Bangladesh Pratidin || Highest Circulated Newspaper
শিরোনাম
প্রকাশ : রবিবার, ১৮ নভেম্বর, ২০১৮ ০০:০০ টা
আপলোড : ১৭ নভেম্বর, ২০১৮ ২৩:৫৭

হামলা-বাধায় নিয়োগ পরীক্ষা পণ্ড

বাগেরহাট প্রতিনিধি

হামলা-বাধায় নিয়োগ পরীক্ষা পণ্ড

মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের নিয়োগ পরীক্ষা সিবিএ নেতাদের হামলা-বাধায় পণ্ড হয়ে গেছে। এ ঘটনায় বন্দর সিবিএ সাধারণ সম্পাদকসহ দুজনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করেছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। শুক্রবার সকালে এ ঘটনা ঘটলেও রাত ১১টার দিকে বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানের দফতর বিষয়টি সংবাদমাধ্যকে জানায়। মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব ওহিউদ্দিন চৌধুরী জানান, শুক্রবার বেলা ১১টায় খুলনা নৌবাহিনী স্কুলে নয়টি ক্যাটাগরিতে ৪০টি পদে নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা শুরু হয়। এ সময় তিনটি ধাপের প্রথম পরীক্ষার ফল ঘোষণা করা হয়। ওই ফলে বন্দর কর্তৃপক্ষ কর্মচারী সংঘের (সিবিএ) নেতাদের পছন্দের প্রার্থীরা অকৃতকার্য হওয়ায় পরের ধাপের প্রক্রিয়া বন্ধ করতে নানা হুমকি দেয়। একপর্যায়ে কেন্দে  ঢুকে তারা পরীক্ষা বন্ধ করে দেয়। লাঞ্ছিত করে বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান কমডোর একেএম ফারুক হাসান, পরিচালক প্রণব কুমার রায়, নিয়োগ কমিটির আহ্বায়ক ও বন্দর কর্তৃপক্ষের সদস্য আফসানা ইয়াসমিন, নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব নজরুল ইসলাম, বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব ওহিউদ্দিন চৌধুরী, যান্ত্রিক ও তড়িৎ বিভািগের প্রধান প্রকৌশলী মিজানুর রহমান শাহ চৌধুরী ও প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা লে. কমান্ডার আব্দুল আলীমকে। তাদের গাড়ির চাবি কেড়ে নেয়। পরীক্ষা কেন্দ  ভাঙচুর করা হয় বলেও জানান ওহিউদ্দিন। নৌবাহিনীর ও পুলিশ সদস্যদের খবর দিলে তারা ওইসব কর্মকর্তাকে উদ্ধার করে নিয়ে যান। নাম প্রকাশে অনচ্ছুিক মোংলা বন্দরের কয়েক কর্মচারী বলেন, আগে মোংলা বন্দরে নিয়োগের ক্ষেত্রে ৩০ ভাগ পোষ্যকোটা চালু ছিল, পরবর্তীতে তা বাতিল হয়। বর্তমান সিবিএ নেতাদের নির্বাচনী ইশতেহারে ছিল সেই পোষ্যকোটা পুনরায় বহালের প্রতিশ্রুতি। কিন্তু নেতারা সেই দাবি বাস্তবায়ন না করে ব্যক্তিস্বার্থে আত্মীয়-স্বজন ও বিভিন্ন জনের কাছ থেকে সুবিধা নিয়েছে। তাদের পছন্দসই প্রার্থী পরীক্ষায় অকৃতকার্য হওয়ায় বিশৃঙ্খলার মাধ্যমে নিয়োগপ্রক্রিয়া বন্ধ করে দেয়। অভিযুক্ত সিবিএ নেতা কাজী খুরশিদ আলম পল্টু বলেন, ‘নিয়োগের ক্ষেত্রে বন্দরের ইতিহাসে লিখিত পরীক্ষায় কোনদিন এতো হার্ড (কঠিন) প্রশ্ন করা হয়নি। এবার যে প্রশ্ন হয়েছে তাতে অনেকেই উত্তীর্ণ হতে না পারায় আমি প্রতিবাদ জানিয়ে পরীড়্গা বন্ধ করতে বলেছি।’ নিয়োগবাণিজ্যের বিষয়ে তিনি বলেন, কোনো পরীক্ষার্থীর কাছ থেকে অর্থ নেওয়া হয়নি।


আপনার মন্তব্য