শিরোনাম
প্রকাশ: ১১:১৭, বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট, ২০১৫

যুক্তরাষ্ট্রে ১৪ বছরে ১৪৫ বাংলাদেশি শিশু দত্তক

নিউইয়র্ক থেকে এনআরবি:
অনলাইন ভার্সন
যুক্তরাষ্ট্রে ১৪ বছরে ১৪৫ বাংলাদেশি শিশু দত্তক

২০১৩ সালের অক্টোবর পর্যন্ত ১৪ বছরে বাংলাদেশ থেকে ১৪৫ শিশু/নাবালককে যুক্তরাষ্ট্রে আনা হয়েছে দত্তক হিসেবে। এরমধ্যে ১ বছরের কম বয়সী ৮৪ জন, ১ থেকে ২ বছরের মধ্যে ২৪ জন, ৩ থেকে ৪ বছরের মধ্যে ৬ জন, ৫ থেকে ১২ বছরের মধ্যে ১৭ জন এবং ১৩ বছর থেকে ১৭ বছর বয়সের মধ্যে ১৩ জন রয়েছে। ১৪৫ জনের মধ্যে কন্যা শিশু ছিল ৯০ জন। যুক্তরাষ্ট্রের ইমিগ্রেশন বিভাগ এবং স্টেট ডিপার্টমেন্ট থেকে এসব তথ্য জানা গেছে। উপরোক্ত সময়ে সারাবিশ্ব থেকে মোট ২ লাখ ৪৯ হাজার ৬৯৪ শিশুকে দত্তক হিসেবে এনেছেন আমেরিকানরা। এরমধ্যে নাবালকের সংখ্যা ৯৪ হাজার ৬৫৪। হ্যাগ দত্তক সনদ অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্রের আর্থিক সামর্থ্যবানরা বিদেশি শিশুর দত্তক নিতে পারেন। এক্ষেত্রে বাংলাদেশিরাও পাচ্ছেন সে সুযোগ।

তবে বাংলাদেশিদের অনেক আবেদনই যথাযথভাবে পূরণ করতে না পারার জন্যে অনেকেই হতাশ হচ্ছেন। এজন্যে ইউএসসিআইএস তথা যুক্তরাষ্ট্র ইমিগ্রেশন এন্ড সিটিজেনশিপ সার্ভিসের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট সকলের উদ্দেশ্যে বলা হয়েছে দত্তক গ্রহণের পূর্বশর্তগুলো স্ব স্ব দেশের আইন অনুযায়ী সম্পাদনের জন্যে। এক্ষেত্রে, বাংলাদেশি শিশু বা নাবালকের আইনগত অভিভাবকত্ব/ শিশু সন্তান দত্তক গ্রহণ সম্পর্কিত বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের দ্বি-পাক্ষিক আইনগত যোগ্যতা ও ভিসা প্রসেস সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানা জরুরি। যুক্তরাষ্ট্র আইনগত অভিভাবকত্ব/ শিশু সন্তান দত্তকের বিষয়টি অতি গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করে। বাংলাদেশি-আমেরিকান নাগরিক যারা আইনগত অভিভাবকত্বের মাধ্যমে বাংলাদেশ হতে চিহ্নিত শিশু বা নাবালক সন্তান গ্রহণ এবং দ্বি-পাক্ষিক আইনগত যোগ্যতা ও যুক্তরাষ্ট্রের ইমিগ্রেশন আইন ও নিয়ম অনুসরণ করে শিশু বা নাবালক সন্তানের জন্য ইমিগ্রেশন ভিসা আবেদন প্রসেস করাসহ আইনগতভাবে তাদের সন্তান হিসাবে গ্রহনে আগ্রহী তাদের জন্য এসব তথ্য স্বল্প পরিসরে হলেও দিক নির্দেশনা প্রদানে সহায়তা করবে।

এ প্রসঙ্গে ঢাকা এবং টেক্সাসে একযোগে কর্মরত ইমিগ্রেশন সম্পর্কিত অভিজ্ঞ  এবং বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যরিষ্টার এম. রফিকুল ইসলাম চৌধুরী বলেছেন, বাংলাদেশ হেগ্ কনভেনশনের সদস্য নয় বিধায় বাংলাদেশি-আমেরিকান নাগরিক তথা আইনগত অভিভাবকত গ্রহণকারী প্রার্থীগণ বাংলাদেশের শিশু বা নাবালকের অভিভাবকত গ্রহণের পূর্বে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের আইনি ও ইমিগ্রেশন যোগ্যতা পূরণের লক্ষ্যে বিষয়টি অত্যন্ত দক্ষতা ও সতর্কতার সঙ্গে পরিচালনা করতে হবে।

প্রথমত, সংশ্লিষ্ট পক্ষগণের মধ্যে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া ও নিয়মানুসারে চিহ্নিত শিশু বা নাবালকের অবাতিলযোগ্য আইনগত অভিভাবকত্ব প্রদান ও গ্রহণ সংক্রান্ত বিশেষ চুক্তি ও অন্যান্য আইনি দলিল সম্পাদন করতে হবে।

দ্বিতীয়ত, অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে উভয় দেশের দ্বি-পাক্ষিক আইনগত ও ইমিগ্রেশন সম্পর্কিত প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্ত উল্লেখপূর্বক বাংলাদেশের উপযুক্ত আদালতে লিগ্যাল গার্ডিয়ানশিপ মামলা দায়ের করে আদালত হতে লিগ্যাল গার্ডিয়ািশিপ সংক্রান্ত আদেশ গ্রহণ করতে হবে। মনে রাখতে হবে, বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের দ্বি-পাক্ষিক আইনগত বিষয়সমূহ এবং যুক্তরাষ্ট্রের ইমিগ্রেশন আইন সম্পর্কিত প্রয়োজনীয় বিষয়াদি না জানার কারণে সাধারণ আইনজীবির মাধ্যমে বাংলাদেশের সংশ্লিষ্ট আদালত হতে লিগ্যাল গার্ডিয়ানশিপ মামলার রায় প্রার্থীর পক্ষে পেলেও পরবর্তীতে শিশু বা নাবালক দত্তক সন্তানের ইমিগ্রেশন ভিসা প্রত্যাখান হওয়া বা ভিসা পাওয়ার ক্ষেত্রে নানা প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়।

তৃতীয়ত, আদালতের আদেশ প্রাপ্তির পর বাংলাদেশ সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে না-দাবি পত্রের জন্য আবেদন করতে হবে এবং পরবর্তীতে যথাযথ আইন প্রয়োগকারী সংস্থার কাছ থেকে সন্তোষজনক তদন্ত প্রতিবেদন আসার পর এবং বাংলাদেশ সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ঐ তদন্ত প্রতিবেদনে সন্তুষ্ট হলে না-দাবি পত্র ইস্যু করবেন।

চতুর্থত, বাংলাদেশ সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় হতে না-দাবি পত্র ইস্যুর পর আদালত কর্তৃক আইনগতভাবে স্বীকৃত অভিভাবকগণ উপরে উল্লেখিত চুক্তি ও সংশ্লিষ্ট আইনী অন্যান্য দলিল, আদালতের আদেশের কপি, বাংলাদেশ সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় কর্তৃক ইস্যুকৃত না-দাবি পত্র ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় দালিলিক কাগজপত্রসহ তাদের শিশু বা নাবালক সন্তানের জন্য বাংলাদেশের পাসপোর্ট প্রদানকারী কর্তৃপক্ষের নিকট নতুন পাসপোর্ট ইস্যুর জন্য আবেদন করবেন। পাসপোর্ট প্রদানকারী কর্তৃপক্ষ আবেদন গ্রহণের পর প্রয়োজনীয় কার্যাদি সম্পন্নপূর্বক আদালত কর্তৃক নিযুক্ত নতুন অভিভাবকের নাম উল্লেখপূর্বক শিশু বা নাবালকের সন্তানের নতুন পাসপোর্ট ইস্যু করবেন।

পঞ্চমত, আদালত কর্তৃক নিযুক্ত অভিভাবকগণ তাদের দত্তক শিশু বা নাবালক সন্তানের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ইউএসসিআইএস  ও ঢাকাস্থ  যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসের শিশু-দত্তক ভিসার নিয়ম-কানুনগুলো যথাযথভাবে অনুসরন করে শিশু বা নাবালক সন্তানের জন্য ইমিগ্রেশন ভিসার আবেদন করবেন। এখানে উল্লেখ্য যে, ইউএসসিআইএস ইমিগ্রেশন পিটিশন ও ঢাকাস্থ যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস ঐ ভিসার আবেদন বিবেচনাকরাকালীন সময় পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই-বাছাই করে দেখবে যে, ইমিগ্রেশন ভিসা আবেদনকারী বাংলাদেশের শিশু বা নাবালক অভিভাবকত্ব আইনি প্রক্রিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ম ও আইনি প্রক্রিয়া সঠিকভাবে অনুসরন করে আবেদন করেছেন কিনা।
 

 

বিডি-প্রতিদিন/ ১৩ আগস্ট, ২০১৫/ রশিদা

এই বিভাগের আরও খবর
মালদ্বীপে বাংলাদেশি যুবকের আত্মহত্যা
মালদ্বীপে বাংলাদেশি যুবকের আত্মহত্যা
প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া সফর নিয়ে বিএনপি মালয়েশিয়ার সংবাদ সম্মেলন
প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া সফর নিয়ে বিএনপি মালয়েশিয়ার সংবাদ সম্মেলন
সম্প্রীতির বন্ধনে সদ্বীপ পৌরসভার বনভোজন
সম্প্রীতির বন্ধনে সদ্বীপ পৌরসভার বনভোজন
গ্রিস-বাংলাদেশ বাণিজ্যিক সহযোগিতা ও শ্রমবাজার সম্প্রসারণে বৈঠক
গ্রিস-বাংলাদেশ বাণিজ্যিক সহযোগিতা ও শ্রমবাজার সম্প্রসারণে বৈঠক
যুক্তরাষ্ট্রে ট্রাক চাপায় বাংলাদেশির মৃত্যু
যুক্তরাষ্ট্রে ট্রাক চাপায় বাংলাদেশির মৃত্যু
সিডনিতে বিএওএর বার্ষিক ডিনার ও সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা উপলক্ষে সংবাদ সম্মেলন
সিডনিতে বিএওএর বার্ষিক ডিনার ও সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা উপলক্ষে সংবাদ সম্মেলন
উৎসবমুখর পরিবেশে ক্যালগেরি বাংলা স্কুল গ্র্যাজুয়েশন অনুষ্ঠিত
উৎসবমুখর পরিবেশে ক্যালগেরি বাংলা স্কুল গ্র্যাজুয়েশন অনুষ্ঠিত
বাংলাদেশ হাইকমিশনের উদ্যোগে মালদ্বীপে প্রবাসীদের সঙ্গে মতবিনিময় ও গণশুনানি
বাংলাদেশ হাইকমিশনের উদ্যোগে মালদ্বীপে প্রবাসীদের সঙ্গে মতবিনিময় ও গণশুনানি
সিডনিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যালামনাইদের বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত
সিডনিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যালামনাইদের বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত
সিডনিতে ক্যাম্বেলটাউন বাংলা স্কুলের চলচ্চিত্র প্রদর্শনী ও ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত
সিডনিতে ক্যাম্বেলটাউন বাংলা স্কুলের চলচ্চিত্র প্রদর্শনী ও ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত
বাংলাদেশ কমিউনিটি প্রেস ক্লাব মালয়েশিয়ার সভাপতি রতন, সম্পাদক হিরন
বাংলাদেশ কমিউনিটি প্রেস ক্লাব মালয়েশিয়ার সভাপতি রতন, সম্পাদক হিরন
লন্ডনে একই পরিবারের ৪৩ সদস্য, প্রবাসেও অটুট বাংলাদেশের শেকড়
লন্ডনে একই পরিবারের ৪৩ সদস্য, প্রবাসেও অটুট বাংলাদেশের শেকড়
সর্বশেষ খবর
নকআউট নিশ্চিতের পর সালাহর চোট ঘিরে শঙ্কা
নকআউট নিশ্চিতের পর সালাহর চোট ঘিরে শঙ্কা

৭ সেকেন্ড আগে | মাঠে ময়দানে

প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া-চীন সফরে সফলতার জন্য সংসদে ধন্যবাদ
প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া-চীন সফরে সফলতার জন্য সংসদে ধন্যবাদ

৪১ সেকেন্ড আগে | জাতীয়

বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার
বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার

৭ মিনিট আগে | অর্থনীতি

দেশে ফিরে বাবা-মায়ের কবর জিয়ারত প্রধানমন্ত্রীর
দেশে ফিরে বাবা-মায়ের কবর জিয়ারত প্রধানমন্ত্রীর

১১ মিনিট আগে | জাতীয়

‘নতুন কর আবাসন ব্যবসার পথ বন্ধ করে দিবে’
‘নতুন কর আবাসন ব্যবসার পথ বন্ধ করে দিবে’

১২ মিনিট আগে | নগর জীবন

মিশরের সঙ্গে ড্র করেও নকআউটে আশা বাঁচিয়ে রাখল ইরান
মিশরের সঙ্গে ড্র করেও নকআউটে আশা বাঁচিয়ে রাখল ইরান

১৪ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

যে সমীকরণে নকআউটে যেতে পারে ইরান
যে সমীকরণে নকআউটে যেতে পারে ইরান

১৭ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

জাবিতে বসুন্ধরা টিস্যু ও শুভসংঘের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত
জাবিতে বসুন্ধরা টিস্যু ও শুভসংঘের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত

১৭ মিনিট আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

মেহেরপুরে ককটেল সদৃশ বস্তু উদ্ধার
মেহেরপুরে ককটেল সদৃশ বস্তু উদ্ধার

২৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

দেশকে সিঙ্গাপুর বানাতে চাই না, বাসযোগ্য করতে চাই : প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম
দেশকে সিঙ্গাপুর বানাতে চাই না, বাসযোগ্য করতে চাই : প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম

২৯ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

রাতে চলাচলে প্রক্টর অফিসের নীতিমালা পোস্ট, সমালোচনায় ডিলিট
রাতে চলাচলে প্রক্টর অফিসের নীতিমালা পোস্ট, সমালোচনায় ডিলিট

৩২ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

দেশের সব বিভাগে বজ্রবৃষ্টির শঙ্কা
দেশের সব বিভাগে বজ্রবৃষ্টির শঙ্কা

৩৪ মিনিট আগে | জাতীয়

কালিয়াকৈরে বসুন্ধরা শুভসংঘের নতুন কমিটির আয়োজনে সচেতনতামূলক সভা
কালিয়াকৈরে বসুন্ধরা শুভসংঘের নতুন কমিটির আয়োজনে সচেতনতামূলক সভা

৫৩ মিনিট আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

মার্কিন হামলার পরও সিরিক বন্দরে কোনও ক্ষয়ক্ষতি হয়নি: ইরানি গণমাধ্যম
মার্কিন হামলার পরও সিরিক বন্দরে কোনও ক্ষয়ক্ষতি হয়নি: ইরানি গণমাধ্যম

৫৯ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হবিগঞ্জ সীমান্তে বিএসএফের পুশইনের চেষ্টা, প্রতিহত করল বিজিবি
হবিগঞ্জ সীমান্তে বিএসএফের পুশইনের চেষ্টা, প্রতিহত করল বিজিবি

১ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

নতুন হামলা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘পিছু হটা ও অনুতাপের’ কারণ হবে: ইরানি এমপি
নতুন হামলা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘পিছু হটা ও অনুতাপের’ কারণ হবে: ইরানি এমপি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তীব্র তাপপ্রবাহে নাকাল ইউরোপ, এসি বিক্রিতে লাভবান এশিয়ার কোম্পানিগুলো
তীব্র তাপপ্রবাহে নাকাল ইউরোপ, এসি বিক্রিতে লাভবান এশিয়ার কোম্পানিগুলো

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নকআউট নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা প্রশ্নে যা বললেন কেপ ভার্দে কোচ
নকআউট নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা প্রশ্নে যা বললেন কেপ ভার্দে কোচ

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দৌলতপুর সীমান্তে বিদেশি পিস্তল ও গুলিসহ যুবক গ্রেফতার
দৌলতপুর সীমান্তে বিদেশি পিস্তল ও গুলিসহ যুবক গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

অনভিবাসী ভিসাধারীদের উদ্দেশে নতুন সতর্কবার্তা মার্কিন দূতাবাসের
অনভিবাসী ভিসাধারীদের উদ্দেশে নতুন সতর্কবার্তা মার্কিন দূতাবাসের

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বাঞ্ছারামপুরে মাদকবিরোধী দিবসে র‌্যালি ও আলোচনা সভা
বাঞ্ছারামপুরে মাদকবিরোধী দিবসে র‌্যালি ও আলোচনা সভা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকায় বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা
আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকায় বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শনিবার রাজধানীর যেসব মার্কেট বন্ধ
শনিবার রাজধানীর যেসব মার্কেট বন্ধ

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সবুজে সুন্দর আগামী গড়ার প্রত্যয়ে আনন্দ মোহন কলেজে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি
সবুজে সুন্দর আগামী গড়ার প্রত্যয়ে আনন্দ মোহন কলেজে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

২ ঘণ্টা আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

ডিএমপির বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ৬৩
ডিএমপির বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ৬৩

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

দাপুটে জয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন বেলজিয়াম, ইরানের সঙ্গে ড্রয়ে দ্বিতীয় মিশর
দাপুটে জয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন বেলজিয়াম, ইরানের সঙ্গে ড্রয়ে দ্বিতীয় মিশর

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

স্বর্ণের পর বাড়লো রুপার দামও
স্বর্ণের পর বাড়লো রুপার দামও

২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

ইসরায়েল-লেবানন চুক্তির ১৪ দফা রূপরেখা প্রকাশ যুক্তরাষ্ট্রের
ইসরায়েল-লেবানন চুক্তির ১৪ দফা রূপরেখা প্রকাশ যুক্তরাষ্ট্রের

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের নিয়ে মৌলভীবাজারে বসুন্ধরা শুভসংঘের ফল উৎসব
বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের নিয়ে মৌলভীবাজারে বসুন্ধরা শুভসংঘের ফল উৎসব

২ ঘণ্টা আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

সোনাগাজীতে বসুন্ধরা শুভসংঘের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ কর্মসূচি
সোনাগাজীতে বসুন্ধরা শুভসংঘের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ কর্মসূচি

২ ঘণ্টা আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

সর্বাধিক পঠিত
নকআউটে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ ইতিহাস গড়া কেপ ভার্দে
নকআউটে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ ইতিহাস গড়া কেপ ভার্দে

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে বিআরটিএ’র জরুরি বার্তা
ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে বিআরটিএ’র জরুরি বার্তা

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর মার্কিন সামরিক স্থাপনায় ইরানের পাল্টা হামলা
যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর মার্কিন সামরিক স্থাপনায় ইরানের পাল্টা হামলা

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজে জাহাজে হামলার জেরে ইরানে মার্কিন হামলা
হরমুজে জাহাজে হামলার জেরে ইরানে মার্কিন হামলা

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জর্ডানের বিপক্ষে একাদশে খেলবেন না মেসি, কারণ কী
জর্ডানের বিপক্ষে একাদশে খেলবেন না মেসি, কারণ কী

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিসিবির অর্থায়ন বন্ধে আইসিসির দ্বারস্থ আমিনুল
বিসিবির অর্থায়ন বন্ধে আইসিসির দ্বারস্থ আমিনুল

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দুবাই কবে বেনজীরকে ফিরিয়ে দিচ্ছে?
দুবাই কবে বেনজীরকে ফিরিয়ে দিচ্ছে?

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

এনআইডি নবায়ন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনায় ইসি
এনআইডি নবায়ন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনায় ইসি

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গোলরক্ষকের ভুলে বিশ্বকাপ থেকে উরুগুয়ের বিদায়
গোলরক্ষকের ভুলে বিশ্বকাপ থেকে উরুগুয়ের বিদায়

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

পর্যটন ভিসা চালুর খবরে কলকাতায় স্বস্তির হাওয়া, যা বলছেন ব্যবসায়ীরা
পর্যটন ভিসা চালুর খবরে কলকাতায় স্বস্তির হাওয়া, যা বলছেন ব্যবসায়ীরা

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

স্পেন-উরুগুয়ে ম্যাচেই মিলবে উত্তর, নকআউটে কার মুখোমুখি আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড?
স্পেন-উরুগুয়ে ম্যাচেই মিলবে উত্তর, নকআউটে কার মুখোমুখি আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড?

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বেইজিংয়ের সর্বোচ্চ ভবনে ধাক্কা খেয়ে উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত
বেইজিংয়ের সর্বোচ্চ ভবনে ধাক্কা খেয়ে উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এমবাপে-হালান্ড কেন কখনোই মেসি-রোনালদোর উচ্চতায় পৌঁছাতে পারবেন না
এমবাপে-হালান্ড কেন কখনোই মেসি-রোনালদোর উচ্চতায় পৌঁছাতে পারবেন না

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আসিমকে হত্যার কথিত পরিকল্পনা ঘিরে বিতর্ক, কী বলছে পাকিস্তান
আসিমকে হত্যার কথিত পরিকল্পনা ঘিরে বিতর্ক, কী বলছে পাকিস্তান

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আইসিসির কাছে বিসিবির অর্থায়ন বন্ধের আবেদন, আলোচনায় বুলবুল
আইসিসির কাছে বিসিবির অর্থায়ন বন্ধের আবেদন, আলোচনায় বুলবুল

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নকআউট নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা প্রশ্নে যা বললেন কেপ ভার্দে কোচ
নকআউট নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা প্রশ্নে যা বললেন কেপ ভার্দে কোচ

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

৭২ বছরে বিশ্বকাপে দ্রুততম হ্যাটট্রিক দেম্বেলের
৭২ বছরে বিশ্বকাপে দ্রুততম হ্যাটট্রিক দেম্বেলের

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ভিসা চালুর ঘোষণা: স্বাগত জানাল পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রী ও বিধায়করা
ভিসা চালুর ঘোষণা: স্বাগত জানাল পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রী ও বিধায়করা

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যে তিন কারণে হালান্ডকে খেলাচ্ছে না নরওয়ে
যে তিন কারণে হালান্ডকে খেলাচ্ছে না নরওয়ে

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ন্যাটোর ঐক্য পরীক্ষায় ইউরোপের কয়েকটি দেশে রাশিয়ার ‘হাইব্রিড হামলার’ আশঙ্কা
ন্যাটোর ঐক্য পরীক্ষায় ইউরোপের কয়েকটি দেশে রাশিয়ার ‘হাইব্রিড হামলার’ আশঙ্কা

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মিশরের ৯২ বছরের অপেক্ষা শেষ হবে, নাকি ইতিহাস গড়বে ইরান
মিশরের ৯২ বছরের অপেক্ষা শেষ হবে, নাকি ইতিহাস গড়বে ইরান

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন স্পেন, ইতিহাস গড়ে নকআউটে কেপ ভার্দে
গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন স্পেন, ইতিহাস গড়ে নকআউটে কেপ ভার্দে

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রামিনের গোলে সমতায় ফিরল ইরান
রামিনের গোলে সমতায় ফিরল ইরান

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রাজধানীর আজিজ সুপার মার্কেট থেকে নারী চিকিৎসকের মরদেহ উদ্ধার
রাজধানীর আজিজ সুপার মার্কেট থেকে নারী চিকিৎসকের মরদেহ উদ্ধার

১৭ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

প্রথমবারের মতো ‘অপারেশন সিন্দুর’-এ নিহত সেনাদের নাম প্রকাশ করল ভারত
প্রথমবারের মতো ‘অপারেশন সিন্দুর’-এ নিহত সেনাদের নাম প্রকাশ করল ভারত

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মালয়েশিয়া ও চীন সফর শেষে দেশে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী
মালয়েশিয়া ও চীন সফর শেষে দেশে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুদ্ধের নতুন কৌশল, ৫ লাখ সেনার হাতে ড্রোন তুলে দিচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়া
যুদ্ধের নতুন কৌশল, ৫ লাখ সেনার হাতে ড্রোন তুলে দিচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়া

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তিন দেশের নাগরিকদের সৌদি আরব ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা
তিন দেশের নাগরিকদের সৌদি আরব ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চুক্তির পরও হরমুজে ড্রোন হামলাকে ‘কাণ্ডজ্ঞানহীন’ বললেন ট্রাম্প
চুক্তির পরও হরমুজে ড্রোন হামলাকে ‘কাণ্ডজ্ঞানহীন’ বললেন ট্রাম্প

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশ-মিয়ানমার-চীন অর্থনৈতিক করিডোরের প্রস্তাব বেইজিংয়ের
বাংলাদেশ-মিয়ানমার-চীন অর্থনৈতিক করিডোরের প্রস্তাব বেইজিংয়ের

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক