শিরোনাম
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ৬ মে, ২০২১ ০০:০০ টা
আপলোড : ৫ মে, ২০২১ ২৩:১৫

দুষ্কৃতকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বদ্ধপরিকর

নিজস্ব প্রতিবেদক

দুষ্কৃতকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বদ্ধপরিকর
Google News

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, করোনা মহামারীর এই পরিস্থিতির মধ্যেও দেশবিরোধী ষড়যন্ত্র থেমে নেই। আমরা যখন স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী, মুজিব শতবর্ষ পালন করছি তখন সারা দেশে হেফাজতের ব্যানারে তান্ডব চালানো হলেও এতে অংশগ্রহণ ছিল বিএনপি-জামায়াতের। হেফাজত নেতারা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে মাঝে মধ্যে দেখা করেন। কিন্তু সেই দেখা-সাক্ষাতের কারণে দুষ্কৃতকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ ব্যাহত হবে না। কারণ দুষ্কৃৃতকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে আমরা বদ্ধপরিকর। গতকাল রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে কৃষক লীগ আয়োজিত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে ঈদ উপহার বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

কৃষক লীগের সভাপতি কৃষিবিদ সমীর চন্দের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য মতিয়া চৌধুরী প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন। কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট উম্মে কুলসুম স্মৃতি এমপির সঞ্চালনায় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম এমপি, কৃষক লীগের সহসভাপতি শেখ মো. জাহাঙ্গীর আলম, হোসনে আরা বেগম এমপি, কৃষিবিদ শাখাওয়াত হোসেন সুইট, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক শামীমা সাহরিয়ার এমপি প্রমুখ বক্তৃতা করেন। ড. হাছান মাহমুদ বলেন, আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন শক্তিশালী হলে জনগণের মধ্যে আওয়ামী লীগের ভাবমূর্তি বৃদ্ধি পায়, অসহায় মানুষ সেবা পায়। প্রধানমন্ত্রী কৃষক লীগ ও অন্যান্য মাধ্যমে জনগণের মাঝে সারা দেশে ঈদের উপহার সামগ্রী পৌঁছে দিয়েছেন।

প্রধান অতিথির বক্তৃতায় বেগম মতিয়া চৌধুরী বলেন, দেশ ও দেশের মানুষের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দিনরাত নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। অন্যদিকে বিএনপির রাজনীতি শুধু বেগম খালেদা জিয়াকে নিয়ে। তাদের কথায় মনে হয়, দেশের জনগণের চিকিৎসার কোনো দরকার নেই, খাদ্যের কোনো দরকার নেই। এটা কী ধরনের দৃষ্টিভঙ্গি, তা আমাদের বোধগম্য হয় না। তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী কৃষকরত্ন শেখ হাসিনার নির্দেশ বাস্তবায়নে কৃষক লীগ অত্যন্ত আন্তরিক। প্রধানমন্ত্রী কৃষক লীগের আন্তরিকতায় সন্তুষ্ট। করোনা মহামারীতে কৃষক লীগ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে যেভাবে কৃষকের পাশে দাঁড়িয়েছে তা সবার জন্য অনুকরণীয় হতে পারে। অন্যেরা শুধু বিরোধিতার কারণে বিরোধিতা করে। আওয়ামী লীগের ভুল ধরে কিন্তু নিজেরা কোনো কাজ করে না। শুধু মিডিয়া ও সামাজিক মাধ্যমে কথা বলে।