শিরোনাম
প্রকাশ : ১৩ জানুয়ারি, ২০২১ ১৯:১১
আপডেট : ১৩ জানুয়ারি, ২০২১ ২১:২৪
প্রিন্ট করুন printer

পাবনায় নৌকার প্রার্থীকে প্রত্যাখান করে নাগরিক মঞ্চের আত্মপ্রকাশ

পাবনা প্রতিনিধি:

পাবনায় নৌকার প্রার্থীকে প্রত্যাখান করে নাগরিক মঞ্চের আত্মপ্রকাশ

পাবনা পৌরসভা নির্বাচনে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী আলী মূর্তজা বিশ্বাস সনিকে স্বাধীনতা বিরোধী পরিবারের সন্তান দাবি করে নাগরিক মঞ্চের আত্মপ্রকাশ হয়েছে। 

বুধবার দুপুরে পাবনা প্রেসক্লাব মিলনায়তনে জেলার চলমান বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে জেলার মুক্তিযোদ্ধা, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, রাজনীতিবিদ, ব্যাবসায়ী ও সুধিসমাজের একটি অংশ নাগরিক মঞ্চ গঠনের কথা জানান। 

সংবাদ সম্মেলনের শুরুতেই পাবনা নাগরিক মঞ্চের সদস্য সচিব ও জেলা ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি জাকির হোসেন লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন। 

সভায় জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা ইদ্রিস আলী বিশ্বাসকে আহ্বায়ক ও জাকির হোসেনকে সদস্য সচিব করে ৬১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি ঘোষাণা করা হয়। 

এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা আসম আব্দুর রহিম, সাবেক এমপি মুক্তিযোদ্ধ মকবুল হোসেন সন্টু, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আবুল কালাম আজাদ বাবু, চন্দন কুমার চক্রবর্তী, জেলা আওয়ামী লীগের সাংস্কৃতিক সম্পাদক প্রলয় কুমার চাকী, দপ্তর সম্পাদক আব্দুল আহাদ বাবু, শ্রম বিষয়ক সম্পাদক সরদার মিঠু আহমেদ, প্রচার সম্পাদক কামিল হোসেন, পাবনা সদর উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেন, সাধারণ সম্পাদক সোহেল হাসান শাহীন, পাবনা জেলা গণতন্ত্রী পার্টির সাধারণ সম্পাদক সুলতান আহমেদ বুরো, ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টির সভাপতি রেজাউল করিম মনি, জেলা জাতীয় পার্টির সাবেক সভাপতি নাসির উদ্দিন, শ্রমিক লীগের সভাপতি ফোরকান আলী, পৌর আ.লীগ সভাপতি তসলিম হাসান সুমন, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সাবেক সভাপতি আবুল কাশেমসহ ২১ শে বইমেলা উদযাপন পরিষদ, সুচিত্রা সেন চলচিত্র সংসদসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। 

আগামী ৩০ জানুয়ারী পাবনা পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে জেলা যুবলীগের আহ্বায়ক আলী মূর্তজা বিশ্বাস সনিকে। 

এদিকে জেলা নাগরিক সমাজের অপর একটি সংগঠন বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় নাগরিক সংলাপ করবেন বলে নিশ্চিত করেছেন পাবনা নাগরিক পরিষদের আহ্বায়ক আব্দুল মতীন খান।  

বিডি-প্রতিদিন/ সালাহ উদ্দীন
 


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৬ জানুয়ারি, ২০২১ ২১:৩০
প্রিন্ট করুন printer

কুমিল্লায় যুবলীগ কর্মী হত্যা মামলায় সিটি কাউন্সিলর গ্রেফতার

কুমিল্লা প্রতিনিধি:

কুমিল্লায় যুবলীগ কর্মী হত্যা মামলায় সিটি কাউন্সিলর গ্রেফতার

কুমিল্লার আলোচিত যুবলীগ কর্মী জিল্লুর রহমান চৌধুরী ওরফে গোলাম জিলানী হত্যা মামলার আসামি সিটি কাউন্সিলর আবদুস সাত্তারকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানী ঢাকার শাহবাগ এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পিবিআই, কুমিল্লার পরিদর্শক মো.মতিউর রহমান। গ্রেফতার সাত্তার নগরীর ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর এবং জিল্লুর হত্যা মামলার দুই নম্বর আসামি।

আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে গত বছরের ১১ নভেম্বর নগরীর চৌয়ারা এলাকায় যুবলীগ কর্মী জিল্লুর রহমান চৌধুরীকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা করে একদল সশস্ত্র সন্ত্রাসী। ঘটনার পরদিন তাঁর ভাই ইমরান হোসেন চৌধুরী সদর দক্ষিণ থানায় ২৪ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও ১০/১৫ জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। আলোচিত এ মামলাটি প্রথমে তদন্ত করে সদর দক্ষিণ থানা পুলিশ। সর্বশেষ গত ১ ডিসেম্বর মামলার তদন্তের দায়িত্ব পায় পিবিআই, কুমিল্লা। কাউন্সিলর সাত্তার গ্রেপ্তারের খবরে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন মামলার বাদী ইমরান হোসেন চৌধুরী। 

এদিকে ২০১৮ সালের ২৬ নভেম্বর রাতে নগরীর ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের শামবক্সি (ভল্লবপুর) এলাকায় সন্ত্রাসীরা মোটরসাইকেলে করে এসে ছাত্রলীগ নেতা দেলোয়ারকে মাথায় গুলি করে হত্যা করে। দেলোয়ার কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদকের পদে ছিলেন। এ ঘটনার পরদিন নিহতের বড় ভাই মো.শাহাদাত হোসেন নয়ন বাদী হয়ে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। ওই মামলাটিও থানা ও ডিবি পুলিশ পর তদন্ত শুরু করে পিবিআই, কুমিল্লার সদস্যরা। গত বছরের ২৪ সেপ্টেম্বর পিবিআইয়ের সদস্যরা এ মামলায় সদর দক্ষিণ থানার নোয়াগ্রাম গ্রামের সফিকুর রহমান রহমানের ছেলে আনোয়ার হোসেনকে গ্রেফতার করে। আনোয়ার মামলার প্রধান আসামি রেজাউলের বিশ্বস্ত সহযোগী। ওইদিন পিবিআইয়ের জিজ্ঞাসাবাদে সে দেলোয়ার হত্যাকাণ্ডের পুরো ঘটনা স্বীকার করে। এরপর আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয় আনোয়ার। আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে আনোয়ার জানায়, দেলোয়ারকে হত্যার মূল পরিকল্পনাকারী কাউন্সিলর আবদুস সাত্তার।  

দেলোয়ার হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআই, কুমিল্লার পরিদর্শক মো.মতিউর রহমান এবং জিল্লুর হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পরিদর্শক বিপুল চন্দ্র দেবনাথ বলেন, গ্রেফতারকৃত সাত্তারকে আলোচিত এই দু’টি হত্যা মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে বুধবার কুমিল্লার আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হবে। জিল্লু হত্যা মামলায় তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করা হবে। দেলোয়ার হত্যা মামলায় একজন আসামি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। এজন্য ওই মামলায় তাকে আর জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজন নেই। 

বিডি প্রতিদিন/ মজুমদার 


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৬ জানুয়ারি, ২০২১ ২০:৩২
আপডেট : ২৬ জানুয়ারি, ২০২১ ২০:৩৭
প্রিন্ট করুন printer

নাটোর পৌরসভার প্যানেল মেয়র মাসুমকে খুঁজছে পুলিশ!

নাটোর প্রতিনিধি:

নাটোর পৌরসভার প্যানেল মেয়র মাসুমকে খুঁজছে পুলিশ!
আরিফুর রহমান মাসুম

চাঁদা না দেওয়ার কারণে ঠিকাদারের প্রতিনিধির ওপর হামলার ঘটনায় নাটোর পৌরসভার কাউন্সিলর প্যানেল মেয়র ও জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আরিফুর রহমান মাসুমের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন নাটোর শহরের ঠিকাদার মেসার্স পিংকি কন্সট্রাকশনের মালিক আশফাকুল ইসলাম।

সোমবার রাতে তিনি নাটোর সদর থানায় কাউন্সিলর আরিফুল ইসলাম মাসুমের নামে মামলা দায়ের করেন। এই ঘটনার পর থেকে কাউন্সিলর মাসুমকে আটকের জন্য খুঁজছে পুলিশ।সকালে কাউন্সিলর মাসুমের আলাইপুরস্থ নিজ বাড়িতে অভিযান চালায় নাটোর সদর থানা পুলিশ। এসময় পুলিশকে ফাঁকি দিয়ে বাড়ির পিছনের দরজা দিয়ে পালিয়ে যায় সে। তাকে আটকের জন্য জেলা পুলিশের বেশ কয়েকটি টিম কাজ করছে।

নাটোর পৌরসভা সূত্রে জানা যায়, মেসার্স পিংকি কন্সট্রাকশন নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কার্যাদেশ মোতাবেক শহরের মিরপাড়া এলাকায় একটি নর্দমা (আরসিসি ড্রেন) নির্মাণ করছে। প্রতিষ্ঠানটির মালিক আশফাকুল ইসলাম মঙ্গলবার সকাল থেকে নর্দমা নির্মাণের কাজ অনির্দ্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করে দিয়েছেন। একইসাথে তিনি কাজ বন্ধ করতে বাধ্য হওয়ার কারণে ক্ষতিপূরণ দাবি করেছেন। এ ব্যাপারে তিনি পৌর মেয়র বরাবর একটি লিখিত দরখাস্ত জমা দিয়েছেন। কাজ বন্ধ করার কারণ জানতে চাইলে মেসার্স পিংকি কন্সট্রাকশনের মালিক আশফাকুল ইসলাম জানান, কাজ শুরুর পর পরই পৌরসভার কাউন্সিলর ও প্যানেল মেয়র আরিফুর রহমান ওরফে মাসুম তাঁর কাছে চাঁদা দাবি করেন। তিনি চাঁদা দিতে অপারগতা জানিয়ে কার্যাদেশ মোতাবেক কাজ বুঝে নেওয়ার অনুরোধ করেন।

তবুও রবিবার বিকেল সাড়ে চারটার দিকে ওই কাউন্সিলর ক্যাডারদের নিয়ে নির্মাণস্থলে গিয়ে তার প্রতিনিধিদের ওপর হামলা করেন। তারা সাইট ম্যানেজার তারিকুর রহমানকে বেদম মারপিট করে এবং তার কর্মীদের প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে চলে আসেন। এ ব্যাপারে তিনি থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন। অভিযোগের বিষয়টি স্থানীয় সাংসদ শফিকুল ইসলাম শিমুল, পৌর মেয়র উমা চৌধুরী জলি ও পুলিশ সুপার লিটন কুমার সাহাকে বিষয়টি অবহিত করেছেন। চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের সাথে জড়িতদের গ্রেফতার করে বিচার না করা পর্যন্ত তিনি নর্দমা নির্মাণের কাজ করতে পারবেন না বলে জানিয়ে দিয়েছেন।

এ ব্যাপারে জানার জন্য মঙ্গলবার সকালে অভিযুক্ত কাউন্সিলরের সাথে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করে তার ফোন বন্ধ পাওয়া গেছে।

সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, এ ব্যাপারে মামলা হয়েছে। মাসুমকে আটকের জন্য পুলিশ খুঁজছে।

নাটোর পৌরসভার মেয়র উমা চৌধুরি জলি জানান, ঠিকাদারের আবেদনের প্রেক্ষিতে কাউন্সিলর মাসুমের বিরুদ্ধে প্রশাসনকে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বলা হয়েছে।

বিডি প্রতিদিন/হিমেল


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৬ জানুয়ারি, ২০২১ ২০:৩০
প্রিন্ট করুন printer

গাজীপুরে নিরাপদ আবাসন কেন্দ্রে নারীর ঝুলন্ত লাশ

গাজীপুর প্রতিনিধি:

গাজীপুরে নিরাপদ আবাসন কেন্দ্রে নারীর ঝুলন্ত লাশ

গাজীপুরে মহিলা, শিশু ও কিশোরী নিরাপদ আবাসন কেন্দ্রে গলায় ফাঁসি লাগানো অবস্থায় নারীর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহতের নাম নাজমা আক্তার (২০)। তিনি ময়মনসিংহের নান্দাইল থানার উত্তর কোনাপাড়া গ্রামের মো. হারেছ আলীর মেয়ে। 

মঙ্গলবার দুপুরে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের মোগড়খাল এলাকায় অবস্থিত ওই কেন্দ্রের তৃতীয় তলায় ৩০৩ নম্বর রুমের টয়লেট থেকে তার লাশটি উদ্ধার করা হয়। 

গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (জিএমপি) বাসন থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শেখ মিজানুর রহমান জানান, ঢাকা শাহআলী থানার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে দায়ের করা একটি মামলায় গত ২২ ডিসেম্বর গাজীপুর মহানগরের কোনাবাড়ী থানাধীন সমাজসেবা অধিদপ্তরের শিশু উন্নয়ন কেন্দ্র (বালিকা) হতে এ প্রতিষ্ঠানে আসে। তার (হেফাজতী সিরিয়াল নং-১২২৯) এবং ওইদিন থেকে এ কেন্দ্রের হেফাজতী ছিল। 

নিরাপদ আবাসন কেন্দ্রের কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে ওই পুলিশ কর্মকর্তা আরও জানান, মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে ওই কেন্দ্রে হেফাজতে থাকা সকল হেফাজতীদের প্রতিদিনের মতো ভবনের নিচে নামানো হলে ওই নারী মাথা ব্যথার অজুহাতে নিচে নামেননি। বেলা সোয়া একটার দিকে সবাইকে ভবনের উপরে পাঠালে সেখানে ৩০৩ নম্বর রুমে টয়লেটের দরজার সাথে ওই নারীর গলায় ওড়না প্যাঁচানো ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পায় ওই কেন্দ্রের অপর হেফাজতীরা। খবর পেয়ে কর্তব্যরত নারী পুলিশ সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে গাজীপুরের শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে ময়না তদন্তের জন্য তার লাশ মর্গে রাখা হয়। 

বিডি প্রতিদিন/ মজুমদার 


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৬ জানুয়ারি, ২০২১ ২০:২৪
আপডেট : ২৬ জানুয়ারি, ২০২১ ২০:২৯
প্রিন্ট করুন printer

রূপগঞ্জে দুই ব্যবসায়ীকে অজ্ঞান করে টাকা লুট

রূপগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি

রূপগঞ্জে দুই ব্যবসায়ীকে অজ্ঞান করে টাকা লুট
প্রতীকী ছবি

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে কাপড় ব্যবসায়ী আপন দুই ভায়রাকে অজ্ঞান করে টাকা লুটের ঘটনা ঘটেছে। ভুক্তভোগীদের দাবি, মলম পার্টির সদস্যরা মোবাইল ফোনসহ ৫ লাখ টাকা লুট করে নেয়।

মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলার ভুলতা পুলিশ ফাঁড়ির সামনে গাউছিয়া পাইকারী কাপড়ের বাজারে এ ঘটনা ঘটেছে।

ভুক্তভোগী শহিদুল ইসলাম ভূইয়া জানান, তিনি আড়াইহাজার উপজেলার কলাগাছিয়া গ্রামের হাজী সোহরাবের ছেলে। মঙ্গলবার সকালে তিনি এবং তার ভায়রা নরসিংদী মাধবদী থানার খাদিমাচর এলাকার আব্দুর রউফের ছেলে শামিমকে নিয়ে পাইকারী কাপড় কিনতে গাউছিয়া কাপড়ের বাজারে আসেন।

কিন্তু দুপুর ১২টার দিকে গাউছিয়া পুলিশ ফাঁড়ির ৫০ গজ দূরে রেদোয়ান প্লাজার সামনে মলম পার্টির দুজন সদস্য তাদের মুখে রুমাল চেপে ধরেন। মুহূর্তে তারা অজ্ঞান হয়ে গেলে দুর্বৃত্তরা তাদের দুজনের সাথে থাকা কাপড় কেনার ৫ লাখ টাকা ও দুটি মোবাইল ফোন লুটে নেয়। পরে স্থানীয় এক ভ্যান চালক তার ভ্যান গাড়িতে করে দুই কাপড় ব্যবসায়ীকে গাউছিয়ার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করান।

এ ব্যাপারে ভুলতা পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ নাজিমউদ্দিন মজুমদার বলেন, সাপ্তাহিক হাটের দিন এখানে লক্ষাধিক লোকের সমাগম হয়। তাছাড়া লোকাল বাস আর লেগুনা-ট্রাকের কারণে মহাসড়কে যানজট লেগে যায়। এসব ব্যাপার সামাল দিতেই আমরা হিমশিম খাই। তাই সবাইকে বাড়তি নিরাপত্তা দেয়া সম্ভব হয়ে ওঠে না। ক্ষতিগ্রস্ত দুই ব্যবসায়ী এখনো কোনো অভিযোগ দায়ের করেননি। অভিযোগের পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

বিডি প্রতিদিন/এমআই


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৬ জানুয়ারি, ২০২১ ২০:১৭
প্রিন্ট করুন printer

উখিয়ায় রোহিঙ্গা শিবিরে দুই সন্ত্রাসী গ্রুপের গোলাগুলিতে নিহত ১

টেকনাফ (কক্সবাজার) প্রতিনিধি

উখিয়ায় রোহিঙ্গা শিবিরে দুই সন্ত্রাসী গ্রুপের গোলাগুলিতে নিহত ১
প্রতীকী ছবি

কক্সবাজারের উখিয়ায় রোহিঙ্গা শিবিরে দুই সন্ত্রাসী মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় মোহাম্মদ জাবেদ (২০) নামে এক রোহিঙ্গা নিহত হয়েছেন। তিনি উখিয়া উপজেলার পালংখালী ইউনিয়নের তানজিমারখোলা রোহিঙ্গা শিবিরের ডি/৪ ব্লকের বাসিন্দা। তার বাবার নাম মোহাম্মদ ইসলাম। সোমবার দিবাগত রাত একটার দিকে উপজেলার পালংখালী ইউনিয়নের তানজিমারখোলা রোহিঙ্গা শরণার্থীশিবিরে ডি/৮ ব্লকে এই ঘটনা ঘটেছে। কক্সবাজার ১৬ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) অধিনায়ক পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম তারিক এ তথ্য জানিয়েছেন।

সূত্র জানায়, সোমবার রাতে রোহিঙ্গা শিবিরের মোজাম্মেল ওরফে শেখ ও মৌলভি ইউনুসের নেতৃত্বে ১০ থেকে ১২ জন অস্ত্রধারী ডি/৮ ব্লকের রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিলেন। স্থানীয় পালংখালীর ঘোনারপাড়ার নুরুল হাকিম ওরফে মনুইয়ার নেতৃত্বে সাত থেকে আটজন এ সময় তাদের পথরোধ করেন। তাঁরা রাতের বেলায় শেখের পক্ষের লোকজনকে ঘোরাঘুরি করতে নিষেধ করেন।

এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। তিন থেকে চারটি গুলিবিনিময়ের ঘটনা ঘটে। ওই সময় উভয় পক্ষের গোলাগুলিতে রোহিঙ্গা শিবিরের ডি/৪ ব্লকের বাসিন্দা মোহাম্মদ জাবেদ গুলিবিদ্ধ হন। পরে তাঁকে উদ্ধার করে রোহিঙ্গা শিবিরের স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

বিডি প্রতিদিন/আল আমীন


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

এই বিভাগের আরও খবর