শিরোনাম
প্রকাশ : ২২ জানুয়ারি, ২০২১ ০৯:৫২
প্রিন্ট করুন printer

কুয়াশার কারণে শাহজালালের দুই ফ্লাইট চট্টগ্রামে অবতরণ

অনলাইন ডেস্ক

কুয়াশার কারণে শাহজালালের দুই ফ্লাইট চট্টগ্রামে অবতরণ
ফাইল ছবি

ঘন কুয়াশার কারণে ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নামতে না পেরে দুইটি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চট্টগ্রামের শাহ আমানতে অবতরণ করেছে।

শুক্রবার সকাল ৭টা ৪০ মিনিটে মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুর থেকে আসা ইউএস বাংলার ফ্লাইটটি ঢাকায় নামতে না পেরে চট্টগ্রাম চলে আসে। এরপর সোয়া ৯টার দিকে ওমান থেকে আসা ইউএস বাংলার অপর ফ্লাইটটিও চট্টগ্রাম যায়।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ব্যবস্থাপক উইং কমান্ডার ফরহাদ হোসেন।

তিনি বলেন, ঘন কুয়াশার কারণে শাহজালালে নামতে না পেরে দুইটি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট শাহ আমানতে অবতরণ করেছে। কুয়াশা কেটে গেলে ফ্লাইট দুইটি আবার ঢাকায় চলে যাবে।

বিডি প্রতিদিন/এমআই


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১৪:১৯
প্রিন্ট করুন printer

বিশ্বে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি আরও উজ্জ্বল করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

অনলাইন ডেস্ক

বিশ্বে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি আরও উজ্জ্বল করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা (ফাইল ছবি)

সারা বিশ্বে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি আরও উজ্জ্বল করতে মেরিন ক্যাডেটসহ প্রবাসী বাংলাদেশিদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, ‘নিজ দায়িত্ব সততা, দক্ষতা এবং কর্তব্য নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করতে হবে। যাতে বিদেশে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল হয়। সেই বিষয়টার দিকে সব সময় লক্ষ রাখতে হবে।’

আজ বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ মেরিন একাডেমি চট্টগ্রাম ক্যাম্পাসে, ৫৫তম ব্যাচের ক্যাডেটদের মুজিববর্ষ গ্র্যাজুয়েশন প্যারেড অনুষ্ঠানে গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে এ আহ্বান জানান তিনি। তিনি বলেন, অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও তরুণদের কর্মসংস্থান বাড়াতে কাজ করছে সরকার। 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের ক্যাডেটরা নতুন জীবনে পদার্পণ করবে। সেখানে দেশে বিদেশে দেশের মান রক্ষা করে চলতে হবে। আর সেই সাথে যখন যে দেশে যাবে আমাদের সভ্যতা, আমাদের কৃষ্টি, আমাদের সংস্কৃতি, সেটাও আদান-প্রদান করতে পারবে। অন্য জায়গা থেকে ভালো কিছু শিক্ষা নিয়ে আসতে হবে।

বিডি-প্রতিদিন/শফিক


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১১:৪৭
আপডেট : ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১১:৫৮
প্রিন্ট করুন printer

পরীক্ষার দাবিতে শাহবাগে বিক্ষোভের চেষ্টা, আটক ১০

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক

পরীক্ষার দাবিতে শাহবাগে বিক্ষোভের চেষ্টা, আটক ১০
প্রতীকী ছবি

পরীক্ষার দাবিতে শাহবাগে আন্দোলন শুরু করার আগেই জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তত ১০ জন শিক্ষার্থীকে আটক করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার সকালে এই ঘটনা ঘটে। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থগিতকৃত পরীক্ষা গ্রহণের দাবিতে এই বিক্ষোভ সমাবেশ করার কথা ছিল।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকাল সাড়ে ১০টার দিকে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষার্থী পূর্বঘোষিত কর্মসূচি পালন করতে শাহবাগে আসেন। পরে তাদেরকে আটক করে নিয়ে যায় শাহবাগ থানা পুলিশ।

এ বিষয়ে পুলিশের রমনা জোনের ডিসি সাজ্জাদুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, ৮-১০ জনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানা নেওয়া হয়েছে। তাদের কোনও অপরাধ পাওয়া না গেলে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ছেড়ে দেওয়া হবে।

বিডি প্রতিদিন/কালাম


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১১:৩৭
আপডেট : ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১১:৫৪
প্রিন্ট করুন printer

পিলখানা হত্যাকাণ্ডের এক যুগ : নিহত সেনা কর্মকর্তাদের সমাধিতে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

অনলাইন ডেস্ক

পিলখানা হত্যাকাণ্ডের এক যুগ : নিহত সেনা কর্মকর্তাদের সমাধিতে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা
সংগৃহীত ছবি

রাজধানীর পিলখানায় তৎকালীন বিডিআর সদরদপ্তরে সংঘটিত নৃশংস হত্যাকাণ্ডের এক যুগ পূর্ণ হলো আজ বৃহস্পতিবার। এরই মধ্যে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতিনিধিরা রাজধানীর বনানীর সামরিক কবরস্থানে আজ সকাল ৯টার দিকে নিহত সেনা কর্মকর্তাদের সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন।

রাষ্ট্রপতির পক্ষে তার সামরিক সচিব মেজর জেনারেল এস এম সালাহ উদ্দিন ইসলাম এবং প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে তার সামরিক সচিব মেজর জেনারেল নকিব আহমদ শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

এ ছাড়া স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, তিন বাহিনীর প্রধান, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীন জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব, বিজিবির মহাপরিচালক এবং নিহত কর্মকর্তাদের স্বজনরাও শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

২০০৯ সালে বিডিআর (বর্তমানে বিজিবি) সপ্তাহ চলাকালে ২৫ ফেব্রুয়ারি সশস্ত্র বিদ্রোহ করেন বাহিনীর কয়েকশ সদস্য। তাদের হাতে পিলখানা সদরদপ্তরে নিহত হন ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জন।

বিডি প্রতিদিন/ফারজানা


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১০:০৬
প্রিন্ট করুন printer

খবর বিডিনিউজের

‘ওভারনাইট বান্দরবান পাঠিয়ে দেব’ বন্ধ চায় সংসদীয় কমিটি

অনলাইন ডেস্ক


‘ওভারনাইট বান্দরবান পাঠিয়ে দেব’ বন্ধ চায় সংসদীয় কমিটি

সরকারি কোনো কর্মকর্তা ও কর্মচারীর দাপ্তরিক কাজের ব্যর্থতা হিসেবে পার্বত্য চট্টগ্রাম এলাকায় পদায়ন করা হয়- এমন প্রচার বন্ধে তথ্য মন্ত্রণালয়কে ব্যবস্থা নিতে বলেছে সংসদীয় কমিটি।

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির যুক্তি, এই ধরনের প্রচার একটি এলাকা সম্পর্কে সারাদেশের মানুষের মধ্যে বিরূপ ধারণা সৃষ্টি করতে পারে।

বুধবার সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত এই সংসদীয় কমিটির বৈঠকে একটি টিভি বিজ্ঞাপন চিত্র নিয়ে আলোচনা ওঠে। একটি ব্র্যান্ডের চা পাতার ওই বিজ্ঞাপনে সংলাপ রয়েছে- ‘আপনাকে ওভারনাইট বান্দরবানে পাঠিয়ে দেব’।

বৈঠকে আলোচনায় বলা হয়, এ ধরনের বিজ্ঞাপনে পার্বত্য অঞ্চল বিষয়ে জনমনে বিরূপ ধারণা সৃষ্টি হয়। এতে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে পার্বত্য এলাকায় বদলি শাস্তিমূলক বদলি হিসেবে প্রতিষ্ঠা পাবে। সে কারণে এ ধরনের প্রচারণা বন্ধ হওয়া দরকার।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে কমিটির সদস্য কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা গণমাধ্যমকে বলেন, “এসব প্রচারণার কারণে এলাকার উপর একটি বিরূপ ধারণার সৃষ্টি হতে পারে। যার কারণে আমরা মন্ত্রণালয়কে বলেছি, এ ধরনের প্রচারণা যাতে বন্ধ হয় তার জন্য যেন তথ্য মন্ত্রণালয়কে বলা হয়।”

