Bangladesh Pratidin || Highest Circulated Newspaper

শিরোনাম
প্রকাশ : ১৬ জুলাই, ২০১৯ ১৬:৫১
আপডেট : ১৬ জুলাই, ২০১৯ ২১:০৬

আইসিসির নিয়মও বলছে, ইংল্যান্ডকে ৬ রান দেয়া ভুল ছিল

নিজস্ব প্রতিবেদক

আইসিসির নিয়মও বলছে, ইংল্যান্ডকে ৬ রান দেয়া ভুল ছিল

বিশ্বকাপের পর্দা নামলেও ফাইনাল ম্যাচ নিয়ে এখনও বিতর্ক কাটেনি। এমনিতেই ড্র ম্যাচে বাউন্ডারির সুবাদে ইংলিশদের চ্যাম্পিয়ন করার আইসিসির এমন নিয়ম মেনে নিতে পারছেন অনেক ক্রিকেটবোদ্ধরা। এরই সঙ্গে যোগ হয়েছে ইংলিশদের ইনিংসের ৫০ ওভারের চতুর্থ বলটিতে ৬ রান দেয়া নিয়ে। বলটি বেন স্টোকস মারেন মিড উইকেটে। সেখান থেকে বলটি কুড়িয়ে উইকেটরক্ষকের উদ্দেশে ছুড়েন মার্টিন গাপটিল। সেই সময় দ্বিতীয় রানের জন্য প্রাণপণে ছুটেন স্টোকস। গাপটিলের ছোড়া বলটি উইকেটরক্ষকের কাছে পৌঁছানোর আগেই স্টোকসের ব্যাটে লেগে চলে যায় বাউন্ডারির বাইরে। ফলে ইংল্যান্ডকে ৬ রান উপহার দেন ফিল্ড আম্পায়ার কুমার ধর্মসেনা।

মূলত এই অতিরিক্ত ৪টি রানের কারণে ম্যাচ হেলে পড়ে ইংলিশদের দিকে। নির্ধারিত ৫০ ওভারে শেষ পর্যন্ত ম্যাচটি জিততে না পারলেও ড্র করে খেলাটি সুপার ওভারে নিয়ে যায় ইলিংশরা। ফাইনালি লড়াই শেষে বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে ওই ওভার থ্রোতে আম্পায়ারদের দেয়া ৬ রান। সোশ্যাল মিডিয়ায় চলছে তুমুল আলোচনা। টেলিভিশন রিপ্লেতে স্পষ্ট দেখা যায়, ডিপ মিডউইকেট থেকে গাপটিল বল ছোড়ার সময় স্ট্রাইক ব্যাটসম্যান স্টোকস এবং তার নন-স্ট্রাইক পার্টনার আদিল রশিদ দ্বিতীয় রানের সময় পরস্পরকে ক্রস করেননি। স্বভাবতই সেটি দুই রান হয় না, হয় এক! এই যুক্তিবাদীদের যুক্তিতে ঘি ঢেলে দেন আইসিসির তিনবারের সাবেক বর্ষসেরা সাইমন টাফেল। তার দাবি, ওটা মোট ৬ রান নয়, ৫ রান হওয়া উচিত ছিল।

একই কথা বলছে আইসিসির নিয়মও। আইসিসির নিয়ম (১৯.৮) অনুযায়ী, ওভার থ্রোর বাউন্ডারির ক্ষেত্রে ফিল্ডার বল ছোড়ার সঙ্গে সঙ্গে ব্যাটসম্যানদের পরস্পরকে ক্রস করতে হবে। তবেই সেই বাউন্ডারির সঙ্গে ফিল্ড রান যোগ হবে। এ নিয়ম প্রযোজ্য হলে ওভার থ্রোর বাউন্ডারির সঙ্গে বাড়তি দুই রান নয়, এক রান পাওয়ার কথা ইংল্যান্ডের। আর সেটা হলে ১ রানে ম্যাচটি জিতে চ্যাম্পিয়ন হতো নিউজিল্যান্ড। কিন্তু মাঠের আম্পায়ার ৬ রানের সংকেত দেওয়ায় ম্যাচটি সুপার ওভারে যায়। 

বিডি-প্রতিদিন/মাহবুব


আপনার মন্তব্য