শিরোনাম
প্রকাশ : ২৭ অক্টোবর, ২০২০ ১৮:২৮
আপডেট : ২৭ অক্টোবর, ২০২০ ১৮:৩১

চিলাহাটি-হলদিবাড়ি রেললাইনে বাংলাদেশের ইঞ্জিনের ট্রায়াল

নীলফামারী প্রতিনিধি

চিলাহাটি-হলদিবাড়ি রেললাইনে বাংলাদেশের ইঞ্জিনের ট্রায়াল
মঙ্গলবার দুপুরে এই ট্রায়াল রান করা হয়

বাংলাদেশের চিলাহাটি ও ভারতের হলদিবাড়ি রেলপথ সংযোগ স্থাপন কাজ শেষে সীমান্তে বাংলাদেশের একটি রেল ইঞ্জিনের ট্রায়াল সম্পন্ন হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) দুপুর ১২টায় চিলাহাটি রেলস্টেশন হতে রেলের বিশেষজ্ঞ দল একটি ইঞ্জিন নিয়ে ভারত সীমান্ত (জিরো ল্যান্ড) ছুয়ে থেমে যায়। ওপারে ভারতের একটি বিশেষজ্ঞ দলও উপস্থিত ছিল।

এর আগে গত ৮ অক্টোবর বেলা ১১টার দিকে ভারতের রেলওয়ের বিশেষজ্ঞ দল একটি রেল ইঞ্জিন বাংলাদেশ সীমান্ত পর্যন্ত ট্রায়াল করে। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে আগামী ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৫০ বছর উদযাপন উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এ লাইনে ট্রেন চলাচলের উদ্বোধন করবেন। ৫৫ বছর পর আবারও এ রেল লাইন দিয়ে ট্রেন চলাচলের মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে যোগাযোগের নব দিগন্তের সূচনা হবে।

আজ বাংলাদেশ দলের পক্ষে ছিলেন পশ্চিমাঞ্চল জোনের প্রধান প্রকৌশলী আল ফাতাহ মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান, প্রধান পরিবহন কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম, পাকশি বিভাগীয় রেলওয়ে ব্যবস্থাপক শাহিদুল ইসলাম, প্রকল্প পরিচালক প্রকৌশলী আব্দুর রহিম, নির্বাহী প্রকৌশলী আহসান উদ্দিন ও উপ-সহকারী প্রকৌশলী তৌহিদুল ইসলাম। ভারতের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন উত্তর-পূর্ব রেলওয়ের প্রধান প্রকৌশলী জেপি শিং, উপ-প্রধান প্রকৌশলী ভিকেমিনা ও নির্বাহী প্রকৌশলী পিকেজে।
  
এ ছাড়া নীলফামারী জেলা প্রশাসক হাফিজুর রহমান চৌধুরী, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহিনা শবনম, ডোমার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাফিজার রহমান উপস্থিত ছিলেন।

প্রসঙ্গত, ১৯৪৭ সালের ১৫ আগস্ট পাক-ভারত বিভক্তের পরও এ পথে রেল চলাচল চালু ছিল। সেসময়ে এ পথে দুই দেশের বিভিন্ন প্রান্তে চলাচল করতো যাত্রী ও মালবাহী ট্রেন। ১৯৬৫ সালে পাক-ভারত যুদ্ধের পর বন্ধ হয় দুই দেশের মধ্যে রেল চলাচল। পরিত্যক্ত রেলপথটি চালুর উদ্যোগ নেয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও নরেন্দ্র মোদি সরকার।

রেলওয়ে সূত্রমতে, রেলপথটি চালু করতে ৮০ কোটি ১৬ লাখ ৯৪ হাজার টাকা ব্যয়ে একটি প্রকল্প হাতে নেয় বর্তমান সরকার। প্রকল্পটির মধ্যে রয়েছে চিলাহাটি রেলস্টেশন থেকে সীমান্ত পর্যন্ত ৬ দশমিক ৭২৪ কিলোমিটার ব্রডগেজ রেলপথ ও দুই দশমিক ৩৬ কিলোমিটার লুপলাইন নির্মাণসহ অন্যান্য অবকাঠামো। কাজ ইতোমধ্যে প্রায় শেষ হয়েছে। গত বছরের ২১ সেপ্টেম্বর চিলাহাটি রেলস্টেশন চত্বরে প্রকল্পটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন রেলপথমন্ত্রী মো. নূরুল ইসলাম সুজন। গত ৬ অক্টোবর বিকালে বাংলাদেশের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করে দেয় ভারতীয় রেলওয়ে কতৃপক্ষ। 

বিডি প্রতিদিন/জুনাইদ আহমেদ
 
 
  


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর