শিরোনাম
প্রকাশ : ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ০৮:৩৬
আপডেট : ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১০:২০
প্রিন্ট করুন printer

হারিছ-আনিসের ক্ষমায় আইনের লঙ্ঘন হয়নি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক

হারিছ-আনিসের ক্ষমায় আইনের লঙ্ঘন হয়নি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান

সেনাপ্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদের দুই ভাই হারিছ আহমেদ ও আনিস আহমেদকে যাবজ্জীবন সাজা থেকে অব্যাহতি দেওয়ার ক্ষেত্রে আইনের কোনো লঙ্ঘন হয়নি বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান।

 রাজধানীতে গতকাল বিকালে এক অনুষ্ঠানে এসে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। এর আগে মগবাজারের ওয়ারলেস এলাকায় নজরুল শিক্ষালয় নামে একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নতুন ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। ৪০১ ধারায় আসামি হারিছ

ও আনিসের সাজা মওকুফ করার বিষয়ে সঠিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়েছে কিনা? স্পর্শকাতর বিষয়টি এতদিন কেন গোপন রাখা হলো? সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ৪০১ ধারার সব নিয়ম মেনেই দুই আসামিকে সাজা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। আসামিদের পরিবারের পক্ষ থেকে যথাযথ আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সরকার এ সিদ্ধান্ত নেয়। তবে আসামিদের পক্ষ থেকে কে এই আবেদন করেছেন সে বিষয়ে কিছু বলেননি মন্ত্রী। বিষয়টি নিয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কোনো ‘লুকোচুরি’ নেই দাবি করে তিনি বলেন, এটা নিছক কমিউনিকেশন গ্যাপ। এই ধারার বিষয়ে ইতিমধ্যেই আইনমন্ত্রী সহজ বিশ্লেষণ দিয়েছেন। সে জায়গা থেকে এ প্রশ্নের জবাব আপনারা আগেই পেয়েছেন। হারিছকে যদি ক্ষমাই করা হয়, তাহলে বাংলাদেশ পুলিশের ওয়েবসাইটে মোস্ট ওয়ান্টেড আসামির তালিকায় তার নাম কেন এখনো দৃশ্যমান? এমন প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, কমিউনিকেশন গ্যাপের কারণে পুলিশের ওয়েবসাইটে ওয়ান্টেড হিসেবে হারিছের নাম ও ছবি তালিকাভুক্ত রয়েছে। এটা ঠিক হয়ে যাবে। আলজাজিরার বিরুদ্ধে মামলা এখনো পুলিশের কাছে আসেনি উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মামলা এলেই এ নিয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এর আগে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সামনের নতুন বিল্ডিংটা কিন্তু আমি আপনাদের কথামতো করে দিয়েছিলাম। পুরান বিল্ডিং ভেঙে নতুন বিল্ডিং করতে চেয়েছেন। সেটাও করে দেব। আমাদের দাবি কিন্তু আছে। সরকারের দাবি হচ্ছে আপনি ভালো রেজাল্ট করবেন এবং এখানে যেন সবাই শিক্ষার সুযোগ পায়। আমাদের সরকার কী চায়? আমরা যে দুর্বারগতিতে এগিয়ে চলছি, আমাদের প্রজন্মের পর প্রজন্ম যেন এই ধারাটা অক্ষুণ্ন রাখে। তারা যেন শিক্ষা-দীক্ষা-জ্ঞানে তাদের প্রতিভা বিকাশ করে। তারা যেন দায়িত্ব নিতে পারে এবং উন্নয়নের গতি অব্যাহত রাখে। আসাদুজ্জামান খান বলেন, আমরা ২০৪১ সালের স্বপ্ন দেখছি। আমাদের ডেল্টা প্ল্যান বাস্তবায়নে তারা যেন নেতৃত্ব দিতে পারে।


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ২১:০৫
আপডেট : ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ২১:০৭
প্রিন্ট করুন printer

মার্চে কালবৈশাখী, এপ্রিলে ঘূর্ণিঝড়-তীব্র তাপপ্রবাহের পূর্বাভাস

এপ্রিলে ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের উপরে তাপমাত্রা হতে পারে

অনলাইন ডেস্ক

মার্চে কালবৈশাখী, এপ্রিলে ঘূর্ণিঝড়-তীব্র তাপপ্রবাহের পূর্বাভাস
ফাইল ছবি

শীতকাল শেষ। এখন ধীরে ধীরে বাড়ছে তাপমাত্রা। ফেব্রুয়ারির শেষের দিকে এসে তাপমাত্রা ৩৪ ডিগ্রি ছাড়াল। মার্চেই তা ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে উঠে যাওয়ার আভাস। এপ্রিলে ৪০ ডিগ্রি ছাড়িয়ে, দেশে বয়ে যেতে পারে তীব্র তাপপ্রবাহ।

বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদফতরের দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাসে এই আভাস দেওয়া হয়েছে। অধিদফতরের পরিচালক সামছুদ্দিন আহমেদ স্বাক্ষরিত ওই পূর্বাভাস ইতোমধ্যে কৃষি মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট সব দফতরে পাঠানো হয়েছে।
 
মার্চের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ‘মার্চে সামগ্রিকভাবে দেশে স্বাভাবিক বৃষ্টিপাত হতে পারে। দেশের উত্তর ও মধ্যাঞ্চলে এক থেকে দুই দিন মাঝারি অথবা তীব্র কালবৈশাখী অথবা বজ্রঝড় এবং দেশের অন্যত্র দুই থেকে তিনদিন হালকা অথবা মাঝারি কালবৈশাখী অথবা বজ্রঝড় হওয়ার আশঙ্কা আছে। তাপমাত্রা ক্রমান্বয়ে প্রথমে ৩৬ ডিগ্রি পরবর্তীতে উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে ৩৮ ডিগ্রিতে ঠেকতে পারে।

স্বাভাবিক বৃষ্টিপাত এপ্রিলেও হতে পারে। তবে এক থেকে দুইটি নিন্মচাপের আভাস আছে। ফলে একটি ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে। এ ছাড়া দেশের উত্তর থেকে মধ্যাঞ্চলে দুই থেকে তিনদিন বজ্রসহ মাঝারি অথবা তীব্র কালবৈশাখী অথবা বজ্রঝড় এবং দেশের অন্যত্র চার থেকে পাঁচ দিন হালকা অথবা মাঝারি কালবৈশাখী অথবা বজ্রঝড় হতে পারে।
 
এপ্রিলে দেশের উত্তর ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে একটি তীব্র তাপপ্রবাহ (৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের উপরে) এবং অন্যত্র এক থেকে দুটি মৃদু (৩৬ থেকে ৩৮ ডিগ্রি) অথবা মাঝারি (৩৮ থেকে ৪০ ডিগ্রি) ধরনের তাপপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। 

বিডি প্রতিদিন/জুনাইদ আহমেদ 

 
 


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ২০:৫০
প্রিন্ট করুন printer

মুশতাকের মৃত্যুর দায় সরকার-প্রশাসন এড়াতে পারে না: জাসদ

অনলাইন ডেস্ক

মুশতাকের মৃত্যুর দায় সরকার-প্রশাসন এড়াতে পারে না: জাসদ

জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ)-এর কেন্দ্রীয় কমিটির দপ্তর সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন, কারাবন্দি অনলাইন লেখক মুশতাক আহমেদের মৃত্যু সমগ্র রাষ্ট্র ও সরকারের জন্য দুর্ভাগ্যজনক। কারাগারে মুশতাক আহমেদের মৃত্যুর দায় সরকার ও প্রশাসন এড়াতে পারে না।

আজ শুক্রবার এক বিবৃতিতে তিনি এ মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, তার বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট মামলা থাকলেও আইন অনুযায়ী তার জামিন পাওয়ার অধিকার অস্বীকার করা হয়েছে। তাকে জামিনে মুক্তি দিয়েও তার বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার বিচার কার্যক্রম চালানোর ক্ষেত্রে কোনো অসুবিধা ছিল না। সাজ্জাদ হোসেন কার্টুনিস্ট আহমেদ কবির কিশোরসহ ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে আটক সকল সাংবাদিক ও লেখকের জামিন প্রদান করার দাবি জানান।

বিডি প্রতিদিন/আরাফাত


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১৭:০০
প্রিন্ট করুন printer

প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন কাল

অনলাইন ডেস্ক

প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন কাল
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা (ফাইল ছবি)

বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশ হতে উন্নত দেশে উত্তরণের জন্য জাতিসংঘের চূড়ান্ত সুপারিশ লাভ করায় শনিবার সংবাদ সম্মেলনে আসছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

আজ শুক্রবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের প্রেস উইং থেকে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। আগামীকাল শনিবার বিকাল ৪টায় গণভবন থেকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় প্রান্তে ভার্চুয়ালি প্রেস কনফারেন্স যুক্ত হবেন প্রধানমন্ত্রী।

উল্লেখ্য, স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে বের হতে দ্বিতীয় দফায় জাতিসংঘের আনুষ্ঠানিক পর্যালোচনার মুখোমুখি হয় বাংলাদেশ। ২২ থেকে ২৫ ফেব্রুয়ারি জাতিসংঘের কমিটি ফর ডেভেলপমেন্ট পলিসি (সিডিপি) এলডিসিগুলোর জন্য ত্রিবার্ষিক পর্যালোচনা বৈঠক করে। সিডিপি দ্বিতীয় দফায় এলডিসি থেকে বের হওয়ার প্রয়োজনীয় মানদণ্ড বাংলাদেশ পূরণ করতে পেরেছে কিনা তা নিয়ে পর্যালোচনা হয়। বাংলাদেশের পক্ষে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল অংশ নেন।

বিডি প্রতিদিন/আরাফাত


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১৬:২৪
আপডেট : ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১৯:১৯
প্রিন্ট করুন printer

মুশতাকের ওপর অবর্ণনীয় নির্যাতন চালিয়ে হত্যা করা হয়েছে: ফখরুল

অনলাইন ডেস্ক

মুশতাকের ওপর অবর্ণনীয় নির্যাতন চালিয়ে হত্যা করা হয়েছে: ফখরুল
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর (ফাইল ছবি)

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, গাজীপুরের কাশিমপুর কারাগারে বন্দি অবস্থায় লেখক মুশতাক আহমেদের ওপর অবর্ণনীয় নির্যাতন চালিয়ে তাকে হত্যা করা হয়েছে। মুশতাক লুটপাটকারী কিংবা কালোবাজারি, সন্ত্রাসী ও ডাকাত ছিলেন না, বরং ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজের মেধাবী ছাত্র মুশতাক আহমেদ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে চিন্তার স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে গিয়ে অকালে তার জীবনপ্রদীপ নিভিয়ে দেয়া হলো।

আজ দুপুরে বিএনপির সহ-দপ্তর সম্পাদক বেলাল আহমেদ স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে তিনি এ মন্তব্য করেন। লেখক মুশতাক আহমেদের মৃত্যুবরণের ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান তিনি।

মির্জা ফখরুল বলেন, বর্তমান তথ্য-প্রযুক্তির যুগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম সমাজ ও রাষ্ট্রের বিভিন্ন সংগতি-অসংগতি, নিয়ম-অনিয়ম, কীর্তি-অপকীর্তি ইত্যাদি বিষয়ে স্বাধীনচেতা মানুষের অভিমত, বিশ্লেষণ ইত্যাদি প্রকাশের সুযোগ আজ গণতান্ত্রিক বিশ্বে সর্বজনস্বীকৃত। কিন্তু বাংলাদেশে বর্তমান কর্তৃত্ববাদী আওয়ামী সরকার তাদের অপকর্ম ও ভয়াবহ দুঃশাসনের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের সমালোচনা যাতে প্রকাশ না হয়ে পড়ে সেজন্য নানা কালাকানুনের মাধ্যমে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে মন্তব্য লেখা বা পোস্টকে কোনোভাবেই বরদাস্ত করছে না। যারা স্বাধীনভাবে উক্ত গণমাধ্যমে নিজের মতপ্রকাশের চেষ্টা করছে তাদের জীবনে নেমে আসছে এক ভয়ঙ্কর দুর্বিষহ পরিণতি। হয় তাদের গুমের শিকার হতে হচ্ছে নতুবা সরকারি হেফাজতে প্রাণ দিতে হচ্ছে। তার সর্বশেষ নির্মম শিকার হলেন মুশতাক আহমেদ।

তিনি বলেন, মুশতাকের এই নির্ভিক আত্মদানের মধ্য দিয়েই দেশের তরুণ সমাজ জেগে উঠবে এবং দেশে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও নাগরিক স্বাধীনতাসহ সুশাসন ও আইনের শাসন ফিরে আসবে। মুশতাক একজন সৎ ও সাহসী মানুষ ছিলেন, তিনি চিরদিন অধিকারহারা মানুষের নিকট প্রেরণার আলোকবর্তিকা হয়ে থাকবেন। তিনি দেশবাসীর প্রার্থনা, চেতনা ও অনুভবে চিরদিনের জন্য বিরাজ করবেন। দেশে আইন-কানুন, সুষ্ঠু বিচারিক ব্যবস্থা না থাকার কারণেই এক শ্বাসরোধী পরিবেশ বিরাজ করছে।

তিনি আরও বলেন, মুশতাকের এই মৃত্যুতে সারা দেশের সর্বস্তরের মানুষ ক্ষোভে-বেদনায় ফেটে পড়েছে। মুশতাকের মতো একজন অরাজনৈতিক, নিরীহ এবং নিজস্ব চিন্তায় স্বায়ত্বশাসিত ফেসবুকে ফ্রিল্যান্সার লেখকের মৃত্যু কোনো স্বাভাবিক ঘটনা নয়, এর সাথে রাষ্ট্রশক্তি জড়িত। কারাগারে মুশতাক আহমেদের মৃত্যুতে আমি তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। তার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ ও বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি। পাশাপাশি মুশতাক আহমেদের কারান্তরীণ অবস্থায় মৃত্যুতে স্বচ্ছ, স্বাধীন ও নিরপেক্ষ বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিটি গঠন করার দাবি করছি। মুশতাক আহমেদের শোকাহত পরিবার-পরিজন ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি।

বিডি প্রতিদিন/আরাফাত


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১৪:২২
আপডেট : ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১৬:৫৭
প্রিন্ট করুন printer

নিজে থেকে ফোন করে কখনওই মেয়ের খোঁজখবর নিত না তামিমা: রাকিবের মা

অনলাইন ডেস্ক

নিজে থেকে ফোন করে কখনওই মেয়ের খোঁজখবর নিত না তামিমা: রাকিবের মা

বর্তমানে ক্রিকেটার নাসির ও বিমানবালা তামিমা সুলতানার বিয়ে চলছে তোলপাড়। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে চলছে নানা ধরনের আলোচনা-সমালোচনা। অভিযোগ উঠেছে, স্বামী রাকিব হাসানকে তালাক না দিয়েই নাসিরকে বিয়ে করেছেন তামিমা।

এদিকে বিষয়টি নিয়ে গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেছেন রাকিবের মা সালমা সুলতানা। তিনি বলেন, ১০-১২ বছর আগে রাকিবের সঙ্গে প্রেম করে বিয়ে করায় আমরা প্রথমে তামিমাকে মেনে নেইনি।

রাকিবের বাড়ি ঝালকাঠি জেলার নলছিটি উপজেলার ভৈরবপাশা ইউনিয়নে। নাসির-তামমিরা বিয়ের বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেই জানতে পারেন তিনি। এরপর তিনি রাকিব অভিযোগ করেন, বিবাহবিচ্ছেদ না করেই নাসিরকে বিয়ে করেছেন তামিমা।

এদিকে, রাকিব-তামিমার মেয়ে রাফিয়া হাসান তুবা টেলিভিশনে মায়ের বিয়ে দেখেছে গণমাধ্যমে। এরপর দাদির গলা জড়িয়ে ধরে অঝোরে কেঁদেছে।

তামিমার এই বিয়েতে অবাক হয়েছেন রাকিবের মা (তুবার দাদি)। তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, রাকিবের বউ থাকা অবস্থায় তাম্মি (তামিমা) যে আবার বিয়ে বসবে সেটা আমাদের কল্পনাতেও ছিল না। তুবাই প্রথম টেলিভিশনে দেখে আমার কাছে এসে গলা জড়িয়ে ধরে কান্নায় ভেঙে পড়ে আর বলে যে মা আবার বিয়ে করেছে।

তিনি বলেন, প্রথমে আমরা তাকে মেনে নেইনি। কিন্তু তুবার জন্ম হলে সম্পর্ক স্বাভাবিক হয়। শুরু থেকেই তাম্মির আচরণ কিংবা স্বভাব কোনওটাই ভালো ছিল না। তবুও আমরা ছেলে আর নাতনির মুখ চেয়ে কখনও কিছু বলিনি।

তুবার দাদি বলেন, গত ২৬ আগস্ট ছিল তুবার জন্মদিন। সেদিন আমরা কেক কেটেছি, তুবা অনুষ্ঠানে নাচ করেছে। ভিডিও কলে তাম্মিকে সব দেখিয়েছি আমরা। সেও আনন্দ পাওয়ার অনেক ভান করেছে সেদিন। কিন্তু তখনও ঘুর্ণাক্ষরেও বুঝতে পারিনি যে সে এরকম একটা কিছু করবে। তাম্মি নিজে থেকে ফোন করে কখনওই তুবার কোনও খোঁজখবর নিত না। তুবা মাকে ফোন করে কথা বলতে চাইলেও নানা ব্যস্ততার অজুহাত দেখিয়ে লাইন কেটে দিতেন তামিমা।

বিডি প্রতিদিন/কালাম


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর