শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, বৃহস্পতিবার, ১৭ জুলাই, ২০২৫ আপডেট: ০২:২০, বৃহস্পতিবার, ১৭ জুলাই, ২০২৫

উদ্বিগ্ন বিএনপি, অন্য দলগুলোরও নিন্দা

দুষ্কৃতকারীদের কঠোর হাতে দমনের বিকল্প নেই : ফখরুল
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রিন্ট ভার্সন
উদ্বিগ্ন বিএনপি, অন্য দলগুলোরও নিন্দা

গোপালগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) পূর্বঘোষিত কর্মসূচি শেষে ফেরার পথে দলটির কেন্দ্রীয় নেতাদের গাড়িবহরে হামলার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ জানিয়েছে বিএনপি, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, গণঅধিকার পরিষদ, এবি পার্টি, ১২ দলীয় জোট, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, ভাসানী জনশক্তি পার্টিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল। গতকাল বিকালে একাধিক বিবৃতি দিয়ে দলের নেতারা এ নিন্দা জানান।

বিবৃতিতে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ছাত্র-জনতার আন্দোলনে আওয়ামী স্বৈরাচারী শাসকগোষ্ঠীর পতনের পর দুষ্কৃতকারীরা আবারও দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টিসহ নৈরাজ্যের মাধ্যমে ফায়দা হাসিলের অপতৎপরতায় লিপ্ত হয়েছে। এনসিপির পূর্ব ঘোষিত কর্মসূচির ওপর বর্বরোচিত হামলা, ককটেল বিস্ফোরণ, ইউএনওসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর গাড়িতে অগ্নিসংযোগ ও পুলিশ সদস্যদের আহত করার বর্বর ঘটনা সেই অপতৎপরতারই বহিঃপ্রকাশ। তিনি আরও বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতির কারণে আওয়ামী দোসররা মরণকামড় দিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারকে বেকায়দায় ফেলে ফায়দা লোটার চেষ্টা করছে। দেশে অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টির জন্য তারা এখন মাথা চাড়া দিয়ে উঠেছে। এসব দুষ্কৃতকারীকে কঠোর হস্তে দমন ছাড়া বিকল্প কোনো পথ নেই। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, গত ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণ অভ্যুত্থানে খুনি শেখ হাসিনার ফ্যাসিবাদী শাসনের পতন হয়েছে। কিন্তু দেশ এখনো ফ্যাসিবাদ মুক্ত হয়নি। পতিত স্বৈরশাসক শেখ হাসিনা দীর্ঘ সাড়ে ১৫ বছর দেশে ফ্যাসিবাদী শাসন চালিয়েছেন। তারা দেশকে আবারও অস্থিতিশীল করার লক্ষ্যে অপতৎপরতা চালাচ্ছেন। তারা নানা অপতৎপরতা চালিয়ে ফায়দা হাসিল করতে চান। তারই অংশ হিসেবে আজ এনসিপির পূর্বঘোষিত কর্মসূচিতে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে, ভাঙচুর চালিয়েছে।

এক বিবৃতিতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল সাবেক এমপি অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, গোপালগঞ্জে এনসিপির পূর্বঘোষিত মার্চ টু গোপালগঞ্জ কর্মসূচিতে পতিত আওয়ামী ফ্যাসিবাদের সন্ত্রাসী দোসররা হামলা চালিয়েছে। এনসিপির নেতারা স্বাভাবিক নিয়মে প্রশাসনের সঙ্গে পূর্ব থেকেই আলাপ আলোচনা করে তাদের কর্মসূচি বাস্তবায়নে সহায়তা চেয়েছে। যে কোনো রাজনৈতিক দলের কর্মসূচি বাস্তবায়নে সহযোগিতা করা প্রশাসনের দায়িত্ব। কিন্তু আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কার্যকর তৎপরতা লক্ষ্য করা যায়নি। এটি উদ্বেগজনক। গোপালগঞ্জ বাংলাদেশ থেকে বিচ্ছিন্ন কোনো জেলা নয়। এটি বাংলাদেশেরই অংশ। সরকারকে গোপালগঞ্জসহ বাংলাদেশের সর্বত্র আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করার ক্ষেত্রে কার্যকর ভূমিকা পালন করতে হবে। তিনি আরও বলেন, এনসিপির পূর্বঘোষিত কর্মসূচিতে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে, ভাঙচুর চালিয়েছে। এ ঘটনায় কয়েকজন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। আমি তাদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করছি এবং আওয়ামী দুর্বৃত্তদের এ সন্ত্রাসী হামলার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

