হানি ট্র্যাপে ফেলে দুই ব্যক্তির কাছ থেকে ৪ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগে তিন নারীসহ সাতজনকে গ্রেপ্তার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ পুলিশ। বৃহস্পতিবার রাতে শহরের চকসূত্রাপুরের একটি বাড়ি থেকে তাদের গ্রেপ্তার ও জিম্মি দুই ব্যক্তিকে উদ্ধার করা হয়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন চকসূত্রাপুরের সাইদুল ইসলামের স্ত্রী কেয়া বেগম, মিজানুর রহমানের স্ত্রী আফসানা মিমি, মৃত গোলাপ কাজীর ছেলে মহসীন কাজী সিজান, মজিবর সরকারের ছেলে ওমর সরকার, ঘোড়াধাপ মধ্যপাড়ার বিল্লাল হোসেনের স্ত্রী কামরুন নাহার, জহুরুলপাড়ার মৃত দুলালের ছেলে এনামুল হোসেন এবং সুলতানগঞ্জপাড়ার মৃত সিরাজুল ইসলামের ছেলে নয়ন হোসেন।
জানা গেছে, মাসদেড়েক আগে জয়পুরহাটের এক ব্যক্তি চিকিৎসার জন্য বগুড়ার একটি হাসপাতালে এসেছিলেন। সে সময় তার সঙ্গে কেয়া বেগমের পরিচয় এবং মোবাইল নম্বর বিনিময় হয়। বৃহস্পতিবার দুপুরে ওই ব্যক্তিকে বগুড়ায় দেখা করার জন্য বলেন কেয়া। তিনি এক বন্ধুকে নিয়ে চকসূত্রাপুরে একটি বহুতল ভবনে কেয়ার সঙ্গে দেখা করতে যান। সেখানে কেয়া ও তার চক্রের অন্য সদস্যরা তাদের আটকে রেখে মারধর এবং ৪ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। পরে ডিবির একটি দল ওই বাড়িতে অভিযান চালিয়ে সাত অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার এবং দুই ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করে।
বগুড়া ডিবি পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইকবাল বাহার বলেন, গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা একটি সংঘবদ্ধ চক্রের সদস্য। তাদের মধ্যে সিজান ও ওমরের বিরুদ্ধে হত্যা, ছিনতাইসহ একাধিক মামলা রয়েছে। সবার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।