শিরোনাম
প্রকাশ: ১২:৪৮, মঙ্গলবার, ১৫ জুলাই, ২০২৫ আপডেট: ১৭:১৯, মঙ্গলবার, ১৫ জুলাই, ২০২৫

ভারতের ভিসা জটিলতায় বাংলাদেশিদের চিকিৎসার নতুন গন্তব্য চীনের কুনমিং

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ভার্সন
ভারতের ভিসা জটিলতায় বাংলাদেশিদের চিকিৎসার নতুন গন্তব্য চীনের কুনমিং

ঢাকা থেকে মাত্র সোয়া দুই ঘণ্টার ফ্লাইটে চীনের ইউনান প্রদেশের কুনমিং শহর এখন বাংলাদেশের রোগীদের কাছে চিকিৎসার নতুন গন্তব্য হিসেবে জনপ্রিয়তা পাচ্ছে। উন্নত প্রযুক্তি, মানসম্মত চিকিৎসা এবং তুলনামূলক সাশ্রয়ী খরচের কারণে ক্যান্সার, হৃদরোগ ও নিউরো সংক্রান্ত জটিল রোগে আক্রান্ত অনেকেই এখন ভারত, থাইল্যান্ড ও সিঙ্গাপুরের বিকল্প হিসেবে কুনমিংকে বেছে নিচ্ছেন।

চীন সরকারও দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর জন্য বিশেষ করে বাংলাদেশের রোগীদের জন্য কুনমিংয়ের স্বাস্থ্যসেবা খাতে আরও প্রসার ঘটানোর উদ্যোগ নিয়েছে। বাংলাদেশি চিকিৎসক ও মেডিকেল ট্যুরিজম সংশ্লিষ্টরা বলছেন, কুনমিংয়ে চিকিৎসা খরচ অনেক ক্ষেত্রেই ভারতের তুলনায় কম এবং সেবার মানও উন্নত। বিশেষ করে আধুনিক চিকিৎসা যন্ত্রপাতি, নির্ভুল ডায়াগনস্টিক পদ্ধতি ও চিকিৎসকদের দক্ষতা রোগীদের আস্থা বাড়িয়েছে।

তবে চীনে চিকিৎসা নিতে যাওয়া রোগীদের জন্য সবচেয়ে বড় প্রতিবন্ধকতা হচ্ছে ভাষা। এছাড়া আবাসন, খাবার, সরকারি হাসপাতালে সিরিয়াল পাওয়া, অনলাইন যোগাযোগব্যবস্থা এবং যাতায়াতের খরচ— এই বিষয়গুলোও কিছুটা চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, হাসপাতালগুলোতে দক্ষ দোভাষী (ইন্টারপ্রেটার) নিয়োগ এবং অন্যান্য সমস্যার দ্রুত সমাধান করা গেলে কুনমিং ভবিষ্যতে বাংলাদেশের রোগীদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক চিকিৎসাকেন্দ্রে পরিণত হতে পারে।

গত ২০ জুন কুনমিং মেডিকেল ইউনিভার্সিটি পরিদর্শনকালে দক্ষিণ এশিয়ার সাংবাদিক দলের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন সেখানে অধ্যয়নরত বাংলাদেশি পিএইচডি গবেষক আরিফিন ইসলাম। তিনি বলেন, এখানে চিকিৎসা খরচ বাংলাদেশের প্রাইভেট হাসপাতালের মতো হলেও সেবার মান অনেক ভালো। চিকিৎসা শুরুর আগে ১০,০০০ ইউয়ান (প্রায় ১,৭৫,০০০ টাকা) ডিপোজিট দিতে হয়। চিকিৎসা শেষে অতিরিক্ত অর্থ ফেরত দেওয়া হয়।

তিনি আরও জানান, সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসকের পরামর্শ ফি ১৫ ইউয়ান (প্রায় ২৬০ টাকা), যা স্থানীয় ও বিদেশি— সবার জন্যই এক। স্পাইন সার্জারির মতো জটিল অপারেশন ও ১০ দিন হাসপাতালে থাকতে মোটামুটি ১০,০০০ ইউয়ান (প্রায় ১,৭৫,০০০ টাকা) খরচ করলেই চলে। আমরা ইনভাইটেশন লেটার দেওয়ার আগে রোগীকে সম্ভাব্য খরচ জানিয়ে দিই।

