রাজধানীর সাতটি ইন্টারসেকশনে দেশি প্রযুক্তির ট্রাফিক সিগন্যাল আজ আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হচ্ছে। আগামী দুই সপ্তাহ এ সাত ইন্টারসেকশনের ট্রাফিক সিগন্যালগুলো পাইলটিং হিসেবে চলবে। বৃহস্পতিবার ডিটিএসে সিগন্যাল স্থাপনসংক্রান্ত এক সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়। পর্যায়ক্রমে ২২টি ইন্টারসেকশনে এসব ট্রাফিক সিগন্যাল বসানো হবে।
সভায় জানানো হয়, ট্রাফিক সিগন্যাল পাইলটিং কার্যক্রম চলাকালে পথচারী ড্রাইভারদের সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে লিফলেট বিতরণ ও টেলিভিশনের প্রচার কার্যক্রম চলমান থাকবে। এ কার্যক্রমে পথচারী, ড্রাইভারসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানানো হয়। প্রকল্প সূত্রে জানা যায়, পাইলট প্রকল্পের আওতায় ২২ স্পটে এ সিগন্যাল বাতি লাগানোর পরিকল্পনা রয়েছে। দেশি প্রযুক্তিতে অত্যন্ত কম খরচে বাতিগুলো বসানো হবে। এ প্রকল্পে খরচ ধরা হয়েছে ১৮ কোটি টাকা। প্রাথমিকভাবে হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল, বাংলামোটর, কারওয়ানবাজার, ফার্মগেট, বিজয় সরণি ও প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়, জাহাঙ্গীর গেট মোড়ে এটি স্থাপন করা হয়েছে। ক্রমান্বয়ে শিক্ষা ভবন মোড়, কদম ফোয়ারা, মৎস্য ভবন মোড়, শাহবাগ মোড়, কাকরাইল মসজিদ মোড় হয়ে মিন্টো রোডের মোড়ে বসবে। পরে মহাখালী, খিলক্ষেত, বিমানবন্দর হয়ে আবদুল্লাহপুর মোড় পর্যন্ত ২২টি গুরুত্বপূর্ণ স্পটে দেশি প্রযুক্তির ট্রাফিক সিগন্যাল বসানো হবে। ট্রাফিক সিগন্যালটিতে অটোমেটেডের পাশাপাশি ম্যানুয়াল অপশনও রাখা হয়েছে।
এ সিগন্যাল বাতি দুই ভাবে কাজ করবে। এটি সেমি অটোমেটেড সিগন্যাল এইড। একটি বাটনের (বোতাম) মাধ্যমে এ ব্যবস্থা আবার অটোমেটেড (স্বয়ংক্রিয়) করা যাবে। কম যানবাহন থাকলে নির্ধারিত সময়ের জন্য অটোমেটেড মুডে চলবে। বেশি থাকলে ম্যানুয়ালি সময় পরিবর্তন করে নেওয়া যাবে।