শিরোনাম
প্রকাশ : বুধবার, ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ টা
আপলোড : ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ২৩:২৪

হকি ফেডারেশনের নীরবতা নিয়ে রহস্য!

হকি ফেডারেশনের বাইলজে আছে নির্বাহী কমিটির কোনো সদস্য যদি টানা তিন সভায় অনুপস্থিত থাকেন, তাহলে তার কাছে শোকজ নোটিস পাঠানো হবে

ক্রীড়া প্রতিবেদক

হকি ফেডারেশনের নীরবতা নিয়ে রহস্য!

দেশের হকির ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কিত ক্রীড়ামোদীরা। গত বছর নির্বাচনের মাধ্যমে ফেডারেশনে নতুন কমিটি গঠন হয়। গুরুত্বপূর্ণ পদে যারা জয়ী হন তাদের কেউ কেউ প্রতিশ্রুতি দেন হকির চেহারা বদলে দেওয়ার। হ্যাঁ বদল বা চমক এসেছে ঠিকই। তা নতুন নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদককে কেন্দ্র করে। মুমিনুল হক সাঈদ সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পান। তার প্রতিশ্রুতিতে অনেকে আশাবাদী হয়ে ওঠেন। শেষ পর্যন্ত কিনা কয়েক মাস চেয়ারে বসলেও দীর্ঘদিন ধরে সাঈদ লাপাত্তা। মতিঝিল ক্লাব পাড়ায় ক্যাসিনো কান্ডে জড়িয়ে তিনি এখন পলাতক। মাঝে শোনা গিয়েছিল তার ঢাকা আগমনের কথা। সত্যিই তিনি ঢাকা এসেছিলেন কিনা তা রহস্য হয়ে আছে। এলে ফেডারেশনে দেখা মিলল না কেন?

দীর্ঘদিন অনুপস্থিত থাকায় তার পরিবর্তে ভারপ্রাপ্ত হিসেবে সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন যুগ্ম সম্পাদক মো. ইউসুফ। হকি ফেডারেশনের বাইলজে আছে নির্বাহী কমিটির কোনো সদস্য যদি টানা তিন সভায় অনুপস্থিত থাকেন, তাহলে তার কাছে শোকজ নোটিস পাঠানো হবে। কোনো জবাব না এলে তিনি পদ হারাবেন। সাঈদ তিন নয়, টানা চার সভায় অনুপস্থিত। মাঝে অবশ্য সাঈদ ফেডারেশনের সভাপতির কাছে চিঠি পাঠিয়ে সময় চেয়েছিলেন। তাও পার হয়ে গেছে। কিন্তু সাঈদের ফেডারেশনে দেখা মিলছে না। বাইলজ বা গঠনতন্ত্র সবার জন্য সমান প্রশ্ন উঠেছে তাহলে সাঈদের ব্যাপারে ফেডারেশন নীরব কেন? এত দিনেতো তার বাসার ঠিকানায় শোকজ পাঠানোর কথা। বিষয়টি কেন ঝুলে আছে। আর এ ব্যাপারে ক্রীড়াঙ্গনে সরকারের উচ্চমহলইবা কোনো হস্তক্ষেপ করছে না কেন। সভাপতি সম্মানিত পদ। সাধারণ সম্পাদকই মূল কাজ করেন। তাহলে কি ফেডারেশন ভারপ্রাপ্ত দিয়েই চলবে?


আপনার মন্তব্য