শিরোনাম
প্রকাশ : ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ০৯:১৩
প্রিন্ট করুন printer

তোড়জোড়ে দেড় বছর পার, তবুও অপসারণ হয়নি ময়লার ভাগাড়!

সিলেট প্রতিনিধি

তোড়জোড়ে দেড় বছর পার, তবুও অপসারণ হয়নি ময়লার ভাগাড়!

সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলা পরিষদ সড়কের প্রবেশমূখে জমে থাকে ময়লার স্তুপ। ছড়াচ্ছে উৎকট দুর্গন্ধ। দেড় বছর পূর্বে এ ময়লা অপসারণে সংশ্লিষ্টগণ তোড়জোড় শুরু করলেও, অপসারণ হয়নি ময়লার ভাগাড়। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সামনেই এই পরিবেশ দূষণে বিপর্যস্থ হয়ে পড়েছে শিক্ষার্থীরা ও এলাকাবাসী।

সরেজমিন দেখা যায়, উপজেলার নতুন বাজার গোলচত্বর থেকে খোদ উপজেলা পরিষদ সড়কের প্রবেশমুখে হাজী মফিজ আলী বালিকা স্কুল এন্ড কলেজের মূল গেইটের সামনের খোলা অংশটিতে জমে আছে ময়লার ভাগাড়। এই ময়লা-আবর্জনার দূর্গন্ধে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে কোমলমতি শিক্ষার্থী, অভিভাবক, পথচারীসহ, এলাকাবাসীকে। পাশাপাশি, তাদেরকে পড়তে হচ্ছে মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকিতে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, স্থানীয় কতিপয় ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, বাসা-বাড়ির ময়লা, নিয়মিতই এখানে ফেলা হয়। যারা ময়লা ফেলেন, তাদেরকে উপজেলা প্রশাসন ও কলেজ কর্তৃপক্ষ নিষেধ করলেও কর্ণপাত করেনি কেউ। তারা জানান, দেড় বছরেও ময়লা ফেলার বিকল্প কোন স্থান পাইনি আমরা।

শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করে বলেন, 'বিদ্যালয়ে আসা-যাওয়ার পথে ময়লা-আবর্জনার দুর্গন্ধে দম বন্ধ হয়ে আসার উপক্রম হয়। বাতাসের মাধ্যমে এই দুর্গন্ধ বিদ্যালয় ক্যাম্পাসেও চলে আসে। যার কারণে বিদ্যালয় অধ্যায়ণকালে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়।'

হাজী মফিজ আলী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ নেহারুন নেছা বলেন, 'এটা দীর্ঘদিনের সমস্যা। একটু বৃষ্টি হলেই সেখানে অতিরিক্ত দুর্গন্ধের সৃষ্টি হয়। এই দূর্গন্ধের কারণে শিক্ষার্থীদের নানাবিধ রোগে আক্রান্ত হবারও ঝুঁকি রয়েছে।'

বিশ্বনাথ সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ছয়ফুল হক বলেন, ' নবগঠিত বিশ্বনাথ পৌরসভারপরবর্তী সভায় ময়লা অপসারণে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার কথা রয়েছে।'

এছাড়াও, বিশ্বনাথ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক বর্ণালী পাল বলেন, আমি সর্বোচ্চ চেষ্টা  করেছি আপসারণের। স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের মাধ্যমে আমরা উদ্যোগও নিয়ে ছিলাম। পরবর্তীতে ‘করোনা’র কারণে সে অনুযায়ী এগুতে পারিনি। বর্তমানে এটা পৌরসভার অন্তর্ভূক্ত হয়েছে। বরাদ্দ আসলেই নিয়মানুযায়ী এ ময়লা অপসারণে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।'

 


বিডি প্রতিদিন / অন্তরা কবির 


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর