শিরোনাম
প্রকাশ : শুক্রবার, ১৮ জুন, ২০২১ ০০:০০ টা
আপলোড : ১৭ জুন, ২০২১ ২৩:০৯

অস্ত্র নিয়ে মহড়ার জের

পাবনায় দুই আওয়ামী লীগ নেতার অস্ত্র লাইসেন্স বাতিল

পাবনা প্রতিনিধি

Google News

পাবনায় গণপূর্ত ভবনে অস্ত্র নিয়ে ঠিকাদার আওয়ামী লীগ নেতাদের মহড়ার ঘটনায় প্রদর্শিত দুটি শটগানের লাইসেন্স বাতিল করেছে জেলা প্রশাসন। বুধবার বিকালে লাইসেন্স বাতিলের পর গতকাল সংশ্লিষ্টদের চিঠি দিয়ে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। পাবনা জেলা প্রশাসক কবীর মাহমুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, সম্প্রতি পাবনা গণপূর্ত ভবনে কয়েকজন ঠিকাদার আওয়ামী লীগ নেতার অস্ত্র নিয়ে প্রবেশের ঘটনা তদন্তে অস্ত্র আইনের শর্ত ভঙ্গ হয়েছে জানিয়ে প্রতিবেদন দিয়েছে পুলিশ। বৈধ অস্ত্রের অবৈধ ব্যবহার হওয়ায় লাইসেন্স বাতিলের সুপারিশও করা হয় তদন্ত প্রতিবেদনে। এর পরিপ্রেক্ষিতে এম আর খান মামুন ও শেখ আনোয়ার হোসেন লালুর নামে ইস্যুকৃত শটগানের লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে।

পাবনার পুলিশ সুপার মহিবুল ইসলাম খান জানান, পাবনা গণপূর্ত বিভাগে ঠিকাদার আওয়ামী লীগ নেতাদের অস্ত্র নিয়ে প্রবেশের ঘটনা জানার পরই বিষয়টি তদন্ত করে জেলা পুলিশ। গণপূর্ত বিভাগের কর্মকর্তারা লিখিত অভিযোগ না করলেও পুলিশ নিজ উদ্যোগে ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করে বিষয়টি তদন্ত করে। ঠিকাদারদের প্রদর্শিত অস্ত্রও জব্দ করা হয়। অস্ত্র আইনের শর্ত লঙ্ঘনের বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছে পুলিশ। আমরা বৈধ অস্ত্রের অবৈধ ব্যবহারের প্রমাণ পাওয়ায় প্রদর্শিত অস্ত্রগুলোর লাইসেন্স বাতিলের সুপারিশ করেছি। জেলা প্রশাসন লাইসেন্স বাতিল করায় জব্দকৃত অস্ত্রগুলো সরকারের সম্পত্তি হিসেবে বিবেচিত হবে।

গত ৬ জুন দুপুরে সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক হাজী ফারুক হোসেন, পৌর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এম আর খান মামুন এবং জেলা যুবলীগের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য শেখ লালুর নেতৃত্বে প্রায় ৩০ জনের একটি দল আগ্নেয়াস্ত্র হাতে নিয়ে গণপূর্ত ভবনে প্রবেশ করে নির্বাহী প্রকৌশলী আনোয়ারুল আজিমকে খুঁজতে থাকেন। তারা আগ্নেয়াস্ত্র নিয়েই উপ-সহকারী প্রকৌশলী মিজানুর রহমানের কক্ষে যান এবং কিছুক্ষণ পর বের হয়ে যান। বিষয়টি নিয়ে জেলাজুড়ে সমালোচনা শুরু হয়। ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ দেখে পুলিশ আগ্নেয়াস্ত্র ও গুলি জব্দ করে।