শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, মঙ্গলবার, ০৭ এপ্রিল, ২০২৬ আপডেট: ২৩:৩২, সোমবার, ০৬ এপ্রিল, ২০২৬

হাম প্রতিরোধ জরুরি

অধ্যাপক ডা. এ বি এম আবদুল্লাহ
প্রিন্ট ভার্সন
হাম প্রতিরোধ জরুরি

বাংলাদেশে সাম্প্রতিক সময়ে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে হামের প্রাদুর্ভাব বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে এর অস্বাভাবিক বিস্তারে। রোগটি অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাসজনিত, যা শিশুদের জন্য খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। সময়মতো চিকিৎসা না পেলে নিউমোনিয়া, ডায়রিয়া, এমনকি মৃত্যুও ঘটতে পারে। অথচ রোগটি প্রতিরোধযোগ্য, যা টিকা দেওয়ার মাধ্যমে সহজেই নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। টিকাদান কর্মসূচিতে অনিয়ম, জনসচেতনতার অভাব এবং কিছু ক্ষেত্রে টিকা না নেওয়ার প্রবণতা বা নিয়মিত ঠিকাদান কর্মসূচিতে শিথিলতা ও ব্যর্থতা, টিকা নিয়ে ভ্রান্ত ধারণা বা অনীহা এ বৃদ্ধির প্রধান কারণ।

হামের ইতিহাস : হাম একটি অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ, যার ইতিহাস অনেক পুরোনো। রোগটি খ্রিস্টপূর্ব চতুর্থ শতাব্দীতে বা তার পরে গবাদি পশুর ‘রিন্ডারপেন্ট’ ভাইরাস থেকে বিবর্তিত হয়ে মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে বলে ধারণা করা হয়। এটি মানুষের মধ্যে আসার পর মিউটেশনের মাধ্যমে পুরোপুরি মানুষের ভাইরাসে পরিণত হয় এবং হাজার বছর ধরে মানুষেকে আক্রান্ত করছে। ১৮৪৬ সালে ফ্যারো দ্বীপপুঞ্জে হামের মহামারির সময় ডেনিশ চিকিৎসক পিটার প্যানাম প্রমাণ করেন যে হামের পর দীর্ঘস্থায়ী প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি হয়। ১৮৫০-এর দশকে হাওয়াই এবং ১৮৭৫ সালে ফিজিতে হামের মহামারিতে অনেক মানুষ মারা যায়। ১৮শ-১৯শ শতকে ইউরোপ ও আমেরিকায় হাম মহামারি আকারে ছড়ায়। নবম শতকে পারস্যের বিখ্যাত চিকিৎসক আল রাজি প্রথম হাম রোগকে আলাদা করে বর্ণনা করেন। তিনি হাম ও গুটি বসন্তের পার্থক্য ব্যাখ্যা করেন। ১৯৫৪ সালে বিজ্ঞানী জন এফ এন্ডার্স  হাম ভাইরাস আলাদা করতে সক্ষম হন। এরপর হাম প্রতিরোধে টিকা তৈরির কাজ শুরু হয়।

টিকা আবিষ্কার : ১৯৬৩ সালে থমাস পিবলস এবং জন এন্ডার্স হামের প্রথম টিকা আবিষ্কার করেন, যা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সহায়তায় দ্রুত বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়ে। পরে উন্নত সংস্করণ তৈরি হয় এবং বিশ্বব্যাপী টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়। টিকা দেওয়ার ফলে বিশ্বজুড়ে হামের প্রকোপ উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। তবে এখনো অনুন্নত ও উন্নয়নশীল দেশগুলোতে এটি একটি প্রধান স্বাস্থ্যঝুঁকি হিসেবে রয়ে গেছে।

হামের কারণ : হাম মূলত ‘মিজলস’ নামের এক অতি সংক্রামক ভাইরাস দ্বারা বায়ুবাহিত সংক্রমিত রোগ, যা মানুষের শ্বাসনালির মাধ্যমে শরীরে প্রবেশ করে। আক্রান্ত ব্যক্তি কাশি বা হাঁচি দিলে বাতাসে ছড়িয়ে পড়া ভাইরাসটি ড্রপলেটের মাধ্যমে অন্যদের মধ্যে সংক্রমিত হয়। আক্রান্ত ব্যক্তির কাছাকাছি বা সংস্পর্শে থাকা এমনকি রোগীর ব্যবহৃত জিনিসপত্র থেকেও ছড়াতে পারে। ভাইরাসটি মারাত্মক সংক্রামক, একজন আক্রান্ত রোগী ১৫ থেকে ১৮ জন সুস্থ মানুষকে তা ছড়াতে পারে।

ঝুঁকিতে কারা : ৫ বছরের কম বয়সি শিশুদের হাম বেশি হয়, বিশেষ করে টিকা না পাওয়া ৩  থেকে ১০ মাস বয়সি শিশুদের মধ্যেও হামের প্রবণতা বেশি দেখা যাচ্ছে। যেসব শিশু অপুষ্টিতে ভোগে, মায়ের দুধ পায়নি, দুর্বল রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম সম্পন্ন শিশু এবং অন্যান্য কোমরবিডিটি বা দীর্ঘমেয়াদি রোগে আক্রান্ত, তাদের সংক্রমণের ঝুঁকিও বেশি এবং প্রাণঘাতীও। শরীরে ভিটামিন ‘এ’র অভাব হামের তীব্রতা বাড়িয়ে দেয়, এমনকি অন্ধত্ব বা নিউমোনিয়ার ঝুঁকি বৃদ্ধি করে।

হামের লক্ষণ : সংক্রমণের ৭ থেকে ১৪ দিনের মধ্যে লক্ষণ প্রকাশ পায়। প্রথমে উচ্চ জ্বর, নাক দিয়ে পানি পড়া, শুষ্ক কাশি, চোখ লাল হওয়া ও পানি পড়া এবং মুখের ভিতর সাদা দাগ দেখা দেয়, যাকে বলে কপলিক স্পট। ৩ থেকে ৫ দিনের মধ্যে সারা শরীরে লাল ঘামাচির মতো ফুসকুঁড়ি বা র‌্যাশ দেখা দেয়। ফুসকুঁড়ি ওঠার ৪ দিন আগে থেকে এবং আরও ৪ দিন পর্যন্ত আক্রান্ত ব্যক্তি অন্যদের সংক্রমিত করতে পারে। কোনো জটিলতা না হলে রোগ সারতে ১০ থেকে ১৪ দিন লাগতে পারে।

হামের জটিলতা : হাম ভাইরাসজনিত রোগ হলেও অনেক ক্ষেত্রে গুরুতর জটিলতা তৈরি করতে পারে। বিশেষ করে শিশু, অপুষ্টিতে ভোগা ও দুর্বল রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাসম্পন্নদের মধ্যে। হামে আক্রান্ত রোগীর দুর্বলতা অনেক বেশি এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও কমে যায়।

(১) নিউমোনিয়া : হামের সবচেয়ে মারাত্মক জটিলতা। রোগীর শ্বাসকষ্ট, কাশি ও বুকে ব্যথা দেখা যায়। নিউমোনিয়া শিশু মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ।

(২) ডায়রিয়া ও পানিশূন্যতা : ঘন ঘন পাতলা পায়খানা এবং শরীরে পানি ও লবণের ঘাটতি হয়।

(৩) অপুষ্টি ও দুর্বলতা : অসুস্থ থাকার ফলে শরীর দুর্বল হয়ে পড়ে, শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাওয়া এবং শিশুর বৃদ্ধি ব্যাহত হতে পারে।

(৪) চোখের সমস্যা : লাল হওয়া, পানি পড়া এবং  গুরুতর ক্ষেত্রে অন্ধত্বও হতে পারে, বিশেষত ভিটামিন ‘এ’র অভাবে।

(৫) মুখে ঘা এবং কানে ইনফেকশন : এ সময় কানে ব্যথা, কান পাকা ও পুঁজ হতে পারে। কখনো কখনো স্থায়ী শ্রবণশক্তি হ্রাস হতে পারে।

(৬)  এনসেফালাইটিস বা মস্তিষ্কের প্রদাহ : এটি বিরল কিন্তু খুবই বিপজ্জনক। খিঁচুনি, অজ্ঞান হওয়া, এমনকি রোগীর মৃত্যুও হতে পারে। দীর্ঘমেয়াদে মানসিক বা স্নায়ুবিক সমস্যা থাকতে পারে।

(৭) সাব-অ্যাকিউট সেক্লরোসিং প্যানএনসেফালাইটিস : বিরল কিন্তু মারাত্মক, কয়েক বছর দেরিতে দেখা দেওয়া জটিলতা, যা  মস্তিষ্কের গুরুতর ক্ষতি করে।

শনাক্তকরণের পরীক্ষা : রোগীর লক্ষণ দেখেই রোগ শনাক্ত করা যায়, খুব বেশি পরীক্ষার প্রয়োজন নেই। তবে কোনো কোনো ক্ষেত্রে বা গবেষণার ক্ষেত্রে নিম্নলিখিত পরীক্ষা করা যেতে পারে যেমন :

(১) রক্তে আইজিএম অ্যান্টিবডি।

(২) আরটি-পিসিআর :  গলা বা নাকের সোয়াব, কখনো কখনো প্রস্রাব থেকে হামের ভাইরাস শনাক্ত করা হয়।

টিকা নিলেও কি হাম হতে পারে : অনেক সময় টিকা নেওয়ার পর শরীরে আশানুরূপ হাম প্রতিরোধক অ্যান্টিবডি তৈরি না হলেও সে পুনরায় হামে আক্রান্ত হতে পারে।

চিকিৎসা ও করণীয় : নির্দিষ্ট কোনো অ্যান্টিভাইরাল চিকিৎসা নেই, লক্ষণ অনুযায়ী চিকিৎসা করা হয়। বিশ্রাম, পর্যাপ্ত পানি ও তরল জাতীয় খাদ্য এবং জ্বর কমানোর জন্য প্যারাসিটামল, পুষ্টিকর খাবার ও ভিটামিন-এ সমৃদ্ধ খাবার দিতে হবে। পাশাপাশি চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী পরপর দুই দিন দুটি উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন ভিটামিন এ ক্যাপসুল বয়স অনুযায়ী সঠিক ডোজে খাওয়াতে হবে।

শিশুর শরীরে র‌্যাশ দেখা দেওয়ার দিন থেকে অন্তত পাঁচ দিন অন্যদের কাছ থেকে আলাদা রাখতে হবে। নিয়মিত সাবান দিয়ে হাত ধোয়া,  মাস্ক ব্যবহার এবং কাশি-হাঁচির সময় মুখ ঢেকে রাখতে হবে।

জ্বর বেশি হলে বা জটিলতা যেমন শ্বাসকষ্ট, বমি, পাতলা পায়খানা, খিঁচুনি, নিস্তেজ হয়ে পড়া, ইত্যাদি দেখা দিলে হাসপাতালে ভর্তি করাতে হবে। নিউমোনিয়াসহ অন্য কোনো জটিলতা দেখা দিলে প্রয়োজনে আইসিইউতে ভর্তি করাতে হবে। কোনো শিশুর জ্বর এবং শরীরে র‌্যাশ দেখা দিলে তা হাম হোক বা না হোক, চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

প্রতিরোধের উপায় : হামকে সাধারণ রোগ মনে করা হলেও অবহেলার কারণে এটি প্রাণঘাতী জটিলতা তৈরি করতে পারে। এমনকি রোগীর মৃত্যুও হতে পারে। রোগটি শিশুর শরীরের প্রতিরোধ ক্ষমতা ভেঙে দেয়, ফলে নিউমোনিয়া, ডায়রিয়া, এমনকি মস্তিষ্কের প্রদাহে জটিলতা তৈরি করে। হাম প্রতিরোধের সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো সময়মতো টিকা গ্রহণ, যা সবচেয়ে নিরাপদ। বাংলাদেশে টিকাদান কর্মসূচিতে পাঁচ বছরের কম বয়সি শিশুদের দুবার ‘এমআর’ টিকা দেওয়া হয়। প্রথমটি ৯ মাস বয়সে আর দ্বিতীয়টি ১৫ মাস বয়সে।  সময়মতো দুই ডোজ টিকা নিলে ৯৭% পর্যন্ত সুরক্ষা পাওয়া সম্ভব।

হাম থেকে রক্ষার জন্য শতভাগ শিশুর হামের টিকা গ্রহণ নিশ্চিত করা, যেসব শিশু টিকার আওতার বাইরে রয়েছে তাদের দ্রুত শনাক্ত করে টিকার আওতায় আনতে হবে। মা বাবা এবং অভিভাবকসহ জনসচেতনতা বৃদ্ধি, বাচ্চার পুষ্টি উন্নয়ন এবং নিয়মিত স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা খুবই জরুরি। গণমাধ্যম, সামাজিক মাধ্যম এবং স্থানীয় প্রশাসনকে সমন্বয়ের মাধ্যমে একসঙ্গে কাজকর্ম চালাতে হবে।

লেখক : ইমেরিটাস অধ্যাপক ও মেডিসিন বিশেষজ্ঞ।

 

এই বিভাগের আরও খবর
হৃদ্‌রোগ ও ডায়াবেটিসের সম্পর্ক নিয়ে কিছু কথা
হৃদ্‌রোগ ও ডায়াবেটিসের সম্পর্ক নিয়ে কিছু কথা
মৌসুমি ফলের আদ্যোপান্ত
মৌসুমি ফলের আদ্যোপান্ত
এ সময়ে হৃদ্‌রোগীদের জন্য পরামর্শ
এ সময়ে হৃদ্‌রোগীদের জন্য পরামর্শ
বিশ্ব রক্তদাতা দিবস নিয়ে কিছু কথা
বিশ্ব রক্তদাতা দিবস নিয়ে কিছু কথা
বেগুন মোটেই নয় নির্গুণ
বেগুন মোটেই নয় নির্গুণ
ঈদপরবর্তী স্বাস্থ্য সচেতনতা
ঈদপরবর্তী স্বাস্থ্য সচেতনতা
কবজির ব্যথায় কী করবেন?
কবজির ব্যথায় কী করবেন?
বুকে ব্যথা নিয়ে কিছু কথা
বুকে ব্যথা নিয়ে কিছু কথা
উচ্চ রক্তচাপ নিয়ে কিছু ভুল ধারণা
উচ্চ রক্তচাপ নিয়ে কিছু ভুল ধারণা
ডায়াবেটিস রোগীর কাঁধে ব্যথা
ডায়াবেটিস রোগীর কাঁধে ব্যথা
দৈহিক স্থূলতা আসলে কী?
দৈহিক স্থূলতা আসলে কী?
হৃদরোগের সাতকাহন
হৃদরোগের সাতকাহন
সর্বশেষ খবর
মক্তবে শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মুয়াজ্জিন কারাগারে
মক্তবে শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মুয়াজ্জিন কারাগারে

৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সিরাজগঞ্জে ডাকাত চক্রের সদস্য গ্রেফতার
সিরাজগঞ্জে ডাকাত চক্রের সদস্য গ্রেফতার

১৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

এবার শক্তিশালী ভূমিকম্পে কাঁপল আফগানিস্তান
এবার শক্তিশালী ভূমিকম্পে কাঁপল আফগানিস্তান

১৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শেষ পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যেতে চায় জর্ডান
শেষ পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যেতে চায় জর্ডান

১৬ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

মুন্সীগঞ্জে গাঁজাসহ যুবক গ্রেফতার
মুন্সীগঞ্জে গাঁজাসহ যুবক গ্রেফতার

১৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ব্লু সামুরাইতে কাটা পড়বে ব্রাজিলের হেক্সা মিশন
ব্লু সামুরাইতে কাটা পড়বে ব্রাজিলের হেক্সা মিশন

২০ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

রংপুরে পুকুরে মিললো তরুণীর মরদেহ
রংপুরে পুকুরে মিললো তরুণীর মরদেহ

২৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

দিনাজপুরে আনসার-ভিডিপির জব ফেয়ার, চাকরি পেলেন ১২৬ তরুণ
দিনাজপুরে আনসার-ভিডিপির জব ফেয়ার, চাকরি পেলেন ১২৬ তরুণ

২৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নেতানিয়াহুর কি রাজনৈতিক অধ্যায়ের তিক্ত সমাপ্তি ঘটতে যাচ্ছে?
নেতানিয়াহুর কি রাজনৈতিক অধ্যায়ের তিক্ত সমাপ্তি ঘটতে যাচ্ছে?

