শিরোনাম
প্রকাশ : ৮ মে, ২০২১ ১১:৩৯
আপডেট : ৮ মে, ২০২১ ১২:২৩
প্রিন্ট করুন printer

ঘাটে পারাপারের অপেক্ষায় এ্যাম্বুলেন্সের সারি, ফেরি চালুর দাবি

মাদারীপুর প্রতিনিধি

ঘাটে পারাপারের অপেক্ষায় এ্যাম্বুলেন্সের সারি, ফেরি চালুর দাবি
ফাইল ছবি
Google News

বাংলাবাজার শিমুলিয়া নৌ-পথে ফেরি চলাচল দিনের বেলায় সম্পূর্ণভাবে বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে বিআইডব্লিউটিসি। এতে বিপাকে পড়েছে অসংখ্য মুমূর্ষু রোগী ও তাদের স্বজনরা। শনিবার সকাল থেকেই ঢাকামুখী জরুরি সেবার যানবাহনসহ অসংখ্য মুমূর্ষু রোগীর এ্যাম্বুলেন্স পারের অপেক্ষায় আটকে পড়ে। রোগীর স্বজনদের দাবি দ্রুত নদী পার হয়ে হাসপাতালে সময় মতো রোগীকে না পৌঁছাতে পারলে রোগী মারা যাওয়ার শঙ্কা রয়েছে।

মাহমুদ নামে এক রোগীর স্বজন জানান, আমাদের রোগীর অবস্থা খুব খারাপ। অল্প সময়ের মধ্যে ঢাকায় নিতে না পারলে বড় ধরনের ক্ষতি হয়ে যাবে।

আরেক রোগী বলেন, আমি ক্যান্সার রোগী। আমার ক্যামো দেয়ার তারিখ আজ। ফেরি ঘাটে এসে দেখি ফেরি বন্ধ। আমাদের অনুরোধ, রোগীবাহী এ্যাম্বুলেন্সগুলো চলাচলের সুযোগ দেয়া হোক।

গতকাল শুক্রবার ঈদকে সামনে রেখে বাড়ি ফেরা মানুষের ঢল নামে মাদারীপুরের বাংলাবাজার ফেরি ঘাটে। বিআইডব্লিউটিসি'র ঘাট সূত্র জানায়, বাংলাবাজার-শিমুলিয়া নৌপথে স্বাভাবিক অবস্থায় ১৬টি ফেরি চলাচল করে।  লকডাউনের কারণে  ১৪ এপ্রিল থেকে সীমিত করা হয় ফেরি চলাচল।  লকডাউনের শুরুতে জরুরি সেবা চালু রাখতে ছোট ৭ ফেরি  চলাচল করতো। শুক্রবার ঘরমুখী যাত্রী ও জরুরি প্রয়োজনে আসা যানবাহনের প্রচণ্ড চাপ থাকায় সব কয়টি ফেরি চলাচল স্বাভাবিক ছিলো। তবুও পারের অপেক্ষায় উভয় পাড়ে আটকা পড়েছে অসংখ্য যানবাহন। 

বিআইডব্লিউটিসি শিমুলিয়া ফেরিঘাটের ব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) সাফায়াত আহম্মেদ জানান, করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে দিনের বেলায় ফেরি চলাচল পুরোপুরি বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্তৃপক্ষ। তবে সন্ধ্যার পর জরুরি সেবা চালু রাখতে সীমিত পরিসরে ছোট কয়েকটি ফেরি চলবে।
 

বিডি প্রতিদিন/ফারজানা

এই বিভাগের আরও খবর