শিরোনাম
প্রকাশ : ১০ এপ্রিল, ২০২০ ১৯:৫৮

জামালপুরে ময়দার বস্তায় চাল পাচার, উদ্ধার ১৮৯ বস্তা চাল

জামালপুর প্রতিনিধি

জামালপুরে ময়দার বস্তায় চাল পাচার, উদ্ধার ১৮৯ বস্তা চাল

জামালপুরের দুই উপজেলায় পৃথক স্থানে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে সরকারের খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ১৮৯ বস্তা চাল উদ্ধার করেছে প্রশাসন। 

শুক্রবার সকালে সদরের শাহবাজপুর ইউনিয়নের চিকারপাড়া থেকে ৮৫ বস্তা এবং বিকাল ৪টার দিকে একই ইউনিয়নের বিয়ারা পালাশতলা থেকে ৭৪ বস্তা চাল উদ্ধার করা হয়। এছাড়াও বৃহস্পতিবার রাতে মেলান্দহ উপজেলার চরবানিপাকুড়িয়া ইউনিয়নের বেতমারী গ্রাম থেকে ৩০ বস্তা চাল উদ্ধার করা হয়েছে। 

জামালপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফরিদা ইয়াসমীন জানান, শুক্রবার সকালে সদর উপজেলার শাহবাজপুর ইউনিয়নের চিকানপাড়া এলাকায় খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চাল কালোবাজারে বিক্রির খবর পেয়ে ভ্রম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। এ সময় চাল ব্যবসায়ী রফিকের বাড়ির সামনে ৩টি ইজিবাইক থেকে ৮৫ বস্তা চাল উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় ওই এলাকার ডিলার লুৎফর রহমানসহ আসাদুল্লাহ ও রফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের জন্য উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেওয়া হয়।

এদিকে, বিকাল ৪টার দিকে সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাহমুদা বেগম সদর উপজেলার একই ইউনিয়নের বিয়ারা পলাশতলা এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে সরকারের খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ৭৪ বস্তা চাল উদ্ধার করে। 
বিয়ারা পলাশতলা বাজারে সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক ও জেলা পরিষদের সদস্য হাবিবুর রহমান দুলালের মালিকানাধীন মার্কেটের একটি গুদাম থেকে এসব চাল উদ্ধার করা হয়, তবে এ সময় ওই গুদামের মালিককে পাওয়া যায়নি। জব্দকৃত এসব চাল কালো বাজারে বিক্রির জন্য কে মজুদ করে রেখেছিল তা তদন্ত করে উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তাকে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে মামলা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

অপরদিকে, বৃহস্পতিবার রাতে মেলান্দহ উপজেলার চরবানিপাকুরিয়া ইউনিয়নের বেতমারী গ্রামে আব্দুল জব্বার নামে এক ব্যবসায়ীর গুদামে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে ৩০ বস্তা চাল জব্দ করে উপজেলা প্রশাসন। 

মেলান্দহ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট তামিম আল ইয়ামীন জানান, চরবানিপাকুরিয়া ইউনিয়নে হতদরিদ্রের মাঝে ১০ টাকা কেজি দরে বিক্রির জন্য বরাদ্বকৃত চাল কালোবাজারে বিক্রির খবর পেয়ে বেতমারী গ্রামের আব্দুল জব্বার নামে এক চাল ব্যবসায়ীর গুদামে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। এ সময় গুদাম থেকে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ৩০ বস্তা দেড় টন চাল জব্দ করা হয়। তবে এ সময় ওই ব্যবসায়ীকে তার গুদামে পাওয়া যায়নি। এ ব্যাপারে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে তিনি জানান।


বিডি-প্রতিদিন/বাজিত হোসেন


আপনার মন্তব্য