শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০১৫

হাতে হাতে বৈধ অস্ত্র

রাজনৈতিক কর্মী হলেই লাইসেন্স মেলে সন্ত্রাস চাঁদাবাজিতে অবাধ ব্যবহার রাস্তার লোকও পাচ্ছে লাইসেন্স
মির্জা মেহেদী তমাল ও সাখাওয়াত কাওসার
অনলাইন ভার্সন
হাতে হাতে বৈধ অস্ত্র

ফার্মগেটের পাবলিক টয়লেট চালান শাহ আলম। বর্তমান সরকার আমলে তিনি বৈধ অস্ত্রের লাইসেন্স পেয়েছেন। একই এলাকার টেম্পোস্ট্যান্ডের টাকা ওঠান চুন্নু। টেম্পোস্ট্যান্ড দখল নিয়ে তার বিরুদ্ধে মামলাও হয়েছিল। তবে তিনিও লাইসেন্সধারী বৈধ অস্ত্রের মালিক। ফুটপাথ বাণিজ্য করেন নজরুল। অস্ত্রের লাইসেন্স পেতে তিনিও বাদ যাননি। এরা তিনজনই ওয়ার্ড যুবলীগ নেতা। এদের বৈধ ব্যবসা বা সামাজিক কোনো অবস্থান না থাকলেও রাজনৈতিক বিবেচনায় বাগিয়ে নিয়েছেন বৈধ অস্ত্রের লাইসেন্স। বৈধ অস্ত্র নিয়ে প্রকাশ্যেই এরা ঘোরাফেরা করেন। অস্ত্রের লাইসেন্স প্রাপ্তির এই চিত্র এখন সারা দেশের। দলীয় পরিচয়ে ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা পর্যন্ত অস্ত্রের লাইসেন্স পাচ্ছেন। সংশ্লিষ্টরা বলছে, রাজনৈতিক কর্মী হলেই অস্ত্রের লাইসেন্স মিলছে। বাছ-বিচার ছাড়াই গণহারে দেওয়া হচ্ছে অস্ত্রের লাইসেন্স। এ সুযোগে সন্ত্রাসী-অপরাধী এমনকি রাস্তার লোকজনের অনেকেই রাজনৈতিক পরিচয়ে বৈধ অস্ত্র হাতিয়ে নিয়েছে। এ অবস্থায় হাতে হাতে এখন বৈধ অস্ত্র। আর এসব বৈধ অস্ত্র ব্যবহার হচ্ছে খুন-খারাবি থেকে শুরু করে টেন্ডারবাজিসহ নানা অপরাধ কর্মকাণ্ডে। গত ১৫ আগস্ট কুষ্টিয়ায় জাতীয় শোকদিবসের অনুষ্ঠানে, ক্ষমতাসীন দলের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে একজন নিহতের পর ১০ জনের অস্ত্রের লাইসেন্স বাতিল করেছে প্রশাসন। এরাও দলীয় বিবেচনায় অস্ত্রের লাইসেন্স পেয়েছিলেন। একই ভাবে মহাজোট সরকার আমলে অস্ত্রের লাইসেন্স পেয়েছিলেন নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জের গডফাদার হত্যাসহ অন্তত দুই ডজন মামলার আসামি নূর হোসেন ও তার সহযোগীরা। তাদের নামে অস্ত্রের লাইসেন্স দেওয়া হয় নয়টি। এর মধ্যে নূর হোসেনের নামেই দুটি।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক শেখ হাফিজুর রহমান কার্জন বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স যাকে তাকে দেওয়া অত্যন্ত ভয়ঙ্কর সিদ্ধান্ত। এক্ষেত্রে সত্যিই সেই ব্যক্তি অস্ত্রের লাইসেন্স পেতে পারেন কিনা তা যথাযথভাবে যাচাই করা উচিত। একই সঙ্গে যাদের লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে তাদের অস্ত্র এবং গোলাবারুদ কেনা ও তা ব্যবহারের বিষয়েও কড়া জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা দরকার। নইলে বৈধ ব্যবহার করেই অপরাধ সংঘটিত হবে।
তবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, যাকে তাকে অস্ত্রের লাইসেন্স দেওয়া হচ্ছে এ কথা ঠিক নয়। পুলিশের বিশেষ শাখার যাচাই বাছাইয়ের পর জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে বন্দুকের লাইসেন্স ইস্যু করা হয়। তবে ক্ষুদ্রাস্ত্রের জন্য মন্ত্রণালয়ের অনুমতি লাগে। এক্ষেত্রে সবকিছুই ঠিকঠাক মতো করা হচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি।
এদিকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র জানায়, ১৯৫২ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত কয়টি অস্ত্রের লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে তার প্রোফাইল তেরির কাজ শুরু হয়েছে। এ পর্যন্ত প্রায় এক লাখ অস্ত্রের লাইসেন্স দেওয়ার হিসাব মিলেছে। এখনো ২০ হাজার বৈধ অস্ত্রের হিসাব মিলছে না। অভিযোগ রয়েছে, কোনো সরকারের আমলেই নীতিমালা মেনে অস্ত্রের লাইসেন্স দেওয়া হয়নি। রাজনৈতিক তদবিরে যাকে-তাকে দেওয়া হচ্ছে লাইসেন্স; যদিও মন্ত্রণালয় ও পুলিশ কর্মকর্তারা এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তবে এ ব্যাপারে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা বলেন, ‘যাচাই-বাছাই ও পুলিশ ক্লিয়ারেন্স পাওয়ার পরই অস্ত্রের লাইসেন্স দেওয়া হচ্ছে। জানা গেছে, ১৮৭৮ ও ১৯২৪ সালের অস্ত্র আইনের বিধিমালা অনুযায়ী, সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, শিল্পপতি, সশস্ত্র বাহিনীর পদস্থ কর্মকর্তারা শর্তসাপেক্ষে বৈধ অস্ত্রের লাইসেন্স নিতে পারেন। কিন্তু বাস্তবতা হলো, যতগুলো বৈধ অস্ত্র, তার মধ্যে অধিকাংশই রাজনৈতিক বিবেচনায় লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে। মহাজোট সরকার আমলে ৫ হাজার ৭০০ অস্ত্রের লাইসেন্স দেওয়া হয়। এর অধিকাংশই রাজনৈতিক নেতা-কর্মী।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের যতগুলো শাখা, তার মধ্যে সবচেয়ে বেশি ভিড় ও লোকসমাগম থাকে রাজনৈতিক শাখা-৪ এ। এখানে মেলে অস্ত্রের লাইসেন্স পাওয়ার সুপারিশ। আর সেই সুপারিশের ভিত্তিতে জেলা প্রশাসক দেন অস্ত্রের লাইসেন্স। সাক্ষাৎ প্রার্থীদের বেশির ভাগই দেখা করেন লাইসেন্সের সুপারিশ পাওয়ার আশায়। দলীয় নেতা-কর্মীদের ভিড় থাকে সব সময় এখানে। অভিযোগ আছে, কেবল দলীয় বিবেচনাতেই অনেকে এই সুপারিশ পাচ্ছেন।
নীতিমালা অনুযায়ী সরকারের রাজস্ব খাতে বছরে ২ লাখ টাকা আয়কর জমা, ব্যাংকের আর্থিক সচ্ছলতার প্রমাণপত্র (ব্যাংক সলভেন্সি), ট্রেড লাইসেন্স থাকা, রাষ্ট্রদ্রোহসহ অপরাধীর তালিকাভুক্ত না হওয়া, পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ কর্তৃক তদন্তপূর্বক প্রত্যয়নপত্র থাকা ব্যক্তিকে নিজস্ব নিরাপত্তার জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে বৈধ (লাইসেন্সকৃত) অস্ত্র ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হয়। তবে কারও বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা থাকলে তিনি অস্ত্রের লাইসেন্স পাওয়ার অযোগ্য বিবেচিত হবেন। বৈধ অস্ত্রধারী সংশ্লিষ্ট থানায় নিজের নাম-পরিচয়সহ ঠিকানা লিপিবদ্ধ করবেন। থানায় এ জন্য একটি আলাদা রেজিস্টার রয়েছে। প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট পুলিশ অফিসার বৈধ অস্ত্র মনিটর করবেন।
কিন্তু খোঁজখবর নিয়ে জানা গেছে, অস্ত্রের লাইসেন্স প্রদানের ক্ষেত্রে নীতিমালা মানা হচ্ছে না। যে কারণে অপরাধীদের হাতে হাতে এখন বৈধ অস্ত্র ছড়িয়ে পড়েছে। আর এই বৈধ অস্ত্র দিয়ে খুন খারাবি থেকে শুরু রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকেও ঘায়েল করা হচ্ছে।
বৈধ অস্ত্রে অপরাধ : ক্ষমতাসীন দলের এমপি পুত্র বখতিয়ার আলম রনির লাইসেন্স করা অস্ত্রের গুলিতে রাজধানীর মগবাজারে দুজন নিহত হন। রাজধানীর মিরপুরে নিজের লাইসেন্স করা অস্ত্র দিয়ে চাঁদাবাজি করার সময় দেলোয়ার হোসেন নামে এক সন্ত্রাসীকে হাতেনাতে গ্রেফতার করে পুলিশ। অনুসন্ধানে জানা যায়, দেলোয়ার নিজেকে আমদানি-রপ্তানিকারক পরিচয় দিয়ে ২০০৯ সালে অস্ত্রের লাইসেন্স নেন। অস্ত্রের জন্য আবেদন ফরমে তিনি যেসব তথ্য ব্যবহার করেছিলেন তার সবই ছিল ভুয়া। এমনকি তিনি যে টিন সার্টিফিকেট দিয়েছিলেন, তাও ছিল নকল। তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান শ্রাবণ এন্টারপ্রাইজের ঠিকানায় গিয়ে পুলিশ জানতে পারে ওই নামে কোনো ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান নেই। গুলশানে যুবলীগ নেতা রিয়াজুল হক খান মিল্কীকে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করা হয়। এ হত্যাকাণ্ডে যুবলীগের বহিষ্কৃত নেতা সাখাওয়াত হোসেন চঞ্চল ও তারেক তাদের লাইসেন্স করা অস্ত্র ব্যবহার করেন বলে র‌্যাবের তদন্তে বেরিয়ে আসে। তারেক এরই মধ্যে ‘ক্রসফায়ারে’ নিহত হন। আর চঞ্চল এখন রয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রে। ২০০৮ সালের ২৩ মে রাজধানীর ওয়ারীতে আশিকুর রহমান অপু হত্যাকাণ্ডে চারটি বৈধ অস্ত্রের ব্যবহার হয়েছিল। গ্রেফতারকৃত রমজানের কাছ থেকে তিনটি বৈধ অস্ত্র উদ্ধারও করেছিল পুলিশ। ২০১২ সালের ২৫ মে শান্তিবাগে একটি ফ্ল্যাটে খুন হন মোজাম্মেল হোসেন মিলন। তার কাছ থেকে পুলিশ একটি অস্ত্র উদ্ধার করেছিল। ওই আগ্নেয়াস্ত্রের মালিক মিলনের আত্মীয়। সর্বশেষ গত ১৫ আগস্ট কুষ্টিয়ায় ক্ষমতাসীন দলের বিবদমান দুই গ্রুপের সংঘর্ষের সময় গুলিবর্ষণ ও যুবলীগ কর্মী নিহত হন। এ ঘটনার পর অনেক নেতার আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স বাতিলের উদ্যোগ নেওয়া হয়। কুষ্টিয়ার সরকারদলীয় আট নেতার ১০টি আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স বাতিল করা হয়। দেহরক্ষীদের হাতে ভিআইপিদের বৈধ অস্ত্র : রাজনীতিবিদ ও ব্যবসায়ীসহ বিপুলসংখ্যক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি নিজেদের নিরাপত্তায় গড়ে তুলেছেন ‘প্রাইভেট সিকিউরিটি ফোর্স। এসব ভিআইপি প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে প্রভাব খাটিয়ে দেহরক্ষীদের নামে লাইসেন্স বাগিয়ে নিয়ে তাদের হাতে তুলে দিয়েছেন ক্ষুদ্র ও মাঝারি আগ্নেয়াস্ত্র। আর এসব হাতিয়ার ব্যবহার করে সন্ত্রাসী দেহরক্ষীদের অনেকেই রাতের আঁধারে খুন, ছিনতাইসহ নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। কখনো কখনো আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য পরিচয় দিয়ে প্রকাশ্যে রাস্তা থেকে রাজনীতিবিদ ও ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন পেশার মানুষকে তুলে নেওয়া হচ্ছে। ভিআইপিদের নিরাপত্তার দায়িত্ব পালনের আগে ও পরে বৈধ অস্ত্র দিয়ে এসব অপকর্ম সংঘটিত হওয়ায় অধিকাংশ সময়ই পুলিশ তাদের চিহ্নিত করতে ব্যর্থ হচ্ছে।  পুলিশ সূত্র জানায়, আবার কখনো তারা হাতেনাতে ধরা পড়লেও লাইসেন্স করা আগ্নেয়াস্ত্র দিয়ে অপরাধ করায় তাদের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলা করা যাচ্ছে না। এদিকে সন্ত্রাসী দেহরক্ষীদের অপরাধের দায় ভিআইপিরাও কাঁধে নিচ্ছেন না। দায়িত্বকালীন সময়ের আগে বা পরে ব্যক্তিগত দেহরক্ষীরা কোথায় কোন অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে তা তাদের পক্ষে জানা সম্ভব না বলে দায় এড়িয়ে চলছেন। অস্ত্রের লাইসেন্স দেওয়ার আগে পিসিআর (প্রিভিয়াস ক্রিমিনাল রেকর্ড) খতিয়ে দেখা হয়েছে; সুতরাং এর কোনো ব্যত্যয় ঘটলে তার দায় পুলিশকেই নিতে হবে বলে অভিযোগ তোলারও নজির রয়েছে।

এই বিভাগের আরও খবর
সর্বশেষ খবর
ফ্রান্সের দাপটে সুইডেনের জালে দুই গোল
ফ্রান্সের দাপটে সুইডেনের জালে দুই গোল

৫৯ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

ওয়েস্ট ইন্ডিজকে উড়িয়ে রেকর্ড অষ্টম ফাইনালে অস্ট্রেলিয়া
ওয়েস্ট ইন্ডিজকে উড়িয়ে রেকর্ড অষ্টম ফাইনালে অস্ট্রেলিয়া

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সংসদে অনুপস্থিত এমপিদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর ক্ষোভ, কারণ দর্শানোর নির্দেশ
সংসদে অনুপস্থিত এমপিদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর ক্ষোভ, কারণ দর্শানোর নির্দেশ

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

চাকা ঘুরছে না ৫৫০ কারখানায়
চাকা ঘুরছে না ৫৫০ কারখানায়

২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (১ জুলাই)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (১ জুলাই)

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

এ কোন মহাবিপদে ব্রাজিল! শেষ ষোলোয় এবার নরওয়ে
এ কোন মহাবিপদে ব্রাজিল! শেষ ষোলোয় এবার নরওয়ে

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

গাজীপুরে পৃথক ঘটনায় প্রবাসীর স্ত্রীসহ দুইজনের আত্মহত্যা
গাজীপুরে পৃথক ঘটনায় প্রবাসীর স্ত্রীসহ দুইজনের আত্মহত্যা

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বিশ্বকাপের শেষ ১৬-তে ব্রাজিলের মুখোমুখি নরওয়ে
বিশ্বকাপের শেষ ১৬-তে ব্রাজিলের মুখোমুখি নরওয়ে

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সংকোচনমূলক মুদ্রানীতি বহাল, নীতি সুদহার ১০ শতাংশেই
সংকোচনমূলক মুদ্রানীতি বহাল, নীতি সুদহার ১০ শতাংশেই

৩ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

হালান্ডের জাদুতে শেষ ষোলোতে নরওয়ে
হালান্ডের জাদুতে শেষ ষোলোতে নরওয়ে

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বুদ্ধিমান মানুষ কখনো আখেরাত বিক্রি করে না
বুদ্ধিমান মানুষ কখনো আখেরাত বিক্রি করে না

৪ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

হালান্ডের গোলে আবার লিড নরওয়ের
হালান্ডের গোলে আবার লিড নরওয়ের

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

১-১ : নরওয়ের বিপক্ষে সমতায় আইভরি কোস্ট
১-১ : নরওয়ের বিপক্ষে সমতায় আইভরি কোস্ট

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ভাঙ্গায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দুই মহল্লাবাসীর সংঘর্ষ, একজন গুলিবিদ্ধ
ভাঙ্গায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দুই মহল্লাবাসীর সংঘর্ষ, একজন গুলিবিদ্ধ

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মান নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ এআই, আবারও অভিজ্ঞ প্রকৌশলীদের নিয়োগ দিল ফোর্ড
মান নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ এআই, আবারও অভিজ্ঞ প্রকৌশলীদের নিয়োগ দিল ফোর্ড

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আশুলিয়ায় কয়েকটি পোশাক কারখানায় শ্রমিক হঠাৎ অসুস্থ, তদন্তে কমিটি
আশুলিয়ায় কয়েকটি পোশাক কারখানায় শ্রমিক হঠাৎ অসুস্থ, তদন্তে কমিটি

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আইভরি কোস্টের বিপক্ষে ১-০ তে এগিয়ে নরওয়ে, কে হবে ব্রাজিলের প্রতিপক্ষ?
আইভরি কোস্টের বিপক্ষে ১-০ তে এগিয়ে নরওয়ে, কে হবে ব্রাজিলের প্রতিপক্ষ?

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেষ ষোলোর আগে ব্রাজিলের জন্য বড় দুঃসংবাদ
শেষ ষোলোর আগে ব্রাজিলের জন্য বড় দুঃসংবাদ

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নালিতাবাড়ীতে গলায় বাদাম আটকে শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু
নালিতাবাড়ীতে গলায় বাদাম আটকে শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মস্কোর স্যাটেলাইট সেন্টারে ইউক্রেনের ড্রোন হামলা
মস্কোর স্যাটেলাইট সেন্টারে ইউক্রেনের ড্রোন হামলা

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শেষ ষোলোর টিকিটের লড়াইয়ে মুখোমুখি নরওয়ে-আইভরি কোস্ট
শেষ ষোলোর টিকিটের লড়াইয়ে মুখোমুখি নরওয়ে-আইভরি কোস্ট

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মারধরের ক্ষোভে স্বামীকে হত্যা করে মাটিচাপা, স্ত্রীর স্বীকারোক্তি
মারধরের ক্ষোভে স্বামীকে হত্যা করে মাটিচাপা, স্ত্রীর স্বীকারোক্তি

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কর্ণফুলী নদীতে ট্রলারে আগুন, দগ্ধ ৬
কর্ণফুলী নদীতে ট্রলারে আগুন, দগ্ধ ৬

৬ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

পাহাড়ি ফলের বাজার সম্প্রসারণ ও কোল্ড স্টোরেজ স্থাপনের ঘোষণা পার্বত্য সচিবের
পাহাড়ি ফলের বাজার সম্প্রসারণ ও কোল্ড স্টোরেজ স্থাপনের ঘোষণা পার্বত্য সচিবের

৭ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

কেরানীগঞ্জে শ্রমিক-চালক সংঘর্ষ, ওসিসহ আহত ১০
কেরানীগঞ্জে শ্রমিক-চালক সংঘর্ষ, ওসিসহ আহত ১০

৭ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

লামায় দুই নারী পর্যটক হেনস্তার অভিযোগে গ্রেফতার ২
লামায় দুই নারী পর্যটক হেনস্তার অভিযোগে গ্রেফতার ২

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ভিনির চেয়েও দ্রুতগতির মার্কিনিওস, চষে বেড়ালেন গিমারাইস
ভিনির চেয়েও দ্রুতগতির মার্কিনিওস, চষে বেড়ালেন গিমারাইস

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কেপ ভার্দের বিপক্ষে একাদশ নিয়ে ভাবনায় আর্জেন্টাইন কোচ
কেপ ভার্দের বিপক্ষে একাদশ নিয়ে ভাবনায় আর্জেন্টাইন কোচ

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ঢাবি অ্যাকাউন্টিং অ্যালামনাইয়ে নেতৃত্বে হালিম পাটোয়ারী-মাহমুদা
ঢাবি অ্যাকাউন্টিং অ্যালামনাইয়ে নেতৃত্বে হালিম পাটোয়ারী-মাহমুদা

৭ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

রিভিউয়ে জনগণের রায়ের প্রতিফলন ঘটবে: আসলাম চৌধুরী
রিভিউয়ে জনগণের রায়ের প্রতিফলন ঘটবে: আসলাম চৌধুরী

৭ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

সর্বাধিক পঠিত
একসঙ্গে দুই ভাতা গ্রহণ করতে পারবেন না এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা: মাউশি
একসঙ্গে দুই ভাতা গ্রহণ করতে পারবেন না এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা: মাউশি

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

অস্ট্রেলিয়া ছেড়ে পর্তুগালের জার্সিতে খেলবেন হেনরিকস
অস্ট্রেলিয়া ছেড়ে পর্তুগালের জার্সিতে খেলবেন হেনরিকস

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ভারতীয় ভিসা আবেদনে স্লট বরাদ্দে নতুন সিদ্ধান্ত
ভারতীয় ভিসা আবেদনে স্লট বরাদ্দে নতুন সিদ্ধান্ত

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শেষ ষোলোয় মরক্কোর প্রতিপক্ষ কারা?
শেষ ষোলোয় মরক্কোর প্রতিপক্ষ কারা?

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নাটকীয় টাইব্রেকারে জার্মানির বিদায়, চমক দেখিয়ে শেষ ষোলোতে প্যারাগুয়ে
নাটকীয় টাইব্রেকারে জার্মানির বিদায়, চমক দেখিয়ে শেষ ষোলোতে প্যারাগুয়ে

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আসলাম চৌধুরীর প্রার্থিতা বাতিল, শপথ নিতে পারবেন না
আসলাম চৌধুরীর প্রার্থিতা বাতিল, শপথ নিতে পারবেন না

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

জার্মানিকে বিদায়ের আনন্দে প্যারাগুয়েতে জাতীয় ছুটি ঘোষণা
জার্মানিকে বিদায়ের আনন্দে প্যারাগুয়েতে জাতীয় ছুটি ঘোষণা

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সেনাদের লেবানন ছাড়ার সময়সীমা নিয়ে যা জানালেন ইসরায়েলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী
সেনাদের লেবানন ছাড়ার সময়সীমা নিয়ে যা জানালেন ইসরায়েলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মব বিতর্কে হাসনাত আবদুল্লাহ
মব বিতর্কে হাসনাত আবদুল্লাহ

১৯ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

অবসর নিলেন জার্মানির কিংবদন্তি গোলরক্ষক ম্যানুয়েল নয়্যার
অবসর নিলেন জার্মানির কিংবদন্তি গোলরক্ষক ম্যানুয়েল নয়্যার

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

একদিনেই দুই ফেভারিটকে বিদায়, প্যারাগুয়ে ও মরক্কোর চমক
একদিনেই দুই ফেভারিটকে বিদায়, প্যারাগুয়ে ও মরক্কোর চমক

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

টাইব্রেকারে ডাচদের হারিয়ে শেষ ষোলোতে মরক্কো
টাইব্রেকারে ডাচদের হারিয়ে শেষ ষোলোতে মরক্কো

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ধন্যবাদ বাংলাদেশ, আমাদের সমর্থনের জন্য : আলিসন
ধন্যবাদ বাংলাদেশ, আমাদের সমর্থনের জন্য : আলিসন

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এআই দিয়ে আসামির আর্জেন্টিনার জার্সি পাল্টে ব্রাজিলের জার্সি পরাল পুলিশ, ছবি ঘিরে সমালোচনা
এআই দিয়ে আসামির আর্জেন্টিনার জার্সি পাল্টে ব্রাজিলের জার্সি পরাল পুলিশ, ছবি ঘিরে সমালোচনা

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পাকিস্তানের হামলায় নিহতের সংখ্যা গোপনের অভিযোগ, মোদি সরকারের বিরুদ্ধে তোপ
পাকিস্তানের হামলায় নিহতের সংখ্যা গোপনের অভিযোগ, মোদি সরকারের বিরুদ্ধে তোপ

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

একদিনেই ভুল হলো ব্রাজিল-নেদারল্যান্ডসকে নিয়ে জার্মান গণিতবিদের ২ ভবিষ্যদ্বাণী
একদিনেই ভুল হলো ব্রাজিল-নেদারল্যান্ডসকে নিয়ে জার্মান গণিতবিদের ২ ভবিষ্যদ্বাণী

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেষ ষোলোর আগে ব্রাজিলের জন্য বড় দুঃসংবাদ
শেষ ষোলোর আগে ব্রাজিলের জন্য বড় দুঃসংবাদ

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সত্যিই কি ভারতীয় ভূখণ্ডে ঢুকে পড়েছে চীনা সেনাবাহিনী?
সত্যিই কি ভারতীয় ভূখণ্ডে ঢুকে পড়েছে চীনা সেনাবাহিনী?

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মানবতাবিরোধী অপরাধে ইনুর ১০ বছর কারাদণ্ড
মানবতাবিরোধী অপরাধে ইনুর ১০ বছর কারাদণ্ড

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মেসিকে বিশেষ উপহার দিতে চান কেপ ভার্দে প্রেসিডেন্ট
মেসিকে বিশেষ উপহার দিতে চান কেপ ভার্দে প্রেসিডেন্ট

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

অনাগত সন্তান হারিয়ে গোলের পর কান্নায় ভেঙে পড়লেন গাকপো
অনাগত সন্তান হারিয়ে গোলের পর কান্নায় ভেঙে পড়লেন গাকপো

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বুধবার ‘ব্যাংক হলিডে’, বন্ধ থাকবে লেনদেন
বুধবার ‘ব্যাংক হলিডে’, বন্ধ থাকবে লেনদেন

১৬ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

রোমেরোর প্রত্যাবর্তনে স্বস্তিতে আর্জেন্টিনা, খেলবেন কেপ ভার্দের বিপক্ষে
রোমেরোর প্রত্যাবর্তনে স্বস্তিতে আর্জেন্টিনা, খেলবেন কেপ ভার্দের বিপক্ষে

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জার্মানি ছিটকে পড়ায় স্বস্তিতে ব্রাজিল, টিকে থাকল অনন্য কীর্তি
জার্মানি ছিটকে পড়ায় স্বস্তিতে ব্রাজিল, টিকে থাকল অনন্য কীর্তি

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

৫ স্থাপনার নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত না হওয়ায় সিনেট থেকে ওয়াকআউট ডাকসু নেতাদের
৫ স্থাপনার নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত না হওয়ায় সিনেট থেকে ওয়াকআউট ডাকসু নেতাদের

২১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

সিন্ধু পানি চুক্তি নিয়ে ভারতকে পাকিস্তানের কড়া হুঁশিয়ারি
সিন্ধু পানি চুক্তি নিয়ে ভারতকে পাকিস্তানের কড়া হুঁশিয়ারি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চট্টগ্রাম-৪ আসনে নতুন করে নির্বাচনের সম্ভাবনা রয়েছে : অ্যাটর্নি জেনারেল
চট্টগ্রাম-৪ আসনে নতুন করে নির্বাচনের সম্ভাবনা রয়েছে : অ্যাটর্নি জেনারেল

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

খামেনির জানাজায় যোগ দিতে তেহরান যাচ্ছেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন
খামেনির জানাজায় যোগ দিতে তেহরান যাচ্ছেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফের কমলো স্বর্ণের দাম, ভরিতে কত?
ফের কমলো স্বর্ণের দাম, ভরিতে কত?

১৮ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

বিমানবালাকে যৌন হয়রানি ভারতীয় নাগরিকের, অতঃপর...
বিমানবালাকে যৌন হয়রানি ভারতীয় নাগরিকের, অতঃপর...

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
কেপ ভার্দের ১০ নম্বর জার্সিতে লিওনেল মেসি
কেপ ভার্দের ১০ নম্বর জার্সিতে লিওনেল মেসি

প্রথম পৃষ্ঠা

বঙ্গোপসাগরে টুনার খনি
বঙ্গোপসাগরে টুনার খনি

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

গাছহীন ঢাকায় শ্বাসের কষ্ট
গাছহীন ঢাকায় শ্বাসের কষ্ট

প্রথম পৃষ্ঠা

জামায়াতের তুরস্ক কানেকশন এবং একাত্তরের পাপ
জামায়াতের তুরস্ক কানেকশন এবং একাত্তরের পাপ

প্রথম পৃষ্ঠা

আইআরজিসির দুই সদস্যকে গুলি করে হত্যা
আইআরজিসির দুই সদস্যকে গুলি করে হত্যা

পূর্ব-পশ্চিম

অন্তর্বর্তী সরকারের দুর্নীতি তদন্তে স্বাধীন দুদক
অন্তর্বর্তী সরকারের দুর্নীতি তদন্তে স্বাধীন দুদক

প্রথম পৃষ্ঠা

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কাতারে বৈঠক করবে না ইরান
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কাতারে বৈঠক করবে না ইরান

পেছনের পৃষ্ঠা

মাদ্রাসা শিক্ষাকে প্রচলিত কাঠামোর মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা যাবে না
মাদ্রাসা শিক্ষাকে প্রচলিত কাঠামোর মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা যাবে না

নগর জীবন

ইনুর ১০ বছর কারাদণ্ড
ইনুর ১০ বছর কারাদণ্ড

প্রথম পৃষ্ঠা

জার্সিকাণ্ডে বিব্রত পুলিশ, এসআইকে শোকজ
জার্সিকাণ্ডে বিব্রত পুলিশ, এসআইকে শোকজ

পেছনের পৃষ্ঠা

শাশুড়ি হত্যার ১৯ বছর পর স্ত্রীকেও হত্যা করল ঘাতক
শাশুড়ি হত্যার ১৯ বছর পর স্ত্রীকেও হত্যা করল ঘাতক

পেছনের পৃষ্ঠা

কোনো বাধা না থাকায় বেড়েছে ধর্ষণ মামলা
কোনো বাধা না থাকায় বেড়েছে ধর্ষণ মামলা

প্রথম পৃষ্ঠা

দুই দিনে সোনার দাম কমল ভরিতে ৬৫৯০ টাকা
দুই দিনে সোনার দাম কমল ভরিতে ৬৫৯০ টাকা

পেছনের পৃষ্ঠা

কর্ণফুলীতে লাইটার জাহাজডুবি, ১২ নাবিক উদ্ধার
কর্ণফুলীতে লাইটার জাহাজডুবি, ১২ নাবিক উদ্ধার

পেছনের পৃষ্ঠা

বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর সরোয়ার হোসেন
বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর সরোয়ার হোসেন

নগর জীবন

দেশের ১১ শতাংশ মানুষ আর্সেনিক ঝুঁকিতে
দেশের ১১ শতাংশ মানুষ আর্সেনিক ঝুঁকিতে

পেছনের পৃষ্ঠা

জাবিতে গোপনে ছাত্রীর ভিডিও ধারণের অভিযোগে গ্রেপ্তার বহিরাগত যুবক
জাবিতে গোপনে ছাত্রীর ভিডিও ধারণের অভিযোগে গ্রেপ্তার বহিরাগত যুবক

নগর জীবন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সব গণতান্ত্রিক আন্দোলনের নেতৃত্বে : প্রধানমন্ত্রী
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সব গণতান্ত্রিক আন্দোলনের নেতৃত্বে : প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

জার্মানিকে হারিয়ে ইতিহাস
জার্মানিকে হারিয়ে ইতিহাস

প্রথম পৃষ্ঠা

চাঁদা না দেওয়ায় অপপ্রচারের শিকার রূপগঞ্জের ইউএনও
চাঁদা না দেওয়ায় অপপ্রচারের শিকার রূপগঞ্জের ইউএনও

নগর জীবন

গৃহবধূ ও দুই সন্তান ৯ দিন ধরে নিখোঁজ
গৃহবধূ ও দুই সন্তান ৯ দিন ধরে নিখোঁজ

নগর জীবন

ভ্যাপসা গরমে স্বস্তির বৃষ্টি
ভ্যাপসা গরমে স্বস্তির বৃষ্টি

নগর জীবন

বাবা হত্যায় ছেলের যাবজ্জীবন
বাবা হত্যায় ছেলের যাবজ্জীবন

দেশগ্রাম

রোটারি ক্লাব অব ঢাকা ফোর্ট
রোটারি ক্লাব অব ঢাকা ফোর্ট

নগর জীবন

কঠোর মুদ্রানীতি বাজেটের সুফল ব্যাহত করতে পারে
কঠোর মুদ্রানীতি বাজেটের সুফল ব্যাহত করতে পারে

নগর জীবন

খামেনির জানাজায় অংশ নেবেন স্পিকার
খামেনির জানাজায় অংশ নেবেন স্পিকার

নগর জীবন

সরকার বৈষম্যহীন সমাজ গড়তে চায়
সরকার বৈষম্যহীন সমাজ গড়তে চায়

নগর জীবন

বনানী কবরস্থানে চিরনিদ্রায় মুস্তাফা মনোয়ার
বনানী কবরস্থানে চিরনিদ্রায় মুস্তাফা মনোয়ার

নগর জীবন

রাজস্ব আদায় বড় চ্যালেঞ্জ
রাজস্ব আদায় বড় চ্যালেঞ্জ

নগর জীবন