Bangladesh Pratidin || Highest Circulated Newspaper
শিরোনাম
প্রকাশ : ২০ মে, ২০১৯ ১৭:৫৪

ঈদে অতিরিক্ত যাত্রী পরিবহনে প্রস্তুত হচ্ছে ৪০ বগি

আবদুল বারী, নীলফামারী

ঈদে অতিরিক্ত যাত্রী পরিবহনে প্রস্তুত হচ্ছে ৪০ বগি

এবারের ঈদে যাত্রী সেবায় রেল বহরে যুক্ত হচ্ছে ৪০টি বগি(ক্যারেজ)। আর এসব বগি তৈরির কাজ জোরেশোরে চলছে সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানায়।

ইতোমধ্যে লক্ষ্যমাত্রার মধ্যে ২০টি বগি প্রস্তুত হয়েছে এখানে। যা দ্রুত হস্তান্তর করা হবে রেলের পরিবহন পুলে। 

রেলওয়ে কারখানা সূত্র জানায়, ঈদে ঘর মুখো যাত্রীদের সেবা দিতে রেলের বিভিন্ন বহরে ৪০টি বগি সংযুক্ত করণের উদ্যোগ নেয় রেল বিভাগ। 

অতি পুরাতন, চলাচলের অনুপযোগী এসব কোচ মেরামত করা হচ্ছে কারখানাটিতে। কারখানার ২২টি উপ-শপে এসব মেরামতের কর্মযজ্ঞে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন সহস্রাধিক শ্রমিক। 

সরেজমিনে দেখা গেছে, চলছে বগি মেরামত কাজ। কেউ বা ওয়েল্ডিং, কেউ বা রং, কেউ বা আসন(বসার সিট) মেরামত আবার কেউবা চাকা মেরামতে নিয়োজিত। 

ক্যারেজ শপের খালাশি উজ্জল বিশ্বাস জানান, এখানে বছরের অন্যান্য সময় যেভাবে কাজ হয় ওই সময়ের চেয়ে ঈদ ঘিরে বেশি ব্যস্ত থাকি আমরা। কারণ ঈদে লক্ষ্যমাত্রা আলাদা ভাবে নির্ধারণ করে দেয়া হয় আমাদের। এজন্য নির্ধারিত সময়ের চেয়েও(অফিস টাইম) অতিরিক্ত সময় দিয়ে কাজ করি এখানে। 

শ্রমিক নাজমুল হাসান বলেন, রমজান মাসে আমরা কোন ছুটি ভোগ করি না। আমাদের মাথায় তখন একটি চিন্তা থাকে ঈদের জন্য আমাদের এখানে তৈরি হওয়া বগিগুলোতে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে যাত্রীরা বাড়িতে ফিরবেন। তবে লোকবল সংকট প্রকট হওয়ায় ঝুঁকি নিয়ে কাজ করতে হচ্ছে। প্রতিটি শপে প্রয়োজনের বেশির ভাগই লোক নেই। যার কারণে সময় বেশি দিতে হচ্ছে। অতিদ্রুত কারখানার জনবল সংকট পূরণ করা না হলে অনিশ্চিয়তা পড়বে প্রতিষ্ঠানটি। 

সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানা বিভাগীয় তত্বাবধায়ক জয়দুল ইসলাম জানান, পবিত্র ঈদ উল ফিতরের ছুটি হওয়ার আগেই অর্থাৎ জুনের ২তারিখের আগে এখানে প্রস্তুত হওয়া বগিগুলো হস্তান্তর করা হবে পরিবহন পুলে। তিনি বলেন, প্রতিষ্ঠানটিতে শতকরা ৬৭ভাগ শ্রমিক ঘাটতি রয়েছে এছাড়া ঘাটতি রয়েছে বাজেটেও।যান্ত্রিক ও বৈদ্যুতিক মিলে দুই বিভাগে ৩১৭১জন শ্রমিক প্রয়োজন হলেও রয়েছেন মাত্র ১০২০জন। তারপরও আমরা সর্বাত্মক চেষ্টা করছি যাত্রীদের কথা মাথায় রেখে। ঈদে ঘরমুখো যাত্রীরা যাতে নির্বিঘ্নে নিরাপদে বাড়িতে ফিরে পরিবারের সাথে ঈদ উদযাপন করতে পারেন এটিই বড় পাওয়া আমাদের কাছে।

বিডি-প্রতিদিন/সালাহ উদ্দীন

 


আপনার মন্তব্য