২০২৪ সালে বাংলাদেশে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান এবং শেখ হাসিনার ভারতে আশ্রয় নেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কে টানাপোড়েন তৈরি হয়। এর জেরে ভারত বাংলাদেশিদের জন্য ভিসা কড়াকড়ি করে দেয়। এর আগ পর্যন্ত ভারতই ছিল বাংলাদেশি রোগীদের চিকিৎসার প্রধান গন্তব্য।

বাংলাদেশিরা বিদেশে চিকিৎসার জন্য বছরে কত খরচ করেন, তার নির্দিষ্ট কোনো পরিসংখ্যান না থাকলেও গত ১৫ ডিসেম্বর বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর জানিয়েছেন, বাংলাদেশের নাগরিকরা প্রতিবছর ৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি ব্যয় করেন বিদেশে চিকিৎসা নিতে। এর বড় অংশই ব্যয় হয় ভারত এবং থাইল্যান্ডে, যেখানে স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা তুলনামূলকভাবে উন্নত।

তবে ইন্ডিয়ায় চিকিৎসা সেবা গ্রহণের সুযোগ কমে যাওয়ার পর থাইল্যান্ড ও সিঙ্গাপুরসহ অন্যান্য দেশে বাংলাদেশি রোগীদের ভিড় বাড়তে থাকে। এর মধ্যেই তুলনামূলক সাশ্রয়ী চিকিৎসা সেবার একটি বিকল্প হিসেবে আলোচনায় উঠে আসে চীন। 

চলতি বছরের মার্চে বাংলাদেশ ও চীন সরকারের উদ্যোগে বাংলাদেশি রোগীদের একটি প্রতিনিধি দল কুনমিং সফর করে। ৩১ সদস্যের ওই দলে ছিলেন ১৪ জন রোগী, তাদের পরিবারের সদস্য, ডাক্তার, ট্যুর অপারেটর এবং সাংবাদিকরা।

মেডিকেল ট্যুরিজম সংস্থা ট্র্যাক মেডি সার্ভিসেসের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ড. মোহাম্মদ রাশেদুল হাসান বলেন, চীনের চিকিৎসা ব্যয় থাইল্যান্ডের তুলনায় কম, এমনকি কিছু ক্ষেত্রে ইন্ডিয়ার চেয়েও কম। তবে চিকিৎসা ব্যবস্থা ও সুযোগ-সুবিধা ইন্ডিয়ার চেয়েও উন্নত।

তিনি আরও বলেন, ওদের মেডিকেল টেকনোলজি অনেক হাই এবং লজিস্টিকসও অনেক ভালো। তবে তিনি সবচেয়ে বড় বাধা হিসেবে উল্লেখ করেন ভাষাকে। তার ভাষ্য, বাংলাদেশি রোগী যদি চীনে চিকিৎসা নিতে যান, তাহলে সেখানে ইন্টারপ্রেটার দরকার, যাদের চিকিৎসা সংক্রান্ত বেসিক জ্ঞান থাকতে হবে যেন তারা ডাক্তার ও মেডিকেল স্টাফদের সঙ্গে কার্যকরভাবে যোগাযোগ করতে পারেন।

তিনি আরও বলেন, সিরিয়ালের বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ। যদি কাউকে বাংলাদেশ থেকে বিমানভাড়াসহ যাবতীয় খরচ করে গিয়ে সেখানে দুই সপ্তাহ বা এক মাস সিরিয়ালের জন্য অপেক্ষা করতে হয়, তাহলে সেটি লাভজনক হবে না। তাই ভিসা প্রসেসিং সহজ এবং খরচ কমাতে হবে বলেও তিনি মত দেন।

মেডিকেল ট্যুরিজমের সঙ্গে যুক্ত একাধিক ব্যক্তি জানিয়েছেন, বাংলাদেশ থেকে কুনমিংয়ে গিয়ে চিকিৎসা গ্রহণ, থাকা, খাওয়া এবং চিকিৎসা শেষে দেশে ফেরা— এই পুরো প্রক্রিয়াটি সহজ করা না গেলে কুনমিংয়ের চিকিৎসা সেবা বাংলাদেশের রোগীদের কাছে জনপ্রিয় করে তোলা কঠিন হবে। এক্ষেত্রে এখনো অনেক কাজ বাকি।

তবে তারা জানান, কুনমিংয়ে ক্যান্সার চিকিৎসা অত্যন্ত উন্নত, এজন্য বাংলাদেশের অনেক ক্যান্সার রোগী কুনমিং কিংবা চীনের অন্যান্য প্রদেশের হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়ার ক্ষেত্রে আগ্রহ প্রকাশ করছেন।

ঢাকা-ভিত্তিক মেডিকেল ট্যুরিজম প্রতিষ্ঠান সিওক হেলথকেয়ারের মাধ্যমে ইতোমধ্যে ২০ জনের বেশি রোগী চীনে যাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছেন, যাদের অর্ধেকের গন্তব্য কুনমিং।

সিওক হেলথকেয়ারের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এম এম মাসুমুজ্জামান বলেন, খরচ ও চিকিৎসার মান বিবেচনায় চীন বাংলাদেশের রোগীদের জন্য ভালো বিকল্প হতে পারে। কিন্তু প্রধান বাধা হলো ভাষা। এছাড়াও খাবার, আবাসন এবং সিরিয়ালের জন্য সময় পাওয়া নিয়েও কিছুটা সমস্যা রয়েছে।

তিনি বলেন, একজন ক্যান্সার রোগী যদি পিইটি সিটি স্ক্যান করতে চায় এবং তাকে ৭ থেকে ১০ দিন সিরিয়ালের জন্য অপেক্ষা করতে হয়, তাহলে তার ব্যয় অনেক বেড়ে যাবে।" 

তার প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ইতোমধ্যে বেশ কিছু রোগী চিকিৎসা শেষে দেশে ফিরে এসেছেন এবং তাদের ফিডব্যাক ভালো ছিল বলে জানান তিনি। তার মতে, যেসব বাংলাদেশি শিক্ষার্থী চীনে পড়াশোনা করছেন, তারা চাইলে দোভাষী হিসেবে কাজ করতে পারেন। তবে অবশ্যই তাদের চিকিৎসাবিষয়ক বেসিক জ্ঞান থাকতে হবে।

তবে এসব বাধাকে বড় সমস্যা হিসেবে দেখছেন না ব্যবসায়িক নেতারা। বাংলাদেশ-চীন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (বিসিসিসিআই) সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মো. খোরশেদ আলম বলেন, ভবিষ্যতে চীন বাংলাদেশের রোগীদের জন্য চিকিৎসার ভালো বিকল্প হতে পারে।

তিনি বলেন, অনেক বাংলাদেশি আগে থেকেই চীনে থাকেন, তারা দোভাষী হিসেবে কাজ করতে পারবেন। রোগীর সংখ্যা বাড়তে থাকলে এই সমস্যা অনেকটাই সমাধান হয়ে যাবে।

তিনি আরও জানান, সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালের মত ঢাকায় চীনের হাসপাতালগুলোর সার্ভিস সেন্টার খোলার পরিকল্পনাও রয়েছে, যেন এখান থেকেই যাবতীয় সেবা নেওয়া যায়। সেখানে (চীন) চিকিৎসা ও ওষুধের খরচ কম, কিন্তু চিকিৎসা সেবা ভালো।

কুনমিং মেডিকেল ইউনিভার্সিটির ইন্টারন্যাশনাল এডুকেশন স্কুলের ডিন লাই ইয়াজিয়ে বলেন, এই মুহূর্তে চীন যেভাবে এগিয়ে আসছে, তাতে অনেকেই মনে করছেন এটি বাংলাদেশি রোগীদের জন্য কোয়ালিটি হেলথকেয়ারের একটি বাস্তবসম্মত বিকল্প হয়ে উঠছে।

তিনি কুনমিংকে বাংলাদেশি মেডিকেল শিক্ষার্থীদের জন্যও একটি সম্ভাবনাময় জায়গা হিসেবে দেখছেন। তার ভাষায়, আমাদের কাছে বাংলাদেশের অসাধারণ কিছু শিক্ষার্থী রয়েছে। তাদের ভবিষ্যৎ শুধু বাংলাদেশের জন্য নয়, চীনের জন্যও উজ্জ্বল।

সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, কুনমিংয়ে বাংলাদেশি রোগীদের জন্য যেসব হাসপাতাল প্রস্তুত রয়েছে, সেগুলো হলো— দ্য ফার্স্ট পিপলস হসপিটাল অব ইউনান প্রভিন্স, দ্য ফার্স্ট অ্যাফিলিয়েটেড হসপিটাল অব কুনমিং মেডিকেল ইউনিভার্সিটি, ফুওয়াই ইউনান হসপিটাল অব দ্য চাইনিজ অ্যাকাডেমি অব মেডিকেল সায়েন্সেস এবং ট্রাডিশনাল চাইনিজ মেডিকেল হসপিটাল। এর মধ্যে তিনটি হাসপাতাল সরকারিভাবে পরিচালিত।

সৌজন্যে : দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড

এই বিভাগের আরও খবর
সপ্তাহজুড়ে বজ্রসহ বৃষ্টি ও ভারি বর্ষণের আভাস
সপ্তাহজুড়ে বজ্রসহ বৃষ্টি ও ভারি বর্ষণের আভাস
অন্তর্ভুক্তিমূলক নিরাপদ রাষ্ট্র গড়তে আমরা বদ্ধপরিকর : তারেক রহমান
অন্তর্ভুক্তিমূলক নিরাপদ রাষ্ট্র গড়তে আমরা বদ্ধপরিকর : তারেক রহমান
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে এসএএইচআর প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে এসএএইচআর প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ
২ হাজার ট্রেইনি কনস্টেবল নিয়োগ দিতে যাচ্ছে পুলিশ
২ হাজার ট্রেইনি কনস্টেবল নিয়োগ দিতে যাচ্ছে পুলিশ
ফেব্রুয়ারির আগেই হাসিনার বিচার দেখতে পাবে দেশবাসী : চিফ প্রসিকিউটর
ফেব্রুয়ারির আগেই হাসিনার বিচার দেখতে পাবে দেশবাসী : চিফ প্রসিকিউটর
এনআইডি সংশোধন আবেদন বাতিল হওয়াদের ফের সুযোগ
এনআইডি সংশোধন আবেদন বাতিল হওয়াদের ফের সুযোগ
মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি : তদন্ত কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়লো
মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি : তদন্ত কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়লো
বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ
বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ
নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে : সরকারের বিবৃতি
নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে : সরকারের বিবৃতি
১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব
১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব
নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার
নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার
রিমান্ড শেষে কারাগারে তৌহিদ আফ্রিদি
রিমান্ড শেষে কারাগারে তৌহিদ আফ্রিদি
সর্বশেষ খবর
মহানবী (সা.)-এর জীবনাচারে সরলতার সৌন্দর্য
মহানবী (সা.)-এর জীবনাচারে সরলতার সৌন্দর্য

১০ মিনিট আগে | ইসলামী জীবন

গুলার-ভিনিসিউসের গোলে রিয়ালের টানা তিন জয়
গুলার-ভিনিসিউসের গোলে রিয়ালের টানা তিন জয়

৪৬ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

বিশ্বকাপ বাছাইয়ের আগে ব্রাজিল স্কোয়াডে পরিবর্তন
বিশ্বকাপ বাছাইয়ের আগে ব্রাজিল স্কোয়াডে পরিবর্তন

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মধ্যরাতে চবি এলাকায় শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের সংঘর্ষ
মধ্যরাতে চবি এলাকায় শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের সংঘর্ষ

২ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

সাইম ও নওয়াজের ব্যাটে পাকিস্তানের টানা দ্বিতীয় জয়
সাইম ও নওয়াজের ব্যাটে পাকিস্তানের টানা দ্বিতীয় জয়

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এবার নির্বাচন করছি আমি: তামিম ইকবাল
এবার নির্বাচন করছি আমি: তামিম ইকবাল

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সরকার-সেনাবাহিনী নিয়ে অতিকথন নির্বাচন ভণ্ডুলের অপচেষ্টা?
সরকার-সেনাবাহিনী নিয়ে অতিকথন নির্বাচন ভণ্ডুলের অপচেষ্টা?

