শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, বৃহস্পতিবার, ০৬ নভেম্বর, ২০২৫

জাতীয় মর্যাদা ও পুনর্জাগরণের সেই দিন

রেজাবুদ্দৌলা চৌধুরী
প্রিন্ট ভার্সন
জাতীয় মর্যাদা ও পুনর্জাগরণের সেই দিন

আমাদের ইতিহাসে কিছু দিন আছে, যেগুলো সময়কে অতিক্রম করে যুগের প্রেক্ষাপট তৈরি করে। ৭ নভেম্বর তেমনই এক দিন। ১৫ আগস্ট-পরবর্তী রাজনৈতিক অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে এ দিনটি বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি যুগান্তকারী অধ্যায়। এ দিনটি শুধু একটি রাজনৈতিক পরিবর্তনের সন্ধিক্ষণ ছিল না; এটি ছিল জাতীয় আত্মবিশ্বাস পুনরুদ্ধারের, রাষ্ট্রকে পুনর্বিন্যাস করার এবং গণমানুষের শক্তি পুনরায় সংগঠিত করার দিন। এ দিনটি প্রমাণ করে, রাষ্ট্রের সংকটঘন মুহূর্তে জনগণের অন্তর্নিহিত শক্তি এবং সেনাবাহিনীর শৃঙ্খলা একত্র হলে জাতি নতুন পথ খুঁজে পায়। সেই পথের কেন্দ্রবিন্দুতে উদিত হন মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান-একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা, একজন সংগঠক এবং সর্বোপরি একজন দূরদর্শী রাষ্ট্রনায়ক, যাঁর সিদ্ধান্ত ও কর্ম আমাদের আজকের রাষ্ট্রকাঠামোর ভিত্তি স্থাপন করেছে।

৭ নভেম্বরের পর জিয়াউর রহমান কোনো প্রতিহিংসার রাজনীতি করেননি; তিনি বিভাজনের মাঠে দাঁড়িয়ে ঐক্যের বীজ বপন করেছিলেন। তখনকার পরিস্থিতিতে তাঁর প্রথম লক্ষ্য ছিল রাষ্ট্রযন্ত্রকে স্থিতিশীল করা, প্রশাসনিক কাঠামো পুনর্গঠন এবং মানুষের আস্থা ফিরিয়ে আনা। মার্কিন রাষ্ট্রবিজ্ঞানী স্যামুয়েল হান্টিংটনের সেই কথাটি তাঁর শাসনদর্শনে প্রতিফলিত হয়- ‘Order precedes liberty.’ জিয়া জানতেন, ভোটের মাধ্যমে শাসন তখনই অর্থবহ হবে যখন রাষ্ট্রের কর্মক্ষমতা পুনরুদ্ধার হবে। তিনি সেনাবাহিনীতে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা করেন, বহুদলীয় গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনেন এবং রাজনৈতিক অংশগ্রহণকে নতুন দিগন্তে নিয়ে যান। এ সিদ্ধান্তগুলো ইতিহাসে তাঁর বিচক্ষণতা ও রাষ্ট্রদৃষ্টির প্রমাণ হয়ে থাকবে। জিয়াউর রহমানের রাষ্ট্রদর্শন ছিল অত্যন্ত বাস্তবমুখী। তিনি আবেগ নয়, বাস্তবতার ভিত্তিতে শাসনের নীতি তৈরি করেন। পুনরুদ্ধার করেন বহুদলীয় গণতন্ত্রের অধিকার, চালু করেন গণভোট ও সরাসরি ভোটের মাধ্যমে নেতৃত্ব যাচাইয়ের প্রক্রিয়া এবং জাতীয় রাজনীতিকে অভিজাতদের কবল থেকে বের করে এনে জনগণের দুয়ার পর্যন্ত পৌঁছে দেন। তাঁর উদ্যোগেই রাজনীতিতে নতুন প্রজন্ম এবং নতুন নেতৃত্বের আত্মপ্রকাশ ঘটে। তাঁর কথার প্রতিধ্বনি এখনো শোনা যায়- ‘রাজনীতি মানুষের কল্যাণের জন্য।’

