শিরোনাম
প্রকাশ : ৮ মার্চ, ২০২১ ১৯:১৪
প্রিন্ট করুন printer

সেন্টমার্টিনে ইয়াবা ও কাঠের নৌকাসহ ৫ মাদক পাচারকারী আটক

টেকনাফ (কক্সবাজার) প্রতিনিধি

সেন্টমার্টিনে ইয়াবা ও কাঠের নৌকাসহ ৫ মাদক পাচারকারী আটক

কক্সবাজারের সেন্টমার্টিনে কোস্টগার্ড সদস্যরা অভিযান চালিয়ে ৩০ হাজার ইয়াবা ও একটি কাঠের নৌকা জব্দ করেছে। এ সময় ৫ মাদক পাচারকারীকে আটক করা হয়েছে। চট্রগ্রাম দক্ষিণ-পূর্ব জোনের মিডিয়া কর্মকর্তা লে. কমান্ডার আমিরুল হক এক প্রেস বিজ্ঞপ্তি মাধ্যমে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, সোমবার দুপুরে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড স্টেশান সেন্টমার্টিন্স কর্তৃক একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে পাচারের সময় ৩০ হাজার পিস ইয়াবা ও পাচারকার্যে ব্যবহৃত কাঠের নৌকাসহ পাঁচ জন মাদক পাচারকারীকে আটক করা হয়।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায় যে,টেকনাফ শাহপরীরদ্বীপ সংলগ্ন নাফনদীর মোহনা দিয়ে মায়ানমার হতে বাংলাদেশে ইয়াবা পাচার হবে। প্রাপ্ত সংবাদের ভিত্তিতে স্টেশন কমান্ডার সেন্টমার্টিন লে. এম আরিফুজ্জামান রনির নেতৃত্বে টেকনাফ থানাধীন সেন্টমার্টিন লাইট হাউজ হতে ৪ নটিক্যাল মাইল উত্তর পূর্ব দিকে অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযান চলাকালীন সময়ে মায়ানমার সীমানা হতে ১টি কাঠের নৌকা বাংলাদেশ সীমানায় আসতে দেখা যায় এবং বাংলাদেশ সীমানায় আসার পরে সন্দেহজনকভাবে কাঠের নৌকাটিকে থামার জন্য সংকেত দেওয়া হয়। কোস্টগার্ড এর এর স্পিড বোট দেখে দ্রুত গতিতে পালাতে চেষ্টা করলে কোস্টগার্ডের সদস্যরা ধাওয়া করে কাঠের নৌকাটি জব্দ করে।

পরবর্তীতে নৌকাটি তল্লাশি করে ৩টি প্লাস্টিক পলিথিনের প্যাকেটে মোড়ানো অবস্থায় ৩০ হাজার পিস ইয়াবাসহ পাঁচ জন মাদক পাচারকারীকে আটক করতে সক্ষম হয়। জব্দকৃত ইয়াবার আনুমানিক বাজার মূল্য ৯০ লক্ষ টাকা। আটককৃতরা হলেন টেকনাফ শাহপরীরদ্বীপের মৃত নুর আহমদের ছেলে নুরুল আমিন (৫০), একই এলাকার কালা মিয়ার ছেলে আব্দুল কুদ্দুস(৪০), ফরিদ আহমেদ এর ছেলে  করিম মোল্লা (২৫), ফরেছের ছেলে ওমর ফারুক(২২), ডাংগারপাড়া এলাকার আমিনের ছেরে সানাম উল্লাহ(৩০) ।

আটককৃত ইয়াবা পাচারকারীদের জব্দকৃত ইয়াবা ট্যাবলেট ও কাঠের নৌকা পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
তিনি আরো জানান, বাংলাদেশ কোস্টগার্ড এর আওতাভুক্ত এলাকা সমূহে আইন শৃঙ্খলানিয়ন্ত্রণ, জন নিরাপত্তার পাশাপাশি বনদস্যুতা, ডাকাতি দমন ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ রোধে কোস্ট গার্ডের জিরো টলারেন্স নীতি অবলম্বন করে, নিয়মিত অভিযান অব্যাহত আছে এবং ভবিষ্যতে ও থাকবে।

বিডি প্রতিদিন/আল আমীন


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর