শিরোনাম
প্রকাশ : শুক্রবার, ২৭ নভেম্বর, ২০২০ ০০:০০ টা
আপলোড : ২৭ নভেম্বর, ২০২০ ০১:২৪

স্বাস্থ্যসম্মত টয়লেটের জন্য ৩০০ কোটি টাকা বরাদ্দ

নিজস্ব প্রতিবেদক

দুর্যোগব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. এনামুর রহমান বলেছেন, সরকার সারা দেশে দরিদ্র মানুষের কাঁচা টয়লেটের বদলে আধুনিক স্বাস্থ্যসম্মত স্যানিটারি টয়লেট নির্মাণ করে দেবে। এ জন্য প্রকল্প নেওয়া হচ্ছে, প্রাথমিকভাবে ৩০০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হবে। তিনি গতকাল সচিবালয়ে দুর্যোগব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে ‘দুর্যোগ বিষয়ক স্থায়ী আদেশাবলি (এসওডি)-২০১৯’ বিষয়ে বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট রিপোর্টার্স ফোরামের (বিএসআরএফ) সদস্যদের অংশ গ্রহণে আয়োজিত কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।

এনামুর রহমান বলেন, গতকাল সংসদীয় কমিটির মিটিং হয়েছে। সেখানে একটি প্রকল্পের অনুমোদন নিয়েছি। ওয়াটার এইড, সাজেদা ফাউন্ডেশনসহ অনেক এনজিও স্যানিটেশন নিয়ে কাজ করে। কিন্তু ক্যাপাসিটি কম। সারা দেশে লাখ লাখ পরিবারের টয়লেটগুলো জীর্ণ-শীর্ণ, কলাপাতা দিয়ে ঢাকা, পলিথিন দিয়ে ঢাকা, পুরনো শাড়ি দিয়ে ঘেরাও করা কাঁচা পায়খানা এখনো আছে। আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি বাংলাদেশের যতগুলো পরিবার এ ধরনের ঝুঁকিপূর্ণ টয়লেট ব্যবহার করে সেই টয়লেটগুলো রিপেস করে আধুনিক মানসম্মত স্যানিটারি টয়লেট তৈরি করে দেব। তিনি বলেন, এ জন্য প্রথম পর্যায়ে ৩০০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হবে। এরপর সারা দেশে সব দরিদ্র-অতি দরিদ্র মানুষের যে টয়লেটগুলো আছে সেগুলো স্বাস্থ্যসম্মত করে দেওয়া হবে।

উপকূলীয় এলাকায় জলাবদ্ধতার বিষয়ে সংবাদিকরা জানতে চাইলে ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী বলেন, উপকূল দিবসে অনেকগুলো দাবি আসে। আমি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেছি। তিনি বলেছেন, ডেল্টা প্যানে যে ছয়টি হটস্পট আছে, তার মধ্যে একটা গুরুত্বপূর্ণ ও এক নম্বরে উপকূলীয় অঞ্চলে প্রতি বছর ঘূর্ণিঝড়ে বাঁধ ভেঙে পানি প্রবেশ করে, জলাবদ্ধতা হয়, পোল্ডারগুলো ভেঙে যায়। এসব সমস্যা সমাধানের জন্য উপকূলীয় অঞ্চলের উন্নয়নের কথা বলা আছে। ১০০ বছরের পরিকল্পনা হলেও প্রধানমন্ত্রী ১০ বছরের মধ্যে সমাধানের জন্য নির্দেশনা দিয়েছেন। আগামী ১০ বছরের মধ্যে এসব সমস্যার টেকসই ও স্থায়ী সমাধান হবে।

কর্মশালায় দুর্যোগব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মোহসীন, রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির মহাসচিব মো. ফিরাজ সালাউদ্দিন, উপমহাসচিব মো. রফিকুল ইসলাম, ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচির (সিপিপি) পরিচালক আহমাদুল হক এবং বিএসআরএফের সভাপতি তপন বিশ্বাস বক্তব্য রাখেন।


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর