Bangladesh Pratidin || Highest Circulated Newspaper
শিরোনাম
প্রকাশ : ২১ অক্টোবর, ২০১৯ ২০:৩১
আপডেট : ২১ অক্টোবর, ২০১৯ ২০:৩২

চট্টগ্রামে গণপরিবহন চালানো বন্ধ ঘোষণা, দুর্ভোগ যাত্রীদের

সাইদুল ইসলাম, চট্টগ্রাম

চট্টগ্রামে গণপরিবহন চালানো বন্ধ ঘোষণা, দুর্ভোগ যাত্রীদের
ফাইল ছবি

ভ্রাম্যমাণ আদালতে চালক-মালিকদের সাজা দেয়াকে কেন্দ্র করে চট্টগ্রাম নগরীতে গণপরিবহন চালানো বন্ধ ঘোষণা করেছে শ্রমিক সংগঠনের নেতারা। গণপরিবহণ চালানো বন্ধ ঘোষণার কারণেই সাধারণ যাত্রীরা চলাচলে দুর্ভোগে পড়েছে।

চট্টগ্রামের ১৩টি রুটে একযোগে বাস, মিনিবাস, হিউম্যান হলার ও টেম্পু চালানো বন্ধ হয়ে যায়। তবে সোমবার ভোরের দিকে বিভিন্ন সড়কে হাতে গোনা কিছু টেম্পু দেখা গেলেও সকাল গড়াতেই তাও বন্ধ হয়ে যায়। তাছাড়া নগরীর বিভিন্ন সড়কে ব্যক্তিগত যানবাহন এবং রিকশা-অটোরিকশা ছাড়া তেমন কোনো গাড়ি চলাচল করতে দেখা যায়নি। সকাল থেকে নগরীর কাজির দেউড়ি, ইস্পাহানী মোড়, ওয়াসা, দুই নম্বর গেইট, টাইগার পাস, বহদ্দারহাট, আগ্রাবাদসহ বিভিন্ন এলাকায় অফিসমুখো লোকজনকে ঠাঁই দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে। স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকদেরও ভোগান্তি  পোহাতে দেখা গেছে সরেজমিনে।

চট্টগ্রাম নগর পুলিশের উপ-কমিশনার (ট্রাফিক) তারেক আহমেদ বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, বাস মালিক ও শ্রমিককে কারাদণ্ড দিয়েছেন বিআরটিএ’র ম্যাজিস্ট্রেট। এ জন্য মালিকরা রাস্তায় গাড়ি না চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। যদিও এটি বিআরটিএ’র বিষয়, কিন্তু আমরা গণপরিবহনের মালিকদের অনুরোধ করেছিলাম তারা যাতে রাস্তা থেকে গাড়ি উঠিয়ে না নেন। কিন্তু ওনারা গাড়ি চালাচ্ছেন না।

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পরিবহন মালিক গ্রুপের মহাসচিব বেলায়েত হোসেন বলেন, সাংগঠনিকভাবে কোনো ধর্মঘট ঘোষণা করিনি। কিন্তু গত রবিবার আমাদের একজন মালিক ও দুই জন শ্রমিককে সাজা দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই ভীতির সঞ্চার হয়েছে।

নাজিম উদ্দিন বলেন, কালুরঘাট সেতু পার হয়ে কাপ্তাই রাস্তার মাথা পর্যন্ত আসার পর আর কোনো গাড়ি পাচ্ছিলাম না। শত, শত মানুষ গাড়ির জন্য দাঁড়িয়ে আছে। একটি টেম্পু এলে অনেকে সেটাকে ঘিরে ধরছে। অনেক কষ্ট করে শহরে এসেছি।

জানা যায়, রবিবার দুপুরে চট্টগ্রাম নগরীর বহদ্দারহাটে ফিটনেসবিহীন বাসের বিরুদ্ধে অভিযান চালান বিআরটিএ ম্যাজিস্ট্রেট মনজুরুল হক। এসময় ১০ নম্বর রুটের একটি বাসের মালিক মনির হোসেনকে ১৫ দিন, চালক শামীম উদ্দিন ও হেলপার মোহাম্মদ আলমগীরকে একমাস করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এ ঘটনার পর ঘোষণা না দিয়ে আকস্মিক গণপরিবহন চালানো বন্ধ কয়ে দেওয়ায় সোমবার সকাল থেকে দুর্ভোগে পড়ে মানুষ। বিশেষ করে সকালে কর্মস্থলমুখী মানুষের ভোগান্তি চরমে ওঠে। গণপরিবহন না থাকায় রিকশা-অটোরিকশার বাড়তি ভাড়াও গুণতে হয়েছে যাত্রীদের।

বিডি-প্রতিদিন/সালাহ উদ্দীন


আপনার মন্তব্য