শিরোনাম
প্রকাশ : ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ০৯:১৮
আপডেট : ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ১২:৩৭

‘সাবরা ও শাতিলায় ৫ হাজার ফিলিস্তিনিকে হত্যা করে ইসরায়েল’

অনলাইন ডেস্ক

‘সাবরা ও শাতিলায় ৫ হাজার ফিলিস্তিনিকে হত্যা করে ইসরায়েল’
সংগৃহীত ছবি

ইরান বলেছে, কথিত ‘ডিল অব দ্য সেঞ্চুরি’সহ যেসব পরিকল্পনায় ফিলিস্তিনি জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষাকে উপেক্ষা করা হবে তার কোনওটিই সফল হবে না।

লেবাননের ‘সাবরা’ ও ‘শাতিলা’ শরণার্থী শিবিরে ইসরায়েলের চালানো ভয়াবহ গণহত্যার বার্ষিকীতে শুক্রবার ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ মন্তব্য করে।

ইরানি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক টুইটার বার্তায় বলা হয়েছে, “সাবরা ও শাতিলা গণত্যা ছিল নাকাবা দিবসের পরিণতি এবং এখন যে ডিল অব দ্য সেঞ্চুরির কথা বলা হচ্ছে সেটি হচ্ছে দ্বিতীয় নাকাবা দিবস। এ পরিকল্পনায় গোটা অধিকৃত ভূখণ্ডকে বৈধভাবে ইসরায়েলের কাছে হস্তান্তরের ষড়যন্ত্র আঁটা হয়েছে।”

১৯৮২ সালের ১৬ থেকে ১৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত লেবাননের দুই শরণার্থী শিবিরে ইসরায়েলি সেনাদের পাশবিক গণহত্যা অভিযানে কয়েক হাজার ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছিলেন।

সাবেক ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী অ্যারিয়েল শ্যারন ওই সময় দেশটির ভারপ্রাপ্ত যুদ্ধমন্ত্রী ও লেবাননে মোতায়েন ইসরায়েলি বাহিনীর কমান্ডার ছিলেন এবং তিনি সাবরা ও শাতিলা গণহত্যার পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নের দায়িত্ব পালন করেন। সে সময় ওই দুই শরণার্থী শিবিরে প্রায় ২০ হাজার অধিবাসী ছিল যাদের মধ্যে সাড়ে তিন থেকে পাঁচ হাজার মানুষকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। নিহতদের মধ্যে অসংখ্য নারী, শিশু ও বৃদ্ধ ছিল।

১৯৪৮ সালের ১৪ মে ফিলিস্তিনের লাখ লাখ মানুষকে তাদের ঘরবাড়ি থেকে উচ্ছেদ করে দখলদার ইসরায়েলের গোড়াপত্তন করা হয়। দিনটিকে ফিলিস্তিনিরা নাকাবা বা বিপর্যয় দিবস হিসেবে পালন করে। সূত্র: পার্সটুডে

বিডি প্রতিদিন/কালাম


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর