ইয়েমেনের রাজধানী সানাে ইসরায়েলি হামলার পর কঠোর প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ইরান সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠী হুতি। শুক্রবার গোষ্ঠীটির চিফ অব স্টাফ মুহাম্মদ আবদুল করিম আল-ঘামারি এই হামলাকে ‘অবশ্যই শাস্তি পাবে’ বলে মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, এই হামলার প্রসঙ্গ কখনই বিনা শাস্তিতে শেষ হবে না।
হুতিদের সংবাদ সংস্থা সাবার বরাতে শনিবার বার্তা সংস্থা আনাদোলু এই খবর জানিয়েছে। ঘামারি আরও বলেন, সানায় বেসামরিক এলাকাগুলোকে লক্ষ্য করে ইসরায়েলের হামলা প্রতিশোধের মুখোমুখি হবে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, ইয়েমেন গাজা উপত্যকাকে সমর্থন করতে পিছপা হবে না, তাতে যতই ত্যাগের প্রয়োজন হোক না কেন।
এছাড়া, গাজার এবং ইয়েমেনের ওপর ইসরায়েলি হামলার তীব্রতাকে ঘামারি শক্তির চেয়ে ব্যর্থতার লক্ষণ হিসেবে বর্ণনা করেন। তিনি ফিলিস্তিনিদের বীর হিসেবে প্রশংসা করেন এবং গাজার বাসিন্দাদের দৃঢ় সংকল্পকে অভিবাদন জানান। তিনি বলেন, ফিলিস্তিনিরাও ইসরায়েলি বাহিনীর ওপর ভারী ক্ষতি করার জন্য প্রস্তুত।
এদিকে, ইসরায়েলি সেনাবাহিনী বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে জানায়, তারা সানায় হামলা চালিয়ে হুতি নেতা মুহাম্মদ আবদুল করিম আল-ঘামারি এবং হুতি প্রতিরক্ষামন্ত্রী মোহাম্মদ আল-আতিফিকে হত্যার চেষ্টা করেছিল। তারা হুতির অন্যান্য জ্যেষ্ঠ নেতাদের নির্মূল করার চেষ্টা করেছে বলেও দাবি করেছে তেল আবিব।
ইসরায়েল জানায়, এই অভিযানটি সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে উচ্চ পর্যায়ের হুতি নেতৃত্বের একটি বৈঠককে লক্ষ্য করে চালানো হয়। তবে হুতি মিডিয়া এই দাবি অস্বীকার করেছে এবং বলেছে, সানায় নেতাদের লক্ষ্যবস্তু করার কোনও খবরই সঠিক নয়।
সূত্র : আনাদোলু এজেন্সি।
বিডি-প্রতিদিন/শআ