শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, বৃহস্পতিবার, ০৬ নভেম্বর, ২০২৫ আপডেট: ০০:৩৯, বৃহস্পতিবার, ০৬ নভেম্বর, ২০২৫

সবার আগে বাংলাদেশ

মন্‌জুরুল ইসলাম
প্রিন্ট ভার্সন
সবার আগে বাংলাদেশ

নির্বাচন হবে কি হবে না-এমন প্রশ্ন যখন চারদিকে ঘুরপাক খাচ্ছে, সরকার যখন রাজনৈতিক দলগুলোর কোর্টে বল ঠেলে দিল তখনই বিএনপির সিদ্ধান্ত সবকিছু পাল্টে দিয়েছে। দেশের বৃহৎ রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) প্রার্থী ঘোষণার মধ্য দিয়ে সারা দেশে নির্বাচনি আবহ তৈরি হয়েছে। আনন্দ-উচ্ছ্বাস, মিষ্টি বিতরণ, মিলাদ, দোয়া মাহফিলের মধ্য দিয়ে দলটির সম্ভাব্য প্রার্থীরা মাঠে নেমে গেছেন। এখন দেখার পালা অন্যান্য রাজনৈতিক দল কখন তাদের প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করে। অবশ্য জামায়াতে ইসলামী অনেক আগেই প্রতিটি আসনে একজন করে প্রার্থী মনোনয়ন দিয়ে কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। আলোচিত নতুন দল জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) নিবন্ধন ও প্রতীক পেয়েছে। এনসিপি ১০ সদস্যের নির্বাচন পরিচালনা কমিটিও ঘোষণা করেছে। এখন জুলাই সনদ বাস্তবায়নসহ কিছু অনিষ্পন্ন বিষয় দ্রুত নিষ্পত্তি হলেই আর পেছন ফিরে তাকাতে হবে না। বিশেষ কোনো স্বার্থে, বিশেষ দল বা সরকারের ভিতর থেকে গণতন্ত্রের এই অভিযাত্রা বানচালের কোনো দুরভিসন্ধি না থাকলে আসন্ন নির্বাচনকে দেশবাসীর পক্ষ থেকে আগাম অভিনন্দন।

দেশের বয়স ৫৪ আর বিএনপির ৪৭ বছর। এ দীর্ঘ সময়ে কে আমাদের শত্রু, কে মিত্র তা প্রতিষ্ঠিত হয়নি। এখন আবার শত্রু চিহ্নিত করতে নতুন ‘গুপ্ত’ শব্দের ব্যবহার বাড়ছে। চব্বিশের বিপ্লবের পর নতুন শত্রু, গুপ্ত শত্রু, নতুন মিত্রের সন্ধান চলছে। সেক্টর কমান্ডার জিয়াউর রহমানের প্রতিষ্ঠিত বিএনপিকে ধন্যবাদ যে দেরি হলেও দলটি দেশের প্রকৃত ও স্থায়ী শত্রু চিহ্নিত করতে পেরেছে। দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে ধন্যবাদ যে তিনি কোনো রাখঢাক না করে দেশের শত্রুদের মুখোশ উন্মোচন করছেন। নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেছেন, চারপাশে সুপ্ত আকাঙ্ক্ষায় গুপ্ত স্বৈরাচার ওত পেতে আছে। দলের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শ ‘ব্যক্তির চেয়ে দল বড়, দলের চেয়ে দেশ বড়’ নেতা-কর্মীদের স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন। ঐক্যবদ্ধ ও সংগঠিত থাকার জন্য তাঁর এ বার্তা। অনেক দিন ধরেই দলীয় নেতা-কর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়ে আসছেন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। আগামী নির্বাচনের সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করার আগে যে কোনো সিদ্ধান্ত মেনে নিতে তিনি সবাইকে মানসিকভাবে প্রস্তুত করেছিলেন। অবশেষে সে তালিকা প্রকাশ করা হলো। এত বড় একটি দলের পক্ষে মনোনয়ন বিষয়ে সবাইকে খুশি করা অসম্ভব; কিন্তু সবাইকে ঐক্যবদ্ধ রাখার চেষ্টাটা সম্ভব। দলীয় প্রার্থী তালিকা প্রকাশের মাধ্যমে দল নির্বাচনি দৌড়ের প্রথম প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। এটা করতে যাঁদের সক্রিয় ভূমিকা ছিল শুধু তাঁরাই জানেন কী পরিমাণ পরিশ্রম হয়েছে। পৃথিবীতে মানবসৃষ্ট কোনো কিছুই শতভাগ সম্পূর্ণ হয় না। তেমনি এ তালিকাও সবার কাছে শতভাগ গ্রহণযোগ্য হয়েছে, এটা হয়তো বলা যাবে না। তবে দলের ৯৯ শতাংশ নেতা-কর্মীর কাছে এ তালিকা গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছে। প্রয়োজনে হয়তো আরও পরিমার্জন হতে পারে। দলের সার্বিক ঐক্য ধরে রাখার জন্য এমন একটি প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করার জন্য নেতা-কর্মীদের উচিত দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা।

নির্বাচন নিয়ে সরকারের ভিতর থেকে নতুন কোনো কূটকৌশল করলে, কোনো বিশেষ মহলকে নির্বাচন বানচালের সুযোগ দেওয়া হলে জনগণ যমুনামুখী হবে। শতচেষ্টা করেও কারও ভাগ্যে সেফ এক্সিট জুটবে না। সুতরাং সবার আগে বাংলাদেশ। সবার আগে নির্বাচন

আগামী নির্বাচনে বিএনপির সামনে তিনটি প্রতিপক্ষ। প্রথমটি দলের দীর্ঘদিনের মিত্র জামায়াতে ইসলামী। দ্বিতীয়টি দলের মনোনয়নবঞ্চিত, যাঁরা স্বতন্ত্র বা অন্য দলের টিকিটে বিএনপির প্রতিপক্ষ হয়ে ভোটে লড়তে পারেন এবং তৃতীয়টি হলো সরকারের ভিতরের একটি অংশ, যাঁরা শুরু থেকেই বিএনপি মাইনাসের এজেন্ডা নিয়ে কাজ করছেন। ১৯৭৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর দলটি গঠিত হওয়ার পরই জামায়াতের সঙ্গে রাজনৈতিক সুসম্পর্ক তৈরি হয়। কারণ বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের বহুদলীয় গণতন্ত্রের কারণে জামায়াত রাজনীতি করার সুযোগ পায়। তবে ৪৭ বছরের দীর্ঘ সময়ে রাজনীতির নানান বাঁকে জামায়াতের সঙ্গে নানান ঘটনাও ঘটেছে। কখনো মান, কখনো অভিমান। এ সময়ের মধ্যে জামায়াত শুধু বিএনপির সঙ্গেই সখ্য গড়ে তুলেছে, এমন নয়। তাদের চরম শত্রু আওয়ামী লীগের সঙ্গেও গড়ে তুলেছিল রাজনীতির ভাগবাঁটোয়ারার সম্পর্ক। এটা ছিল তাদের রাজনৈতিক কৌশল। দলটি অত্যন্ত সুকৌশলে নিজেদের পায়ের নিচের মাটি শক্ত করেছে। এত দিন বিএনপির একমাত্র প্রতিপক্ষ ছিল আওয়ামী লীগ। জুলাই গণ অভ্যুত্থানে দলটির অপমৃত্যুর কারণে রাজনৈতিক শূন্যতায় জামায়াত এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী। দ্বিতীয় প্রতিপক্ষ বিএনপির ঘর থেকেই সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। যারা মনোনয়নবঞ্চিত হয়েছেন। বিএনপির রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ তাঁদের কাজে লাগানোর কৌশল এঁটেছে। শতাধিক আসনে মনোনয়নবঞ্চিতদের বিএনপির প্রার্থীর বিরুদ্ধে দাঁড় করাতে পারলেই ভাগ হবে ভোট। বিএনপির ভোট ভাগ করতে পারলে লাভবান হবে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ। তৃতীয় প্রতিপক্ষ সরকারের ভিতরের একটি অংশ। অন্তর্বর্তী সরকার গঠনে বিএনপির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা থাকলেও সরকারের ভিতরের ‘একাধিক পাসপোর্টধারী’ শুরু থেকেই দলটিকে মাইনাসের ফর্মুলা নিয়ে কাজ করছে। গত ১৫ মাস সরকারের একটি অংশ ও বিভিন্ন সংস্কার কমিশনের কর্মকাণ্ড পর্যবেক্ষণ করলে বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে যায়। বিশেষ করে সর্বশেষ ঐকমত্য কমিশন যা করেছে, তারপর আর দ্বিধাদ্বন্দ্বের কোনো সুযোগ নেই। সুতরাং বিষয়গুলো বিএনপির সর্বস্তরের নেতা-কর্মী অনুধাবন করতে না পারলে আখেরে পস্তাতে হবে। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের স্লোগান ছিল ‘ব্যক্তির চেয়ে দল বড়, দলের চেয়ে দেশ বড়’। আর তাঁর সুযোগ্য উত্তরাধিকারী ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের স্লোগান হলো ‘সবার আগে বাংলাদেশ’। কর্মীদের হঠকারিতা, পারস্পরিক সংঘাত, দলের মনোনীত প্রার্থীর বিরুদ্ধে অবস্থান নিলে হেরে যাবে বাংলাদেশ। স্বাধীনতাযুদ্ধের সেক্টর কমান্ডার জিয়াউর রহমানের প্রতিষ্ঠিত, মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি বিএনপি। আগামী নির্বাচনে দলটির নেতা-কর্মীরা ঐক্যবদ্ধভাবে বাংলাদেশের পক্ষে থাকবেন, নাকি বিপক্ষের শক্তিকে ইন্ধন দেবেন, সে সিদ্ধান্ত তাঁদেরই নিতে হবে।

ভোটের হিসাবনিকাশ মাত্র শুরু হয়েছে। কোন দল কার সঙ্গে জোট করবে, সে বিষয়গুলো এখনো স্পষ্ট হয়নি। বিশেষ করে এনসিপি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশ ও ইসলামী আন্দোলনের মতো দলগুলো এখনো ভোট প্রস্তুতির জন্য প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেনি। এনসিপি ইতোমধ্যে ৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার অনানুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়েছে। দলের মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে প্রধান এবং সিনিয়র যুগ্ম সদস্যসচিব ডা. তাসনিম জারাকে সেক্রেটারি করে ১০ সদস্যের নির্বাচন পরিচালনা কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন আরিফুল ইসলাম আদীব, মাহবুব আলম মাহির, খালেদ সাইফুল্লাহ, এহতেশাম হক, অ্যাডভোকেট আবদুল্লাহ আল আমিন, আলাউদ্দীন মোহাম্মদ, অ্যাডভোকেট জহিরুল ইসলাম মুসা, অ্যাডভোকেট হুমায়রা নূর, সাইফুল্লাহ হায়দার ও অ্যাডভোকেট মো. তারিকুল ইসলাম। এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম অবশ্য বলেছেন, ‘সমঝোতা বা জোট এটা একটি রাজনৈতিক ও আদর্শিক জায়গা থেকে হতে পারে। যেমন জুলাই সনদের বিষয়টি রয়েছে। এ সনদে আমাদের সংস্কারের দাবিগুলোর সঙ্গে যদি কোনো দল সংহতি প্রকাশ করে, সে ক্ষেত্রে হয়তো আমরা জোটের সিদ্ধান্ত নেব। এখন পর্যন্ত আমরা এককভাবেই নির্বাচনের জন্য এগোচ্ছি। ১৫ নভেম্বরের মধ্যে আমাদের প্রার্থীদের প্রাথমিক তালিকা প্রকাশ করব।’ এদিকে জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘আমরা কোনো জোট করার সিদ্ধান্ত নিইনি, জোট করবও না। আমরা নির্বাচনি সমঝোতা করব। শুধু ইসলামি দল নয়, দেশপ্রেমিক প্রতিশ্রুতিশীল যারা আছেন, তারা সংযুক্ত হচ্ছেন। আগামীতে আরও অনেক দল এ নির্বাচনি সমঝোতায় যুক্ত হবে। আমরা সবাইকে নিয়ে দেশ গড়তে চাই।’ এ বক্তব্যের মধ্য দিয়ে তিনি তাঁর দলের কৌশল অনেকটাই পরিষ্কার করেছেন। ইসলামি দলগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশ নির্বাচন করবে রিকশা এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ হাতপাখা প্রতীক নিয়ে। এবার জোটভুক্ত প্রার্থীদের যাঁর যাঁর দলের প্রতীক নিয়েই নির্বাচন করতে হবে। জানা গেছে, এ দুটি দল জামায়াতের সঙ্গে সমঝোতার নির্বাচন করতে ভরসা পাচ্ছে না। কারণ এ দুই দলের নীতিনির্ধারকরা মনে করেন জামায়াতের নেতা-কর্মীরা তাঁদের দল ও প্রতীক দাঁড়িপাল্লার প্রতি এতটাই অনুগত যে অন্য প্রতীকে তাঁরা ভোট দেবেন না। সে কারণে জামায়াতের সঙ্গে সমঝোতার নির্বাচন করার ব্যাপারে রিকশা ও হাতপাখা ভরসা পাচ্ছে না। দেখা যাক শেষ পর্যন্ত কোন ঘাটের পানি কোন ঘাটে গড়ায়।

রাজনৈতিক দলগুলো নির্বাচনমুখী যাত্রা শুরু করেছে। সরকারও বলছে, যে কোনো মূল্যে ফেব্রুয়ারিতেই নির্বাচন হবে। তার পরও রাজনীতির অন্দরমহলের খেলা শেষ হয়েও হইল না শেষ। একদিকে সরকার বলছে নির্বাচন ফেব্রুয়ারিতেই হবে, অন্যদিকে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন ইস্যুতে সরকার গঠিত ঐকমত্য কমিশন নতুন গিট্টু লাগিয়ে রেখেছে। মুরগি আগে নাকি ডিম আগে। গণভোট আগে নাকি জাতীয় নির্বাচন আগে-এ ইস্যু অমীমাংসিতই রয়ে গেল। সরকার কিছুটা চালাকির আশ্রয় নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর কোর্টে বল ঠেলে দিয়েছে। অর্থাৎ সমস্যা যা আছে তা দলগুলোকেই মীমাংসা করতে হবে। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে-শেষ পর্যন্ত যদি দলগুলোকেই সবকিছু মীমাংসা করতে হয়, তাহলে এতগুলো সংস্কার কমিশন গঠন, ঐকমত্য কমিশন গঠন করে ১৫ মাস সময় নষ্ট করা হয়েছে কার স্বার্থে? তবে সরকারকে এও মনে রাখতে হবে, নির্বাচনের পাগলা ঘোড়া ছুটতে শুরু করেছে। এ ঘোড়ার লাগাম এখন দেশের জনগণের হাতে। নির্বাচন নিয়ে সরকারের ভিতর থেকে নতুন কোনো কূটকৌশল করলে, কোনো বিশেষ মহলকে নির্বাচন বানচালের সুযোগ দেওয়া হলে জনগণ যমুনামুখী হবে। শতচেষ্টা করেও কারও ভাগ্যে সেফ এক্সিট জুটবে না। সুতরাং সবার আগে বাংলাদেশ। সবার আগে নির্বাচন।

লেখক : নির্বাহী সম্পাদক, বাংলাদেশ প্রতিদিন

[email protected]

এই বিভাগের আরও খবর
ইসলামের আলোকে সুশাসনের প্রয়োজন ও ফলাফল
ইসলামের আলোকে সুশাসনের প্রয়োজন ও ফলাফল
বাজার সিন্ডিকেট
বাজার সিন্ডিকেট
অবৈধ অস্ত্র
অবৈধ অস্ত্র
পাহাড়ের পর্যটন সম্ভাবনা কাজে লাগছে না
পাহাড়ের পর্যটন সম্ভাবনা কাজে লাগছে না
তারেক রহমান আসবেন বীরের বেশে
তারেক রহমান আসবেন বীরের বেশে
এলডিসি গ্র্যাজুয়েশন : কাগুজে অগ্রগতি
এলডিসি গ্র্যাজুয়েশন : কাগুজে অগ্রগতি
এমপিওভুক্তির সুখবর
এমপিওভুক্তির সুখবর
রপ্তানি আয় কমছে
রপ্তানি আয় কমছে
ভূমিকম্প থেকে বাঁচার কোরআনি আমল
ভূমিকম্প থেকে বাঁচার কোরআনি আমল
বেগম খালেদা জিয়া গণতান্ত্রিক সংগ্রামের অনুপ্রেরণা
বেগম খালেদা জিয়া গণতান্ত্রিক সংগ্রামের অনুপ্রেরণা
জৈবকৃষির সম্ভাবনায় জেগে ওঠা এক গ্রাম
জৈবকৃষির সম্ভাবনায় জেগে ওঠা এক গ্রাম
তারেক রহমানের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা কেন প্রয়োজন
তারেক রহমানের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা কেন প্রয়োজন
সর্বশেষ খবর
ইউক্রেনের জন্য ভয়াবহ বার্তা দিলেন ট্রাম্প জুনিয়র
ইউক্রেনের জন্য ভয়াবহ বার্তা দিলেন ট্রাম্প জুনিয়র

১৭ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আন্তর্জাতিক ক্রিসমাস বাজারে বাংলাদেশসহ ৪০ দেশের অংশগ্রহণ
আন্তর্জাতিক ক্রিসমাস বাজারে বাংলাদেশসহ ৪০ দেশের অংশগ্রহণ

৪৯ মিনিট আগে | পরবাস

বিগ টিকেটে আড়াইল লাখ দিরহাম জিতলেন বাংলাদেশি মহিন
বিগ টিকেটে আড়াইল লাখ দিরহাম জিতলেন বাংলাদেশি মহিন

১ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

বিগ টিকেটে দুই কোটি দিরহাম জয়, গল্প শোনালেন বাংলাদেশি জাহাঙ্গীর
বিগ টিকেটে দুই কোটি দিরহাম জয়, গল্প শোনালেন বাংলাদেশি জাহাঙ্গীর

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ফিকির নতুন সভাপতি হচ্ছেন রুপালী হক চৌধুরী
ফিকির নতুন সভাপতি হচ্ছেন রুপালী হক চৌধুরী

১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

ইউক্রেন যুদ্ধ:  চুক্তির কাছাকাছি যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া কি চায়?
ইউক্রেন যুদ্ধ: চুক্তির কাছাকাছি যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া কি চায়?

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চামড়া ও জুতা শিল্পের অগ্রদূত ও প্রতিষ্ঠানকে সম্মাননা
চামড়া ও জুতা শিল্পের অগ্রদূত ও প্রতিষ্ঠানকে সম্মাননা

২ ঘণ্টা আগে | কর্পোরেট কর্নার

মিনিস্টার বাজারজাত শুরু করলো নো–ফ্রস্ট ইনভার্টার প্রযুক্তি ৪টি নতুন মডেলের রেফ্রিজারেটর
মিনিস্টার বাজারজাত শুরু করলো নো–ফ্রস্ট ইনভার্টার প্রযুক্তি ৪টি নতুন মডেলের রেফ্রিজারেটর

২ ঘণ্টা আগে | কর্পোরেট কর্নার

ভারি বৃষ্টির শঙ্কায় সোমবার মদিনার সব স্কুলে সশরীরে ক্লাস বন্ধ
ভারি বৃষ্টির শঙ্কায় সোমবার মদিনার সব স্কুলে সশরীরে ক্লাস বন্ধ

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তারেক রহমান আসবেন বীরের বেশে
তারেক রহমান আসবেন বীরের বেশে

২ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

দেশি-বিদেশি ১৩০ প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণে আইইউবিএটিতে ক্যারিয়ার ফেস্টিভ্যাল
দেশি-বিদেশি ১৩০ প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণে আইইউবিএটিতে ক্যারিয়ার ফেস্টিভ্যাল

২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

৬ জেলার স্কাউটদের উপস্থিতিতে মুখর কুমিল্লা
৬ জেলার স্কাউটদের উপস্থিতিতে মুখর কুমিল্লা

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পিঁপড়ার আত্মত্যাগ!
পিঁপড়ার আত্মত্যাগ!

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়ের জন্য ৪৮৯ পদ সৃষ্টির সিদ্ধান্ত
সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়ের জন্য ৪৮৯ পদ সৃষ্টির সিদ্ধান্ত

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

মুস্তাফিজের জোড়া উইকেটে ক্যাপিটালসের বড় জয়
মুস্তাফিজের জোড়া উইকেটে ক্যাপিটালসের বড় জয়

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মিশন সিক্স বসুন্ধরা কিংস
মিশন সিক্স বসুন্ধরা কিংস

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিয়ে ভাঙার পর গুজব রটানোদের দেখে নেওয়ার হুমকি পলাশের
বিয়ে ভাঙার পর গুজব রটানোদের দেখে নেওয়ার হুমকি পলাশের

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

স্মৃতির স্মৃতিতে যেভাবে জমলো বেদনার নীল!
স্মৃতির স্মৃতিতে যেভাবে জমলো বেদনার নীল!

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হত্যামামলার আসামি গ্রেফতার
হত্যামামলার আসামি গ্রেফতার

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ল্যাপটপের ৫ গোপন ফিচার
ল্যাপটপের ৫ গোপন ফিচার

৩ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

ফর্মুলা ওয়ান জয়, ল্যান্ডো নরিসের উত্থান যেভাবে
ফর্মুলা ওয়ান জয়, ল্যান্ডো নরিসের উত্থান যেভাবে

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

৩০ কোটি রুপি প্রতারণা মামলায় বলিউড পরিচালক গ্রেফতার
৩০ কোটি রুপি প্রতারণা মামলায় বলিউড পরিচালক গ্রেফতার

৪ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

পেছালো মেটার ‘ফিনিক্স’ মিক্সড রিয়েলিটি চশমার উদ্বোধন
পেছালো মেটার ‘ফিনিক্স’ মিক্সড রিয়েলিটি চশমার উদ্বোধন

৪ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

অপ্রতিরোধ্য প্রযুক্তির ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির ঘোষণা ইরানের
অপ্রতিরোধ্য প্রযুক্তির ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির ঘোষণা ইরানের

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রের নতুন নিরাপত্তা কৌশলে খুশি রাশিয়া, নাখোশ ইউরোপ
যুক্তরাষ্ট্রের নতুন নিরাপত্তা কৌশলে খুশি রাশিয়া, নাখোশ ইউরোপ

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্র–ইউক্রেন নিরাপত্তা আলোচনার অগ্রগতি নিয়ে যা জানা গেল
যুক্তরাষ্ট্র–ইউক্রেন নিরাপত্তা আলোচনার অগ্রগতি নিয়ে যা জানা গেল

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ব্রিজবেনে হারের পর সমাধান খুঁজছেন ইংল্যান্ড অধিনায়ক
ব্রিজবেনে হারের পর সমাধান খুঁজছেন ইংল্যান্ড অধিনায়ক

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কালিয়াকৈরে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, মোটরসাইকেলে অগ্নিসংযোগ
কালিয়াকৈরে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, মোটরসাইকেলে অগ্নিসংযোগ

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

অস্ট্রিয়ার পাহাড়ে বরফে জমে প্রাণ হারানো নারীর পরিচয় শনাক্ত
অস্ট্রিয়ার পাহাড়ে বরফে জমে প্রাণ হারানো নারীর পরিচয় শনাক্ত

৫ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

সোমবার টানা ৮ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়
সোমবার টানা ৮ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়

৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সর্বাধিক পঠিত
কেমিক্যাল দিয়ে পাকানো কলা চিনবেন যেভাবে
কেমিক্যাল দিয়ে পাকানো কলা চিনবেন যেভাবে

২২ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

এনসিপিসহ ৩ দলের নতুন জোট
এনসিপিসহ ৩ দলের নতুন জোট

১১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইসরায়েলের ফেলা যে অবিস্ফোরিত বোমা নিয়ে ভীষণ চিন্তায় আমেরিকা
ইসরায়েলের ফেলা যে অবিস্ফোরিত বোমা নিয়ে ভীষণ চিন্তায় আমেরিকা

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আন্তর্জাতিক প্রটোকল মেনেই শহীদদের মরদেহ তোলা হবে: সিআইডি প্রধান
আন্তর্জাতিক প্রটোকল মেনেই শহীদদের মরদেহ তোলা হবে: সিআইডি প্রধান

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

চলতি সপ্তাহেই তফসিল, ভোটের সময় বাড়বে এক ঘণ্টা: ইসি
চলতি সপ্তাহেই তফসিল, ভোটের সময় বাড়বে এক ঘণ্টা: ইসি

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

এনসিপিসহ ৩ দলের নতুন জোটের ঘোষণা বিকেলে
এনসিপিসহ ৩ দলের নতুন জোটের ঘোষণা বিকেলে

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইউরোপীয় ইউনিয়ন বিলুপ্ত করা উচিত: ইলন মাস্ক
ইউরোপীয় ইউনিয়ন বিলুপ্ত করা উচিত: ইলন মাস্ক

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আপাতত নির্বাচনি দায়িত্বে রাখা হচ্ছে না বেসরকারি ব্যাংক কর্মকর্তাদের
আপাতত নির্বাচনি দায়িত্বে রাখা হচ্ছে না বেসরকারি ব্যাংক কর্মকর্তাদের

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

খালেদা জিয়াকে দেখতে ফের এভারকেয়ারে জোবাইদা রহমান
খালেদা জিয়াকে দেখতে ফের এভারকেয়ারে জোবাইদা রহমান

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

এশিয়ার ‘মোস্ট ওয়ান্টেড’ বন্যপশু পাচারকারী গ্রেফতার
এশিয়ার ‘মোস্ট ওয়ান্টেড’ বন্যপশু পাচারকারী গ্রেফতার

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাড়ল ভোজ্যতেলের দাম, কাল থেকে কার্যকর
বাড়ল ভোজ্যতেলের দাম, কাল থেকে কার্যকর

৭ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

সামনে অনেক কঠিন সময় অপেক্ষা করছে, ষড়যন্ত্র হচ্ছে : তারেক রহমান
সামনে অনেক কঠিন সময় অপেক্ষা করছে, ষড়যন্ত্র হচ্ছে : তারেক রহমান

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কওমির সনদধারীরা এখন থেকে কাজি হতে পারবেন: আইন উপদেষ্টা
কওমির সনদধারীরা এখন থেকে কাজি হতে পারবেন: আইন উপদেষ্টা

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সত্যিই কি ভারত সীমান্তে অত্যাধুনিক ‘গোয়েন্দা রোবট’ মোতায়েন করেছে চীন?
সত্যিই কি ভারত সীমান্তে অত্যাধুনিক ‘গোয়েন্দা রোবট’ মোতায়েন করেছে চীন?

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শওকত মাহমুদ গ্রেফতার
শওকত মাহমুদ গ্রেফতার

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

জামায়াতের হিন্দু শাখার ৯ নেতাকর্মীর পদত্যাগ
জামায়াতের হিন্দু শাখার ৯ নেতাকর্মীর পদত্যাগ

১১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

যারা বলে এবার আমাদের দেখুন, মানুষ তাদের ১৯৭১ সালে দেখেছে: তারেক রহমান
যারা বলে এবার আমাদের দেখুন, মানুষ তাদের ১৯৭১ সালে দেখেছে: তারেক রহমান

৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

মেসির জাদুতে এমএলএস কাপ জয় মায়ামির
মেসির জাদুতে এমএলএস কাপ জয় মায়ামির

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জাতীয় নির্বাচনের দিন সাধারণ ছুটি
জাতীয় নির্বাচনের দিন সাধারণ ছুটি

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারতে নাইটক্লাবে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিহত ২৩
ভারতে নাইটক্লাবে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিহত ২৩

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাবেক রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের বিরুদ্ধে অনুসন্ধানে দুদক
সাবেক রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের বিরুদ্ধে অনুসন্ধানে দুদক

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘বিএনপি নেতা পিন্টুকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে’
‘বিএনপি নেতা পিন্টুকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে’

১২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

মোবাইল ব্যবসায়ীদের বিটিআরসি ভবন ঘেরাও
মোবাইল ব্যবসায়ীদের বিটিআরসি ভবন ঘেরাও

১৬ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

যেসব আমলে দ্বিগুণ প্রতিদান পাওয়া যায়
যেসব আমলে দ্বিগুণ প্রতিদান পাওয়া যায়

২১ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

ইমরান খানের সঙ্গে সাক্ষাৎ নিষিদ্ধ করল পাকিস্তান
ইমরান খানের সঙ্গে সাক্ষাৎ নিষিদ্ধ করল পাকিস্তান

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আলাস্কায় ৭ মাত্রার ভূমিকম্প, কাঁপল কানাডাও
আলাস্কায় ৭ মাত্রার ভূমিকম্প, কাঁপল কানাডাও

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হেলমেট না থাকায় দুই ভাইয়ের থেঁতলে যায় মাথা, ঘটনাস্থলেই তিনজনের মৃত্যু
হেলমেট না থাকায় দুই ভাইয়ের থেঁতলে যায় মাথা, ঘটনাস্থলেই তিনজনের মৃত্যু

১৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৭ ডিসেম্বর)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৭ ডিসেম্বর)

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

চীনের বিরুদ্ধে জাপানের বিমানে এফসি রাডার নিশানা করার অভিযোগ
চীনের বিরুদ্ধে জাপানের বিমানে এফসি রাডার নিশানা করার অভিযোগ

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে যেভাবে ডেথ চেম্বারে পরিণত হয় নাইটক্লাবটি
ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে যেভাবে ডেথ চেম্বারে পরিণত হয় নাইটক্লাবটি

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
দুবাই হয়ে লন্ডন নেওয়ার প্রস্তাব
দুবাই হয়ে লন্ডন নেওয়ার প্রস্তাব

প্রথম পৃষ্ঠা

নিজ নির্বাচনি এলাকায় লাঞ্ছিত ব্যারিস্টার ফুয়াদ
নিজ নির্বাচনি এলাকায় লাঞ্ছিত ব্যারিস্টার ফুয়াদ

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রান্নাঘরে ঝলসে যাচ্ছে প্রাণ
রান্নাঘরে ঝলসে যাচ্ছে প্রাণ

পেছনের পৃষ্ঠা

গতি কমেছে অর্থনীতির প্রধান চার খাতে
গতি কমেছে অর্থনীতির প্রধান চার খাতে

প্রথম পৃষ্ঠা

চলতি সপ্তাহেই ভোটের তফসিল
চলতি সপ্তাহেই ভোটের তফসিল

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুর্গে কড়া নাড়ছে জামায়াত
বিএনপির দুর্গে কড়া নাড়ছে জামায়াত

পেছনের পৃষ্ঠা

দিঘির পানি ছিল রক্তের মতো লাল
দিঘির পানি ছিল রক্তের মতো লাল

প্রথম পৃষ্ঠা

এক সিদ্ধান্তে মুখোমুখি দুই শিল্প
এক সিদ্ধান্তে মুখোমুখি দুই শিল্প

পেছনের পৃষ্ঠা

’৭১-এ তারা লাখ লাখ মানুষ হত্যা ও মা-বোনের ইজ্জত লুটেছিল
’৭১-এ তারা লাখ লাখ মানুষ হত্যা ও মা-বোনের ইজ্জত লুটেছিল

প্রথম পৃষ্ঠা

পাল্টে যাচ্ছে ভোটের হিসাব
পাল্টে যাচ্ছে ভোটের হিসাব

প্রথম পৃষ্ঠা

যেভাবে গান ‘ভালোবাসবো বাসবো রে’
যেভাবে গান ‘ভালোবাসবো বাসবো রে’

শোবিজ

মেসির আমেরিকা জয়
মেসির আমেরিকা জয়

মাঠে ময়দানে

হলো না আনিসুলের ডাবল সেঞ্চুরি
হলো না আনিসুলের ডাবল সেঞ্চুরি

মাঠে ময়দানে

চাপে ছোট কারখানা
চাপে ছোট কারখানা

পেছনের পৃষ্ঠা

সিনেমাটি নির্মাণ করতে চেয়েছিলেন সত্যজিৎ রায়
সিনেমাটি নির্মাণ করতে চেয়েছিলেন সত্যজিৎ রায়

শোবিজ

মিশন সিক্স বসুন্ধরা কিংস
মিশন সিক্স বসুন্ধরা কিংস

মাঠে ময়দানে

আর্মড ফোর্সেস মেডিকেল কলেজের কাউন্সিল অনুষ্ঠিত
আর্মড ফোর্সেস মেডিকেল কলেজের কাউন্সিল অনুষ্ঠিত

প্রথম পৃষ্ঠা

তারেক রহমান আসবেন বীরের বেশে
তারেক রহমান আসবেন বীরের বেশে

সম্পাদকীয়

ব্রিসবেনেও ইংল্যান্ডকে হারাল অস্ট্রেলিয়া
ব্রিসবেনেও ইংল্যান্ডকে হারাল অস্ট্রেলিয়া

মাঠে ময়দানে

ক্র্যাব স্পোর্টস ফেস্টিভ্যাল
ক্র্যাব স্পোর্টস ফেস্টিভ্যাল

মাঠে ময়দানে

ধর্মের নামে বিভাজনে একটি গোষ্ঠী
ধর্মের নামে বিভাজনে একটি গোষ্ঠী

প্রথম পৃষ্ঠা

সাংবাদিক শওকত মাহমুদ গ্রেপ্তার
সাংবাদিক শওকত মাহমুদ গ্রেপ্তার

পেছনের পৃষ্ঠা

ক্যানসার রোগীর অস্ত্রোপচার করলেন ওটি বয়!
ক্যানসার রোগীর অস্ত্রোপচার করলেন ওটি বয়!

পেছনের পৃষ্ঠা

কবর থেকে লাশ তোলা শুরু ১১৪ জন জুলাই শহীদের
কবর থেকে লাশ তোলা শুরু ১১৪ জন জুলাই শহীদের

পেছনের পৃষ্ঠা

ভোজ্য তেলের দাম বেড়েছে
ভোজ্য তেলের দাম বেড়েছে

পেছনের পৃষ্ঠা

হাসিনাসহ সেনা কর্মকর্তাদের বিচার শুরুর আর্জি
হাসিনাসহ সেনা কর্মকর্তাদের বিচার শুরুর আর্জি

প্রথম পৃষ্ঠা

তদন্ত প্রতিবেদন ১৩ জানুয়ারি
তদন্ত প্রতিবেদন ১৩ জানুয়ারি

পেছনের পৃষ্ঠা

সাবেক রাষ্ট্রপতি হামিদের বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধান
সাবেক রাষ্ট্রপতি হামিদের বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধান

পেছনের পৃষ্ঠা

১৮ অভিবাসীর লাশ উদ্ধার
১৮ অভিবাসীর লাশ উদ্ধার

পেছনের পৃষ্ঠা