অর্থনৈতিক পুনর্গঠনে জিয়ার ভূমিকা ছিল মাইলফলক। যুদ্ধবিধ্বস্ত, রেশননির্ভর, রাষ্ট্রনিয়ন্ত্রিত অর্থনীতিকে তিনি আত্মনির্ভরশীল ও উৎপাদনমুখী অর্থনীতির পথে নিয়ে যান। মুক্তিযুদ্ধ-উত্তর বাংলাদেশ ছিল একটি ক্লান্ত, ক্ষতবিক্ষত অর্থনীতি-রাষ্ট্রনিয়ন্ত্রিত কাঠামোতে আবদ্ধ, খাদ্য ও বৈদেশিক অনুদানের ওপর নির্ভরশীল; বাংলাদেশকে বলা হতো দুর্ভিক্ষের দেশ। জিয়া সেখানেই দাঁড়িয়ে দেখিয়েছেন, বাংলাদেশ আত্মমর্যাদার সঙ্গে দাঁড়াতে পারে; শুধু প্রয়োজন সঠিক পরিকল্পনা, পরিশ্রম এবং মুক্ত অর্থনৈতিক সুযোগের বিস্তার। খাল খনন ও নদী পুনঃখননের মাধ্যমে বন্যার সময় পানি ধরে রেখে এক ফসলি জমিতে তিন ফসলের আবাদ প্রচলন করলেন জিয়াউর রহমান। উচ্চ ফলনশীল ধান, সেচ সম্প্রসারণ, সার ও কৃষিঋণ এবং গ্রামীণ যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন তাঁর কৃষিবিপ্লবের ভিত্তি স্থাপন করে। তাঁর সময়ের কৌশলেই বাংলাদেশ খাদ্যনির্ভরতার দিকে অগ্রসরণ হতে শুরু করে। একই সঙ্গে তিনি প্রবাসী শ্রমবাজার উন্মুক্ত করেন, যা আজ আমাদের বৈদেশিক মুদ্রার প্রধান উৎস। আজকের রেমিট্যান্সভিত্তিক স্থিতিশীল অর্থনীতির মূল বীজ রোপণ করেছিলেন তিনিই। জিয়াউর রহমানের ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ কোনো সংকীর্ণ পরিচয়ের রাজনীতি ছিল না; বরং এটি ছিল একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক রাষ্ট্রদর্শন- যেখানে সমতল ও পাহাড়, বাঙালি ও নৃগোষ্ঠী, গ্রাম ও শহর, বিভিন্ন ধর্ম ও সংস্কৃতির মানুষকে একই মালায় গাঁথার চেষ্টা করেছিলেন। তিনি বুঝতেন, জাতি গঠনের শক্তি আসে বৈচিত্র্যকে সম্মান করার মধ্য দিয়ে। একে অপরকে পাশে নিয়ে ভবিষ্যৎ নির্মাণের অঙ্গীকারের মধ্যে। মুসলিম, হিন্দু, খ্রিস্টান, বৌদ্ধসহ নৃতাত্ত্বিক সম্প্রদায়ের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে মূলধারায় মর্যাদা দেওয়া ছিল তাঁর রাষ্ট্রদর্শন। তাঁর এই দৃষ্টিভঙ্গির মধ্যেই নিহিত ছিল একটি ‘রেইনবো স্টেট’ ধারণা- যেখানে সব নাগরিকের পরিচয়, বিশ্বাস ও ইতিহাস সমান মর্যাদা পায় এবং জাতীয় পরিচয় গঠিত হয় সম্মিলিত চেতনার ভিত্তিতে। জিয়ার বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ তাই ভাষা বা ভূগোলের চৌহদ্দিতে সীমাবদ্ধ নয়; এটি ছিল স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং বহুত্ববাদী সম্মিলন-চেতনার মূল্যবোধ, যা আমাদের জাতিসত্তাকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।

রাষ্ট্র পরিচালনার পাশাপাশি জিয়া আন্তর্জাতিক কূটনীতিকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যান। তিনি বাংলাদেশের স্বাধীন পরিচয়কে সম্মানের সঙ্গে প্রতিষ্ঠা করেন বিশ্বমঞ্চে। মুসলিম বিশ্ব, প্রতিবেশী রাষ্ট্র এবং বৈশ্বিক শক্তিগুলোর সঙ্গে ভারসাম্যপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তোলেন। তাঁর নীতির কেন্দ্রে ছিল মর্যাদাসম্পন্ন, ভারসাম্যের এবং স্বার্থরক্ষার কূটনীতি। আন্তর্জাতিক শ্রমবাজার, উন্নয়ন সহযোগিতা ও আঞ্চলিক সহযোগিতা বৃদ্ধি করে তিনি বাংলাদেশকে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মানচিত্রে প্রতিষ্ঠার পথ তৈরি করেন। পরবর্তীকালে দক্ষিণ এশিয়া আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা গঠনে তাঁর ভূমিকা অনন্য। জিয়াউর রহমানকে সিঙ্গাপুরের লি কুয়ান ইউ বা মালয়েশিয়ার মাহাথির মোহাম্মদের সঙ্গে তুলনা করা হয় প্রায়ই- কারণ তিনি ছিলেন উন্নয়ন-বাস্তববাদে বিশ্বাসী, কঠোর শৃঙ্খলা, দূরদর্শিতা এবং প্রাতিষ্ঠানিক শক্তি নির্মাণে অটল। দক্ষিণ কোরিয়ার পার্ক চুং-হির মতো তিনি জানতেন, জাতির অগ্রগতি কেবল স্লোগানে আসে না-এটি আসে কঠোর সংগঠন, দক্ষ পরিকল্পনা এবং দক্ষ মানুষের নেতৃত্ব থেকে।

আজ বাংলাদেশের রাজনীতির বাস্তবতা আমাদের আবার ৭ নভেম্বরের চেতনা স্মরণ করিয়ে দেয়। গণতন্ত্র, ভোটাধিকার, আইনের শাসন, বাকস্বাধীনতা ও সুশাসনের জন্য জাতি জুলাই গণ আন্দোলনের মাধ্যমে আবার এক ঐতিহাসিক পরিবর্তনের দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে আছে। বাংলাদেশের মানুষ প্রত্যাশা করে সেই নেতৃত্বকে- যে নেতৃত্ব জাতিকে বিভক্ত নয়, ঐক্যবদ্ধ দেখতে চায়; যে নেতৃত্ব ক্ষমতার প্রদর্শনে নয়, জনগণের সেবায় বিশ্বাস করে। রাষ্ট্রের শক্তি আসে জনগণের সম্মতি থেকে এবং জাতির মর্যাদা রক্ষা পায় রাজনৈতিক অন্তর্ভুক্তি, স্বাধীনতা ও ন্যায়ভিত্তিক শাসনের মাধ্যমে।

৭ নভেম্বরের চেতনা কোনো প্রতিহিংসার ভাষা নয়, কোনো বিভাজনের ডাক নয়। এটি জাতীয় পুনর্জাগরণ, আত্মমর্যাদা এবং গণমানুষের ক্ষমতায়নের প্রতীক। জিয়াউর রহমানের ইতিহাস আমাদের শিখিয়ে দেয়- রাষ্ট্রদর্শন মানে কেবল শাসন নয়; এটি ভবিষ্যৎ নির্মাণের কঠিন দায়িত্ব, সাহসী সিদ্ধান্ত গ্রহণের নৈতিক শক্তি এবং জনগণের প্রতি অবিচল বিশ্বাস।

শহীদ জিয়া দেখিয়েছেন, রাষ্ট্রনেতার শক্তি ব্যক্তিগত বিলাসে নয়, নৈতিকতা, সততা এবং আত্মনিবেদনে। তাঁর জীবনে ব্যক্তিগত সম্পদ সঞ্চয়ের কোনো ইতিহাস নেই; তিনি রেখে গেছেন নীতি, শৃঙ্খলা এবং জাতীয়তাবাদী মর্যাদার উদাহরণ। আজ বিএনপির প্রতিশ্রুতি সেই উত্তরাধিকার রক্ষা করা- প্রতিহিংসা নয়, পুনর্গঠন; বিভাজন নয়, ঐক্য; ক্ষমতার দখল নয়, জনগণের বিশ্বাস পুনরুদ্ধার। এ কারণেই ৭ নভেম্বর শুধু অতীতের স্মৃতি নয়; এটি বর্তমানের অনুপ্রেরণা এবং ভবিষ্যতের অঙ্গীকার।

