শিরোনাম
প্রকাশ : ১৮ মার্চ, ২০২১ ১৭:২৭
প্রিন্ট করুন printer

সাংবাদিক মুজাক্কির হত্যা, বিস্ফোরক মামলার ১২ আসামিকে শ্যোন এরেস্ট

নোয়াখালী প্রতিনিধি

সাংবাদিক মুজাক্কির হত্যা, বিস্ফোরক মামলার ১২ আসামিকে শ্যোন এরেস্ট
মুজাক্কির

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় আওয়ামী লীগের দু’পক্ষের মধ্যে চলমান বিরোধ, সংঘর্ষ, গোলাগুলি ও হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় পুলিশের দায়ের করা বিষ্ফোরক মামলায় গ্রেফতারকৃত ১২ আসামিকে মুজাক্কির হত্যা মামলায় শ্যোন এরেস্ট দেখিয়েছে পিবিআই। 

বৃহস্পতিবার দুপুরে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ২নং আমলী আদালতে আবেদন করলে বিচারক এসএম মোসলেহ উদ্দিন মিজান শুনানী শেষে তাদের শ্যোন এরেস্টের আদেশ দেন। পরে বিকালে তাদেরকে আদালত থেকে জেলা কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়।  

আসামিরা হচ্ছে, ইউছুফ নবী বাহাদুর, আলমগীর হোসেন, রাহাত, আবদুল আমিন, আজিজুল হক মানিক, মোশারফ হোসেন, সুজায়েত উল্যা সবুজ, বিক্রম চন্দ্র ভৌমিক, ফয়সাল আলম টিটু, দেলোয়ার হোসেন, মাসুদুর রহমান ও সেলিম।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, কোম্পানীগঞ্জ থানা পুলিশের দায়ের করা বিষ্ফোরক মামলায় কারাগারে থাকা ১২ আসামিকে বৃহস্পতিবার সকালে আদালতের হাজির করে পিবিআই। এসময় গ্রেফতারকৃতদের সাংবাদিক মুজাক্কির হত্যা শ্যোন এরেস্টের আবেদন করা হয়। দুপুরে শুনানি শেষে আদালত তাদের শ্যোন এরেস্ট দেখিয়ে কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন।

প্রসঙ্গত, গত ৯মার্চ মঙ্গলবার বিকেল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত বসুরহাটে আওয়ামী লীগের দুই পক্ষের গোলাগুলিতে আলা উদ্দিন নামে এক যুবলীগ কর্মী নিহত হয়। এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে বিষ্ফোরক আইনে একটি মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মিজানুর রহমান বাদলসহ ৪০জনকে গ্রেফতার করা হয়। 

এরআগে, গত ১৯ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার বিকেলে চাপরাশিরহাট পূর্ব বাজারে আওয়ামী লীগের দুই পক্ষের গোলাগুলির ঘটনায় সাংবাদিক বুরহান উদ্দিন মুজাক্কিরসহ বেশ কয়েকজন গুলিবিদ্ধ হয়। পরে ২০ ফেব্রুয়ারি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ১০টা ৪৫মিনিটে মুজাক্কির মারা যায়। এ ঘটনায় নিহতের বাবা নুরুল হুদা ২৩ ফেব্রুয়ারি অজ্ঞাত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কোম্পানীগঞ্জ থানায় মামলা করেন। ওইদিন মামলাটি অধিকতর তদন্তের জন্য পিবিআইতে হস্তান্তর করা হয়। এ মামলায় বসুরহাট বাজারে অভিযান চালিয়ে গত ৭মার্চ বেলাল হোসেন প্রকাশ পাঙ্খা বেলালকে গ্রেফতার করে পিবিআই। 

বিডি-প্রতিদিন/ সালাহ উদ্দীন


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর