২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২২ ২০:৪৩

কলাপাড়ায় বসেছে গোলের গুড়ের হাট

কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি

কলাপাড়ায় বসেছে গোলের গুড়ের হাট

কলাপাড়ায় বসেছে গোলের গুড়ের হাট।

গোলের গুড়ে কোনো ক্ষতি নেই। আর চাহিদাও রয়েছে অনেক। তাই গোলের গুড়ের হাট বসেছে পটুয়াখালীর কলাপাড়ায়। স্থানীয়সহ দেশের বিভিন্ন এলাকার ক্রেতাদের ভিড় পড়েছে এ হাটে। প্রতি মঙ্গলবার সাপ্তাহিক হাটে পৌর শহরের লঞ্চঘাট সংলগ্ন এলাকায় সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত সারিবদ্ধভাবে বসে এই গুড় বিক্রি করছেন ব্যবসায়ীরা।

তবে তিন প্রকারের গুড়ের দামও তিন ধরনের। গোল চাষিদের তৈরি করা গুড় বড় কোনো প্লাস্টিকের বালতি, সিলভারের পাতিল, কলসে কিংবা মাটির হাড়িতে নিয়ে আসেন এ হাটে।

গুড় বিক্রেতারা বলেন, উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের নবীপুর, চাঁদপাড়া, ইসলামপুর, রজপাড়া, নাওভাঙ্গা ও মিঠাগঞ্জ গ্রামে ব্যাপক গোল গাছের বাগান রয়েছে। এ গাছের তেমন পরিচর্যা করতে হয় না। তাছাড়া রোগ বালাইও নেই। তাই চাষিদের খরচও কম। বছরের চার মাস গোলের গুড় বিক্রি করে গোল গাছ চাষিরা বাড়তি আয় করে থাকেন। এলাকার সকল গোল গাছের বাগান প্রাকৃতিকভাবে জন্মায়।

গুড় বিক্রেতা বেল্লাল ঘরামি বলেন, গোলের গুড়ের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। এই হাটে ৫ মণ গুড় এনেছি। এর মধ্যে ২ মণ গুড় বিক্রি করেছে। অপর গুড় বিক্রেতা রসিদ খা বলেন, সে ১৫০ টাকা দরে দেড় মণ গোলের গুড় বিক্রি করেছে। এ হাটে আরও ৫ কেজি বিক্রি হতে পারে বলে তিনি জানিয়েছেন।

গুড় ক্রেতা মো. ফেরকানুল ইসলাম বলেন, অন্যান্য গুড়ের চেয়ে আলাদা স্বাদযুক্ত, সাশ্রয়ী হওয়ায় এবং দীর্ঘদিন সংরক্ষিত থাকে বলে গোলের গুড়ের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে।

গোলগাছ চাষি নিঠুর হাওলাদার বলেন, এখন বাজারে গিয়ে গুড় বিক্রি করতে হয় না। এক শ্রেণির খুচরা বিক্রেতারা বাড়ি এসেই গুড় নিয়ে যায়।

বন বিভাগের কলাপাড়া বন কর্মকর্তা আব্দুস সালাম বলেন, পরীক্ষামূলকভাবে বেশ কয়েকটি স্থানে গোলগাছের চারা রোপণ করা হয়েছে। এতে ব্যাপক সফলতা পেয়েছি। এ গাছগুলো উপকূলীয় এলাকার প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষার পাশাপাশি স্থানীয় মানুষের জীবনমান উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে বলে এই কর্মকর্তা জানিয়েছেন।

বিডি প্রতিদিন/এমআই

এই রকম আরও টপিক

এই বিভাগের আরও খবর

সর্বশেষ খবর