৭ নভেম্বর আমাদের শিখিয়েছে-জাতিকে পিছিয়ে দেওয়া যায় না, আর জনগণের আকাঙ্ক্ষাকে বন্দি রাখার শক্তি কোনো স্বৈরশাসনের নেই। বাংলাদেশ আবার জেগে উঠবে- গণতন্ত্রের শক্তিতে, জনগণের আস্থায় এবং জাতীয় মর্যাদার অটল বিশ্বাসে। আগামী নির্বাচনে জনগণ কথা বলবে-তাদের ভোটের অধিকার দিয়ে, তাদের মর্যাদা দিয়ে, তাদের আশা-আকাঙ্ক্ষা দিয়ে। সেই দিনটি হবে শুধু একটি দলের বিজয় নয়; এটি হবে গণতন্ত্রের বিজয়, নাগরিকের বিজয় এবং রাষ্ট্রের পুনর্জন্ম। দেশ আবার দাঁড়াবে আইন, অধিকার, উন্নয়ন ও সুশাসনের ভিত্তিতে- যেমন জিয়া দাঁড় করিয়ে দিয়েছিলেন।

লেখক : বিএনপির সাবেক তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচন বানচালের নীলনকশা
নির্বাচন বানচালের নীলনকশা
জাতীয় মর্যাদা
জাতীয় মর্যাদা
জালেমদের সাবধান হতে বলে ইসলাম
জালেমদের সাবধান হতে বলে ইসলাম
কেমন আছেন মালয়েশিয়ান নারী
কেমন আছেন মালয়েশিয়ান নারী
বিবিসির যে ভুলে মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানের পরাজয়
বিবিসির যে ভুলে মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানের পরাজয়
বিজয়ের মালিক মহান আল্লাহ
বিজয়ের মালিক মহান আল্লাহ
বিচার বিভাগ
বিচার বিভাগ
মহান বিজয় দিবস
মহান বিজয় দিবস
বই ও নারী
বই ও নারী
বিজয় দিবস : হরিষে বিষাদ
বিজয় দিবস : হরিষে বিষাদ
আবার শোভিবে সুষমা ভরে
আবার শোভিবে সুষমা ভরে
সাহসিকতা ইসলামের অনন্য নির্দেশনা
সাহসিকতা ইসলামের অনন্য নির্দেশনা
সর্বশেষ খবর
শিশু শ্রমিকদের মধ্যে সর্বোচ্চ ৬৬.৬ শতাংশ শিল্প-কারখানায় নিয়োজিত
শিশু শ্রমিকদের মধ্যে সর্বোচ্চ ৬৬.৬ শতাংশ শিল্প-কারখানায় নিয়োজিত

১ সেকেন্ড আগে | জাতীয়

হাদিকে গুলি: ব্যবহৃত মোটরসাইকেল, হেলমেট ও ভুয়া নম্বর প্লেট উদ্ধার
হাদিকে গুলি: ব্যবহৃত মোটরসাইকেল, হেলমেট ও ভুয়া নম্বর প্লেট উদ্ধার

১৮ সেকেন্ড আগে | জাতীয়

পোস্টাল ভোট: এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি নিবন্ধন করেছেন সৌদি প্রবাসীরা
পোস্টাল ভোট: এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি নিবন্ধন করেছেন সৌদি প্রবাসীরা

৪ মিনিট আগে | জাতীয়

বাংলাদেশ সীমান্তের ৮০ শতাংশে কাঁটাতার বসিয়েছে ভারত
বাংলাদেশ সীমান্তের ৮০ শতাংশে কাঁটাতার বসিয়েছে ভারত

৬ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ফ্যাসিবাদী দেশ হিসেবে বিশ্বে আবারও পরিচিত হতে চাই না
ফ্যাসিবাদী দেশ হিসেবে বিশ্বে আবারও পরিচিত হতে চাই না

৭ মিনিট আগে | রাজনীতি

খালেদা জিয়ার শরীর ওষুধ গ্রহণে ইতিবাচক দিকে এগোচ্ছে: ডা. জাহিদ
খালেদা জিয়ার শরীর ওষুধ গ্রহণে ইতিবাচক দিকে এগোচ্ছে: ডা. জাহিদ

৮ মিনিট আগে | রাজনীতি

সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সিসি ক্যামেরা সচল রাখার নির্দেশ ইসির
সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সিসি ক্যামেরা সচল রাখার নির্দেশ ইসির

১১ মিনিট আগে | জাতীয়

কুমিল্লা-৫ আসনে জামায়াত প্রার্থীর মনোনয়নপত্র সংগ্রহ
কুমিল্লা-৫ আসনে জামায়াত প্রার্থীর মনোনয়নপত্র সংগ্রহ

১১ মিনিট আগে | ভোটের হাওয়া

ভারতীয় সাজিদের কাণ্ডে অস্ট্রেলিয়া তোলপাড়
ভারতীয় সাজিদের কাণ্ডে অস্ট্রেলিয়া তোলপাড়

১৪ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের বিদায়ী সংবর্ধনা কাল
প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের বিদায়ী সংবর্ধনা কাল

১৮ মিনিট আগে | জাতীয়

‘দুই নয়নের আলো’ শাবনূরকে এনে দিয়েছিল জাতীয় পুরস্কার
‘দুই নয়নের আলো’ শাবনূরকে এনে দিয়েছিল জাতীয় পুরস্কার

২৩ মিনিট আগে | শোবিজ

কেরানীগঞ্জে গাঁজাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার
কেরানীগঞ্জে গাঁজাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

২৭ মিনিট আগে | নগর জীবন

জকসু নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ
জকসু নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ

২৮ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

মুন্সীগঞ্জে ৪৩ লক্ষ টাকার জাটকা জব্দ
মুন্সীগঞ্জে ৪৩ লক্ষ টাকার জাটকা জব্দ

৩২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সেন্টমার্টিনের ছেঁড়া দ্বীপে অবৈধ নৌকা-জালসহ ১৬ জেলে আটক
সেন্টমার্টিনের ছেঁড়া দ্বীপে অবৈধ নৌকা-জালসহ ১৬ জেলে আটক

৩২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

শ্রীলঙ্কাকে ২২৬ রানের টার্গেট দিল বাংলাদেশ
শ্রীলঙ্কাকে ২২৬ রানের টার্গেট দিল বাংলাদেশ

৪১ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

শুটিং সেটে আহত জিৎ
শুটিং সেটে আহত জিৎ

৪৯ মিনিট আগে | শোবিজ

জামালপুরে মাল্টিপার্টি অ্যাডভোকেসি ফোরামের সম্প্রীতি সংলাপ
জামালপুরে মাল্টিপার্টি অ্যাডভোকেসি ফোরামের সম্প্রীতি সংলাপ

৪৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মেসির স্মৃতিচারণা থেকে বাদ দুঃস্বপ্নের যুবভারতী!
মেসির স্মৃতিচারণা থেকে বাদ দুঃস্বপ্নের যুবভারতী!

৪৯ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

প্রত্যেক নাগরিকের জন্য ডিজিটাল ওয়ালেট চালুর পরিকল্পনা
প্রত্যেক নাগরিকের জন্য ডিজিটাল ওয়ালেট চালুর পরিকল্পনা

৫১ মিনিট আগে | জাতীয়

নির্বাচন নিয়ে টকশো-সংলাপে কটূক্তি না করার নির্দেশ ইসির
নির্বাচন নিয়ে টকশো-সংলাপে কটূক্তি না করার নির্দেশ ইসির

১ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিএনপির দোয়া
খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিএনপির দোয়া

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মুন্সীগঞ্জে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত
মুন্সীগঞ্জে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সিরাজগঞ্জে ছাত্রনেতা জুয়েলকে গ্রেফতারের প্রতিবাদে মানববন্ধন
সিরাজগঞ্জে ছাত্রনেতা জুয়েলকে গ্রেফতারের প্রতিবাদে মানববন্ধন

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বাংলাদেশের হাইকমিশনারকে তলব করেছে ভারত
বাংলাদেশের হাইকমিশনারকে তলব করেছে ভারত

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নোয়াখালীতে খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় দোয়া
নোয়াখালীতে খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় দোয়া

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

লালবাগে প্লাস্টিকের গোডাউনে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ৬ ইউনিট
লালবাগে প্লাস্টিকের গোডাউনে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ৬ ইউনিট

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ভাতার দাবিতে আন্দোলন : সচিবালয়ের ১৪ কর্মকর্তা-কর্মচারী বরখাস্ত
ভাতার দাবিতে আন্দোলন : সচিবালয়ের ১৪ কর্মকর্তা-কর্মচারী বরখাস্ত

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

অভিনেত্রীকে নিয়ে ‌‘আপত্তিকর’ মন্তব্য ভারতীর, গাইলেন সাফাই
অভিনেত্রীকে নিয়ে ‌‘আপত্তিকর’ মন্তব্য ভারতীর, গাইলেন সাফাই

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

বিগত দিনে দখলদারিত্বের রাজনীতি ও ভোট হয়েছে: এ্যানি
বিগত দিনে দখলদারিত্বের রাজনীতি ও ভোট হয়েছে: এ্যানি

১ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

সর্বাধিক পঠিত
আইপিএলে মুস্তাফিজ ঝড়, পড়ে গেলো কাড়াকাড়ি
আইপিএলে মুস্তাফিজ ঝড়, পড়ে গেলো কাড়াকাড়ি

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হাদিকে হত্যাচেষ্টা মামলার মূল অভিযুক্ত ফয়সালের মা-বাবা গ্রেফতার
হাদিকে হত্যাচেষ্টা মামলার মূল অভিযুক্ত ফয়সালের মা-বাবা গ্রেফতার

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আইপিএল নিলাম শেষে কে কত টাকায় কোন দলে?
আইপিএল নিলাম শেষে কে কত টাকায় কোন দলে?

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হাদিকে হত্যাচেষ্টায় ব্যবহৃত অস্ত্র নরসিংদী থেকে উদ্ধার
হাদিকে হত্যাচেষ্টায় ব্যবহৃত অস্ত্র নরসিংদী থেকে উদ্ধার

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

৭ দেশের নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা
৭ দেশের নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

১ ডলার= ৯১ রুপি, ভারত ছাড়ছে বিনিয়োগকারীরা
১ ডলার= ৯১ রুপি, ভারত ছাড়ছে বিনিয়োগকারীরা

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গুরুত্বপূর্ণ চার অধিদপ্তরে নতুন ডিজি
গুরুত্বপূর্ণ চার অধিদপ্তরে নতুন ডিজি

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যে ১১ পেশায় যুক্ত হতে পারবেন না এমপিও শিক্ষকরা
যে ১১ পেশায় যুক্ত হতে পারবেন না এমপিও শিক্ষকরা

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ওসমান হাদির সবশেষ শারীরিক অবস্থা জানালো ইনকিলাব মঞ্চ
ওসমান হাদির সবশেষ শারীরিক অবস্থা জানালো ইনকিলাব মঞ্চ

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিদায় দিতে লন্ডন এয়ারপোর্টে না যেতে প্রবাসীদের অনুরোধ তারেক রহমানের
বিদায় দিতে লন্ডন এয়ারপোর্টে না যেতে প্রবাসীদের অনুরোধ তারেক রহমানের

৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

হাদির শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল, আরেকটি অস্ত্রোপচার প্রয়োজন: ইনকিলাব মঞ্চ
হাদির শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল, আরেকটি অস্ত্রোপচার প্রয়োজন: ইনকিলাব মঞ্চ

২২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নতুন নীতিমালায় ছেঁড়া-ফাটা নোট নিতে অনীহা দেখালে ব্যবস্থা
নতুন নীতিমালায় ছেঁড়া-ফাটা নোট নিতে অনীহা দেখালে ব্যবস্থা

৬ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

ঢাকায় ভারতীয় ভিসা কেন্দ্র সাময়িক বন্ধ
ঢাকায় ভারতীয় ভিসা কেন্দ্র সাময়িক বন্ধ

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

৩০ বছর যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস, তবুও গ্রিন কার্ডের সাক্ষাৎকারে গিয়ে আটক ভারতীয় নারী!
৩০ বছর যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস, তবুও গ্রিন কার্ডের সাক্ষাৎকারে গিয়ে আটক ভারতীয় নারী!

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশের হাইকমিশনারকে তলব করেছে ভারত
বাংলাদেশের হাইকমিশনারকে তলব করেছে ভারত

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিএনপির রিল-মেকিং প্রতিযোগিতা, জয়ীরা পাবেন তারেক রহমানের সাক্ষাৎ
বিএনপির রিল-মেকিং প্রতিযোগিতা, জয়ীরা পাবেন তারেক রহমানের সাক্ষাৎ

২১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ভাতার দাবিতে আন্দোলন : সচিবালয়ের ১৪ কর্মকর্তা-কর্মচারী বরখাস্ত
ভাতার দাবিতে আন্দোলন : সচিবালয়ের ১৪ কর্মকর্তা-কর্মচারী বরখাস্ত

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিজয় দিবসে নরেদ্র মোদির পোস্ট, নেই বাংলাদেশের নাম
বিজয় দিবসে নরেদ্র মোদির পোস্ট, নেই বাংলাদেশের নাম

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভয় দেখিয়ে দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা কেউ থামাতে পারবে না : প্রধান উপদেষ্টা
ভয় দেখিয়ে দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা কেউ থামাতে পারবে না : প্রধান উপদেষ্টা

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রাইব্যুনালে নিজের বিচার সরাসরি সম্প্রচার করার আবেদন ইনুর
ট্রাইব্যুনালে নিজের বিচার সরাসরি সম্প্রচার করার আবেদন ইনুর

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য মাউশির নির্দেশনা
সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য মাউশির নির্দেশনা

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইনশাআল্লাহ, ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফিরব : তারেক রহমান
ইনশাআল্লাহ, ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফিরব : তারেক রহমান

১২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

আইপিএল ইতিহাসে সবচেয়ে দামি বিদেশি খেলোয়াড় গ্রিন
আইপিএল ইতিহাসে সবচেয়ে দামি বিদেশি খেলোয়াড় গ্রিন

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সীমান্ত হত্যা বন্ধের বার্তা দিতেই বিজয় দিবসে ‘ফেলানী এভিনিউ’ উদ্বোধন : গণপূর্ত উপদেষ্টা
সীমান্ত হত্যা বন্ধের বার্তা দিতেই বিজয় দিবসে ‘ফেলানী এভিনিউ’ উদ্বোধন : গণপূর্ত উপদেষ্টা

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

অস্ট্রেলিয়ায় হামলা, ভারতীয় হামলাকারী সম্পর্কে যা জানাল তেলেঙ্গনা পুলিশ
অস্ট্রেলিয়ায় হামলা, ভারতীয় হামলাকারী সম্পর্কে যা জানাল তেলেঙ্গনা পুলিশ

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নাশকতা মামলায় মির্জা আব্বাসসহ বিএনপির ৪৫ নেতা-কর্মীকে অব্যাহতি
নাশকতা মামলায় মির্জা আব্বাসসহ বিএনপির ৪৫ নেতা-কর্মীকে অব্যাহতি

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

রায়হান রাফির ‘প্রেশার কুকার’-এ বুবলী
রায়হান রাফির ‘প্রেশার কুকার’-এ বুবলী

১৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

আইপিএল নিলামে ইতিহাস, ২৫ কোটিতে কলকাতায় গ্রিন
আইপিএল নিলামে ইতিহাস, ২৫ কোটিতে কলকাতায় গ্রিন

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আইপিএলের নিলামে প্রশান্ত ও কার্তিকের রেকর্ড
আইপিএলের নিলামে প্রশান্ত ও কার্তিকের রেকর্ড

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কাড়াকাড়ির পর রেকর্ড মূল্যে কলকাতায় মোস্তাফিজ
কাড়াকাড়ির পর রেকর্ড মূল্যে কলকাতায় মোস্তাফিজ

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রিন্ট সর্বাধিক
কবরের দাম সাড়ে ৪ কোটি টাকা
কবরের দাম সাড়ে ৪ কোটি টাকা

প্রথম পৃষ্ঠা

‘আমার আর সংসারী হওয়ার কোনো ইচ্ছা নেই’
‘আমার আর সংসারী হওয়ার কোনো ইচ্ছা নেই’

শোবিজ

নারী প্রার্থী নিয়ে চ্যালেঞ্জে জামায়াত
নারী প্রার্থী নিয়ে চ্যালেঞ্জে জামায়াত

প্রথম পৃষ্ঠা

তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনে নতুন কর্মসূচি
তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনে নতুন কর্মসূচি

প্রথম পৃষ্ঠা

দ্রুত কমছে অতিরিক্ত সচিবের পদ, সংকট তীব্র হলেও পদোন্নতি নেই
দ্রুত কমছে অতিরিক্ত সচিবের পদ, সংকট তীব্র হলেও পদোন্নতি নেই

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

সুষ্ঠু ভোটের যত চ্যালেঞ্জ
সুষ্ঠু ভোটের যত চ্যালেঞ্জ

প্রথম পৃষ্ঠা

ছয় আসনেই বিএনপি বনাম জামায়াত
ছয় আসনেই বিএনপি বনাম জামায়াত

পেছনের পৃষ্ঠা

১৬ ডিসেম্বর শুধু ভারতের বিজয় দাবি
১৬ ডিসেম্বর শুধু ভারতের বিজয় দাবি

প্রথম পৃষ্ঠা

১২ কোটি টাকায় মুস্তাফিজ কলকাতায়
১২ কোটি টাকায় মুস্তাফিজ কলকাতায়

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রধান উপদেষ্টার সামনে ৫৭ দিনের দুর্গম পথ
প্রধান উপদেষ্টার সামনে ৫৭ দিনের দুর্গম পথ

প্রথম পৃষ্ঠা

হাদির শারীরিক অবস্থা এখনো সংকটাপন্ন
হাদির শারীরিক অবস্থা এখনো সংকটাপন্ন

প্রথম পৃষ্ঠা

আর্থিক অন্তর্ভুক্তিতে গ্রামীণ বিপ্লব
আর্থিক অন্তর্ভুক্তিতে গ্রামীণ বিপ্লব

পেছনের পৃষ্ঠা

তারুণ্যের আকাঙ্ক্ষায় অগ্রাধিকার বিএনপির
তারুণ্যের আকাঙ্ক্ষায় অগ্রাধিকার বিএনপির

প্রথম পৃষ্ঠা

পরাজিত ফ্যাসিস্ট এই পবিত্র মাটিতে আর ফিরবে না
পরাজিত ফ্যাসিস্ট এই পবিত্র মাটিতে আর ফিরবে না

প্রথম পৃষ্ঠা

আওয়ামী লীগ ৫০ জন প্রার্থীকে হত্যা করবে : রাশেদ
আওয়ামী লীগ ৫০ জন প্রার্থীকে হত্যা করবে : রাশেদ

খবর

আবেগী নাবিলা
আবেগী নাবিলা

শোবিজ

নতুন রূপে মোনালিসা
নতুন রূপে মোনালিসা

শোবিজ

কিংবদন্তি অরবিন্দের জুলকান অ্যারেনায় ফ্রি কমব্যাট স্পোর্টস ক্লাস
কিংবদন্তি অরবিন্দের জুলকান অ্যারেনায় ফ্রি কমব্যাট স্পোর্টস ক্লাস

মাঠে ময়দানে

বিবিসির যে ভুলে মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানের পরাজয়
বিবিসির যে ভুলে মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানের পরাজয়

সম্পাদকীয়

সে যাত্রায় অলৌকিকভাবে বেঁচে যাই
সে যাত্রায় অলৌকিকভাবে বেঁচে যাই

শোবিজ

গোপালগঞ্জে লাক্ষা পোকায় ভাগ্যবদল ৪০০ মানুষের
গোপালগঞ্জে লাক্ষা পোকায় ভাগ্যবদল ৪০০ মানুষের

পেছনের পৃষ্ঠা

বাংলাদেশ চলবে নতুন ব্যবস্থার রাজনীতিতে
বাংলাদেশ চলবে নতুন ব্যবস্থার রাজনীতিতে

প্রথম পৃষ্ঠা

বরাদ্দে শীর্ষে খরচে তলানিতে স্বাস্থ্য
বরাদ্দে শীর্ষে খরচে তলানিতে স্বাস্থ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

মধুমিতার পরিকল্পনা
মধুমিতার পরিকল্পনা

শোবিজ

গ্রুপসেরার ম্যাচ আজ
গ্রুপসেরার ম্যাচ আজ

মাঠে ময়দানে

স্বাধীনতার পর যেভাবে সরব ক্রীড়াঙ্গন
স্বাধীনতার পর যেভাবে সরব ক্রীড়াঙ্গন

মাঠে ময়দানে

বিজয় দিবস ক্রিকেট ফুটবল
বিজয় দিবস ক্রিকেট ফুটবল

মাঠে ময়দানে

নতুন দেশ গড়ার প্রত্যয়
নতুন দেশ গড়ার প্রত্যয়

প্রথম পৃষ্ঠা

শিগগিরই প্রকাশ আইসিটি খাতে দুর্নীতির শ্বেতপত্র
শিগগিরই প্রকাশ আইসিটি খাতে দুর্নীতির শ্বেতপত্র

পেছনের পৃষ্ঠা