৪ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

১৫ সেকেন্ডে হৃদ্‌রোগ শনাক্ত করবে এআই স্টেথোস্কোপ
১৫ সেকেন্ডে হৃদ্‌রোগ শনাক্ত করবে এআই স্টেথোস্কোপ

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতে চীনা পণ্য বয়কটের ডাক
ভারতে চীনা পণ্য বয়কটের ডাক

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সামাজিক মাধ্যমে ট্রাম্পের মৃত্যুর গুজব
সামাজিক মাধ্যমে ট্রাম্পের মৃত্যুর গুজব

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মিশে গেছেন মিচেল
মিশে গেছেন মিচেল

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নির্বাচন নিয়ে কোনো ষড়যন্ত্রই সফল হবে না : নবীউল্লাহ নবী
নির্বাচন নিয়ে কোনো ষড়যন্ত্রই সফল হবে না : নবীউল্লাহ নবী

৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

চবিতে প্রকৌশল শিক্ষার্থীদের প্রতি সংহতি জানিয়ে মশাল মিছিল
চবিতে প্রকৌশল শিক্ষার্থীদের প্রতি সংহতি জানিয়ে মশাল মিছিল

৫ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

মব জাস্টিস, চাঁদাবাজি-দখল ও নির্বাচন প্রসঙ্গ
মব জাস্টিস, চাঁদাবাজি-দখল ও নির্বাচন প্রসঙ্গ

৫ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

ছাদ থেকে লাফ, ফতুল্লায় নারীর আত্মহত্যা
ছাদ থেকে লাফ, ফতুল্লায় নারীর আত্মহত্যা

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

এলডিসি গ্র্যাজুয়েশন বিতর্কে বিজয়ী কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ
এলডিসি গ্র্যাজুয়েশন বিতর্কে বিজয়ী কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ

৫ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

নারায়ণগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মা-মেয়ের মৃত্যু
নারায়ণগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মা-মেয়ের মৃত্যু

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বাংলাদেশে ফ্যাসিস্টদের পুনরুত্থান হতে দেব না: নওশাদ
বাংলাদেশে ফ্যাসিস্টদের পুনরুত্থান হতে দেব না: নওশাদ

৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ব্রাজিলিয়ান ও আর্জেন্টাইনের গোলে টেবিলের শীর্ষে চেলসি
ব্রাজিলিয়ান ও আর্জেন্টাইনের গোলে টেবিলের শীর্ষে চেলসি

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নামাজ শেষে ঘরে বসা অবস্থায় গৃহবধূ খুন
নামাজ শেষে ঘরে বসা অবস্থায় গৃহবধূ খুন

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আমি সব মুহূর্তের চ্যালেঞ্জ নিতে চাই: তাসকিন
আমি সব মুহূর্তের চ্যালেঞ্জ নিতে চাই: তাসকিন

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যোগ করা সময়ে ব্রুনো ফার্নান্দেজের গোলে ইউনাইটেডের নাটকীয় জয়
যোগ করা সময়ে ব্রুনো ফার্নান্দেজের গোলে ইউনাইটেডের নাটকীয় জয়

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মানিকগঞ্জ পৌরসভায় রাস্তা বন্ধের প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ
মানিকগঞ্জ পৌরসভায় রাস্তা বন্ধের প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কুমিল্লা নগরে পূর্ব শত্রুতার জেরে যুবককে কুপিয়ে হত্যা
কুমিল্লা নগরে পূর্ব শত্রুতার জেরে যুবককে কুপিয়ে হত্যা

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

যশোর মণিরামপুরে ছুরিকাঘাতে যুবক নিহত
যশোর মণিরামপুরে ছুরিকাঘাতে যুবক নিহত

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চার বছর পর শুরু হলো জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপ ফুটবল, মুন্সিগঞ্জে উদ্বোধন
চার বছর পর শুরু হলো জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপ ফুটবল, মুন্সিগঞ্জে উদ্বোধন

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সাবমেরিন ক্যাবল ছিঁড়ে ৫ দিন ধরে বিদ্যুতবিহীন মেহেন্দিগঞ্জ
সাবমেরিন ক্যাবল ছিঁড়ে ৫ দিন ধরে বিদ্যুতবিহীন মেহেন্দিগঞ্জ

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নবীনগর পূর্ব ইউনিয়ন কৃষকদলের দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নবীনগর পূর্ব ইউনিয়ন কৃষকদলের দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ভিয়েতনামে ১২ হাজার বছর আগের মানুষের কঙ্কাল আবিষ্কার
ভিয়েতনামে ১২ হাজার বছর আগের মানুষের কঙ্কাল আবিষ্কার

৮ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

ঝিনাইদহে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের আঞ্চলিক কেন্দ্র উদ্বোধন
ঝিনাইদহে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের আঞ্চলিক কেন্দ্র উদ্বোধন

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান
মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান

১৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘উনি আমারে ৪ আগস্ট বাংলামোটরে গুলি করছে’ বলেই অভিযুক্তকে জাপটে ধরলেন যুবক
‘উনি আমারে ৪ আগস্ট বাংলামোটরে গুলি করছে’ বলেই অভিযুক্তকে জাপটে ধরলেন যুবক

১২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার
নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয় ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ
জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয় ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ

১১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি
নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

২০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত
‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)
ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কেউ চিরকাল বন্ধু বা শত্রু থাকে না, ট্রাম্পের শুল্কারোপের মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজনাথের
কেউ চিরকাল বন্ধু বা শত্রু থাকে না, ট্রাম্পের শুল্কারোপের মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজনাথের

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল
জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রিমান্ড শেষে কারাগারে তৌহিদ আফ্রিদি
রিমান্ড শেষে কারাগারে তৌহিদ আফ্রিদি

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‌‘জামায়াত দেশপ্রেমিক দলকে নিয়ে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে’
‌‘জামায়াত দেশপ্রেমিক দলকে নিয়ে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে’

১২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার নামে ভুয়া অডিও কল, মন্ত্রণালয়ের প্রতিবাদ
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার নামে ভুয়া অডিও কল, মন্ত্রণালয়ের প্রতিবাদ

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিললো ১২ কোটি ৯ লাখ ৩৭ হাজার টাকা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিললো ১২ কোটি ৯ লাখ ৩৭ হাজার টাকা

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সাদা পাথর ফিরছে জায়গায়
সাদা পাথর ফিরছে জায়গায়

১৭ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

২২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

২১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে : সরকারের বিবৃতি
নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে : সরকারের বিবৃতি

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফেব্রুয়ারির নির্বাচন কেউ ঠেকাতে পারবে না : সালাহউদ্দিন
ফেব্রুয়ারির নির্বাচন কেউ ঠেকাতে পারবে না : সালাহউদ্দিন

১৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা
জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

৪ বিভাগে ভারী বর্ষণের আভাস
৪ বিভাগে ভারী বর্ষণের আভাস

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিমানবন্দর সড়কের ৭ অংশে রবিবার চালু হচ্ছে সিগন্যাল ব্যবস্থা
বিমানবন্দর সড়কের ৭ অংশে রবিবার চালু হচ্ছে সিগন্যাল ব্যবস্থা

৯ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব
১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
রণক্ষেত্র কাকরাইল, উত্তপ্ত রাজনীতি
রণক্ষেত্র কাকরাইল, উত্তপ্ত রাজনীতি

প্রথম পৃষ্ঠা

বাড়ছে পোশাকের ক্রয়াদেশ
বাড়ছে পোশাকের ক্রয়াদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

নিঃস্ব থেকে হাজার কোটি টাকার মালিক
নিঃস্ব থেকে হাজার কোটি টাকার মালিক

প্রথম পৃষ্ঠা

আতঙ্ক বাড়াচ্ছে আগ্নেয়াস্ত্র
আতঙ্ক বাড়াচ্ছে আগ্নেয়াস্ত্র

নগর জীবন

যে প্রক্রিয়ায় এবার ভোট গ্রহণ
যে প্রক্রিয়ায় এবার ভোট গ্রহণ

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির মনোনয়ন চান তিনজন জামায়াতের হোসেন আলী
বিএনপির মনোনয়ন চান তিনজন জামায়াতের হোসেন আলী

নগর জীবন

ফেব্রুয়ারিতে ভোটে অনড় সরকার
ফেব্রুয়ারিতে ভোটে অনড় সরকার

প্রথম পৃষ্ঠা

আভিজাত্যের সেই নাচঘর
আভিজাত্যের সেই নাচঘর

পেছনের পৃষ্ঠা

বাংলাদেশিদের মন্দ বলা হচ্ছে কেন
বাংলাদেশিদের মন্দ বলা হচ্ছে কেন

প্রথম পৃষ্ঠা

২০ পরিবারের ১১ ব্যক্তিগত সাঁকো!
২০ পরিবারের ১১ ব্যক্তিগত সাঁকো!

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির চার প্রার্থী, চূড়ান্ত জামায়াত গণসংযোগে এনপিপির ফরহাদ
বিএনপির চার প্রার্থী, চূড়ান্ত জামায়াত গণসংযোগে এনপিপির ফরহাদ

নগর জীবন

বিশ্বমানের সেবায় ঢেলে সাজানো হচ্ছে স্বাস্থ্য খাত
বিশ্বমানের সেবায় ঢেলে সাজানো হচ্ছে স্বাস্থ্য খাত

বিশেষ আয়োজন

ভিকারুননিসায় মোনালিসা বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত
ভিকারুননিসায় মোনালিসা বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

নগর জীবন

আশরাফুলদের বড় জয়
আশরাফুলদের বড় জয়

মাঠে ময়দানে

ছয় টেস্ট ক্রিকেটার নিয়ে ইনিংস ব্যবধানে হারল ‘এ’ দল
ছয় টেস্ট ক্রিকেটার নিয়ে ইনিংস ব্যবধানে হারল ‘এ’ দল

মাঠে ময়দানে

বাংলাদেশ পাত্তাই দিল না নেদারল্যান্ডসকে
বাংলাদেশ পাত্তাই দিল না নেদারল্যান্ডসকে

মাঠে ময়দানে

রাকসুতে প্যানেল দিতে পারছে না কোনো পক্ষ
রাকসুতে প্যানেল দিতে পারছে না কোনো পক্ষ

পেছনের পৃষ্ঠা

জোয়াও ফেলিক্সের অভিষেকেই হ্যাটট্রিক
জোয়াও ফেলিক্সের অভিষেকেই হ্যাটট্রিক

মাঠে ময়দানে

মিশে গেছেন মিচেল
মিশে গেছেন মিচেল

মাঠে ময়দানে

১৪ হাজারের ক্লাবে কাইরন পোলার্ড
১৪ হাজারের ক্লাবে কাইরন পোলার্ড

মাঠে ময়দানে

সংস্কার দুই মাসের মধ্যে বাস্তবায়ন করতে হবে
সংস্কার দুই মাসের মধ্যে বাস্তবায়ন করতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

কিংবদন্তি ফেদেরারকে ছাড়িয়ে জকোভিচ
কিংবদন্তি ফেদেরারকে ছাড়িয়ে জকোভিচ

মাঠে ময়দানে

আলমারিবন্দি সম্পদের হিসাব
আলমারিবন্দি সম্পদের হিসাব

পেছনের পৃষ্ঠা

স্ত্রী-সন্তান কারাগারে, স্বামীর আত্মহত্যা
স্ত্রী-সন্তান কারাগারে, স্বামীর আত্মহত্যা

পেছনের পৃষ্ঠা

ত্রিভুবনের প্রিয় মুহাম্মদ এলো রে দুনিয়ায়
ত্রিভুবনের প্রিয় মুহাম্মদ এলো রে দুনিয়ায়

সম্পাদকীয়

বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ
বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ

নগর জীবন

মব জাস্টিস, চাঁদাবাজি-দখল ও নির্বাচন প্রসঙ্গ
মব জাস্টিস, চাঁদাবাজি-দখল ও নির্বাচন প্রসঙ্গ

সম্পাদকীয়

নুরের ওপর হামলা ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র
নুরের ওপর হামলা ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র

নগর জীবন

মব ভায়োলেন্স করে জাপার অগ্রযাত্রা দমিয়ে রাখা যাবে না
মব ভায়োলেন্স করে জাপার অগ্রযাত্রা দমিয়ে রাখা যাবে না

নগর জীবন

নির্বাচন নিয়ে কোনো ষড়যন্ত্রই সফল হবে না
নির্বাচন নিয়ে কোনো ষড়যন্ত্রই সফল হবে না

নগর জীবন