২৮ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গোবিন্দগঞ্জে পুকুরে গোসল করতে নেমে তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থীর মৃত্যু
গোবিন্দগঞ্জে পুকুরে গোসল করতে নেমে তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থীর মৃত্যু

৩৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

গাইবান্ধায় যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
গাইবান্ধায় যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

৩৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

শেরপুরে হাজারো দরিদ্র পরিবার পেল গরুর মাংস
শেরপুরে হাজারো দরিদ্র পরিবার পেল গরুর মাংস

৩৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ইসলামী ব্যাংকিং সম্প্রসারণ ও যাকাত ব্যবস্থাপনা জোরদারের আহ্বান পার্থর
ইসলামী ব্যাংকিং সম্প্রসারণ ও যাকাত ব্যবস্থাপনা জোরদারের আহ্বান পার্থর

৩৭ মিনিট আগে | জাতীয়

বগুড়ায় সোরিয়াসিস সচেতনতা ক্লাব উদ্বোধন
বগুড়ায় সোরিয়াসিস সচেতনতা ক্লাব উদ্বোধন

৪০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সুপারমার্কেট কর্মী থেকে বিশ্বকাপের মঞ্চে, ড্যান বার্নের রূপকথার যাত্রা
সুপারমার্কেট কর্মী থেকে বিশ্বকাপের মঞ্চে, ড্যান বার্নের রূপকথার যাত্রা

৪২ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

কেন অনেকে তাকে ‘অহংকারী’ ভাবেন, জানালেন সাবালেঙ্কা
কেন অনেকে তাকে ‘অহংকারী’ ভাবেন, জানালেন সাবালেঙ্কা

৪৪ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

প্রখ্যাত চক্ষু চিকিৎসক রবিউল হোসেন আর নেই
প্রখ্যাত চক্ষু চিকিৎসক রবিউল হোসেন আর নেই

৪৯ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ডাল-ভাতের বাজেট করে বিরিয়ানি খাওয়া যায় না : সংসদে তথ্য প্রতিমন্ত্রী
ডাল-ভাতের বাজেট করে বিরিয়ানি খাওয়া যায় না : সংসদে তথ্য প্রতিমন্ত্রী

৫৩ মিনিট আগে | জাতীয়

এইচএসসি পরীক্ষায় প্রতিটি কক্ষে সিকিউরিটি ক্যামেরা স্থাপনের নির্দেশ শিক্ষামন্ত্রীর
এইচএসসি পরীক্ষায় প্রতিটি কক্ষে সিকিউরিটি ক্যামেরা স্থাপনের নির্দেশ শিক্ষামন্ত্রীর

৫৬ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

মুক্তিপণ না পেয়ে প্রবাসীর ছেলেকে হত্যার প্রধান আসামি গ্রেফতার
মুক্তিপণ না পেয়ে প্রবাসীর ছেলেকে হত্যার প্রধান আসামি গ্রেফতার

৫৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মহাকাশ থেকে তোলা মেঘের মনোমুগ্ধকর ছবি শেয়ার করলেন নাসার মহাকাশচারী
মহাকাশ থেকে তোলা মেঘের মনোমুগ্ধকর ছবি শেয়ার করলেন নাসার মহাকাশচারী

৫৮ মিনিট আগে | পাঁচফোড়ন

দুই বছরের কম বয়সী শিশুদের জন্য স্ক্রিন টাইম অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ: গবেষণা
দুই বছরের কম বয়সী শিশুদের জন্য স্ক্রিন টাইম অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ: গবেষণা

৫৯ মিনিট আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

সিরাজগঞ্জে মাদক সেবনের দায়ে ৮ জনের কারাদণ্ড
সিরাজগঞ্জে মাদক সেবনের দায়ে ৮ জনের কারাদণ্ড

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মালয়েশিয়ায় ড্রোনের সহায়তায় অভিযানে ৩২ অভিবাসী আটক
মালয়েশিয়ায় ড্রোনের সহায়তায় অভিযানে ৩২ অভিবাসী আটক

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দক্ষিণ লেবাননের দুটি এলাকা থেকে ইসরায়েলের সেনা প্রত্যাহার
দক্ষিণ লেবাননের দুটি এলাকা থেকে ইসরায়েলের সেনা প্রত্যাহার

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সুন্দরবনে কোস্ট গার্ডের সঙ্গে বনদস্যু ‘দুলাভাই’ বাহিনীর বন্দুকযুদ্ধ, নিহত ১
সুন্দরবনে কোস্ট গার্ডের সঙ্গে বনদস্যু ‘দুলাভাই’ বাহিনীর বন্দুকযুদ্ধ, নিহত ১

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইতালিতে স্ত্রী-কন্যাসহ প্রবাসী খুন: এক বছর আগেই এসেছিল হত্যার হুমকির উড়ো চিঠি
ইতালিতে স্ত্রী-কন্যাসহ প্রবাসী খুন: এক বছর আগেই এসেছিল হত্যার হুমকির উড়ো চিঠি

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

‘উরুগুয়ের জন্য কিছুই করতে পারলাম না’, ব্যর্থতার দায় নিলেন বিয়েলসা
‘উরুগুয়ের জন্য কিছুই করতে পারলাম না’, ব্যর্থতার দায় নিলেন বিয়েলসা

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

উপকূলের অনেক শিক্ষার্থী উচ্চশিক্ষার পথ থেকে ঝরে পড়ছে: প্রতিমন্ত্রী ড. ফরিদ
উপকূলের অনেক শিক্ষার্থী উচ্চশিক্ষার পথ থেকে ঝরে পড়ছে: প্রতিমন্ত্রী ড. ফরিদ

১ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

হবু স্বামীকে দুর্গ থেকে ফেলে হত্যা: ‘অপরাধী মেয়ে হলেও শাস্তি চায় পরিবার
হবু স্বামীকে দুর্গ থেকে ফেলে হত্যা: ‘অপরাধী মেয়ে হলেও শাস্তি চায় পরিবার

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সর্বাধিক পঠিত
নকআউটে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ ইতিহাস গড়া কেপ ভার্দে
নকআউটে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ ইতিহাস গড়া কেপ ভার্দে

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে বিআরটিএ’র জরুরি বার্তা
ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে বিআরটিএ’র জরুরি বার্তা

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিয়েতে ১০০ জনের বেশি অতিথি হলে জনপ্রতি ট্যাক্স নেওয়ার প্রস্তাব
বিয়েতে ১০০ জনের বেশি অতিথি হলে জনপ্রতি ট্যাক্স নেওয়ার প্রস্তাব

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর মার্কিন সামরিক স্থাপনায় ইরানের পাল্টা হামলা
যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর মার্কিন সামরিক স্থাপনায় ইরানের পাল্টা হামলা

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নকআউট নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা প্রশ্নে যা বললেন কেপ ভার্দে কোচ
নকআউট নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা প্রশ্নে যা বললেন কেপ ভার্দে কোচ

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এনআইডি নবায়ন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনায় ইসি
এনআইডি নবায়ন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনায় ইসি

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গোলরক্ষকের ভুলে বিশ্বকাপ থেকে উরুগুয়ের বিদায়
গোলরক্ষকের ভুলে বিশ্বকাপ থেকে উরুগুয়ের বিদায়

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জর্ডানের বিপক্ষে একাদশে খেলবেন না মেসি, কারণ কী
জর্ডানের বিপক্ষে একাদশে খেলবেন না মেসি, কারণ কী

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হরমুজে জাহাজে হামলার জেরে ইরানে মার্কিন হামলা
হরমুজে জাহাজে হামলার জেরে ইরানে মার্কিন হামলা

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আইসিসির কাছে বিসিবির অর্থায়ন বন্ধের আবেদন, আলোচনায় বুলবুল
আইসিসির কাছে বিসিবির অর্থায়ন বন্ধের আবেদন, আলোচনায় বুলবুল

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এমবাপে-হালান্ড কেন কখনোই মেসি-রোনালদোর উচ্চতায় পৌঁছাতে পারবেন না
এমবাপে-হালান্ড কেন কখনোই মেসি-রোনালদোর উচ্চতায় পৌঁছাতে পারবেন না

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানের মুহুর্মুহু হামলায় বাহরাইনের ঘাঁটি ছেড়ে পালিয়েছিল মার্কিন সেনারা: রিপোর্ট
ইরানের মুহুর্মুহু হামলায় বাহরাইনের ঘাঁটি ছেড়ে পালিয়েছিল মার্কিন সেনারা: রিপোর্ট

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বেইজিংয়ের সর্বোচ্চ ভবনে ধাক্কা খেয়ে উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত
বেইজিংয়ের সর্বোচ্চ ভবনে ধাক্কা খেয়ে উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নতুন হামলা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘পিছু হটা ও অনুতাপের’ কারণ হবে: ইরানি এমপি
নতুন হামলা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘পিছু হটা ও অনুতাপের’ কারণ হবে: ইরানি এমপি

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যে তিন কারণে হালান্ডকে খেলাচ্ছে না নরওয়ে
যে তিন কারণে হালান্ডকে খেলাচ্ছে না নরওয়ে

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ভিসা চালুর ঘোষণা: স্বাগত জানাল পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রী ও বিধায়করা
ভিসা চালুর ঘোষণা: স্বাগত জানাল পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রী ও বিধায়করা

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার
বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার

৬ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

৭২ বছরে বিশ্বকাপে দ্রুততম হ্যাটট্রিক দেম্বেলের
৭২ বছরে বিশ্বকাপে দ্রুততম হ্যাটট্রিক দেম্বেলের

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন স্পেন, ইতিহাস গড়ে নকআউটে কেপ ভার্দে
গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন স্পেন, ইতিহাস গড়ে নকআউটে কেপ ভার্দে

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দাপুটে জয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন বেলজিয়াম, ইরানের সঙ্গে ড্রয়ে দ্বিতীয় মিশর
দাপুটে জয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন বেলজিয়াম, ইরানের সঙ্গে ড্রয়ে দ্বিতীয় মিশর

৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ভারতকে প্রথমবারের মতো হারিয়ে আয়ারল্যান্ডের ইতিহাস
ভারতকে প্রথমবারের মতো হারিয়ে আয়ারল্যান্ডের ইতিহাস

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রামিনের গোলে সমতায় ফিরল ইরান
রামিনের গোলে সমতায় ফিরল ইরান

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কেইনের ওপর থেকে ‘কালো জাদু’ তুলে নিয়ে ঘানার তান্ত্রিকের বার্তা
কেইনের ওপর থেকে ‘কালো জাদু’ তুলে নিয়ে ঘানার তান্ত্রিকের বার্তা

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ন্যাটোর ঐক্য পরীক্ষায় ইউরোপের কয়েকটি দেশে রাশিয়ার ‘হাইব্রিড হামলার’ আশঙ্কা
ন্যাটোর ঐক্য পরীক্ষায় ইউরোপের কয়েকটি দেশে রাশিয়ার ‘হাইব্রিড হামলার’ আশঙ্কা

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মিশরের ৯২ বছরের অপেক্ষা শেষ হবে, নাকি ইতিহাস গড়বে ইরান
মিশরের ৯২ বছরের অপেক্ষা শেষ হবে, নাকি ইতিহাস গড়বে ইরান

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

চুক্তির পরও হরমুজে ড্রোন হামলাকে ‘কাণ্ডজ্ঞানহীন’ বললেন ট্রাম্প
চুক্তির পরও হরমুজে ড্রোন হামলাকে ‘কাণ্ডজ্ঞানহীন’ বললেন ট্রাম্প

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তিন দেশের নাগরিকদের সৌদি আরব ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা
তিন দেশের নাগরিকদের সৌদি আরব ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দেশের হয়ে ইতিহাস গড়লেন লুকাকু
দেশের হয়ে ইতিহাস গড়লেন লুকাকু

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ভারতের বিপক্ষে ঐতিহাসিক জয় আয়ারল্যান্ডের
ভারতের বিপক্ষে ঐতিহাসিক জয় আয়ারল্যান্ডের

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যুদ্ধের নতুন কৌশল, ৫ লাখ সেনার হাতে ড্রোন তুলে দিচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়া
যুদ্ধের নতুন কৌশল, ৫ লাখ সেনার হাতে ড্রোন তুলে দিচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়া

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক