Bangladesh Pratidin || Highest Circulated Newspaper

শিরোনাম
প্রকাশ : সোমবার, ২৮ অক্টোবর, ২০১৯ ০০:০০ টা
আপলোড : ২৭ অক্টোবর, ২০১৯ ২৩:৩৫

সন্ত্রাসীদের ‘সেইফ জোন’ মধ্যপ্রাচ্য

চট্টগ্রামের অর্ধশতাধিক সন্ত্রাসী সেখানে ♦ তালিকা নেই প্রশাসনের কাছে

মুহাম্মদ সেলিম, চট্টগ্রাম

সন্ত্রাসীদের ‘সেইফ জোন’ মধ্যপ্রাচ্য

চট্টগ্রামের সন্ত্রাসীদের ‘সেইফ জোনে’ পরিণত হয়েছে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশ। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানের মুখে চট্টগ্রামের অর্ধশতাধিক সন্ত্রাসী গা-ঢাকা দিয়েয়েছে সেসব দেশে। ওখানে বসেই তারা চট্টগ্রামের আন্ডারওয়ার্ল্ড নিয়ন্ত্রণ করছে। পালিয়ে থাকা সন্ত্রাসীরা প্রবাসে বসে অপরাধ জগৎ নিয়ন্ত্রণ করলেও তাদের বিষয়ে কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য নেই চট্টগ্রাম প্রশাসনের কাছে। তারা কোন দেশে পালিয়েছে তারও কোনো তথ্য নেই। তাই তাদের ফিরিয়ে আনার উদ্যোগও নেওয়া যাচ্ছে না। বিভিন্ন সূত্রে পাওয়া তথ্য মতে, চট্টগ্রামের তালিকাভুক্ত অর্ধশতাধিক অপরাধী সংযুক্ত আরব আমিরাত, ওমান, কাতার, সৌদি আবরসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে অবস্থান করছে। তারা প্রবাসে বসেই চট্টগ্রামের আন্ডারওয়ার্ল্ড নিয়ন্ত্রণ ও বিস্তার করছে করছে। তাদের মধ্যে রয়েছে অপহরণকারী চক্রের অন্যতম হোতা আবুল কাশেম চৌধুরী ওরফে কাশেম চেয়ারম্যান, হাবিব খান, দিদারুল আলম, সরোয়ার, ম্যাক্সন, হেলাল আকবর চৌধুরী বাবার অন্যতম। এ ছাড়া মাদক ও জুয়াবিরোধী অভিযান শুরু হলে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের কমপক্ষে চার কাউন্সিলরসহ নতুন করে কিছু অপরাধী মধ্যপ্রাচ্যে পাড়ি জমান। নগর বিশেষ শাখার উপকমিশনার ওয়ারিশ আহমেদ বলেন, ‘গ্রেফতারের বাইরে থাকা সন্ত্রাসীদের অবস্থান এখনো চিহ্নিত করা যায়নি। তারা কোন দেশে আছে তারও সঠিক কোনো তথ্য নেই। তাই পালিয়ে থাকা তালিকাভুক্ত শীর্ষ ফেরাতে সিএমপি কোনো উদ্যোগ নেয়নি।’ জেলা বিশেষ শাখার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মহিউদ্দিন মাহমুদ বলেন, ‘দেশের বাইরে পালিয়ে থাকা কোনো সন্ত্রাসীকে ফিরে আনতে পুলিশ সদর দফতরের মাধ্যমে ইন্টারপোলের কাছে আবেদন করতে হয়। এখনো পর্যন্ত চট্টগ্রাম জেলা থেকে এ ধরনের কোনো আবেদন করা হয়নি।’ সংযুক্ত আবর আমিরাতের বাংলাদেশি কমিউনিটির এক নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে অনেক সন্ত্রাসী আরব আমিরাতের বিভিন্ন রাজ্যে অবস্থান করছে। দেশে মাদক, ক্যাসিনো এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে অভিযান শুরু হলে তখন আরও কিছু অপরাধী পালিয়ে আরব আমিরাত চলে আসে। এসব সন্ত্রাসী প্রবাসীদের টাগের্ট করে দেশে থাকা স্বজনদের প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে চাঁদা আদায়ের ঘটনা ঘটেছে।’


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর