শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, মঙ্গলবার, ০৭ এপ্রিল, ২০২৬ আপডেট: ২৩:৩২, সোমবার, ০৬ এপ্রিল, ২০২৬

হাম প্রতিরোধ জরুরি

অধ্যাপক ডা. এ বি এম আবদুল্লাহ
প্রিন্ট ভার্সন
হাম প্রতিরোধ জরুরি

বাংলাদেশে সাম্প্রতিক সময়ে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে হামের প্রাদুর্ভাব বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে এর অস্বাভাবিক বিস্তারে। রোগটি অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাসজনিত, যা শিশুদের জন্য খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। সময়মতো চিকিৎসা না পেলে নিউমোনিয়া, ডায়রিয়া, এমনকি মৃত্যুও ঘটতে পারে। অথচ রোগটি প্রতিরোধযোগ্য, যা টিকা দেওয়ার মাধ্যমে সহজেই নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। টিকাদান কর্মসূচিতে অনিয়ম, জনসচেতনতার অভাব এবং কিছু ক্ষেত্রে টিকা না নেওয়ার প্রবণতা বা নিয়মিত ঠিকাদান কর্মসূচিতে শিথিলতা ও ব্যর্থতা, টিকা নিয়ে ভ্রান্ত ধারণা বা অনীহা এ বৃদ্ধির প্রধান কারণ।

হামের ইতিহাস : হাম একটি অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ, যার ইতিহাস অনেক পুরোনো। রোগটি খ্রিস্টপূর্ব চতুর্থ শতাব্দীতে বা তার পরে গবাদি পশুর ‘রিন্ডারপেন্ট’ ভাইরাস থেকে বিবর্তিত হয়ে মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে বলে ধারণা করা হয়। এটি মানুষের মধ্যে আসার পর মিউটেশনের মাধ্যমে পুরোপুরি মানুষের ভাইরাসে পরিণত হয় এবং হাজার বছর ধরে মানুষেকে আক্রান্ত করছে। ১৮৪৬ সালে ফ্যারো দ্বীপপুঞ্জে হামের মহামারির সময় ডেনিশ চিকিৎসক পিটার প্যানাম প্রমাণ করেন যে হামের পর দীর্ঘস্থায়ী প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি হয়। ১৮৫০-এর দশকে হাওয়াই এবং ১৮৭৫ সালে ফিজিতে হামের মহামারিতে অনেক মানুষ মারা যায়। ১৮শ-১৯শ শতকে ইউরোপ ও আমেরিকায় হাম মহামারি আকারে ছড়ায়। নবম শতকে পারস্যের বিখ্যাত চিকিৎসক আল রাজি প্রথম হাম রোগকে আলাদা করে বর্ণনা করেন। তিনি হাম ও গুটি বসন্তের পার্থক্য ব্যাখ্যা করেন। ১৯৫৪ সালে বিজ্ঞানী জন এফ এন্ডার্স  হাম ভাইরাস আলাদা করতে সক্ষম হন। এরপর হাম প্রতিরোধে টিকা তৈরির কাজ শুরু হয়।

টিকা আবিষ্কার : ১৯৬৩ সালে থমাস পিবলস এবং জন এন্ডার্স হামের প্রথম টিকা আবিষ্কার করেন, যা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সহায়তায় দ্রুত বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়ে। পরে উন্নত সংস্করণ তৈরি হয় এবং বিশ্বব্যাপী টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়। টিকা দেওয়ার ফলে বিশ্বজুড়ে হামের প্রকোপ উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। তবে এখনো অনুন্নত ও উন্নয়নশীল দেশগুলোতে এটি একটি প্রধান স্বাস্থ্যঝুঁকি হিসেবে রয়ে গেছে।

হামের কারণ : হাম মূলত ‘মিজলস’ নামের এক অতি সংক্রামক ভাইরাস দ্বারা বায়ুবাহিত সংক্রমিত রোগ, যা মানুষের শ্বাসনালির মাধ্যমে শরীরে প্রবেশ করে। আক্রান্ত ব্যক্তি কাশি বা হাঁচি দিলে বাতাসে ছড়িয়ে পড়া ভাইরাসটি ড্রপলেটের মাধ্যমে অন্যদের মধ্যে সংক্রমিত হয়। আক্রান্ত ব্যক্তির কাছাকাছি বা সংস্পর্শে থাকা এমনকি রোগীর ব্যবহৃত জিনিসপত্র থেকেও ছড়াতে পারে। ভাইরাসটি মারাত্মক সংক্রামক, একজন আক্রান্ত রোগী ১৫ থেকে ১৮ জন সুস্থ মানুষকে তা ছড়াতে পারে।

ঝুঁকিতে কারা : ৫ বছরের কম বয়সি শিশুদের হাম বেশি হয়, বিশেষ করে টিকা না পাওয়া ৩  থেকে ১০ মাস বয়সি শিশুদের মধ্যেও হামের প্রবণতা বেশি দেখা যাচ্ছে। যেসব শিশু অপুষ্টিতে ভোগে, মায়ের দুধ পায়নি, দুর্বল রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম সম্পন্ন শিশু এবং অন্যান্য কোমরবিডিটি বা দীর্ঘমেয়াদি রোগে আক্রান্ত, তাদের সংক্রমণের ঝুঁকিও বেশি এবং প্রাণঘাতীও। শরীরে ভিটামিন ‘এ’র অভাব হামের তীব্রতা বাড়িয়ে দেয়, এমনকি অন্ধত্ব বা নিউমোনিয়ার ঝুঁকি বৃদ্ধি করে।

হামের লক্ষণ : সংক্রমণের ৭ থেকে ১৪ দিনের মধ্যে লক্ষণ প্রকাশ পায়। প্রথমে উচ্চ জ্বর, নাক দিয়ে পানি পড়া, শুষ্ক কাশি, চোখ লাল হওয়া ও পানি পড়া এবং মুখের ভিতর সাদা দাগ দেখা দেয়, যাকে বলে কপলিক স্পট। ৩ থেকে ৫ দিনের মধ্যে সারা শরীরে লাল ঘামাচির মতো ফুসকুঁড়ি বা র‌্যাশ দেখা দেয়। ফুসকুঁড়ি ওঠার ৪ দিন আগে থেকে এবং আরও ৪ দিন পর্যন্ত আক্রান্ত ব্যক্তি অন্যদের সংক্রমিত করতে পারে। কোনো জটিলতা না হলে রোগ সারতে ১০ থেকে ১৪ দিন লাগতে পারে।

হামের জটিলতা : হাম ভাইরাসজনিত রোগ হলেও অনেক ক্ষেত্রে গুরুতর জটিলতা তৈরি করতে পারে। বিশেষ করে শিশু, অপুষ্টিতে ভোগা ও দুর্বল রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাসম্পন্নদের মধ্যে। হামে আক্রান্ত রোগীর দুর্বলতা অনেক বেশি এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও কমে যায়।

(১) নিউমোনিয়া : হামের সবচেয়ে মারাত্মক জটিলতা। রোগীর শ্বাসকষ্ট, কাশি ও বুকে ব্যথা দেখা যায়। নিউমোনিয়া শিশু মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ।

(২) ডায়রিয়া ও পানিশূন্যতা : ঘন ঘন পাতলা পায়খানা এবং শরীরে পানি ও লবণের ঘাটতি হয়।

(৩) অপুষ্টি ও দুর্বলতা : অসুস্থ থাকার ফলে শরীর দুর্বল হয়ে পড়ে, শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাওয়া এবং শিশুর বৃদ্ধি ব্যাহত হতে পারে।

(৪) চোখের সমস্যা : লাল হওয়া, পানি পড়া এবং  গুরুতর ক্ষেত্রে অন্ধত্বও হতে পারে, বিশেষত ভিটামিন ‘এ’র অভাবে।

(৫) মুখে ঘা এবং কানে ইনফেকশন : এ সময় কানে ব্যথা, কান পাকা ও পুঁজ হতে পারে। কখনো কখনো স্থায়ী শ্রবণশক্তি হ্রাস হতে পারে।

(৬)  এনসেফালাইটিস বা মস্তিষ্কের প্রদাহ : এটি বিরল কিন্তু খুবই বিপজ্জনক। খিঁচুনি, অজ্ঞান হওয়া, এমনকি রোগীর মৃত্যুও হতে পারে। দীর্ঘমেয়াদে মানসিক বা স্নায়ুবিক সমস্যা থাকতে পারে।

