শিরোনাম
প্রকাশ : ২৪ মার্চ, ২০২১ ১৯:৪৩
প্রিন্ট করুন printer

বরগুনার বেতাগীতে নির্বাচনী সহিংসতা, যুবককে মারধর

বরগুনা প্রতিনিধি

বরগুনার বেতাগীতে নির্বাচনী সহিংসতা, যুবককে মারধর
প্রতীকী ছবি

বরগুনার বেতাগী উপজেলার সরিষামুড়ী ইউনিয়নের ভোড়া গ্রামে ইউপি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রফিক (২৪) নামের এক যুবককে কুপিয়ে গুরুত্বর রক্তাক্ত জখম করেছে দৃবৃর্ত্তরা। গতকাল মঙ্গলবার (২৩ মার্চ) রাতে কুপিয়ে গুরুত্বর রক্তাক্ত জখম করেছে দৃবৃর্ত্তরা। আহত রফিককে নিজেদের কর্মী বলে দাবি করছেন নৌকার মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী ইমাম হাসান শিপন ও স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী ইউসুফ শরীফ।

মঙ্গলবার রাত আনুমানিক ১০টার দিকে রফিক একজন সদস্য প্রার্থী ও চেয়ারম্যান প্রার্থী ইউসুফ শরীফের সাথে বাড়িতে দেখা করে ফিরছিলো। পথিমধ্যে ওৎপেতে থাকা দৃর্বৃত্তরা ধারালো অস্ত্র নিয়ে কুপিয়ে আহত করে। তার ডাক-চিৎকার শুনে টহল পুলিশ ও গ্রামবাসী তাকে উদ্বার করে প্রথমে বেতাগী স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ও পরে সেখান থেকে বরিশাল শেরে-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়। 

স্থানীয়রা জানায়, রফিক পেশায় পণ্যবাহী গাড়ির শ্রমিক। তার চাচাতো ভাই জয়নাল, ফয়সালরা নির্বাচনে নৌকার প্রার্থীর পক্ষে কাজ করলেও রফিক, তার মা ও স্ত্রী ইউসুফ শরীফের পক্ষে কাজ করে। আহত রফিকের নিকট থেকে বেতাগী থানার ভারপ্রাপ্ত জবানবন্দি রেকর্ড করেছেন, যেখানে হামলাকারীদের কথা উল্লেখ রয়েছে বলে জানা গেছে।  
হামলার পরপর নৌকার প্রার্থীর কর্মীরা রফিকের স্ত্রী ও মাকে আটকে রেখে সাংবাদিকদের নিকট ইউসুফ শরীফের বিরুদ্ধে অভিযোগ করছে বলে দাবি করেছেন কয়েকজন। আওয়ামী লীগ মনোনিত চেয়ারম্যান প্রার্থী ইমাম হাসান শিপন বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, ইউসুফ পূর্বপরিকল্পিত ভাবে সন্ত্রাসী বাহিনি দিয়ে আমার কর্মী রফিকের উপর হামলা করেছে। আমি এই ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতারের দাবি জানাচ্ছি। 

চেয়ারম্যান প্রার্থী ইউসুফ শরীফ বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, রফিক রাতে আমার সাথে দেখা করে এবং খাওয়াদাওয়া করে নিজের বাড়িতে যাবার পদে নৌকার কর্মীরা হামলা করে। নৌকার পক্ষে যারা কাজ করবে না তাদেরকে প্রতিহত করার ঘোষনা দিয়ে এই হামলা করা হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।

বেতাগী থানার কর্তৃব্যরত কর্মকর্তা এস,আই, গৌতম জানান, রফিকের উপর হামলার ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোন মামলা থানায় হয়নি। ঘটনাস্থলে আমাদের আইনশৃঙ্খলা বাহিনির সদস্যরা নিরাপত্তার দায়িত্বে রয়েছে।

 

বিডি-প্রতিদিন/আব্দুল্লাহ সিফাত


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর