শিরোনাম
৮ আগস্ট, ২০২১ ১৮:২৯

পত্নীতলায় আঞ্চলিক সড়ক বেহাল, জনদুর্ভোগ চরমে

বাবুল আখতার রানা, নওগাঁ

পত্নীতলায় আঞ্চলিক সড়ক বেহাল, জনদুর্ভোগ চরমে

পত্নীতলায় আঞ্চলিক সড়কের বেহাল অবস্থা।

নওগাঁর পত্নীতলায় আঞ্চলিক সড়কের অবস্থা বেহাল হওয়ায় জনদুর্ভোগ চরমে উঠেছে। পত্নীতলার নওগাঁ-জয়পুরহাট আঞ্চলিক সড়কের সোনালী ফিলিং স্টেশন থেকে ঠুকনিপাড়া মোড় পর্যন্ত, আবার মাইক্রোস্ট্যান্ড থেকে পুঁইয়া সোনালী ফিলিং স্টেশন পর্যন্ত প্রায় দেড় কিলোমিটার রাস্তাটি দীর্ঘদিন ধরে যান চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে।

ফলে সড়কটি দিয়ে শতশত যাত্রীবাহী ছোটবড় পরিবহন যাতায়াতে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। সড়কের বিভিন্ন স্থানে ছোট-বড় অনেক গর্তের সৃষ্টি হওয়ায় দুর্ভোগে হাজারো মানুষ। এসব গর্তের উপর দিয়ে অটোরিকশা, ইজিবাইক, মালবাহী গাড়ি, কিংবা যাত্রীবাহী ছোটছোট যানবাহন উল্টে গিয়ে ঘটছে দুর্ঘটনা।

জানা গেছে, দেড় কিলোমিটার সড়কের বিভিন্ন স্থানে খানাখন্দ আর গর্তে বেহাল দশায় যান চলাচল অযোগ্য হয়ে পড়েছে সড়কটি। ওই এলাকার সামনে সড়কের গর্তে পানি জমে মনে হয় যেন পুকুরে পরিণত হয়েছে। সড়কটি কোথাও কোথাও এক-দুই ফুট গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। এছাড়া পুরো সড়কটিতে বৃষ্টির পানি জমে কাদায় একাকার হয়ে গেছে।

এমতাবস্তায় ওই জলাবদ্ধতার পানি ও কাদামাখা সড়কটি দিয়েই হাজার হাজার যানবাহন ও মানুষ চরম দুর্ভোগ নিয়ে চলাচল করছেন। সওজ বিভাগ মাঝে মাঝে কিছু ইট দিয়ে মেরামত করলেও পরে আবার আগের অবস্থা হয়ে যায়।

অটোরিকশা চালক হাসান আলী ও ট্রাকচালক জলিল জানান, এ রাস্তা দিয়ে প্রতিদিনই হাজারো যান চলাচল করে। রাস্তার গর্তের কারণে অটোর বিভিন্ন যন্ত্রণাংশ দ্রুত নষ্ট হয়ে যায়।

জেলা ট্রাক ট্যাংক লড়ি কাভার্ডভ্যান পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম বলেন, রাস্তার বেহাল দশার কারণে রাস্তার উপরে মালবাহী ট্রাক উল্টে গিয়ে মালামাল রাস্তায় পরে গিয়ে নষ্ট হচ্ছে। দ্রুত রাস্তাটি টেকসই ও মজবুতের দাবি জানান। ব্যবসায়ী রতন ও কানু বলেন, প্রায় প্রতিদিনই এই সড়কে ছোটবড় সব ধরনের মালবাহী যানবাহন উল্টে পরে থাকছে।

পত্নীতলা সড়ক ও জনপথ বিভাগের উপ-প্রকৌশলী আরিফ হোসেন জানান, রাস্তার দুই পাশে মার্কেট ও বাসাগুলো উঁচু হওয়ায় রাস্তা নিচু হয়েছে। ফলে জলাবদ্ধতার কারণে এ রকম হচ্ছে। ট্রাকের অফিস থাকায় বড় বড় মালবাহী ট্রাকগুলো এখানে এসে ব্রেক মারার কারণে রাস্তার ইট উঠে যাচ্ছে। প্রতিনিয়ত মেরামত করা হলেও টিকছে না। পানি নিষ্কাশনের জন্য ড্রেন করে দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু ট্রাক থামার কারণে ড্রেনের মুখগুলো বন্ধ হয়ে যায়। তবে এক থেকে দেড় মাসের মধ্যে একটি প্রজেক্ট আসার কথা রয়েছে। সেটা বাস্তবায়ন হলে ড্রেনেজ ব্যবস্থাসহ রাস্তা প্রশস্তকরণ হবে, তখন আর ভোগান্তি থাকবে না।

বিডি প্রতিদিন/এমআই

এই বিভাগের আরও খবর