শিরোনাম
প্রকাশ : শুক্রবার, ২ আগস্ট, ২০১৯ ০০:০০ টা
আপলোড : ১ আগস্ট, ২০১৯ ২২:১৫

পোশাকে উৎসবের ছোঁয়া

পোশাকে উৎসবের ছোঁয়া
♦ মডেল : জেরিন ও দিবা ♦ পোশাক : গ্রামীণ ইউনিক্লো ♦ মেকওভার : সোনিয়া খান ♦ ছবি : রনি বাউল

কোরবানির ঈদ বলে তো আর আনন্দের  কমতি নেই। বাজেট কম বেশি যাই হোক- সবাই চায় ট্রেন্ডি পোশাকের ঈদ উৎসব। ফ্যাশন পাড়ার পন্ডিতরাও তাই ঈদ পোশাকে রাখছেন বৈচিত্র্যের ছোঁয়া।

 

ফ্যাশন সব সময়ই প্রবাহমান। ঘুরে-ফিরে আসা পুরনো দেশীয় ফ্যাশনে নতুনত্ব আনতে ফ্যাশন ডিজাইনাররা নানা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে চলেছেন। আর বিদেশি ফ্যাশনে বদলাচ্ছে মানুষের ফ্যাশন বিষয়ক চিন্তা-ভাবনা। ঈদ বা উৎসবগুলোতে তারই প্রমাণ। দেশীয় পোশাকে আন্তর্জাতিক উপকরণ আর নকশার মিশ্রণে

প্রতিনিয়ত সমৃদ্ধ হচ্ছে লাইফস্টাইল ব্র্যান্ডগুলোর আউটলেট। যেহেতু ঈদ, তাই পোশাকে থাকবে রং, কাট ও আধুনিকতার মিশেল।

 

ঈদে সিঙ্গেল কামিজ, পালাজ্জো, ন্যারো শেপ প্যান্ট, লেগিংস বা স্কার্টে নিজেকে ধরা দিয়ে থাকে অনেক উঠতি বয়সের তরুণী। শাড়ি বা সালোয়ার-কামিজ না পরে অনেকে ধুতি-সালোয়ার, ট্রাউজারের সঙ্গে বেছে নিচ্ছে রকমফের টপ। মাঝেসাঝে শার্ট, টি-শার্টে মেতে ওঠেন অনেক তরুণী। স্লি­ভ ডিজাইনে বৈচিত্র্য নিয়ে স্লি­মফিট কাটের পোশাক বেছে নিচ্ছেন অনেকেই। সঙ্গে চামড়ার জুতো, বেল্ট আর এক্সেসরিজে পাল্টে দিয়েছে বর্তমান তরুণীদের ফ্যাশন ট্রেন্ড।

 

এবারের কোরবানির ঈদেও তেমনি বৈচিত্র্যময় পোশাকের দেখা মিলছে শপিং মলগুলোতে। ফেব্রিক ভেরিয়েশনের পাশাপাশি এতে থাকছে প্রাচীন ভারতীয় ও মরোক্কান ঐতিহ্যের ছোঁয়া। কামিজের ঘের হচ্ছে নানা রকম। সম্ভবত দেশি ধাঁচের পোশাকগুলোই ঈদের প্রথম দিনে বেশি পরা হয়। তবে ঈদ পোশাকের তালিকায় যে পাশ্চাত্য পোশাকও থাকবে, সে বিষয়টি নিশ্চিত করলেন অনেক ডিজাইনার।

 

ফ্যাশন বোদ্ধাদের মতে, কাপড় যেমনই হোক না কেন, এর কাটিং আর প্যাটার্নে পশ্চিমা প্যাটার্ন রাখাটা যেন হাল আমলের ফ্যাশনে পরিণত হয়েছে। তবে এই ঈদে গরমের জন্য হালকা রংগুলো পোশাকে এনেছি। থাকছে কারচুপি, অ্যামব্রয়ডারি, সিকোয়েন্স, ডিজিটাল প্রিন্টসহ নানারকম নিরীক্ষাধর্মী কাজ। তরুণীরা উজ্জ্বল রঙের পোশাকের প্রতি আকৃষ্ট হচ্ছে বেশি।

 

ফ্যাশনের বয়সীদের পছন্দের শীর্ষে কুর্তা। যেমন আরামদায়ক তেমনি ঢিলেঢালা। আর এই পোশাকে নানা রঙে ঢঙে নিজেকে সাজিয়ে তোলা সম্ভব। ক্যাজুয়াল অথবা ফরমাল যে কোনো স্টাইলের সঙ্গেই এই পোশাকটি বেশ মানানসই। তাই তো এবারের ঈদে জিন্স, লেগিংস ছাড়া ঢিলা সালোয়ারের সঙ্গেও কুর্তা বেছে নিচ্ছেন উঠতি বয়সের তরুণীরা। এ ছাড়া কামিজেও ফ্যাশনেবল লুক আনা যায় খুব সহজেই। শুধু মানানসই রং আর ডিজাইনের সালোয়ার ও ওড়না জড়ালেই হয়ে উঠতে পারেন অনন্য।

 

বিভিন্ন কাটের সুতি কাপড়ের কুর্তা মিলবে বাজারে। সুতার কাজ করা, ব্লক, অ্যামব্রয়ডারি, টাইডাই করা পোশাকে আপনাকে লাগবে অনন্য। এ সময়ের তরুণীরা রঙিন পোশাককে বেশি প্রাধান্য দেন। সবুজ, লাল, হলুদ, ফিরোজা, কমলা, গোলাপি, মেরুন, নীলের মতো উজ্জ্বল রং উৎসবকে করে তোলে আরও রঙিন। পাশাপাশি চলছে লম্বা টপ বা কামিজে অসমান দৈর্ঘ্য অর্থাৎ সামনে বেশি ঘের, পেছনে কম, আবার পেছনে বেশি, সামনে কম ঘেরের নকশার পোশাক।

ফতুয়া বা কুর্তায় থাকছে অসমান কাট।

গরমের কারণে এবার স্লি­ভলেস পোশাক বেশ চলছে, তাই কিছু পোশাকের হাতায় নতুনত্ব আনতে করা হয়েছে পাইপিংয়ের ব্যবহার।

কামিজ আর টপের লম্বা হাতায় থাকছে লেস। পালাজ্জোর সঙ্গে লম্বা জ্যাকেট বেশ চলবে। স্কার্ট কিংবা পালাজ্জোর ওপরে লম্বা জ্যাকেট বা কেপ বেশ চলবে এবার। ভিতরে আপনি ছোট কুর্তি কিংবা ট্যাংক টপ পরতে পারেন। হাতকাটা ম্যাক্সি ড্রেসের ওপরে লম্বা সামার জর্জেট জ্যাকেট বা কেপ ভিন্নতা আনবে।


আপনার মন্তব্য