বৈঠক সংক্রান্ত সংসদ সচিবালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বৈঠকে সরকারি কোনো কর্মকর্তা ও কর্মচারীর দাপ্তরিক কাজের ব্যর্থতা হিসেবে পার্বত্য চট্টগ্রাম এলাকায় পদায়ন করা হবে এ জাতীয় প্রচার-প্রচারণা বন্ধ করতে তথ্য মন্ত্রণালয়কে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সুপারিশ করা হয়।

বিডি প্রতিদিন/ফারজানা


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ০১:০৯
আপডেট : ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১১:৫৭
প্রিন্ট করুন printer

রাজধানীতে মশা বেড়েছে চারগুণ, কেন বাড়ছে?

অনলাইন ডেস্ক

রাজধানীতে মশা বেড়েছে চারগুণ, কেন বাড়ছে?
সংগৃহীত ছবি

রাজধানী ঢাকায় গত বছরের এই সময়ের তুলনায় বর্তমানে মশার ঘনত্ব বেড়েছে চার গুণ। আর মশা নিয়ন্ত্রণে পদক্ষেপ নেওয়া না হলে আগামী মার্চ মাস পর্যন্ত মশার ঘনত্ব বেড়ে চরমে পৌঁছাবে।

সম্প্রতি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষণায় এমন তথ্য জানানো হয়। গবেষণাটি পরিচালনা করছেন বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রাণিবিদ্যা বিভাগের শিক্ষক ড. কবিরুল বাশার। তিনি বলেন, প্রতি মাসেই যাতে মশার ঘনত্ব কেমন হচ্ছে তা তুলনা করার জন্য এই গবেষণাটি পরিচালনা করছেন তিনি।

এর অংশ হিসেবে জানুয়ারির শেষের দিকে তিনি দেখতে পান যে, মশার ঘনত্ব অন্য সময়ে যা থাকে তার চেয়ে চারগুণ বেশি বেড়েছে। ‌‘গত বছরের এপ্রিল থেকে শুরু করা হলে জানুয়ারিতে অন্যান্য মাসের তুলনায় চারগুণ মশার ঘনত্ব পেয়েছি, বিশেষ করে লার্ভার ডেনসিটি।’

মশার ঘনত্ব কেমন বাড়ছে সেটা জানতে ঢাকার উত্তরা, খিলগাও, শনির-আখড়া, শাঁখারিবাজার, মোহাম্মদপুর ও পরীবাগসহ ছয়টি এলাকার নমুনা নিয়ে গবেষণা চলছে।

বাশার বলেন, ‘ছয়টা জায়গাতে গড় ঘনত্ব প্রতি ডিপে (মশার ঘনত্ব বের করার পরিমাপক) আমরা মশা পেয়েছি ৬০টিরও বেশি। যেখানে আমরা অন্যান্য সময় পাই ১৫-২০টি।’

মশা কেন বেড়েছে?

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক কবিরুল বাশার বলেন, এই সময়ে যে মশা দেখা যাচ্ছে তার মধ্যে ৯৯% হচ্ছে কিউলেক্স মশা। যেটি আসলে এডিস মশা নয়। তিনি জানান, এই মশা সাধারণত পঁচা পানিতে হয়। নর্দমা, ড্রেন, ডোবা, বিল ঝিলে পানি এখন পঁচে গেছে। সেই সাথে বৃষ্টিপাত না হওয়ার কারণে এবং পানি বহমান না থাকার কারণে কিউলেক্স মশার জন্মানোর হার বেড়ে যায়।

শীতের শেষে তাপমাত্রা বাড়ার সাথে সাথে প্রকৃতিতে যে মশার ডিম থাকে সেগুলো একযোগে ফুটে যায়। যার কারণে ফেব্রুয়ারি এবং মার্চ মাসে মশার ঘনত্ব বেড়ে যায়।

কিউলেক্স মশার কামড়ে অনেক সময় গোদ রোগ হয়। যেটাকে ফাইলেরিয়াসিস বা এলিফ্যান্টিয়াসিসও বলা হয়। এটি হলে হাত পা ফুলে বড় হয়ে যায়।

কয়েল বা স্প্রে-তেও মশা যাচ্ছে না কেন?

অনেকেই অভিযোগ করে থাকেন যে, মশা মারতে বা তাড়াতে এর আগে কয়েল এবং অ্যারোসল স্প্রে ব্যবহার করা হলে তা কাজ করতো। তবে ইদানীং কয়েল বা স্প্রে ব্যবহার করলেও মশা তাড়ানো যাচ্ছে না।

এমন প্রশ্নের উত্তরে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের শিক্ষক ড. কবিরুল বাশার বলেন, নির্দিষ্ট কোন একটি কীটনাশক একটানা পাঁচ বছরের বেশি ব্যবহার করা হলে মশা সেই কীটনাশকের বিপক্ষে সহনশীলতা তৈরি করে।

"এটি একটি জেনেটিক মেকানিজম।"

এই প্রক্রিয়ায় ওই কীটনাশকের প্রতি সহনশীল হওয়ায় সেটি আর কাজ করে না। আর এজন্যই মশা নিয়ন্ত্রণে প্রতি পাঁচ বছর পর পর কীটনাশক পরিবর্তন করা দরকার। তার বিরুদ্ধে

মশা নিয়ন্ত্রণে আনতে কী করতে হবে?

বাশার বলেন, মশা নিয়ন্ত্রণে আনতে হলে র‍্যাপিড অ্যাকশনের মতো পদক্ষেপ নিতে হবে। এর আওতায় সিটি কর্পোরেশনের প্রতিটি ওয়ার্ডের প্রতিটি জায়গায় যেখানে পানি রয়েছে সেখানে একযোগে লার্ভা নিধনের ওষুধ দেয়া ছিটিয়ে দিতে হবে।

সেই সাথে জনগণের সহায়তা বিল-ঝিল-ডোবা-নর্দমা পরিষ্কার করতে হবে। কারণ এসব স্থানেই মশা বেশি জন্মায়।

আর প্রাপ্ত বয়স্ক মশা দমনে ফগিং করতে হবে। এই অভিযান শুরু করার পর তিন দিনের মধ্যে শেষ করতে হবে। যাতে মশা আবার ডিম পাড়ার সুযোগ না পায়।

এছাড়া স্থায়ীভাবে মশা নিয়ন্ত্রণে আনতে হলে সারা বছরব্যাপী সমন্বিত মশক ব্যবস্থাপনা গ্রহণ করতে হবে বলে মনে করেন তিনি।

যার মধ্যে প্রথমেই পরিবেশগত ব্যবস্থাপনা করতে হবে। অর্থাৎ আশপাশের পরিবেশ বা জলাশয় পরিষ্কার ও দূষণমূক্ত রাখতে হবে।

দ্বিতীয়টি হচ্ছে জৈবিক নিয়ন্ত্রণ। এক্ষেত্রে যেসব প্রাণী প্রাকৃতিকগতভাবেই মশা খেয়ে থাকে সেগুলো যেমন গাপ্পি ফিস, ব্যাং, ড্রাগন ফ্লাই-এগুলো ব্যবহার করতে হবে। এগুলোকে প্রকৃতিতে ছাড়ার ব্যবস্থা করতে হবে।

তৃতীয়টি হচ্ছে কীটনাশক। দুই ধরণের কীটনাশক রয়েছে যাদের মধ্যে এক ধরণের কীটনাশক লার্ভা ধ্বংস করে এবং অন্যটি পূর্ণ বয়স্ক মশা মেরে ফেলতে ব্যবহার করা হয়।

আর চতুর্থটি হচ্ছে, মশা নিধন কর্মযজ্ঞে জনগণকে সম্পৃক্ত করা। শুধু কোন একটি কর্তৃপক্ষ বা সিটি কর্পোরেশনের একার পদক্ষেপে মশা সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব নয় বলে মনে করেন তিনি। এর জন্য জনগণের সচেতনতা এবং অংশগ্রহণ দরকার।
 
সূত্র: বিবিসি বাংলা

বিডি প্রতিদিন/জুনাইদ আহমেদ 

 


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর