শিরোনাম
সোমবার, ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ ০০:০০ টা

মিয়ানমারের অচলাবস্থা নিরসনে চীনের হস্তক্ষেপ চেয়েছি : কাদের

নিজস্ব প্রতিবেদক

মিয়ানমারের অচলাবস্থা নিরসনে চীনের হস্তক্ষেপ চেয়েছি : কাদের

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, মিয়ানমারের আরাকান আর্মির সংঘাত তাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়। কিন্তু সেই সংঘাতের রেশ আমাদের সীমান্তে এসে গেছে। গোলাগুলির আওয়াজ জনমনে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে। আকাশসীমা লঙ্ঘন করা হচ্ছে। মিয়ানমারের সঙ্গে চীনের চমৎকার সম্পর্ক। এজন্য এ অচলাবস্থা নিরসনে চীনের হস্তক্ষেপ চেয়েছি।

গতকাল সচিবালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন। ওবায়দুল কাদের বলেন, ভূ-রাজনৈতিক কৌশলের কারণে এ অঞ্চলে ভারত ও চীনের শক্তিবলয় ও কনফ্লিক্ট অব ইন্টারেস্ট (স্বার্থের সংঘাত) আছে। আমরা আমাদের স্বার্থ দেখব। মিয়ানমার সীমান্তে আরাকান আর্মির সংঘাতে আমাদের কিছু কিছু ক্ষতি হচ্ছে। তাদের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বে আমরা যেন ক্ষতিগ্রস্ত না হই। 

সেতুমন্ত্রী বলেন, চীনের অর্থায়নে চলমান মেগা প্রজেক্টগুলো নিয়ে ইয়াও ওয়েনের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। বিশেষ করে বিআরটি প্রকল্প নিয়ে কথা হয়েছে। নির্বাচনে চীন সাপোর্ট করেছে। প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানিয়েছে। পালাক্রমে অন্য মন্ত্রীদের সঙ্গেও দেখা করেছেন।

চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে চীনের ভূমিকা প্রসঙ্গে ইতিবাচক জবাব দিয়েছেন জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন নিয়ে চীন ভূমিকা নিতে পারে। ১১-১২ লাখের মতো রোহিঙ্গা বাংলাদেশের জন্য অতিরিক্ত বোঝা। বর্তমান বিশ্ব সংকটের মধ্যে রোহিঙ্গাদের জন্য আসা সাহায্যও আগের থেকে অনেক কমে গেছে। রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন করে মিয়ানমার যেন তাদের নাগরিকদের ফেরত নেয় সে বিষয়ে চীন ভূমিকা রাখতে পারে। জবাবে চীনা রাষ্ট্রদূত ইতিবাচক উত্তর দিয়েছেন। বলেছেন, তারা চেষ্টা করবেন এবং সহযোগিতা জোরদার করবেন।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বর্তমান সরকারের সম্পর্ক নিয়ে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ত্রুটিপূর্ণ বলেনি। তারা বর্তমান সরকারের সঙ্গে সম্পর্ক অব্যাহত রাখবে। কারণ দুই দেশেরই এখানে স্বার্থ আছে।

ওবায়দুল কাদের বলেন, নির্বাচনের পর ম্যাথিউ মিলার তার বক্তব্যে দুই ধরনের কথা বলেছেন। প্রথমত, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন হয়নি। দ্বিতীয়ত, বাংলাদেশের প্রতি অন্যান্য অনেক ক্ষেত্রে সম্পর্ক রাখা তাদের দায়িত্ব। সেখান থেকে তারা সম্পর্ক রাখবে এবং ভালো সম্পর্ক রাখার বিষয়ে তাদের যে অঙ্গীকার আছে সেটি তারা পালন করে যাবে। তিনি বলেন, আমাদের নির্বাচনে কোনো সহিংসতা হয়নি, শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়েছে। এর চেয়ে অবাধ, সুষ্ঠু  নির্বাচন কী হতে পারে আমরা তা জানি না।  বিএনপি নির্বাচনে আসেনি, তার মানে কি এই যে নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু হয়নি?

মেট্রোরেলে শিক্ষার্থীদের হাফ ভাড়ার দাবি অবান্তর জানিয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, ভাড়া কমানো সম্ভব নয়। পৃথিবীর কোথাও এ ব্যবস্থা নেই। এখন রিকশায় উঠলেই তো ৩০ টাকা লাগে। আর মেট্রো একটি আধুনিক গণপরিবহন।

 

 

 

এই বিভাগের আরও খবর

সর্বশেষ খবর