধারণ সম্পাদক পদে মো. রাশেদুর রহমান রাসেল (বিএনপি) ও আমিনুল ইসলাম মমিন (আওয়ামী লীগ), ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে মুক্তারুজ্জামান মোক্তার (বিএনপি), সাহিত্য ও পাঠাগার সম্পাদক পদে মেরাজ উদ্দিন চৌধুরী (আওয়ামী লীগ), অডিটর পদে শিবলু চন্দ্র দাস (আওয়ামী লীগ) এবং নির্বাহী সদস্য পদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী নির্বাহী সদস্য রুকনুজ্জামান রুকন (আওয়ামী লীগ), ফকির মো. নাহিদুজ্জামান (আওয়ামী লীগ), মো. আকরামুজ্জামান (আওয়ামী লীগ) ও মো. এরশাদ আলী লিটন (আওয়ামী লীগ)।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার সিনিয়র আইনজীবী নারায়ণ চন্দ্র হোড় জানান, ১৩ সদস্য বিশিষ্ট এ নির্বাহী পরিষদের চারজন সদস্য বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ায় ৯টি পদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। সকাল ১০টা থেকে শুরু হয়ে  বিকেল ৩টা পর্যন্ত একটানা ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। এবার সমিতির ১৫৯ জন ভোটারের মধ্যে সবাই তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন।

বিডি প্রতিদিন/এমআই


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ২১:৫৯
প্রিন্ট করুন printer

ছাত্রদলের কমিটিতে আওয়ামী লীগ নেত্রীর বিবাহিত ছেলে!

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি

ছাত্রদলের কমিটিতে আওয়ামী লীগ নেত্রীর বিবাহিত ছেলে!
এম. রিফাত বিন জিয়া

২১ সদস্যের ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলা ছাত্রদলের কমিটির অনুমোদন দিয়েছেন জেলা ছাত্রদল। এতে আওয়ামী লীগ নেত্রী বেবী ইয়াছমিনের বিবাহিত ছেলে ও পুলিশ অ্যাসল্ট মামলার পলাতক আসামি এম. রিফাত বিন জিয়াকে করা হয়েছে আহ্বায়ক। তার বিরুদ্ধে রয়েছে একাধিক বিয়ের অভিযোগ। আর সদস্য সচিব করা হয়েছে ঢাকার বাসিন্দা ব্যবসায়ী মো. আমান উল্লাহকে। আমানের বিরুদ্ধে রয়েছে অছাত্রত্বের অভিযোগ। 

গত ২৪ জানুয়ারি বুধাবার এ কমিটি ঘোষণা করা হয়। ওইদিন রাতেই অবৈধ ও পকেট কমিটির বিরুদ্ধে অভিযোগ এনে মিছিল বের করে রিগানের নেতৃত্বে ছাত্রদলের একটি গ্রুপ। রাত ১০টার দিকে মিছিল শেষে পথ সভা চলাকালে ওই কমিটিরই যুগ্ম আহ্বায়ক-২ মোস্তাকিমুর রহমান ও সরাইল সরকারি কলেজ শাখা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি মোস্তাক আহমেদ খন্দকার রিগানকে গ্রেফতার করে পুলিশ। 

দলীয় একাধিক সূত্র জানায়, এক বছর আগে সরাইল উপজেলা ছাত্রদলের কমিটি ভেঙ্গে দিয়েছে জেলা ছাত্রদল। গত এক বছরে কোন সভা ও সম্মেলন নেই। হঠাৎ করেই জেলা ছাত্রদল কর্তৃক অনুমোদিত দলীয় প্যাডে ২১ সদস্য বিশিষ্ট সরাইল উপজেলা ছাত্রদলের একটি কমিটি ঘোষণা করা হয়। প্রতিবাদে রাজপথে নেমে পড়ে রিগানের নেতৃত্বে ছাত্রদলে একাংশের নেতা কর্মীরা। সকাল বাজার থেকে মিছিল করে হাসপাতাল মোড় হয়ে কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে পথসভা করে। পথ সভায় তারা রিফাত ও আমানকে অছাত্র উল্লেখ করে এ কমিটিকে প্রত্যাখ্যান করে। সেই সাথে বক্তারা বলেন, রিফাতের মা বেবী ইয়াছমিন সরাইল উপজেলা আওয়ামী লীগের বর্তমান আহ্বায়ক কমিটির ৩০ নম্বর সদস্য। রিফাত নিজ গ্রামে ও নবীনগরে ২টি বিয়ে করেছেন। এছাড়া আহ্বায়ক ও সদস্য সচিব দু’জনেরই ছাত্রত্ব নেই। রাত ১০টার দিকে ওই সভা থেকে পুলিশ রিগান মোস্তাকিনকে গ্রেফতার করেন। বৃহস্পতিবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে তারা জামিনে বেরিয়ে আসেন। 

সরাইল উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি মো. ইসমাইল হোসেন উজ্জ্বল বলেন, গঠনতন্ত্র অনুযায়ী বিবাহিত অছাত্র ছাত্রদলের কমিটিতে আসতে পারে না। রিফাত একাধিক মামলার পলাতক আসামি। কমিটি গঠনে মোটা অংকের টাকা লেনদেন হয়েছে। 

জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক ফুজায়েল চৌধুরী বলেন, ছাত্রদলের গঠনতন্ত্রে কোন অছাত্র ও বিবাহিতের স্থান কমিটিতে নেই। সরাইলের কমিটিটি কেন্দ্রের নির্দেশে করা হয়েছে। আমরা এর বেশী কিছু জানি না। তবে এখন ফেসবুকে রিফাতের বিয়ের ছবি দেখা যাচ্ছে। আমাদের কাছে সুনির্দিষ্ট কোন প্রমাণও নেই।

বিডি-প্রতিদিন/সালাহ উদ্দীন

 


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ২১:৪৭
প্রিন্ট করুন printer

বিনামূল্যে করোনার টিকা নিবন্ধন করে দিচ্ছে ‘স্লোগান’

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি

বিনামূল্যে করোনার টিকা নিবন্ধন করে দিচ্ছে ‘স্লোগান’

প্রযুক্তির বাইরে থাকা সাধারণ মানুষকে ভ্যাকসিন সেবার আওতায় আনতে বিনামূল্যে অনলাইনে নিবন্ধন করে দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে ‘স্লোগান’ নামে এক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন।

নারায়ণগঞ্জ শহরের প্রাণকেন্দ্র চাষাঢ়া কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে গত এক সপ্তাহ ধরেই সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা অবধি বিনামূল্যে এই কাজটি করে যাচ্ছে সংগঠনটি।

সংগঠনের মুখপাত্র নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি শেখ সাফায়েত আলম সানি বলেন, আমাদের শ্লোগান হচ্ছে ‘সোনার বাংলা গড়তে হলে সোনার মানুষ হই’। সেই সোনার মানুষ হওয়ার প্রত্যয় নিয়ে নতুন প্রজন্মের মধ্যে নৈতিকতা ও মানবিক গুণাবলীর বিকাশের মাধ্যমে সামাজিক দায়িত্ববোধ জাগিয়ে তুলতে এবং তাদের মধ্যে মননশীলতার বিকাশ ঘটাতে কাজ করে যাচ্ছে ‘স্লোগান’।

কর্মসূচিতে ‘স্লোগান’ সংগঠনের সদস্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আতাউর রহমান নান্নু, ফাহিম ভুইয়া এমিল, ইশতিয়াক আল কাফি নিশান, শেখ রফিকুল ইসলাম রায়হান, সাজ্জাদুল করীম চৌধুরী, আহমেদ হৃদয় ও রায়হান প্রিন্স প্রমুখ।

বিডি প্রতিদিন/এমআই


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ২১:৩৯
প্রিন্ট করুন printer

এমপির বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশের প্রতিবাদে হালুয়াঘাটে আওয়ামী লীগের মানববন্ধন

হালুয়াঘাট (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি

এমপির বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশের প্রতিবাদে হালুয়াঘাটে আওয়ামী লীগের মানববন্ধন

কেন্দ্রীয় যুবলীগ প্রেসিডিয়াম সদস্য ও ময়মনসিংহ-১ (হালুয়াঘাট-ধোবাউড়া) আসনের এমপি জুয়েল আরেংকে ঘিরে সংবাদ প্রকাশের প্রতিবাদে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করেছে উপজেলা আওয়ামী লীগ, কড়ইতলী কোল এন্ড ইমপোর্টার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন, গোবরাকুড়া আমদানি ও  রপ্তানিকারক গ্রুপসহ  আরো কয়েকটি সংগঠন।

বৃহস্পতিবার উপজেলা পরিষদের সামনে দিনব্যাপী প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করা হয় । এ সময় হালুয়াঘাটের বিভিন্ন সড়ক ঘণ্টারও বেশি সময় যান চলাচল বন্ধ থাকে। এতে দুর্ভোগে পড়েন আটকে থাকায় কয়েক হাজার মানুষ।
এর আগে দুপুরে উপজেলা শহরের হোটেল ইমেক্স ইন্টারন্যাশালে কড়ইতলী ও গোবরাকুড়া স্থলবন্দরের পক্ষ থেকে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ও ব্যাখ্যা প্রদান করা হয়।  

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন কড়ইতলী কোল এন্ড কোক ইম্পোর্টার্স এ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি এম সুরুজ মিয়া। তিনি দাবি করেন, প্রকাশিত পুরো সংবাদজুড়ে সূত্রের বরাতে তথ্য উপস্থাপন করা হয়নি। প্রতিবেদকের মনগড়া ও কল্পনা প্রসূত তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে। যা মিথ্যা ও বানোয়াট। 

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোরশেদ আনোয়ার খোকন, সিএন্ডএফ এজেন্ট এ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আক্তার হোসেন, মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি রজব আলী, কয়লা আমদানি ও রপ্তানিকারক নেতা মি. স্ট্যানশন রংদি, শামছুল আলম মিন্টু  প্রমুখ। গত ২৩ ফেব্রুয়ারি একটি জাতীয় দৈনিকে জুয়েল আরেং এর বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশিত হয়।

বিডি প্রতিদিন/আল আমীন


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর