সোমবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ০০:০০ টা

চট্টগ্রামে লাখ ছাড়াল সংক্রমণ খুলনায় কমছে করোনায় মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম ও খুলনা

চট্টগ্রামে লাখ ছাড়াল সংক্রমণ খুলনায় কমছে করোনায় মৃত্যু

চট্টগ্রামে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয় গত বছরের ৩ এপ্রিল। তিনি চট্টগ্রাম নগরের দামপাড়ার ৬৭ বছর বয়সী একজন বাসিন্দা। গত ১৭ মাসে চট্টগ্রামে আক্রান্তের সংখ্যা এক লাখ ছাড়াল। সর্বশেষ গত শনিবার নতুন করে আক্রান্ত হন ১২০ জন। তাতে চট্টগ্রামে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়ায় ১ লাখ ৪৫ জন। এখন পর্যন্ত মোট মারা গেছেন ১ হাজার ২৪৪ জন।

চট্টগ্রাম সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, গত শনিবার পূর্ববর্তী ২৪ ঘণ্টায় ১০টি ল্যাবে ১ হাজার ১৫ জনের নমুনা পরীক্ষায় ১২০ জনের করোনা শনাক্ত হয়। এর মধ্যে নগরের ৫৮ ও বিভিন্ন উপজেলার ৬২ জন। মারা যান ৫ জন। তারা সবাই বিভিন্ন উপজেলার বাসিন্দা। চট্টগ্রামে মোট আক্রান্ত হন ১ লাখ ৪৫ জন। এর মধ্যে নগরে ৭২ হাজার ৬৫২ জন এবং উপজেলা পর্যায়ে ২৭ হাজার ৩৯৩ জন। ইতিমধ্যে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ১ হাজার ২৪৬ জন। এর মধ্যে নগরে ৬৯৫ এবং বিভিন্ন উপজেলা ৫৫১ জন। চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন ডা. সেখ ফজলে রাব্বি বলেন, চট্টগ্রামে করোনা রোগী এক লাখ ছাড়াল। তবে এখন সংক্রমণ কমে আসছে। সবাইকে যথাযথভাবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। তাহলে সংক্রমণ কমার এ ধারাবাহিকতা রক্ষা করা যাবে।

খুলনা বিভাগে তিন মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন মৃত্যু: খুলনা বিভাগের ১০ জেলায় করোনা সংক্রমণ, মৃত্যু আরও কমেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় বিভাগে করোনা আক্রান্ত দুজনের মৃত্যু হয়েছে। যা গত তিনমাসের মধ্যে সর্বনিম্ন। এর আগে ৭ জুন বিভাগে দুজনের মৃত্যু হয়েছিল। আর ৯ জুলাই সর্বোচ্চ ৭১ জনের মৃত্যু হয়। বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. জসিম উদ্দিন হাওলাদার স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। জানা যায়, গত ২৪ ঘণ্টায় বিভাগের মধ্যে খুলনা ও যশোরে একজন করে মারা গেছেন। এর আগে শনিবার বিভাগে করোনায় মারা গেছেন ৫ জন। খুলনা সিভিল সার্জন অফিসের মেডিকেল অফিসার ডা. সাদিয়া মনোয়ারা জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় খুলনা জেলায় ২০৯ জনের নমুনা পরীক্ষায় ২১ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। নমুনা পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার ১০ শতাংশ।

খুলনা বিভাগের মধ্যে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয় চুয়াডাঙ্গায় গত বছরের ১৯ মার্চ। করোনা সংক্রমণের শুরু থেকে গতকাল পর্যন্ত বিভাগের ১০ জেলায় এক লাখ নয় হাজার ৭৩০ জন করোনা শনাক্ত হয়েছেন। এর মধ্যে মারা গেছেন তিন হাজার ৩৬ জন। সুস্থ হয়েছেন ১ লাখ ২৩৪ জন।

 

সর্বশেষ খবর