মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে সবাইকে সচেতন হওয়ার পাশাপাশি পুলিশকে সহযোগীতা করার আহবান জানিয়ে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নুর বলেন, 'মাদকের পিছনে ষড়যন্ত্র রয়েছে। শুধু কি মাদক বিক্রেতা, ক্রেতা বা সেবনকারীরাই জড়িত? তাই নয়, এর পিছনে আন্তজার্তিক চক্রান্ত জড়িত রয়েছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যে উদ্যোগ নিয়েছেন, সেটিকে স্বাধুবাদ জানিয়েছেন সব শ্রেণী পেশার মানুষ। মাদকমুক্ত করতে হলে মাদক থেকে সরিয়ে নিয়ে আসতে হবে জড়িতদের, সেটা করছেন আমাদের নেত্রী। '
শনিবার দুপুরে নীলফামারী শহরের প্রধান শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে জেলা পুলিশ ও কমিউনিটি পুলিশিং ফোরাম আয়োজিত ‘মাদক ও জঙ্গিবাদ বিরোধী’ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
এসময় মন্ত্রী বলেন, বিএনপি-জামায়াত ২০১৪ সালে আন্দোলনের নামে রেললাইন উপড়ে ফেলে, সরকারি অফিসে আগুন দিয়ে, থানায় ঢুকে পুলিশ হত্যা করে, ট্রেন বাস ট্রাকে আগুন দিয়ে নিরিহ মানুষকে মেরে কি পেয়েছে বরং জনগণের কাছে তারা ধিক্কার পেয়েছে। এজন্য মনে রাখতে হবে আসছে নির্বাচনে উন্নয়নের ধারাবাহিকতা রক্ষা করতে হলে, সমাজের পরিবর্তন টিকিয়ে রাখতে হলে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে হবে আপনাদের।
সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে নীলফামারী-০৩ আসনের সংসদ সদস্য গোলাম মোস্তফা, নীলফামারী-০৪ আসনের সংসদ সদস্য ও বিরোধী দলীয় হুইপ শওকত চৌধুরী, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ খালেদ রহীম, নীলফামারী পৌরসভার মেয়র দেওয়ান কামাল আহমেদ, কমিউনিটি পুলিশিং ফোরাম জেলা কমিটির সদস্য সচিব প্রকৌশলী সফিকুল আলম ডাবলু, জেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মমতাজুল হক, সদর উপজেলা পরিষদ আবুজার রহমান এবং অন্যান্যের মধ্যে সদর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান আরিফা সুলতানা লাভলী, জেলা চেয়ারম্যান সমিতির সভাপতি হাফিজুর রহমান মঞ্জু, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের জেলা আহবায়ক আহসান রহিম মঞ্জিল, জেলা বার সমিতির সাধারণ সম্পাদক অক্ষয় কুমার রায় বক্তব্য দেন সেখানে।
এছাড়া পুলিশ কর্মকর্তাদের মধ্যে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অশোক কুমার পাল ও নীলফামারী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বাবুল আখতার বক্তব্য দেন সমাবেশে।
সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার(নীলফামারী সার্কেল) আলতাফ হোসেনের সঞ্চালনায় সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন নীলফামারী জেলা পুলিশ সুপার মুহাম্মদ আশরাফ হোসেন।
সমাবেশ শেষে মন্ত্রীর নেতৃত্বে মাদক বিরোধী র্যালি শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে।
বিডি প্রতিদিন/২ জুন ২০১৮/হিমেল