এক বিবৃতিতে এলডিপির প্রেসিডেন্ট ড. কর্নেল অলি আহমদ বীরবিক্রম বলেন, গোপালগঞ্জ জেলায় এনসিপির পূর্বঘোষিত মার্চ টু গোপালগঞ্জ কর্মসূচিতে পতিত স্বৈরাচারের দোসর নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীরা নৃশংস হামলা চালিয়েছে। তারা এনসিপির নেতৃবৃন্দকে হত্যার উদ্দেশ্যে তাদের গাড়িতে হামলা করে এবং তাদের অবস্থানস্থল এসপির অফিসেও হামলা চালায়। সন্ত্রাসীদের হামলায় এনসিপির বহু সংখ্যক নেতা-কর্মী ও সাধারণ জনগণ আহত হয়েছেন। সন্ত্রাসীরা অগ্নিসংযোগ করে ব্যাপক ক্ষতিসাধন করেছে। তাদের সৃষ্ট সন্ত্রাস, নৈরাজ্য, অগ্নিসংযোগের ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির ও চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম এক বিবৃতিতে বলেন, গোপালগঞ্জে জুলাই অভ্যুত্থানের প্রধান নেতৃত্বের ওপর হামলায় অংশ নেওয়া স্বৈরাচারের দালালদের কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। গোপালগঞ্জ বাংলাদেশের সার্বভৌম কর্তৃত্বের অধীনে থাকা একটি জেলা। সারা বাংলাদেশ যখন একযোগে স্বৈরাচারী হাসিনাকে উৎখাত করেছে, তখন গোপালগঞ্জে হাজার-হাজার খুন, গুম ও হাজার কোটি টাকা পাচারকারী শক্তির পক্ষে কেউ প্রকাশ্য অবস্থান নিয়ে দেশপ্রেমিক ছাত্র নেতৃত্বের ওপর হামলা করবে এবং তাদের অবরুদ্ধ করে রাখবে, তা মেনে নেওয়া যায় না। দ্রুততার সঙ্গে অবরুদ্ধ নেতৃবৃন্দের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং তাদের উদ্ধার করতে জরুরি পদক্ষেপ নিতে হবে।

এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু ও সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ এক বিবৃতিতে বলেন, ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে পতিত স্বৈরাচার গত বছর ৫ আগস্ট পলায়ন করতে বাধ্য হয়। আওয়ামী ফ্যাসিস্ট সন্ত্রাসীরা এনসিপির পূর্বঘোষিত কর্মসূচিতে দফায় দফায় হামলা চালিয়েছে। এখনো রক্তের দাগ শুকায়নি, বিচার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়নি- এরই মধ্যে এনসিপি নেতাদের ওপর হামলা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকাও প্রশ্নবিদ্ধ; তারা সন্ত্রাসী হামলা রোধে কার্যকর ভূমিকা রাখতে ব্যর্থ হয়েছে। অবিলম্বে সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান তারা।

এক বিবৃতিতে ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি জাহিদুল ইসলাম ও সেক্রেটারি জেনারেল নূরুল ইসলাম সাদ্দাম বলেন, ফ্যাসিস্ট সরকারের পতনের পরও গণহত্যাকারী দলের সন্ত্রাসীরা দেশে নৈরাজ্য ও সহিংসতার মাধ্যমে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টিতে মরিয়া হয়ে উঠেছে। গোপালগঞ্জে এনসিপির পূর্বঘোষিত শান্তিপূর্ণ মিছিলের ওপর পরিকল্পিত হামলা, ককটেল বিস্ফোরণ, পুলিশের গাড়িতে অগ্নিসংযোগ কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়; বরং এটি একটি গভীর ষড়যন্ত্রের অংশ। অত্যন্ত উদ্বেগজনক হলো, স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশ বাহিনী হামলা ঠেকাতে ব্যর্থ হয়েছে। এ থেকেই স্পষ্ট হয়, এখনো প্রশাসনের একটি অংশ ফ্যাসিবাদী গোষ্ঠীর প্রতি আনুগত্যশীল হয়ে কাজ করছে। আমরা এ বর্বর হামলার তীব্র নিন্দা জানাই।

অপর এক বিবৃতিতে ১২ দলীয় জোটের নেতারা বলেন, আওয়ামী ফ্যাসিস্ট দোসররা এখন মরণকামড়ে নেমেছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিষ্ক্রিয়তার সুযোগে তারা দেশে অরাজকতা ছড়ানোর অপচেষ্টায় লিপ্ত। এসব দুষ্কৃতকারীকে কঠোর হস্তে দমন ছাড়া কোনো বিকল্প নেই। জোট নেতারা অভিযোগ করে বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতির সুযোগে আওয়ামী দোসররা এখন মরণকামড় দিয়ে অন্তর্বর্তী সরকার ও গোটা দেশকে বেকায়দায় ফেলতে চায়। এদের কঠোর হস্তে দমন করা এখন সময়ের দাবি। ভাসানী জনশক্তি পার্টির চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ রফিকুল ইসলাম বাবলু এক বিবৃতিতে হামলায় জড়িত সবাইকে আইনের আওতায় আনার আহ্বান জানান এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কোনো গাফিলতি থাকলে তা তদন্ত করতে বলেন। তিনি রাজনৈতিক সহিংসতা পরিহার করে জনগণের কল্যাণে কাজ করার পরামর্শ দেন।

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ এ ঘটনাকে ন্যক্কারজনক, গণতন্ত্রবিরোধী ও রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার প্রতি হুমকি হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক ধারায় জনগণ যখন স্বাভাবিকভাবে ফিরতে চাইছে তখন একটি গোষ্ঠী পলাতক নেত্রীর ইন্ধনে দেশে নতুন করে অস্থিতিশীলতা তৈরির ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। আজকের গোপালগঞ্জে এনসিপির শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে হামলা তারই অংশ।

গোপালগঞ্জে হামলা নিয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির বৈঠক : দেশের চলমান পরিস্থিতি ও গোপালগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা-কর্মীদের ওপর হামলার ঘটনায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল রাতে গুলশানে দলের চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বৈঠক সূত্র জানায়, গোপালগঞ্জে এনসিপির সমাবেশ এবং গাড়িবহরে আওয়ামী লীগ ও তার সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীদের হামলার ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। নেতৃবৃন্দ বলেন, ছাত্র-জনতার আন্দোলনে আওয়ামী স্বৈরাচারী শাসকগোষ্ঠীর পতনের পর দুষ্কৃতকারীরা আবারও দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টিসহ নৈরাজ্যের মাধ্যমে ফায়দা হাসিলের অপতৎপরতায় লিপ্ত হয়েছে। গোপালগঞ্জে এনসিপির পূর্ব ঘোষিত কর্মসূচির ওপর বর্বরোচিত হামলা, ককটেল বিস্ফোরণ, ইউএনওসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর গাড়িতে অগ্নিসংযোগ ও পুলিশ সদস্যদের আহত করার বর্বর ঘটনা সেই অপতৎপরতারই বহিঃপ্রকাশ।

এ ছাড়া বৈঠকে আলোচিত বর্বরোচিত সোহাগ হত্যাকাণ্ড নিয়ে বিস্তর আলোচনা হয়। বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন- স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আবদুল মঈন খান, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহউদ্দিন আহমদ, বেগম সেলিমা রহমান, মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ (বীরবিক্রম) ও ডা. এ জে ড এম জাহিদ হোসেন।

এই বিভাগের আরও খবর
সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার সিদ্ধান্ত
সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার সিদ্ধান্ত
বিচার বিভাগীয় তদন্ত হবে নুরের ওপর হামলার
বিচার বিভাগীয় তদন্ত হবে নুরের ওপর হামলার
বাংলাদেশিদের মন্দ বলা হচ্ছে কেন
বাংলাদেশিদের মন্দ বলা হচ্ছে কেন
আল্লাহ ছাড়া কেউ নির্বাচন ঠেকাতে পারবে না
আল্লাহ ছাড়া কেউ নির্বাচন ঠেকাতে পারবে না
সংস্কার দুই মাসের মধ্যে বাস্তবায়ন করতে হবে
সংস্কার দুই মাসের মধ্যে বাস্তবায়ন করতে হবে
অপেক্ষা ও কান্নায় গুম প্রতিরোধ দিবস পালিত
অপেক্ষা ও কান্নায় গুম প্রতিরোধ দিবস পালিত
বিনিয়োগ চাঙা করতে দরকার ভালো নির্বাচন
বিনিয়োগ চাঙা করতে দরকার ভালো নির্বাচন
যে প্রক্রিয়ায় এবার ভোট গ্রহণ
যে প্রক্রিয়ায় এবার ভোট গ্রহণ
নিঃস্ব থেকে হাজার কোটি টাকার মালিক
নিঃস্ব থেকে হাজার কোটি টাকার মালিক
বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্যে বিশ্বাস করে বিএনপি
বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্যে বিশ্বাস করে বিএনপি
রণক্ষেত্র কাকরাইল, উত্তপ্ত রাজনীতি
রণক্ষেত্র কাকরাইল, উত্তপ্ত রাজনীতি
ফেব্রুয়ারিতে ভোটে অনড় সরকার
ফেব্রুয়ারিতে ভোটে অনড় সরকার
সর্বশেষ খবর
ইসলামের দৃষ্টিতে সাইবার বুলিং ও ভার্চুয়াল মব
ইসলামের দৃষ্টিতে সাইবার বুলিং ও ভার্চুয়াল মব

এই মাত্র | ইসলামী জীবন

আগস্টের ৩০ দিনে এলো ২৭ হাজার কোটি টাকার রেমিট্যান্স
আগস্টের ৩০ দিনে এলো ২৭ হাজার কোটি টাকার রেমিট্যান্স

২ মিনিট আগে | অর্থনীতি

দেশের জনগণ এখন নির্বাচনমুখী, ষড়যন্ত্র করে লাভ হবে না: দুলু
দেশের জনগণ এখন নির্বাচনমুখী, ষড়যন্ত্র করে লাভ হবে না: দুলু

৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সিলেটে প্রবাসীর স্ত্রীর ঝুলন্ত লাশ, মার্কেটের ছাদ থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার
সিলেটে প্রবাসীর স্ত্রীর ঝুলন্ত লাশ, মার্কেটের ছাদ থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার

১৪ মিনিট আগে | চায়ের দেশ

চাঁদপুরে ভোক্তার অভিযানে জরিমানা
চাঁদপুরে ভোক্তার অভিযানে জরিমানা

১৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ভূমিসেবায় জনবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করা অপরিহার্য : ভূমি সচিব
ভূমিসেবায় জনবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করা অপরিহার্য : ভূমি সচিব

১৬ মিনিট আগে | জাতীয়

কুমিল্লায় গাঁজা নিয়ে কারাবন্দিদের দেখতে যাওয়ায় এক মাসের কারাদণ্ড
কুমিল্লায় গাঁজা নিয়ে কারাবন্দিদের দেখতে যাওয়ায় এক মাসের কারাদণ্ড

১৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বিএনপিই একমাত্র দল যারা বাংলাদেশকে রক্ষা করতে পারে: মির্জা ফখরুল
বিএনপিই একমাত্র দল যারা বাংলাদেশকে রক্ষা করতে পারে: মির্জা ফখরুল

১৯ মিনিট আগে | রাজনীতি

ম্যাচ জিতেও জরিমানার মুখোমুখি শ্রীলঙ্কা
ম্যাচ জিতেও জরিমানার মুখোমুখি শ্রীলঙ্কা

২৮ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

নোয়াখালীতে সড়ক দুর্ঘটনায় যুবকের মৃত্যু
নোয়াখালীতে সড়ক দুর্ঘটনায় যুবকের মৃত্যু

২৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কীর্তনখোলা থেকে অজ্ঞাত ২ লাশ উদ্ধার
কীর্তনখোলা থেকে অজ্ঞাত ২ লাশ উদ্ধার

৩০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

দাবি আদায়ে ঢাকা-কুয়াকাটা মহাসড়ক অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধের হুঁশিয়ারি
দাবি আদায়ে ঢাকা-কুয়াকাটা মহাসড়ক অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধের হুঁশিয়ারি

৩১ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

জিয়াউর রহমানের প্রথম কবরস্থানে পুষ্পস্তবক অর্পণ
জিয়াউর রহমানের প্রথম কবরস্থানে পুষ্পস্তবক অর্পণ

৪০ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

দুই দফা দাবিতে লাগাতার চলছে জবি শিক্ষার্থীদের অবস্থান কর্মসূচি
দুই দফা দাবিতে লাগাতার চলছে জবি শিক্ষার্থীদের অবস্থান কর্মসূচি

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

যমুনায় এনসিপির প্রতিনিধি দল
যমুনায় এনসিপির প্রতিনিধি দল

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নাশকতা ও হত্যাচেষ্টার মামলায় অব্যাহতি পেলেন মির্জা ফখরুল
নাশকতা ও হত্যাচেষ্টার মামলায় অব্যাহতি পেলেন মির্জা ফখরুল

১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

মিরসরাইয়ে বসতঘরে ডাকাতি
মিরসরাইয়ে বসতঘরে ডাকাতি

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ভারতকে কাঁদিয়ে বাংলাদেশের জয়
ভারতকে কাঁদিয়ে বাংলাদেশের জয়

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নারায়ণগঞ্জে ছুরিকাঘাতে হত্যার দায়ে যুবকের যাবজ্জীবন
নারায়ণগঞ্জে ছুরিকাঘাতে হত্যার দায়ে যুবকের যাবজ্জীবন

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগে কেন্দ্রীয় কমিটি গঠন
প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগে কেন্দ্রীয় কমিটি গঠন

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ঢাবি ছাত্রলীগের সেক্রেটারি সৈকত আবারও রিমান্ডে
ঢাবি ছাত্রলীগের সেক্রেটারি সৈকত আবারও রিমান্ডে

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

জাপানে ২০১১ সালের ভয়াবহ ভূমিকম্প–সুনামির রহস্য উন্মোচনে বিজ্ঞানীদের অভিযান
জাপানে ২০১১ সালের ভয়াবহ ভূমিকম্প–সুনামির রহস্য উন্মোচনে বিজ্ঞানীদের অভিযান

১ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

বাংলাদেশকে ৫.৯ মিলিয়ন ডলার অনুদান দেবে দক্ষিণ কোরিয়া
বাংলাদেশকে ৫.৯ মিলিয়ন ডলার অনুদান দেবে দক্ষিণ কোরিয়া

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দেশের প্রথম রোবোটিক রিহ্যাবিলিটেশন সেন্টার চালু
দেশের প্রথম রোবোটিক রিহ্যাবিলিটেশন সেন্টার চালু

১ ঘণ্টা আগে | হেলথ কর্নার

ব্রাজিলিয়ান ডিফেন্ডারের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ সাবেক বান্ধবীর
ব্রাজিলিয়ান ডিফেন্ডারের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ সাবেক বান্ধবীর

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

৬০ হাজার ইয়াবাসহ গ্রেফতার ১
৬০ হাজার ইয়াবাসহ গ্রেফতার ১

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চট্টগ্রামে শিশু ও তরুণীকে ধর্ষণ, গ্রেফতার দুই
চট্টগ্রামে শিশু ও তরুণীকে ধর্ষণ, গ্রেফতার দুই

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

দেশে প্রথম সবুজ জ্বালানির ব্যবহারে ডেটা সেন্টার চালু করল বাংলালিংক
দেশে প্রথম সবুজ জ্বালানির ব্যবহারে ডেটা সেন্টার চালু করল বাংলালিংক

২ ঘণ্টা আগে | কর্পোরেট কর্নার

২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে চারজনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৫৬৮
২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে চারজনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৫৬৮

২ ঘণ্টা আগে | ডেঙ্গু আপডেট

সাবেক মন্ত্রী আব্দুল আলীমের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা
সাবেক মন্ত্রী আব্দুল আলীমের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
এবার নির্বাচন করছি আমি: তামিম ইকবাল
এবার নির্বাচন করছি আমি: তামিম ইকবাল

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হাসনাত আবদুল্লাহর জন্য উপহার পাঠালেন রুমিন ফারহানা
হাসনাত আবদুল্লাহর জন্য উপহার পাঠালেন রুমিন ফারহানা

৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

রামদা দিয়ে কুপিয়ে ছাদ থেকে দুই শিক্ষার্থীকে ফেলে দিল 'স্থানীয়রা', উত্তপ্ত চবি
রামদা দিয়ে কুপিয়ে ছাদ থেকে দুই শিক্ষার্থীকে ফেলে দিল 'স্থানীয়রা', উত্তপ্ত চবি

২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ভারতে চীনা পণ্য বয়কটের ডাক
ভারতে চীনা পণ্য বয়কটের ডাক

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয় ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ
জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয় ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ

২৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

স্বর্ণের দাম আরও বাড়লো
স্বর্ণের দাম আরও বাড়লো

২১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

বিমানবন্দর সড়কের ৭ অংশে রবিবার চালু হচ্ছে সিগন্যাল ব্যবস্থা
বিমানবন্দর সড়কের ৭ অংশে রবিবার চালু হচ্ছে সিগন্যাল ব্যবস্থা

২১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

রাকসু নির্বাচন ঘিরে দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত বেশ কয়েকজন
রাকসু নির্বাচন ঘিরে দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত বেশ কয়েকজন

৫ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিললো ১২ কোটি ৯ লাখ ৩৭ হাজার টাকা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিললো ১২ কোটি ৯ লাখ ৩৭ হাজার টাকা

২২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ছেলের জন্মদিনের উপহার নিয়ে ঝগড়া, স্ত্রী ও শাশুড়িকে হত্যা করল স্বামী
ছেলের জন্মদিনের উপহার নিয়ে ঝগড়া, স্ত্রী ও শাশুড়িকে হত্যা করল স্বামী

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘জাতীয় পার্টির ভেতর দিয়ে আওয়ামী লীগকে ফেরানোর পরিকল্পনা চলছে’
‘জাতীয় পার্টির ভেতর দিয়ে আওয়ামী লীগকে ফেরানোর পরিকল্পনা চলছে’

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মধ্যরাতে চবি এলাকায় শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের সংঘর্ষ
মধ্যরাতে চবি এলাকায় শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের সংঘর্ষ

১৪ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

মাকে অমানবিক নির্যাতনের ভিডিও ভাইরাল, ছেলে-বউসহ আটক ৫
মাকে অমানবিক নির্যাতনের ভিডিও ভাইরাল, ছেলে-বউসহ আটক ৫

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ভ্রমণবিলাসী সাইফুজ্জামান পাচার করেছেন ৬২০০ কোটি টাকা
ভ্রমণবিলাসী সাইফুজ্জামান পাচার করেছেন ৬২০০ কোটি টাকা

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

চবি এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি
চবি এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি

৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বিএনপির বৈঠকের সময় পরিবর্তন
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বিএনপির বৈঠকের সময় পরিবর্তন

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ছেলের সঙ্গে মারামারি গড়াল ডিএনএ পরীক্ষায়, জানলেন সন্তানদের বাবা নন তিনি
ছেলের সঙ্গে মারামারি গড়াল ডিএনএ পরীক্ষায়, জানলেন সন্তানদের বাবা নন তিনি

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গাজা যুদ্ধে ৯০০ ইসরায়েলি সেনা নিহত
গাজা যুদ্ধে ৯০০ ইসরায়েলি সেনা নিহত

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারত সফরের পরিকল্পনা বাতিল করেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প
ভারত সফরের পরিকল্পনা বাতিল করেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

২ হাজার ট্রেইনি কনস্টেবল নিয়োগ দিতে যাচ্ছে পুলিশ
২ হাজার ট্রেইনি কনস্টেবল নিয়োগ দিতে যাচ্ছে পুলিশ

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

চীনে পৌঁছেছেন পুতিন
চীনে পৌঁছেছেন পুতিন

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাক্কোদার পাহাড়ে আজও ‘শোনা যায়’ ১৯৯ সেনার মৃত্যুর আর্তনাদ!
হাক্কোদার পাহাড়ে আজও ‘শোনা যায়’ ১৯৯ সেনার মৃত্যুর আর্তনাদ!

৪ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

ফেব্রুয়ারির আগেই হাসিনার বিচার দেখতে পাবে দেশবাসী : চিফ প্রসিকিউটর
ফেব্রুয়ারির আগেই হাসিনার বিচার দেখতে পাবে দেশবাসী : চিফ প্রসিকিউটর

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

উন্নত প্রযুক্তির স্যাটেলাইট উন্মোচন করল ইরান
উন্নত প্রযুক্তির স্যাটেলাইট উন্মোচন করল ইরান

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ওষুধে কমিশন বাণিজ্যের দুঃসহ বোঝা রোগীর ঘাড়ে
ওষুধে কমিশন বাণিজ্যের দুঃসহ বোঝা রোগীর ঘাড়ে

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নেদারল্যান্ডসকে হেসেখেলে হারাল টাইগাররা
নেদারল্যান্ডসকে হেসেখেলে হারাল টাইগাররা

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

পূর্বাচলে হচ্ছে চার নতুন থানা
পূর্বাচলে হচ্ছে চার নতুন থানা

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

এনআইডি সংশোধন আবেদন বাতিল হওয়াদের ফের সুযোগ
এনআইডি সংশোধন আবেদন বাতিল হওয়াদের ফের সুযোগ

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইংল্যান্ডে গাড়ির কাঁচ মুছে টাকা দাবি, ‘ভারতীয়’ শিক্ষার্থীর ভিডিও ভাইরাল
ইংল্যান্ডে গাড়ির কাঁচ মুছে টাকা দাবি, ‘ভারতীয়’ শিক্ষার্থীর ভিডিও ভাইরাল

৪ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

সালমানের ব্যাটে ৬ বলে ৬ ছক্কা, ১২ বলে ১১: শেষ ২ ওভারে উঠল ৭১ রান
সালমানের ব্যাটে ৬ বলে ৬ ছক্কা, ১২ বলে ১১: শেষ ২ ওভারে উঠল ৭১ রান

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রিন্ট সর্বাধিক
নিঃস্ব থেকে হাজার কোটি টাকার মালিক
নিঃস্ব থেকে হাজার কোটি টাকার মালিক

প্রথম পৃষ্ঠা

রণক্ষেত্র কাকরাইল, উত্তপ্ত রাজনীতি
রণক্ষেত্র কাকরাইল, উত্তপ্ত রাজনীতি

প্রথম পৃষ্ঠা

বাড়ছে পোশাকের ক্রয়াদেশ
বাড়ছে পোশাকের ক্রয়াদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

বাংলাদেশিদের মন্দ বলা হচ্ছে কেন
বাংলাদেশিদের মন্দ বলা হচ্ছে কেন

প্রথম পৃষ্ঠা

যে প্রক্রিয়ায় এবার ভোট গ্রহণ
যে প্রক্রিয়ায় এবার ভোট গ্রহণ

প্রথম পৃষ্ঠা

আতঙ্ক বাড়াচ্ছে আগ্নেয়াস্ত্র
আতঙ্ক বাড়াচ্ছে আগ্নেয়াস্ত্র

নগর জীবন

ফেব্রুয়ারিতে ভোটে অনড় সরকার
ফেব্রুয়ারিতে ভোটে অনড় সরকার

প্রথম পৃষ্ঠা

২০ পরিবারের ১১ ব্যক্তিগত সাঁকো!
২০ পরিবারের ১১ ব্যক্তিগত সাঁকো!

পেছনের পৃষ্ঠা

আভিজাত্যের সেই নাচঘর
আভিজাত্যের সেই নাচঘর

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির মনোনয়ন চান তিনজন জামায়াতের হোসেন আলী
বিএনপির মনোনয়ন চান তিনজন জামায়াতের হোসেন আলী

নগর জীবন

আলমারিবন্দি সম্পদের হিসাব
আলমারিবন্দি সম্পদের হিসাব

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির চার প্রার্থী, চূড়ান্ত জামায়াত গণসংযোগে এনপিপির ফরহাদ
বিএনপির চার প্রার্থী, চূড়ান্ত জামায়াত গণসংযোগে এনপিপির ফরহাদ

নগর জীবন

স্ত্রী-সন্তান কারাগারে, স্বামীর আত্মহত্যা
স্ত্রী-সন্তান কারাগারে, স্বামীর আত্মহত্যা

পেছনের পৃষ্ঠা

সংস্কার দুই মাসের মধ্যে বাস্তবায়ন করতে হবে
সংস্কার দুই মাসের মধ্যে বাস্তবায়ন করতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

বাংলাদেশ পাত্তাই দিল না নেদারল্যান্ডসকে
বাংলাদেশ পাত্তাই দিল না নেদারল্যান্ডসকে

মাঠে ময়দানে

সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার সিদ্ধান্ত
সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার সিদ্ধান্ত

প্রথম পৃষ্ঠা

রাকসুতে প্যানেল দিতে পারছে না কোনো পক্ষ
রাকসুতে প্যানেল দিতে পারছে না কোনো পক্ষ

পেছনের পৃষ্ঠা

বিশ্বমানের সেবায় ঢেলে সাজানো হচ্ছে স্বাস্থ্য খাত
বিশ্বমানের সেবায় ঢেলে সাজানো হচ্ছে স্বাস্থ্য খাত

বিশেষ আয়োজন

ছয় টেস্ট ক্রিকেটার নিয়ে ইনিংস ব্যবধানে হারল ‘এ’ দল
ছয় টেস্ট ক্রিকেটার নিয়ে ইনিংস ব্যবধানে হারল ‘এ’ দল

মাঠে ময়দানে

ভিকারুননিসায় মোনালিসা বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত
ভিকারুননিসায় মোনালিসা বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

নগর জীবন

আশরাফুলদের বড় জয়
আশরাফুলদের বড় জয়

মাঠে ময়দানে

মিশে গেছেন মিচেল
মিশে গেছেন মিচেল

মাঠে ময়দানে

আমরণ অনশনের হুঁশিয়ারি প্রাথমিক শিক্ষকদের
আমরণ অনশনের হুঁশিয়ারি প্রাথমিক শিক্ষকদের

পেছনের পৃষ্ঠা

জোয়াও ফেলিক্সের অভিষেকেই হ্যাটট্রিক
জোয়াও ফেলিক্সের অভিষেকেই হ্যাটট্রিক

মাঠে ময়দানে

১৪ হাজারের ক্লাবে কাইরন পোলার্ড
১৪ হাজারের ক্লাবে কাইরন পোলার্ড

মাঠে ময়দানে

কিংবদন্তি ফেদেরারকে ছাড়িয়ে জকোভিচ
কিংবদন্তি ফেদেরারকে ছাড়িয়ে জকোভিচ

মাঠে ময়দানে

মব জাস্টিস, চাঁদাবাজি-দখল ও নির্বাচন প্রসঙ্গ
মব জাস্টিস, চাঁদাবাজি-দখল ও নির্বাচন প্রসঙ্গ

সম্পাদকীয়

ত্রিভুবনের প্রিয় মুহাম্মদ এলো রে দুনিয়ায়
ত্রিভুবনের প্রিয় মুহাম্মদ এলো রে দুনিয়ায়

সম্পাদকীয়

বিনিয়োগ চাঙা করতে দরকার ভালো নির্বাচন
বিনিয়োগ চাঙা করতে দরকার ভালো নির্বাচন

প্রথম পৃষ্ঠা

বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ
বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ

নগর জীবন