Bangladesh Pratidin || Highest Circulated Newspaper
শিরোনাম
প্রকাশ : ৭ জুলাই, ২০১৯ ০০:২১
আপডেট : ৭ জুলাই, ২০১৯ ০০:৫৩

অনলাইন প্রতিক্রিয়া দেখে এটা মনে হলো

মোস্তফা সরয়ার ফারুকী:

অনলাইন প্রতিক্রিয়া দেখে এটা মনে হলো

আমাদের বোধ হয় একটা নায়ক যেমন লাগে, ভিলেনও লাগে। ভিলেন একটার জায়গায় দশটা হলে আরো ভালো। বিশ্বকাপ নিয়ে আমাদের অনলাইন প্রতিক্রিয়া দেখে এটা মনে হলো। 

অতি অবশ্যই কোনো রকম প্রশ্ন ছাড়াই, সাকিব আল হাসান শুধু বাংলাদেশ না, এবারের বিশ্বকাপেরই নায়ক। তার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ পারফরম্যান্স বহু বছর ক্রিকেট প্রেমিরা মনে রাখবে। আমরা যারা তথাকথিত "বেয়াদব" সাকিবের গুণমুগ্ধ শুধু তারা না, পুরো বাংলাদেশ তাকে নিয়ে গর্বিত। ক্রিকেট বিশ্বের বড় তারকারা পর্যন্ত তাকে নিয়ে লিখছে। শোয়েব আখতারের লেখাটাও পড়লাম। সাকিব যা পাচ্ছে, সেটা তার প্রাপ্যই।

কিন্তু তাকে বড় করতে গিয়ে বাকি দশ জনকে যেভাবে হেয় করছে কেউ কেউ, এটা দেখে তো মনে হয় আর কেউ ক্রিকেটার হতে চাইবে না। কেউ বলছে বাকি দশ জন অপদার্থ, কেউ বলছে ওদের উচিত সাকিবের কাছে মাফ চাওয়া, আর কেউ কেউ পারলে ওদেরকে বেঁধে এনে সাকিবের কাছে মাফই চাওয়ায়। 

আমি বুঝলাম না! এইসবের মানে কী??? সাকিবের কাছে মাফ চাওয়াতে হবে কেনো? এক জনকে বড় করতে গিয়ে বাকিদের হিউমিলিয়েট করার মানেটা কী? কেউ খারাপ করলে তার প্রতি না সহানুভূতিশীল হতে হবে, তাকে এগোনোর রাস্তা ধরাইয়া দিতে হবে। 

এই অ্যাবিউজ করার মানসিকতা কোত্থেকে আসছে? এর সাথে কি ছোট বেলায় বাবা-মায়ের অ্যাবিউসিভ আচরণের সম্পর্ক আছে?

মনে আছে- দেখতাম, বাচ্চা পরীক্ষায় খারাপ করলে শুধু যে মার দিতে তা না, স্কুলের ফার্স্ট বয়ের জুতা পরিষ্কার করতে বলতো। এই সংস্কৃতিরই ছাপ কি এই আচরণ? 

কথাগুলো না বলে পারলাম না। এই জন্য ফেসবুক থেকে দূরে থাকা ভালো। এইসব ক্লেদ দেখা লাগে না।


(লেখকের ফেসবুক থেকে সংগৃহীত, শুধুমাত্র বাংলাদেশ প্রতিদিনের জন্য)

 

বিডি প্রতিদিন/মজুমদার


আপনার মন্তব্য