Bangladesh Pratidin || Highest Circulated Newspaper
শিরোনাম
প্রকাশ : ২২ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ১৪:১৪
আপডেট : ২২ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ১৮:০৯

বন্ধের মধ্যেও শিক্ষার্থীদের অন্দোলনে উত্তাল বশেমুরবিপ্রবি

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি :

বন্ধের মধ্যেও শিক্ষার্থীদের অন্দোলনে উত্তাল বশেমুরবিপ্রবি
আন্দোলনে শিক্ষার্থীরা

গোপালগঞ্জ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্বাবিদ্যালয়ের (বশেমুরবিপ্রবি) ভিসি প্রফেসর ড. খোন্দকার নাসিরউদ্দিনের পদত্যাগের এক দফা দাবিতে চতুর্থ দিনের মত বিরতিহীন আন্দোলন করছে শিক্ষার্থীরা। আন্দোলনের মুখে গতকাল শনিবার সকালে বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করে কর্তৃপক্ষ এবং সকাল ১০টার মধ্যে হল ত্যাগের নির্দেশ দেয়। কিন্তু, শিক্ষার্থীরা সে আদেশ না মেনে তাদের আন্দোলন অব্যাহত রেখেছে।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, আন্দোলন ঠেকাতে তড়িঘড়ি করে গতকাল শনিবার ১৫ দিনের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ করে দেয় কর্তৃপক্ষ। সকাল ১০টার মধ্যে সব শিক্ষার্থীকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছয়টি আবাসিক হল ছেড়ে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। কিন্তু, শিক্ষার্থীদের কেউই হল ছাড়েননি। তখন থেকেই ক্যাম্পাসে পানি ও বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। ‘দুর্গাপূজার’ আগাম ছুটিতে ক্যাম্পাস বন্ধ হয়ে গেলেও শিক্ষার্থীদের আন্দোলন গড়িয়েছে টানা চতুর্থ দিনে।

এদিকে ক্যাম্পাসের বাইরে বিভিন্ন স্থানে শনিবার বহিরাগতদের হামলায় ২০ শিক্ষার্থী আহত হওয়ার ঘটনার পর শিক্ষার্থীরা আবারও হামলার আশঙ্কায় রয়েছে। শিক্ষার্থীদের উপর এমন হামলার প্রতিবাদে সহকারী প্রক্টর মো. হুমায়ূন কবীর পদত্যাগ করেন। বর্তমানে ক্যাম্পাস উত্তাল থাকায় পুলিশ মোনায়েন করা হয়েছে। 

ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর ড. মো. বশির উদ্দীনের সাথে বিশ্ববিদ্যালয়ের সবশেষ পরিস্থিতি নিয়ে কথা হলে তিনি জানান, শিক্ষার্থীরা আগের মতোই আন্দোলন করে যাচ্ছে। তাদের সাথে সমঝোতার চেষ্টা চালানো হলেও তারা আমাদের সাথে কোন কথা বলতে রাজি হয়নি। 

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের উপর বহিরাগতদের হামলার ঘটনাকে ন্যাক্কারজনক উল্লেখ করে তিনি আরও জানান, এ বিষয়ে ইইই বিভাগের ডিন প্রফেসর ড. আব্দুর রহিমকে প্রধান, আইন বিভাগের ডিন আ. কুদ্দুছ মিয়াকে সদস্য সচিব ও ড. সামচুল আরেফিনকে সদস্য করে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তারা আগামী ৫ দিনের মধ্যে তাদের প্রতিবেদন দাখিল করবেন। তিনি আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে হল ত্যাগের আদেশ থাকলেও শিক্ষার্থীরা কিন্তু হলে অবস্থান করছে। আসলে আমরা তাদেরকে রাগাতে চাই না। একটা শান্তিপূর্ণ সহঅবস্থান চাই আমরা। 

বিডি-প্রতিদিন/শফিক


আপনার মন্তব্য