শিরোনাম
প্রকাশ : ১৩ জানুয়ারি, ২০২১ ১৬:৫১
আপডেট : ১৩ জানুয়ারি, ২০২১ ১৭:০১
প্রিন্ট করুন printer

রাবির নিয়োগ নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারে 'সম্মিলিত' চেষ্টা

রাবি প্রতিনিধি

রাবির নিয়োগ নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারে 'সম্মিলিত' চেষ্টা

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) নিয়োগ নিষেধাজ্ঞা বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় যে নির্দেশনা দিয়েছিল সেই নির্দেশনা প্রত্যাহারের জন্য যৌথভাবে চেষ্টা করবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন, রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগ, রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ও সদর আসনের সংসদ সদস্য। এমন ঘোষণার মধ্য দিয়ে স্থগিত করা হয়েছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগের আন্দোলন।

বুধবার দুপুরে উপাচার্যের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ডাবলু সরকার।

তিনি বলেন, একটা ছোটখাট ভুল বুঝাবুঝি থেকে এই আন্দোলনটা হয়েছিল। প্রধানমন্ত্রী একটি প্রতিবন্ধী ছেলেকে, যে ছেলেটি বাংলাদেশ প্রতিবন্ধী ক্রিকেট দলের অধিনায়ক ছিল, তার নিয়োগের জন্য সুপারিশ করেছিল। সেই ছেলেটির নিয়োগের পর ছাত্রলীগ নেতারা তাদের নিয়োগের জন্য আন্দোলন করে। কিন্তু শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নিয়োগ নিষেধাজ্ঞা থাকার কারণে নিয়োগ দেয়া সম্ভব হবে না। আজ উপাচার্যের সঙ্গে আমাদের একটি 'ফলপ্রসূ' আলোচনা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সঙ্গে সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ও সংসদ সদস্যসহ আমরা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করে এই নিয়োগ নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের চেষ্টা করব।

এর আগে, গত ১০ ডিসেম্বর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় সব ধরনের নিয়োগ কার্যক্রম বন্ধ রাখতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে চিঠি পাঠায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়। সেখানে বলা হয়, 'প্রশাসনিক কারণে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল নিয়োগ কার্যক্রম স্থগিত রাখতে নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হল।'

উল্লেখ্য, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর এম আব্দুস সোবহানের দুর্নীতি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন করে আসছিল বিশ্ববিদ্যালয় প্রগতিশীল মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও মূল্যবোধে বিশ্বাসী শিক্ষক সমাজের একাংশ। তাদের অভিযোগের প্রেক্ষিতে তদন্ত করে অভিযোগের প্রমাণ পায় বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন। আর সেই তদন্ত প্রতিবেদন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে জমা দেওয়ার পর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়োগ কার্যক্রম স্থগিত রাখার নির্দেশ দেয়া হয়।

তবে নিয়োগ কার্যক্রম কেন বন্ধ থাকবে এবং রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য কেন ১৯৭৩ এর অধ্যাদেশ সমুন্নত রাখতে পারেননি তার প্রতিবাদে গত সোমবার আন্দোলন নামে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের বর্তমান ও সাবেক কমিটির চাকরিপ্রত্যাশী কিছু নেতাকর্মী। 

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টর অধ্যাপক লুৎফর রহমান বলেন, মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের সঙ্গে এ বিষয়ে 'ফলপ্রসূ' আলোচনা হয়েছে। আলোচনা শেষে আন্দোলন স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা।

জানতে চাইলে এ বিষয়ে ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি ইলিয়াস হোসেন বলেন, 'আমরা আমাদের আন্দোলন আপাতত স্থগিত করছি। আমরা পরবর্তীতে কোনো কিছু করলে সাংবাদিকদের সেটা জানাবো।'

 

বিডি প্রতিদিন/ ওয়াসিফ


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৬ জানুয়ারি, ২০২১ ২১:১২
আপডেট : ২৬ জানুয়ারি, ২০২১ ২১:২৮
প্রিন্ট করুন printer

মার্চের প্রথম সপ্তাহে ঢাবির হল খুলে দেওয়ার সুপারিশ

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক

মার্চের প্রথম সপ্তাহে ঢাবির হল খুলে দেওয়ার সুপারিশ
ফাইল ছবি

দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর মার্চের প্রথম সপ্তাহ থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর শিক্ষার্থীদের জন্য আংশিকভাবে হল খুলে দেওয়ার সুপারিশ করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রভোস্ট স্ট্যান্ডিং কমিটি।

আজ মঙ্গলবার উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামানের সভাপতিত্বে কমিটির এক সভায় এই সুপারিশ করা হয়। সভার একাধিক সূত্রে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে।

প্রভোস্ট কমিটির সদস্য-সচিব ও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. এ কে এম গোলাম রব্বানী জানান, অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পরীক্ষা গ্রহণের জন্য স্নাতকোত্তর ও স্নাতক শেষ বর্ষের শিক্ষার্থীদের জন্য আংশিক হল খুলে দেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে। ৩১ জানুয়ারি একাডেমিক কাউন্সিলের সভায় এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
 
বিশ্ববিদ্যালয়ের হাজী মুহম্মদ মুহসীন হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. নিজামুল হক ভূঁইয়া বলেন, মাস্টার্সের আবাসিক পরীক্ষার্থীদের আগে হলে তোলা হবে। পরীক্ষা শেষে তারা চলে গেলে পর্যায়ক্রমে অনার্স শেষ বর্ষের পরীক্ষার্থীরা হলে উঠবে। এর মধ্যে হল পরিষ্কার করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। সীমিত আকারে মেস বা ক্যান্টিনে লোকবল থাকবে। ছাত্ররা সবসময় তাদের প্রবেশপত্র ও আইডি কার্ড সাথে রাখবে। পরীক্ষার্থী ছাড়া কেউ হলে প্রবেশ করতে পারবে না। 

কোভিড পরিস্থিতির কারণে গত বছরের ১৯ মার্চ থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে স্বশরীরে শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়। একই সাথে বন্ধ করে দেওয়া হয় বিশ্ববিদ্যালয়ের হলগুলো। 
 
বিডি প্রতিদিন/জুনাইদ আহমেদ


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৬ জানুয়ারি, ২০২১ ২০:৫৪
আপডেট : ২৬ জানুয়ারি, ২০২১ ২০:৫৫
প্রিন্ট করুন printer

‘বঙ্গবন্ধুর চিন্তার কেন্দ্রে ছিল মানুষের কল্যাণ’

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক

‘বঙ্গবন্ধুর চিন্তার কেন্দ্রে ছিল মানুষের কল্যাণ’

বঙ্গবন্ধু এমন মানুষ ছিলেন, যিনি অসংখ্য অন্ন ও বস্ত্রহীন মানুষের ব্যবস্থাপনার সাথে সাথে পরিবেশ নিয়ে চিন্তা করতে পেরেছিলেন। কেননা তার চিন্তার কেন্দ্রেই ছিল কীভাবে মানুষের কল্যাণ করা যায়। তিনি তার নিজস্ব ও পারিবারিক দর্শন থেকেই এমন কাজ করতে পেরেছিলেন।

মঙ্গলবার বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আব্দুল মতিন চৌধুরী ভার্চুয়াল ক্লাসরুমে ‘বঙ্গবন্ধু বক্তৃতামালা’র দ্বিতীয় বক্তৃতা অনুষ্ঠানে বক্তারা এসব কথা বলেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রিসার্চ ইনস্টিটিউট ফর পিস অ্যান্ড লিবার্টি’ এবং ‘উচ্চতর মানবিক ও সামাজিক বিজ্ঞান গবেষণা কেন্দ্র’ যৌথভাবে এর আয়োজন করে। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. এএসএম মাকসুদ কামাল।

অনুষ্ঠানে ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ড. ফকরুল আলমের সভাপতিত্বে ‘ডিজাস্টার রিস্ক গভার্নেন্স ইন বাংলাদেশ: কন্টিবিউশনস অব বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান’ শীর্ষক প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ইনস্টিটিউট অফ ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড ভালনারেবিলিটি স্টাডিজের পরিচালক অধ্যাপক ড. মাহবুবা নাসরীন এবং অধ্যাপক ড. খন্দকার মোকাদ্দেম হোসেন।

প্রবন্ধের ওপর আলোচনা করেন পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ড. কাজী খলীকুজ্জামান আহমেদ। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন উচ্চতর মানবিক ও সামাজিক বিজ্ঞান গবেষণা কেন্দ্রের পরিচালক অধ্যাপক ড. আবদুল বাছির।

অনুষ্ঠানে অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল বলেন, বঙ্গবন্ধু তার নিজস্ব দর্শন ও পারিবারিক দর্শন থেকেই সর্বদা প্রাকৃতিক ও মানবসৃষ্ট দুর্যোগ কবলিত মানুষের পাশে সাহায্য-সহযোগিতা নিয়ে দাঁড়িয়েছেন। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ঝুঁকি হ্রাসে বঙ্গবন্ধুর দেখানো পথেই তার কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দুর্যোগ মোকাবিলায় বাংলাদেশকে সারাবিশ্বে রোল মডেলে পরিণত করেছেন। এই স্বীকৃতির জন্য আজ আমরা গর্বিত।

দুর্যোগ মোকাবিলা এবং জীববৈচিত্র ও পরিবেশ সংরক্ষণে বঙ্গবন্ধুর পদক্ষেপ তুলে ধরে ড. কাজী খলীকুজ্জামান বলেন, পরিবেশ রক্ষার জন্য বনায়নের প্রয়োজনীয়তা বঙ্গবন্ধু অনুধাবন করেছিলেন। সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের এক জনসভায় তিনি গাছ লাগানোর কথা, সুন্দরবন বাঁচানোর কথা বলেছিলেন। নদী রক্ষার জন্য ১৯৭২ সালে নদী কমিশন গঠন করেছিলেন। তিনি এর গুরুত্ব বুঝেছিলেন। এছাড়াও জীববৈচিত্র্য রক্ষার জন্য ‘বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইন-১৯৭৪ প্রণয়ন করেছিলেন।

মূল প্রবন্ধে অধ্যাপক ড. মাহবুবা নাসরীন এবং অধ্যাপক ড. খন্দকার মোকাদ্দেম হোসেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও পরিবেশ সংরক্ষণে বঙ্গবন্ধুর অবদান ও সূদরপ্রসারী চিন্তাভাবনা বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেন। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় ও ত্রাণ তৎপরতা বিষয়ে বঙ্গবন্ধুর গৃহীত পদক্ষেপসমূহ ও দিকনির্দেশনা নিয়ে আরও ব্যাপক গবেষণা করা প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেন তারা।

বিডি প্রতিদিন/এমআই


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৬ জানুয়ারি, ২০২১ ১৬:২৪
প্রিন্ট করুন printer

উপাচার্য নিয়োগ নিয়ে হাবিপ্রবি ক্যাম্পাসে চলছে নানা জল্পনা-কল্পনা

রিয়াজুল ইসলাম, দিনাজপুর

উপাচার্য নিয়োগ নিয়ে হাবিপ্রবি ক্যাম্পাসে চলছে নানা জল্পনা-কল্পনা

উত্তরবঙ্গের স্বনামধন্য বিদ্যাপীঠ ও দিনাজপুরের হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে পরবর্তী ভিসি বা উপাচার্য কে হচ্ছেন এনিয়ে চলছে ছাত্র-শিক্ষকদের মাঝে নানান জল্পনা-কল্পনা। এরই মধ্যে নামের তালিকা পাঠানো হয়েছে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে। চলছে জোরালো লবিং।

এদিকে, বিশ্ববিদ্যালয়টি পথচলার ২১ বছরে ৬ জন শিক্ষাবিদকে অভিভাবক হিসেবে পেয়েছে। ৬ষ্ঠ উপাচার্য হিসেবে ২০১৭ সালের ২ ফেব্রুয়ারি নিয়োগ পায় বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও গবেষক, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের অধ্যাপক ড. মু. আবুল কাসেম। আগামী ১ ফেব্রুয়ারি এই উপাচার্যের চার বছর মেয়াদকাল পূর্ণ হতে যাচ্ছে।

তবে এর মধ্যে তিনি ১৩ জানুয়ারি ভোর রাতে স্ত্রীর অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে ক্যাম্পাস ত্যাগ করেছেন। যাওয়ার সময় একটি চিঠিতে তিনি হাবিপ্রবির ট্রেজারার অধ্যাপক ড. বিধান চন্দ্র হালদারকে রুটিন দায়িত্ব পালনের কথা জানিয়েছেন। আর তিনি চলে যাওয়ায় পর হতে হাবিপ্রবির ছাত্র-শিক্ষক সবার মনে চলছে নানা জল্পনা কল্পনা। কে হচ্ছেন হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পরবর্তী উপাচার্য। 

বর্তমান উপাচার্য ছাড়াও পরবর্তী উপাচার্য হিসেবে যাদের নাম শোনা যাচ্ছেন তারা হলেন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী দুটি সংগঠনের (গণতান্ত্রিক শিক্ষক পরিষদ এবং প্রগতিশীল শিক্ষক ফোরাম) অধ্যাপক ড. মোঃ আনিস খান, অধ্যাপক ড. ভবেন্দ্র কুমার বিশ্বাস, অধ্যাপক ড. ফাহিমা খানম, অধ্যাপক ড. বলরাম রায়, অধ্যাপক ড. বিধান চন্দ্র হালদার, অধ্যাপক ড. মোঃ আব্দুল আহাদ, অধ্যাপক ড. মোঃ সাইফুর রহমান, অধ্যাপক ড. মোস্তাফিজার রহমান, অধ্যাপক ড. বিকাশ চন্দ্র সরকার, অধ্যাপক ড. শ্রীপতি সিকদার, বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক ডা. মোঃ ফজলুল হক প্রমুখ। 

হাবিপ্রবি’র রেজিষ্ট্রার বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক ডা. মোঃ ফজলুল হক জানান, বর্তমান উপাচার্য মহোদয় তিনি জানেন কাদের নামের প্যানেল সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছেন। এ বিষয়ে আমার জানা নেই।

বিডি প্রতিদিন/আবু জাফর 


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৬ জানুয়ারি, ২০২১ ১৬:১৮
প্রিন্ট করুন printer

আদালতে মামলা করলেন মারধরের শিকার সেই ছাত্রলীগ নেত্রী

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক:

আদালতে মামলা করলেন মারধরের শিকার সেই ছাত্রলীগ নেত্রী

নিজ সংগঠনের নেত্রীদের দ্বারা মারধরের শিকার ছাত্রলীগ নেত্রী ফাল্গুনী দাস তন্বী আদালতে মামলা করেছেন। সোমবার ঢাকার সিএমএম কোর্টে বিচারক রাজেশ চৌধুরীর আদালতে মামলাটি করেন তিনি। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে পিবিআই (পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন) ও বিচার বিভাগের সমন্বয়ে দ্বৈত তদন্ত কমিশন গঠন করে ১৫ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিল করতে নির্দেশ দিয়েছেন। 

ফালগুনী দাস তন্বী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় রোকেয়া হল সংসদের সাবেক সহ-সাধারণ সম্পাদক (এজিএস) এবং হল ছত্রলীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক। গত ২১ ডিসেম্বর রাতে সাড়ে ১২টার দিকে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বেনজির হোসেন নিশি এবং শামসুন নাহার হল ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক জেসমিন শান্তা তাকে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের বঙ্গবন্ধু টাওয়ারের সামনে ডেকে নিয়ে মারধর করে। 

তন্বীর আইনজীবী আব্দুল্লাহ আল জাহিদ জানান, গত ২৪ জানুয়ারি আবেদন করলে সিএমএম কোর্ট মামলা আমলে নিয়ে অধিকতর তদন্তের জন্য পিবিআই ও বিচার বিভাগের সমন্বয়ে দ্বৈত তদন্ত কমিশন গঠন করে দিয়েছেন। মামলা নং-৩৮/২০২১। পনের কার্য দিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

মামলার অভিযুক্তরা হলেন, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বেনজির হোসেন নিশি, শামসুন্নাহার হল শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক জিয়াসমিন শান্তা, ছাত্রলীগ নেতা শাহজালাল, এনামুল ও তানসেন।

এর আগে, গত ১৫ জানুয়ারি রাতে রাজধানীর শাহবাগ থানায় মারধরের ঘটনায় যুক্ত ছাত্রলীগের পাঁচ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন ফালগুনী দাস তন্বী। অভিযোগপত্র গ্রহণ করেন শাহবাগ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আরিফুর রহমান সরদার। তবে তন্বীর অভিযোগ, পুলিশ এজাহার গ্রহণ করলেও মারধরের ঘটনার বিষয়ে তারা বলেছে- ‘কিছুই হয়নি’। তিনি বলেন, পুলিশ মামলা না নেওয়ায় আমি সংক্ষুদ্ধ হয়ে আদালতে মামলা করেছি।  

বিডি প্রতিদিন/হিমেল


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৫ জানুয়ারি, ২০২১ ২১:৫৬
প্রিন্ট করুন printer

খুবি উপাচার্যকে শিক্ষক সমিতির সংবর্ধনা

নিজস্ব প্রতিবেদক, খুলনা

খুবি উপাচার্যকে শিক্ষক সমিতির সংবর্ধনা

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ফায়েক উজ্জামানের দ্বিতীয় মেয়াদের কার্যকাল সফলভাবে সম্পন্ন হওয়ায় তাকে সংবর্ধনা দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি। সোমবার (২৫ জানুয়ারী) বিকালে একাডেমিক ভবনের সাংবাদিক লিয়াকত আলী মিলনায়তনে সমিতির সভাপতি প্রফেসর ড. মোঃ ওয়ালিউল হাসানাতের সভাপতিত্বে এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়। একই সাথে প্রফেসর ড. মোসাম্মাৎ হোসনে আরা উপ-উপাচার্য হিসেবে নিযুক্ত হওয়ায় এবং টেজারার প্রফেসর সাধন রঞ্জন ঘোষ বাংলা একাডেমির রবীন্দ্র পুরস্কারে ভূষিত হওয়ায় সমিতির পক্ষ থেকে তাদেরকে অভিনন্দন জানানো হয়। 

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় সকল শিক্ষকের উপস্থিতে টানা প্রায় চারঘন্টার এ অনুষ্ঠান বেলা সোয়া তিনটায় শুরু হয়ে রাত পৌণে আটটায় শেষ হয়। বক্তারা বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়কে অনন্য উচ্চতায় পৌঁছে দেওয়ার জন্য উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ফায়েক উজ্জামান বিশ্ববিদ্যালয় ও খুলনাবাসীর কাছে স্মরণীয় হয়ে থাকবেন। 

সংবর্ধনার জবাবে উপাচার্য বলেন, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে আমার নির্ধারিত কর্মমেয়াদ শেষ হওয়ায় নিয়মানুয়ায়ী বিদায় নিতে হচ্ছে। শিক্ষকদের প্রতি তিনি বলেন শিক্ষকদের সবসময় সত্যের সন্ধানী হতে হবে। কোনো গুজব বা কান কথায় বিশ্বাস না করে, মন্তব্য না করে  বরং  প্রকৃত ঘটনা বা তথ্য জানতে হবে। একটি প্রতিষ্ঠান ও পেশাকে মনে প্রাণে ধারণ করতে পারলে, সেখানে নিবেদিত হয়ে কাজ করতে পারলে, ভিন্নমত বা চিন্তাকে প্রাধন্য না দিয়ে সবাইকে নিয়ে কাজ করার মতো পরিবেশ সৃষ্টি করতে পারলে সে প্রতিষ্ঠানে সাফল্য আসে।

সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন প্রফেসর ড. এটিএম জহিরউদ্দীন, প্রফেসর সামিউল হক, প্রফেসর ড. মাহমুদ হোসেন, প্রফেসর ড. আশীষ কুমার দাস, প্রফেসর ড. মোঃ মনিরুল ইসলাম, প্রফেসর ড. মোঃ সারওয়ার জাহান, প্রফেসর ড. গোলাম রাক্কিবু, প্রফেসর ড. শাহনেওয়াজ নাজিমুদ্দিন আহমেদ, প্রফেসর ড. তুহিন রায়, সহকারী অধ্যাপক পুণম চক্রবর্তী, প্রভাষক উজ্জল তালুকদার। আরও অনেকে বক্তব্য দেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করলেও সময়ের সীমাবদ্ধতার কারণে তাদের বক্তব্য ই-মেইলে গ্রহণের সিদ্ধান্ত হয়। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সমিতির সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর ড. তানজিল সওগাত। এর আগে অনুষ্ঠানের শুরুতে ফুল ও স্মারক সম্মাননা প্রদান করা হয়। এসময় উপাচার্য পত্নী প্রফেসর ড. মোর্বারা সিদ্দিকাসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের  শিক্ষকমন্ডলী উপস্থিত ছিলেন। 

 

বিডি-প্রতিদিন/সিফাত আব্দুল্লাহ


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

এই বিভাগের আরও খবর