(৭) সাব-অ্যাকিউট সেক্লরোসিং প্যানএনসেফালাইটিস : বিরল কিন্তু মারাত্মক, কয়েক বছর দেরিতে দেখা দেওয়া জটিলতা, যা  মস্তিষ্কের গুরুতর ক্ষতি করে।

শনাক্তকরণের পরীক্ষা : রোগীর লক্ষণ দেখেই রোগ শনাক্ত করা যায়, খুব বেশি পরীক্ষার প্রয়োজন নেই। তবে কোনো কোনো ক্ষেত্রে বা গবেষণার ক্ষেত্রে নিম্নলিখিত পরীক্ষা করা যেতে পারে যেমন :

(১) রক্তে আইজিএম অ্যান্টিবডি।

(২) আরটি-পিসিআর :  গলা বা নাকের সোয়াব, কখনো কখনো প্রস্রাব থেকে হামের ভাইরাস শনাক্ত করা হয়।

টিকা নিলেও কি হাম হতে পারে : অনেক সময় টিকা নেওয়ার পর শরীরে আশানুরূপ হাম প্রতিরোধক অ্যান্টিবডি তৈরি না হলেও সে পুনরায় হামে আক্রান্ত হতে পারে।

চিকিৎসা ও করণীয় : নির্দিষ্ট কোনো অ্যান্টিভাইরাল চিকিৎসা নেই, লক্ষণ অনুযায়ী চিকিৎসা করা হয়। বিশ্রাম, পর্যাপ্ত পানি ও তরল জাতীয় খাদ্য এবং জ্বর কমানোর জন্য প্যারাসিটামল, পুষ্টিকর খাবার ও ভিটামিন-এ সমৃদ্ধ খাবার দিতে হবে। পাশাপাশি চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী পরপর দুই দিন দুটি উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন ভিটামিন এ ক্যাপসুল বয়স অনুযায়ী সঠিক ডোজে খাওয়াতে হবে।

শিশুর শরীরে র‌্যাশ দেখা দেওয়ার দিন থেকে অন্তত পাঁচ দিন অন্যদের কাছ থেকে আলাদা রাখতে হবে। নিয়মিত সাবান দিয়ে হাত ধোয়া,  মাস্ক ব্যবহার এবং কাশি-হাঁচির সময় মুখ ঢেকে রাখতে হবে।

জ্বর বেশি হলে বা জটিলতা যেমন শ্বাসকষ্ট, বমি, পাতলা পায়খানা, খিঁচুনি, নিস্তেজ হয়ে পড়া, ইত্যাদি দেখা দিলে হাসপাতালে ভর্তি করাতে হবে। নিউমোনিয়াসহ অন্য কোনো জটিলতা দেখা দিলে প্রয়োজনে আইসিইউতে ভর্তি করাতে হবে। কোনো শিশুর জ্বর এবং শরীরে র‌্যাশ দেখা দিলে তা হাম হোক বা না হোক, চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

প্রতিরোধের উপায় : হামকে সাধারণ রোগ মনে করা হলেও অবহেলার কারণে এটি প্রাণঘাতী জটিলতা তৈরি করতে পারে। এমনকি রোগীর মৃত্যুও হতে পারে। রোগটি শিশুর শরীরের প্রতিরোধ ক্ষমতা ভেঙে দেয়, ফলে নিউমোনিয়া, ডায়রিয়া, এমনকি মস্তিষ্কের প্রদাহে জটিলতা তৈরি করে। হাম প্রতিরোধের সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো সময়মতো টিকা গ্রহণ, যা সবচেয়ে নিরাপদ। বাংলাদেশে টিকাদান কর্মসূচিতে পাঁচ বছরের কম বয়সি শিশুদের দুবার ‘এমআর’ টিকা দেওয়া হয়। প্রথমটি ৯ মাস বয়সে আর দ্বিতীয়টি ১৫ মাস বয়সে।  সময়মতো দুই ডোজ টিকা নিলে ৯৭% পর্যন্ত সুরক্ষা পাওয়া সম্ভব।

হাম থেকে রক্ষার জন্য শতভাগ শিশুর হামের টিকা গ্রহণ নিশ্চিত করা, যেসব শিশু টিকার আওতার বাইরে রয়েছে তাদের দ্রুত শনাক্ত করে টিকার আওতায় আনতে হবে। মা বাবা এবং অভিভাবকসহ জনসচেতনতা বৃদ্ধি, বাচ্চার পুষ্টি উন্নয়ন এবং নিয়মিত স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা খুবই জরুরি। গণমাধ্যম, সামাজিক মাধ্যম এবং স্থানীয় প্রশাসনকে সমন্বয়ের মাধ্যমে একসঙ্গে কাজকর্ম চালাতে হবে।

লেখক : ইমেরিটাস অধ্যাপক ও মেডিসিন বিশেষজ্ঞ।

 

এই বিভাগের আরও খবর
ডায়াবেটিস রোগীর কাঁধে ব্যথা
ডায়াবেটিস রোগীর কাঁধে ব্যথা
দৈহিক স্থূলতা আসলে কী?
দৈহিক স্থূলতা আসলে কী?
হৃদরোগের সাতকাহন
হৃদরোগের সাতকাহন
হামের লক্ষণ ও প্রতিকার
হামের লক্ষণ ও প্রতিকার
হিটস্ট্রোকে করণীয়
হিটস্ট্রোকে করণীয়
ক্ষণিকের ব্যথা এনজিনা
ক্ষণিকের ব্যথা এনজিনা
ভাইরাস প্রতিরোধে সহজ উপায় খুঁজছে বিজ্ঞানীরা
ভাইরাস প্রতিরোধে সহজ উপায় খুঁজছে বিজ্ঞানীরা
পিঠের ব্যথায় করণীয়
পিঠের ব্যথায় করণীয়
ঈদের দিনের খাবারদাবার
ঈদের দিনের খাবারদাবার
ঈদের আনন্দ ও খাওয়া দাওয়া
ঈদের আনন্দ ও খাওয়া দাওয়া
ইফতারে রাখুন ফলমূল
ইফতারে রাখুন ফলমূল
পুষ্টিবিদের পরামর্শ
পুষ্টিবিদের পরামর্শ
সর্বশেষ খবর
নওগাঁয় প্রাইভেটকার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ব্রিজে ধাক্কা, নিহত ২
নওগাঁয় প্রাইভেটকার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ব্রিজে ধাক্কা, নিহত ২

২ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

মক্কার জাদুঘরে প্রদর্শিত হচ্ছে ৬০ পৃষ্ঠার হাতে লেখা কোরআন
মক্কার জাদুঘরে প্রদর্শিত হচ্ছে ৬০ পৃষ্ঠার হাতে লেখা কোরআন

৫১ মিনিট আগে | ইসলামী জীবন

রিয়ালকে উড়িয়ে টানা দ্বিতীয়বার লিগ চ্যাম্পিয়ন বার্সেলোনা
রিয়ালকে উড়িয়ে টানা দ্বিতীয়বার লিগ চ্যাম্পিয়ন বার্সেলোনা

৫৭ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

প্রথমবারের মতো কিং আবদুল আজিজ কোরআন প্রতিযোগিতায় সুযোগ পাচ্ছেন নারীরা
প্রথমবারের মতো কিং আবদুল আজিজ কোরআন প্রতিযোগিতায় সুযোগ পাচ্ছেন নারীরা

১ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

তেজগাঁও এলাকায় অভিযানে গ্রেফতার ৬৫
তেজগাঁও এলাকায় অভিযানে গ্রেফতার ৬৫

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ওপেনএআইয়ের নতুন মূল্য নীতিতে বদলে যাচ্ছে প্রযুক্তি বাজার
ওপেনএআইয়ের নতুন মূল্য নীতিতে বদলে যাচ্ছে প্রযুক্তি বাজার

২ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

জাপানে রেকর্ড সংখ্যক সেলুন দেউলিয়া
জাপানে রেকর্ড সংখ্যক সেলুন দেউলিয়া

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাফ শিরোপা জেতায় র‌্যাংকিংয়ে এগিয়েছে বাংলাদেশ নারী ফুটসাল দল
সাফ শিরোপা জেতায় র‌্যাংকিংয়ে এগিয়েছে বাংলাদেশ নারী ফুটসাল দল

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সৌরজগতের দূরবর্তী বরফাচ্ছন্ন মহাজাগতিক বস্তুর চারপাশে মিলল বায়ুমণ্ডল
সৌরজগতের দূরবর্তী বরফাচ্ছন্ন মহাজাগতিক বস্তুর চারপাশে মিলল বায়ুমণ্ডল

৩ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

প্রযুক্তি ও পরিবর্তিত বাজারে শ্রমজীবীদের সুরক্ষায় নতুন নীতির তাগিদ
প্রযুক্তি ও পরিবর্তিত বাজারে শ্রমজীবীদের সুরক্ষায় নতুন নীতির তাগিদ

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বিশ্বকাপের সেই পেনাল্টি এখনো ভুলতে পারেননি বাজ্জো
বিশ্বকাপের সেই পেনাল্টি এখনো ভুলতে পারেননি বাজ্জো

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইমানের নিরাপদ দুর্গ মদিনা মুনাওয়ারা
ইমানের নিরাপদ দুর্গ মদিনা মুনাওয়ারা

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

১২০ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে বিদেশ যাওয়ার সময় বিমানবন্দরে ধরা
১২০ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে বিদেশ যাওয়ার সময় বিমানবন্দরে ধরা

৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ইরানের হাসি বেশিদিন থাকবে না, নতুন হুমকি ট্রাম্পের
ইরানের হাসি বেশিদিন থাকবে না, নতুন হুমকি ট্রাম্পের

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পশুর হাটে জাল নোট শনাক্তে বুথ বসাতে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশ
পশুর হাটে জাল নোট শনাক্তে বুথ বসাতে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশ

৪ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

গোলরক্ষকের বীরত্বে শিরোপার আরও কাছে আর্সেনাল
গোলরক্ষকের বীরত্বে শিরোপার আরও কাছে আর্সেনাল

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নিকলীতে বজ্রপাতে কৃষকের মৃত্যু
নিকলীতে বজ্রপাতে কৃষকের মৃত্যু

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হামজাদের কোচ বাছাইয়ে চূড়ান্ত তালিকায় ৬ জন
হামজাদের কোচ বাছাইয়ে চূড়ান্ত তালিকায় ৬ জন

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হান্টাভাইরাস আতঙ্কে নোঙর করা প্রমোদতরী থেকে যাত্রী সরানো শুরু
হান্টাভাইরাস আতঙ্কে নোঙর করা প্রমোদতরী থেকে যাত্রী সরানো শুরু

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আফ্রিকার চলচ্চিত্র অনুষ্ঠানে ৫০০ পাউরুটির পোশাকে নজর কাড়লেন তারকা
আফ্রিকার চলচ্চিত্র অনুষ্ঠানে ৫০০ পাউরুটির পোশাকে নজর কাড়লেন তারকা

৫ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

সাভারে পিস্তল ও গুলিসহ আটক-৩
সাভারে পিস্তল ও গুলিসহ আটক-৩

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হাসপাতালের আবাসিক ভবনের ছাদে মুরগির খামার, দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ রোগী-স্বজন
হাসপাতালের আবাসিক ভবনের ছাদে মুরগির খামার, দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ রোগী-স্বজন

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঠাকুরগাঁওয়ে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস'র সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ
ঠাকুরগাঁওয়ে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস'র সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

এআইয়ের ঝুঁকি ঠেকাতে সাংবিধানিক পরিবর্তনের পথে গ্রিস
এআইয়ের ঝুঁকি ঠেকাতে সাংবিধানিক পরিবর্তনের পথে গ্রিস

৬ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

বিদেশি হামলায় কিম ‘নিহত হলেই’ পারমাণু হামলা চালাবে উত্তর কোরিয়া
বিদেশি হামলায় কিম ‘নিহত হলেই’ পারমাণু হামলা চালাবে উত্তর কোরিয়া

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রোহিঙ্গা শিশুদের শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিতে কাজ করছে সরকার : গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী
রোহিঙ্গা শিশুদের শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিতে কাজ করছে সরকার : গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী

৬ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

গাড়িতে আসছে গুগলের জেমিনি এআই: বদলে যাবে চালকের অভিজ্ঞতা
গাড়িতে আসছে গুগলের জেমিনি এআই: বদলে যাবে চালকের অভিজ্ঞতা

৬ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

দুই বন্ধু মিলে কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ
দুই বন্ধু মিলে কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সংকট সমাধানে গরুর মাংস আমদানিসহ রেস্তোরাঁ মালিকদের ১১ দাবি
সংকট সমাধানে গরুর মাংস আমদানিসহ রেস্তোরাঁ মালিকদের ১১ দাবি

৬ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নেতানিয়াহুর পদত্যাগ দাবিতে ইসরায়েলিদের বিক্ষোভ
নেতানিয়াহুর পদত্যাগ দাবিতে ইসরায়েলিদের বিক্ষোভ

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সর্বাধিক পঠিত
শপথের ঘণ্টা না পেরোতেই যা করলেন বিজয়, অবাক পুরো তামিলনাড়ু
শপথের ঘণ্টা না পেরোতেই যা করলেন বিজয়, অবাক পুরো তামিলনাড়ু

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজশাহীর কোন আম কবে বাজারে আসবে, সময়সূচি ঘোষণা
রাজশাহীর কোন আম কবে বাজারে আসবে, সময়সূচি ঘোষণা

১২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

শেষ ১ ঘণ্টার নাটকেই খেলা ঘুরে গেল, কীভাবে মুখ্যমন্ত্রী হলেন বিজয়
শেষ ১ ঘণ্টার নাটকেই খেলা ঘুরে গেল, কীভাবে মুখ্যমন্ত্রী হলেন বিজয়

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের ইউরেনিয়াম রাশিয়ায় সংরক্ষণের প্রস্তাব পুতিনের
ইরানের ইউরেনিয়াম রাশিয়ায় সংরক্ষণের প্রস্তাব পুতিনের

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানে হামলায় ইরাকে গোপন সামরিক ঘাঁটি বানিয়েছিল ইসরায়েল: রিপোর্ট
ইরানে হামলায় ইরাকে গোপন সামরিক ঘাঁটি বানিয়েছিল ইসরায়েল: রিপোর্ট

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বকাপে খেলবে ইরান, তবে ৭ শর্ত মেনে নিতে হবে ফিফা ও যুক্তরাষ্ট্রকে
বিশ্বকাপে খেলবে ইরান, তবে ৭ শর্ত মেনে নিতে হবে ফিফা ও যুক্তরাষ্ট্রকে

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

টানা ৫ দিন বৃষ্টি নিয়ে আবহাওয়া অফিসের নতুন বার্তা
টানা ৫ দিন বৃষ্টি নিয়ে আবহাওয়া অফিসের নতুন বার্তা

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সেই নবদম্পতির জন্য উপহার পাঠালেন প্রধানমন্ত্রী
সেই নবদম্পতির জন্য উপহার পাঠালেন প্রধানমন্ত্রী

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানের ইউরেনিয়াম নিয়ে ‘টানাটানি’ ট্রাম্প-পুতিনের, কোন দিকে যাবে তেহরান?
ইরানের ইউরেনিয়াম নিয়ে ‘টানাটানি’ ট্রাম্প-পুতিনের, কোন দিকে যাবে তেহরান?

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

উত্তেজনা বাড়িয়ে হরমুজ প্রণালীতে এবার সাবমেরিন মোতায়েন করল ইরান
উত্তেজনা বাড়িয়ে হরমুজ প্রণালীতে এবার সাবমেরিন মোতায়েন করল ইরান

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আজ থেকে ১৩ দিন ৬ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়
আজ থেকে ১৩ দিন ৬ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সকালে সেদ্ধ ডিম খাওয়ার উপকারিতা জেনে নিন
সকালে সেদ্ধ ডিম খাওয়ার উপকারিতা জেনে নিন

২০ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

৫৪ বছর পর বাড়ি ফিরলেন সাগরে হারিয়ে যাওয়া জেলে
৫৪ বছর পর বাড়ি ফিরলেন সাগরে হারিয়ে যাওয়া জেলে

১৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

যেসব দেশ মার্কিন নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করবে, হরমুজে তারাই বাধার সম্মুখীন হবে: ইরান
যেসব দেশ মার্কিন নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করবে, হরমুজে তারাই বাধার সম্মুখীন হবে: ইরান

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সামরিক নেতৃত্বকে নতুন নির্দেশনা দিলেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা
সামরিক নেতৃত্বকে নতুন নির্দেশনা দিলেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিদেশি হামলায় কিম ‘নিহত হলেই’ পারমাণু হামলা চালাবে উত্তর কোরিয়া
বিদেশি হামলায় কিম ‘নিহত হলেই’ পারমাণু হামলা চালাবে উত্তর কোরিয়া

