Bangladesh Pratidin || Highest Circulated Newspaper

শিরোনাম
প্রকাশ : শনিবার, ৯ নভেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ টা
আপলোড : ৮ নভেম্বর, ২০১৯ ২৩:২১

ডিসেম্বরের মধ্যে রাজাকারদের তালিকা প্রকাশ

গাজীপুর প্রতিনিধি

ডিসেম্বরের মধ্যে রাজাকারদের তালিকা প্রকাশ

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আ ক ম মোজাম্মেল হক এমপি বলেছেন, এ বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে রাজাকারদের তালিকা প্রকাশ করা হবে। বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর উপহার হিসেবে আর্থিকভাবে অসচ্ছল ১৫ হাজার মুক্তিযোদ্ধাকে ঘরবাড়ি করে দেওয়া হবে এবং এক একটি বাড়ির মূল্য হবে ১৫ লাখ টাকা। গতকাল গাজীপুর শহরের বঙ্গতাজ অডিটোরিয়ামে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক উপ-কমিটির উদ্যোগে ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগের মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় উদ্বোধনী বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। মন্ত্রী বলেন, আগামী জানুয়ারিতে প্রত্যেক মুক্তিযোদ্ধাকে পরিচয়পত্র দেওয়া হবে। পরিচয়পত্রের পেছনে তারা কী কী সুযোগ-সুবিধা ভোগ করতে পারবেন তা লেখা থাকবে। আগামী জানুয়ারিতে মুক্তিযোদ্ধাদের সব কবর একই ডিজাইনে করে দেওয়া হবে। পাঠ্যসূচিতে আমাদের মুক্তিযুদ্ধের গৌরবগাথা যেমন লেখা থাকবে, একই সঙ্গে একাত্তর সালে পাকিস্তানি হানাদারবাহিনী এবং তাদের দোসর আলবদর, আলশামস, জামায়াতে ইসলামী, রাজাকারদের কী ভূমিকা ছিল তাও পাঠ্যপুস্তকে লেখা থাকবে।

বিসিএস পরীক্ষায় ২৩ বছরের মুক্তিসংগ্রামের ওপর ৫০ নম্বর এবং মুক্তিযুদ্ধের ওপর ৫০ নম্বর, মোট ১০০ নম্বর ২০২০ সাল থেকে প্রবর্তিত হবে। তিনি বলেন, মুক্তিযোদ্ধাদের ভাতা নিয়ে অসন্তোষ আছে। যা হওয়া উচিত, তা হয়নি। প্রধানমন্ত্রী সংসদে বাজেট বক্তৃতায় বলেছেন, আগামী বছর বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীতে তিনি তা পূরণ করবেন। মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করতে হবে। স্বাধীনতার ওপর যাতে ভবিষ্যতে কেউ আঘাত আনতে না পারে এজন্য সব মুক্তিযোদ্ধাকে ঐক্যবদ্ধ থাকার জন্য তিনি আহ্বান জানান। গাজীপুর সিটি করপোরেশনের মেয়র মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক উপ-কমিটির চেয়ারম্যান মো. রশিদুল আলম। গাজীপুর মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট আজমত উল্লা খানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন গাজীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য মুহাম্মদ ইকবাল হোসেন সবুজ, বেনজীর আহমদ এমপি, সাবেক এমপি বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজী মোজাম্মেল হক, গাজীপুর জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আখতারউজ্জামান, মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হক, মুক্তিযোদ্ধা আনোয়ার হোসেন প্রমুখ। প্রধান অতিথি মো. রশিদুল আলম বলেন, পঁচাত্তর সালে বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে বিবেধ সৃষ্টি করা হয়েছে, তাদের নানাভাবে হেয়প্রতিপন্ন করা হয়েছে। যারা এসব করেছে ভবিষ্যতে তাদের বিচার করা হবে। গাজীপুর সিটি করপোরেশনের মেয়র মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। অগ্রগতির এ ধারা অব্যাহত রাখতে হবে। মুক্তিযোদ্ধাদের নামে সিটির বিভিন্ন রাস্তা নামকরণ করা হবে। অনুষ্ঠানে ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগের প্রত্যেক জেলা ইউনিটের মুক্তিযোদ্ধারা যুদ্ধকালীন তাদের বিভিন্ন অভিজ্ঞতা ও বর্তমানে তাদের বিভিন্ন সমস্যার বিষয় তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন।


আপনার মন্তব্য