শিরোনাম
২১ জানুয়ারি, ২০২২ ১৫:১৪

কুড়িগ্রামে জেঁকে বসেছে শীত

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি

কুড়িগ্রামে জেঁকে বসেছে শীত

কুড়িগ্রামে কনকনে শীত আর হিমেল হাওয়ায় জনদুর্ভোগ বেড়েছে। ব্যাহত হচ্ছে স্বাভাবিক কাজকর্ম। তীব্র ঠান্ডা আর ঘন কুয়াশার ফলে কাজে বের হতে পারছে না শ্রমজীবী খেটে খাওয়া মানুষজন। বিশেষ করে বৃদ্ধ ও শিশুরা অতিরিক্ত ঠান্ডায় কাহিল হয়ে পড়েছে। দেখা দিয়েছে নানা শীতজনিত রোগ ব্যাধি। শুক্রবার সকাল ৯টায় জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ১২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

জেলা ত্রাণ ও পুণর্বাসন অফিস সূত্র জানায়, শীতার্তদের জন্য এখন পর্যন্ত জেলায় ১ কোটি ১০ লক্ষ টাকার বরাদ্দ পাওয়া গেছে। এছাড়াও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে আরো ৩৫ হাজার ৭শ কম্বল প্রদান করা হয়েছে এবং সেসব কম্বল উপজেলা পর্যায়ে বিতরণ করা হচ্ছে। প্রচন্ড ঠান্ডায় আগুন জ্বালিয়ে ঠান্ডা নিবারণের চেষ্টা করছে শীতার্ত মানুষ। সকালে হেডলাইট জ্বালিয়ে গাড়ি চলাচল করছে। সন্ধ্যার পর ফাঁকা হয়ে যায় গোটা এলাকা। প্রতিদিন হাসপাতালে বাড়ছে নতুন নতুন রোগীর সংখ্যা। নদ-নদী তীরবর্তী ও চরাঞ্চলের দরিদ্র মানুষ মোটা কাপড়েও ঠেকাতে পারছে না হিমেল ঠান্ডা।

সদর উপজেলার চর সারডোব এলাকার আলুখেতে কাজ করা শ্রমিক দিনো বন্ধু জানান, আলু খেতে কাজ করছি শির শির বাতাসে। হাত পা জমি যাচ্ছে। পেটের জ্বালায় কাজ করছি। কাজ না করলে খামু কি। পরিবারের সন্তান সন্ততি ক্যামনে লালন করব। পাঁচগাছী ইউনিয়নের কদমতলা গামের গৃহবধূ জাহানারা জানান, ঠান্ডাতে হামার ছাওয়া গুলা পাতলা পায়খানা কইরবার নাগচে। সাথে আচে জ্বর, সর্দি, কাঁশি। কয়দিন থাকি খুব অসুবিধা হইচে। হামার ঠান্ডা পানি ব্যবহার করতে হাত-পায়ে ঘা হইচে।

কুড়িগ্রাম সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. রাসেদুল হাসান জানান, চরাঞ্চলসহ বিভিন্ন এলাকায় শীতার্ত মানুষকে কম্বল প্রদান করা হচ্ছে। প্রয়োজনে আরো বরাদ্দ পেলে সেগুলো দেয়া হবে। আশা করি কোন সমস্যা হবেনা। 

বিডি প্রতিদিন/এএ

এই বিভাগের আরও খবর

সর্বশেষ খবর