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শতকোটি রুপির এফডিআরসহ যে বিপুল অর্থ-সম্পদের মালিক থালাপতি বিজয়
শতকোটি রুপির এফডিআরসহ যে বিপুল অর্থ-সম্পদের মালিক থালাপতি বিজয়

১০ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

মৃত্যুর পরও ইসরায়েলিদের নিষ্ঠুরতা থেকে রেহাই মেলেনি ফিলিস্তিনি বৃদ্ধের
মৃত্যুর পরও ইসরায়েলিদের নিষ্ঠুরতা থেকে রেহাই মেলেনি ফিলিস্তিনি বৃদ্ধের

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পরকীয়া ও সন্দেহের জেরে ‘ও’ লেভেল ছাত্র ইয়াছিনকে হত্যা, গ্রেফতার ৩
পরকীয়া ও সন্দেহের জেরে ‘ও’ লেভেল ছাত্র ইয়াছিনকে হত্যা, গ্রেফতার ৩

১৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আজকের স্বর্ণের দাম
আজকের স্বর্ণের দাম

১৮ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

উপজেলা ও পৌরসভা নির্বাচনে এনসিপির ১০০ প্রার্থীর নাম ঘোষণা
উপজেলা ও পৌরসভা নির্বাচনে এনসিপির ১০০ প্রার্থীর নাম ঘোষণা

১২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ফুটবল বিশ্বকাপের উদ্বোধনী মঞ্চে নাচে-গানে ঝড় তুলবেন নোরা
ফুটবল বিশ্বকাপের উদ্বোধনী মঞ্চে নাচে-গানে ঝড় তুলবেন নোরা

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

হরমুজ নিয়ে ফের হুঁশিয়ারি ইরানের, বিস্ময়কর প্রতিশোধের হুমকি
হরমুজ নিয়ে ফের হুঁশিয়ারি ইরানের, বিস্ময়কর প্রতিশোধের হুমকি

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘আমার বাজান নতুন জামা পরে হাসতে হাসতে বোনের বাড়ি গেছিল, কে জানত এটাই শেষ যাওয়া’
‘আমার বাজান নতুন জামা পরে হাসতে হাসতে বোনের বাড়ি গেছিল, কে জানত এটাই শেষ যাওয়া’

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টাইগারদের বোলিং তোপে ধুঁকছে পাকিস্তান
টাইগারদের বোলিং তোপে ধুঁকছে পাকিস্তান

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

‘বারবার সীমান্ত রক্তাক্ত করবেন, এভাবে তো ভালো সম্পর্ক হবে না’
‘বারবার সীমান্ত রক্তাক্ত করবেন, এভাবে তো ভালো সম্পর্ক হবে না’

১৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

যুদ্ধ শুরুর পর প্রথমবার হরমুজ পাড়ি দিল কাতারের এলএনজি ট্যাংকার
যুদ্ধ শুরুর পর প্রথমবার হরমুজ পাড়ি দিল কাতারের এলএনজি ট্যাংকার

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিজয়ের উত্থানের অবিশ্বাস্য গল্প
বিজয়ের উত্থানের অবিশ্বাস্য গল্প

১৬ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

যুক্তরাষ্ট্রে বিমানবন্দরের রানওয়েতে উড়োজাহাজের ধাক্কায় নিহত ১
যুক্তরাষ্ট্রে বিমানবন্দরের রানওয়েতে উড়োজাহাজের ধাক্কায় নিহত ১

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভবিষ্যৎ যুদ্ধ হবে আরও ভয়ংকর, শত্রুর পরিণতি হবে ‘বেদনাদায়ক’ : পাকিস্তান সেনাপ্রধান
ভবিষ্যৎ যুদ্ধ হবে আরও ভয়ংকর, শত্রুর পরিণতি হবে ‘বেদনাদায়ক’ : পাকিস্তান সেনাপ্রধান

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
সাগরে হারিয়ে যাওয়ার ৫৪ বছর পর ফিরলেন
সাগরে হারিয়ে যাওয়ার ৫৪ বছর পর ফিরলেন

প্রথম পৃষ্ঠা

যুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবে ইরানের জবাব
যুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবে ইরানের জবাব

প্রথম পৃষ্ঠা

ভারত চায় নবযাত্রা
ভারত চায় নবযাত্রা

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

পাঁচ অঞ্চলে ভাগ সিলেট সিটি
পাঁচ অঞ্চলে ভাগ সিলেট সিটি

নগর জীবন

প্রতিধ্বনির ভিতর পতনের শব্দ
প্রতিধ্বনির ভিতর পতনের শব্দ

সম্পাদকীয়

ভারতের উচিত বাংলাদেশকে অনুসরণ করা
ভারতের উচিত বাংলাদেশকে অনুসরণ করা

প্রথম পৃষ্ঠা

ঈদযাত্রায় ভোগান্তির শঙ্কা
ঈদযাত্রায় ভোগান্তির শঙ্কা

পেছনের পৃষ্ঠা

১-১১ সরকারের অমানবিকতার নেপথ্যে মাসুদ
১-১১ সরকারের অমানবিকতার নেপথ্যে মাসুদ

প্রথম পৃষ্ঠা

বর্জ্যরে ভাগাড় কুমার নদ
বর্জ্যরে ভাগাড় কুমার নদ

পেছনের পৃষ্ঠা

কে হচ্ছেন ফুটবলের নতুন কোচ
কে হচ্ছেন ফুটবলের নতুন কোচ

মাঠে ময়দানে

কমেছে দেশীয় জ্বালানির জোগান
কমেছে দেশীয় জ্বালানির জোগান

নগর জীবন

আমি একজন গর্বিত মা
আমি একজন গর্বিত মা

শোবিজ

জুনে আসছেন দিনেশ বিদায় নিচ্ছেন প্রণয়
জুনে আসছেন দিনেশ বিদায় নিচ্ছেন প্রণয়

প্রথম পৃষ্ঠা

ব্যাংককে আফঈদাদের কঠোর অনুশীলন
ব্যাংককে আফঈদাদের কঠোর অনুশীলন

মাঠে ময়দানে

মড়ার ওপর খাঁড়ার ঘা
মড়ার ওপর খাঁড়ার ঘা

দেশগ্রাম

রেখার চরিত্রে আগ্রহী কৃতি শ্যানন
রেখার চরিত্রে আগ্রহী কৃতি শ্যানন

শোবিজ

পাশাপাশি কবরে মা মেয়ে মামা
পাশাপাশি কবরে মা মেয়ে মামা

প্রথম পৃষ্ঠা

বিশ্বকাপে নোরা ফাতেহি
বিশ্বকাপে নোরা ফাতেহি

শোবিজ

এক মাসের কাউন্টডাউন শুরু আজ
এক মাসের কাউন্টডাউন শুরু আজ

মাঠে ময়দানে

অ্যানি চরিত্রে নাজিফা তুষি
অ্যানি চরিত্রে নাজিফা তুষি

শোবিজ

মঞ্চে সুজিত মোস্তফা ও মুনমুন আহমেদ
মঞ্চে সুজিত মোস্তফা ও মুনমুন আহমেদ

শোবিজ

ভক্তদের মাঝে হামজা
ভক্তদের মাঝে হামজা

মাঠে ময়দানে

তিস্তা থেকে অবাধে তোলা হচ্ছে বালু
তিস্তা থেকে অবাধে তোলা হচ্ছে বালু

দেশগ্রাম

বেসরকারি খাতকে হত্যা করে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা সম্ভব না
বেসরকারি খাতকে হত্যা করে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা সম্ভব না

প্রথম পৃষ্ঠা

সেবা না বাড়িয়ে বাণিজ্যে সিটি করপোরেশন!
সেবা না বাড়িয়ে বাণিজ্যে সিটি করপোরেশন!

প্রথম পৃষ্ঠা

অভিষেক টেস্টেই আজানের সেঞ্চুরি
অভিষেক টেস্টেই আজানের সেঞ্চুরি

মাঠে ময়দানে

এখনো বিপৎসীমার ওপরে পাঁচ নদী
এখনো বিপৎসীমার ওপরে পাঁচ নদী

পেছনের পৃষ্ঠা

অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যু নিয়ে উদ্বিগ্ন জামায়াত
অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যু নিয়ে উদ্বিগ্ন জামায়াত

প্রথম পৃষ্ঠা

এনসিপির হয়ে যারা নির্বাচন করতে পারবেন
এনসিপির হয়ে যারা নির্বাচন করতে পারবেন

নগর জীবন