টানা ১১ দিন গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলের বর্বর হামলায় নারী-শিশুসহ আড়াই শতাধিক ফিলিস্তিনির প্রাণহানি হয়েছে। এরপর হামাসের চাপে যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হলেও নিরীহ ফিলিস্তিনিদের ওপর ইসরায়েলি বর্বরতা অব্যাহত রয়েছে।
গতকাল শনিবারও ইসরায়েলি সেনারা জেরুজালেম আল-কুদস শহরের উত্তর অংশে কালান্দিয়া এলাকার প্রবেশ পথে ২৮ বছর বয়সি ফিলিস্তিন নারী ইবতিসাম কাআবানেকে লক্ষ্য করে নির্বিচারে গুলি চালায়। এতে তিনি মারাত্মক আহত হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন।
এ সময় তার শরীর থেকে প্রচণ্ড রক্তক্ষরণ হলেও তাকে হাসপাতালে নিয়ে যেতে মেডিকেল টিমগুলোকে অনুমতি দেয়নি ইসরায়েলি সেনারা। ফলে অসংখ্য মানুষের চোখের সামনে ইসরায়েলি সেনাদের গুলিবর্ষণের ফলে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে ওই ফিলিস্তিন নারী মারা যান।
এর আগে, শুক্রবার অবৈধ ইহুদি বসতি নির্মাণের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিলের সময় ইসরায়েলি বাহিনীর গুলিতে মো. সাঈদ হামাইল (১৫) নামে এক কিশোর নিহত হয়েছেন। এসময় ফিলিস্তিনিদের ওপর নির্বিচারে গুলিবর্ষণে আরও ৯ জন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। যুদ্ধবিরতির পরও ইসরায়েলের এই বর্বতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
এছাড়া টানা ১১ দিনের যুদ্ধ শেষে ইহুদিবাদী ইসরায়েলি বাহিনী যুদ্ধবিরতির পরও আল–আকসা মসজিদ চত্বরে মুসল্লিদের ওপর হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলের নিরাপত্তা বাহিনী। সেখানে জুমার নামাজসহ অন্যান্য সময় মুসল্লিরা একাধিক হামলার শিকার হয়েছেন।
বিডি-প্রতিদিন/শফিক