শিরোনাম
প্রকাশ : ১৭ জানুয়ারি, ২০২০ ২০:০৬

ঢাকা সিটির ভোট পেছাতে ঢাবিতে অনশন, অসুস্থ ৯

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক

ঢাকা সিটির ভোট পেছাতে ঢাবিতে অনশন, অসুস্থ ৯

আগামী ৩০ জানুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নির্বাচনের তারিখ পরিবর্তনের দাবিতে অনশন অব্যাহত রেখেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। শুক্রবার অনশনে অংশ নেওয়া অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থীর মধ্যে নয়জন শিক্ষার্থী গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ে। এর মধ্যে দুজন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন।

এদিকে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামানসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষকবৃন্দ। এছাড়া  বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের পক্ষ থেকেও সংহতি জানানো হয়েছে। 

গতকাল দুপুর দুইটা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সন্ত্রাসবিরোধী রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে আমরণ অনশনে বসেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। ওইদিন সন্ধ্যায় অনশনকারীর সংখ্যা অর্ধশতাধিক পেরিয়ে যায়। শুক্রবার অনশনে অংশ নেওয়া জগন্নাথ হলের ভিপি উৎপল বিশ্বাস, জিএস কাজল দাসসহ নয়জন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়ে। এর মধ্যে অর্ক সাহা ও অপূর্ব চক্রবর্তী ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে চিকিৎসাগ্রহণ শেষে আবার অনশনে যোগ দেন। 

বিকেলে অনশনরত শিক্ষার্থীদের প্রতি সংহতি প্রকাশ করেন উপাচার্য ড. মো. আখতারুজ্জামান। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন জগন্নাথ হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক মিহির লাল সাহা ও সাবেক প্রাধ্যক্ষ অসীম সরকার, সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. আ ক ম জামাল উদ্দীন, ডাকসুর জিএস গোলাম রাব্বানী ও ডাকসুর এজিএস সাদ্দাম হোসেন। 

পরে উপাচার্য সাংবাদিকদের বলেন, ৩০ তারিখ নির্বাচনের তারিখ ঠিক করার আগে নির্বাচন কমিশনের ভালোভাবে ভাবা উচিত ছিল যে, এইদিন কোনো মূল্যবোধ, চেতনার পরিপন্থী হয় কিনা। ৩০ তারিখে সিটি নির্বাচন হতেই হবে, এটি কোনো পবিত্র ধর্মগ্রন্থের লিপিবদ্ধ বিষয় নয়। কোনো আইনি জটিলতা যদি না থাকে তাহলে নির্বাচন কমিশনের কাছে আবেদন থাকবে বিশ্ববিদ্যালয়ের এই শিক্ষার্থীদের আন্দোলনকে সম্মান করে এটা নিয়ে ভাবা এবং অবিলম্বে এই সাম্প্রদায়িক তারিখ পরিবর্তন করা।

সন্ধ্যায় অনশনকারীদের সঙ্গে সংহতি জানিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের  শিক্ষক ও বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের প্রেসিডিয়াম সদস্য নিমচন্দ্র ভৌমিক বলেন, নির্বাচন কমিশন বারবার বলছে, তারা ক্যালেন্ডারকে সামনে রেখে তারিখ নির্ধারণ করেছে। কিন্তু জনগণের মধ্য থেকে যখন কোনো দাবি ওঠে, তখন তা বিবেচনায় নেওয়া উচিত। 
বিডি প্রতিদিন/আল আমীন


আপনার মন্তব্য