শিরোনাম
প্রকাশ : ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ১২:২৯
আপডেট : ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ১৩:৫৩

কর্মচারী পদে ৩৭২ পিএইচডিধারী ও ২ লাখ ইঞ্জিনিয়ারের আবেদন!

অনলাইন ডেস্ক

কর্মচারী পদে ৩৭২ পিএইচডিধারী ও ২ লাখ ইঞ্জিনিয়ারের আবেদন!
সংগৃহীত ছবি

শুধু স্টান্ডার্ড-১২ মানে বাংলাদেশের এইচএসসি সমমানের পরীক্ষা পাসের যোগ্যতার সাধারণ চাকরির জন্য আবেদন করেছেন পিএইচডি ডিগ্রিধারী থেকে শুরু করে ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে উচ্চতর ডিগ্রিধারীরা।

ভারতের তেলেঙ্গানায় প্রশাসনের জন্য কর্মচারী পদে ৭০০ জনের নিয়োগের জন্য আবেদন পড়েছে ১০ লাখেরও বেশি।

এর মধ্যে কয়েকশ’ আবেদনকারী হচ্ছে পিএইচডি এবং এমফিল ডিগ্রিধারী। আর দুই লাখ আবেদনকারী হচ্ছে ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতক ও স্নাতকোত্তররা।

এটা অবিশ্বাস্য বলে মন্তব্য করেছেন তেলেঙ্গানা রাজ্যের পাবলিক সার্ভিস কমিশনের চেয়ারম্যান ঘনতা চক্রপানি। তিনি এনডিটিভিকে বলেন, নিরাপত্তা, ভালো বেতন এবং সামাজিক মর্যাদার সরকারি চাকরির প্রতি মানুষের আগ্রহ বেশি। কিন্তু আমি ভাবতেই পারছি না যে দক্ষিণ ভারতের একটি রাজ্যে নিম্নস্তরের একটা পদের জন্য এতো বড় ডিগ্রিধারীরা আবেদন করবে।

তিনি জানান, ১০ লাখ ৫৮ হাজার আবেদনকারীর মধ্যে ৮০ ভাগই আবেদন করেছে গ্রাম রাজস্ব কর্মকর্তা (ভিআরও) পদে। রবিবারে এ পদের জন্য পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। ২০১১ সালে সর্বশেষ এ পদে লোক নেয়া হয়েছিল। সেবার আবেদন পড়ে ছয় লাখ।

ইলেক্ট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং পাস করেও বেকার থাকা প্রশান্ত জানান, ইঞ্জিনিয়ারিং পাস করেও এ পদের জন্য আবেদন না করে উপায় ছিল না। এ চাকরিতে বেতন মাত্র ১৫ হাজার রুপি। কিন্তু সরকারি হওয়ার কারণে এ চাকরির নিরাপত্তা আছে। কিন্তু প্রাইভেট সেক্টরে দ্বিগুণ বেতন পেয়েও সেখানে এ নিশ্চয়তা নেই।

দুর্গা প্রাসাদ নামের মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার আরেক প্রার্থী জানান, যদিও এ পোস্টের জন্য যোগ্যতা চাওয়া হয়েছে মাত্র ইন্টারমিডিয়েট পর্যন্ত। কিন্তু আবেদন করেছে পিএইচডি ও এমফিল ডিগ্রিধারী, স্নাতকোত্তর এমনকি আইনজীবীরাও। প্রশ্নপত্র এত কঠিন হয়েছে যে আমি আশাবাদী হতে পারছি না। প্রতি পদের জন্য প্রার্থী ছিল ১১০০ জন।

পাবলিক সার্ভিস কমিশন সূত্রে জানা গেছে, আবেদনকারীর মধ্যে ৩৭২ জন হচ্ছে পিএইচডি এবং ৫৩৯ এমফিল ডিগ্রিধারী, দুই লাখ ইঞ্জিনিয়ার, দেড় লাখ বিভিন্ন বিষয়ে স্নাতকোত্তর এবং ৪ লাখ স্নাতক পাস।

বিডি প্রতিদিন/১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮/আরাফাত


আপনার মন্তব্য