শিরোনাম
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ৪ মে, ২০২১ ০০:০০ টা
আপলোড : ৩ মে, ২০২১ ২৩:২০

বিচিত্রতা

পিরামিড

আফতাব চৌধুরী

পিরামিড পৃথিবীর সপ্তম আশ্চর্যের একটি। এ ছাড়া পিরামিডকে মিসরের ফারাও রাজা ও পরিবার-পরিজনের সমাধি বলে ভাবা হয়। দেশের শাসনভার তাদের ওপরই ন্যস্ত ছিল। কথিত আছে, তাদের কবরের ওপর নির্মিত সমাধিগুলোই পিরামিড নামে পরিচিত। তবে এখানে শুধু যে তাদের মৃতদেহ সমাধিস্থ হতো তাই নয়, তাদের ব্যবহৃত বহু মূল্যবান অলঙ্কার, ধনসম্পত্তি তাদের কবরে স্থান পেত। কারণ মিসরের রাজারা বিশ্বাস করতেন মৃত্যুর পরও জীবন আছে। তাই তাদের ভোগবাসনার সমস্ত জিনিস তারা তাদের সঙ্গেই রাখতে চাইতেন। এহেন পিরামিড- এ নামটির সঙ্গেই কেমন যেন রহস্যময়তা জড়িয়ে আছে। সুউচ্চ এ পিরামিডগুলোর সামনে দাঁড়ালেই কেমন যেন রহস্যের হাতছানি, যা জানার ইচ্ছাকে আরও তীব্র থেকে তীব্রতর করে তোলে। তাই মিসর বলতে পিরামিড, নীল নদ আর রাজা-বাদশাহদের মমি এ কথাগুলো সবার আগে মনে পড়ে। মিসরে সবচেয়ে বড় ও আকর্ষণীয় পিরামিডটি হলো গিজার পিরামিড বা খুফুর পিরামিড। এটি নির্মিত হয়েছিল প্রায় খ্রিস্টপূর্ব ৫ হাজার বছর আগে। এর উচ্চতা প্রায় ৪৮১ ফুট। এটি প্রায় ৭৫৫ বর্গফুট জমির ওপর স্থাপিত। শোনা যায়, এটি তৈরিতে নাকি লেগেছিল ২০ বছর। নির্মাণকাজে শ্রমিকের সংখ্যা ছিল প্রায় ১ লাখ। বিশ্বের সব মানুষের কাছেই পিরামিডের আকর্ষণ দুর্নিবার, তা ইতিহাসের পাতায় হোক কিংবা চাক্ষুস দর্শনে। এসব কারণে পর্যটকদের কাছেও পিরামিডের আকর্ষণ কিছু কম নয়। যুগ যুগ ধরে মানুষ ভিড় জমিয়েছে এ পিরামিডের রহস্যভেদে। ইতিহাসবিদরাও তাদের গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছেন। মিসর ছাড়া আরও এমন অনেক দেশ আছে যেখানে পিরামিডের সন্ধান পাওয়া গেছে। প্রত্নতত্ত্ব জানাচ্ছে, মিসরই একমাত্র পিরামিড নির্মাণকারী দেশ নয়।