শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, বুধবার, ০২ জুলাই, ২০২৫ আপডেট: ০২:২৬, বুধবার, ০২ জুলাই, ২০২৫

জুলাই অভ্যুত্থানের বছরপূর্তিতে খালেদা জিয়া

নতুন বাংলাদেশ গড়তে হবে

শহীদের চেতনায় দেশকে উপলব্ধি করুন : তারেক রহমান
বিশেষ প্রতিনিধি
প্রিন্ট ভার্সন
নতুন বাংলাদেশ গড়তে হবে

ঐক্য বজায় রেখে নতুন বাংলাদেশ নির্মাণের স্বপ্ন বাস্তবায়নে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী, বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। তিনি বলেছেন, বীরের রক্তস্রোত ও মায়ের অশ্রুধারা যেন বৃথা না যায়, যে কোনো মূল্যে তা নিশ্চিত করতে হবে। ঐক্য বজায় রাখতে হবে। আসুন সবাই মিলে শহীদ জিয়ার স্বপ্ন বাস্তবায়ন করি। বাস্তবায়ন করি কোটি মানুষের নতুন বাংলাদেশ নির্মাণের স্বপ্ন। গতকাল রাজধানীতে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে বিএনপি আয়োজিত গণ অভ্যুত্থান ২০২৪ : জাতীয় ঐক্য ও গণতান্ত্রিক অভিযাত্রা শীর্ষক আলোচনা সভায় ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

খালেদা জিয়া বলেন, রক্তস্নাত জুলাই-আগস্ট এক বছর পর আমাদের মাঝে ফিরে এসেছে। দীর্ঘ ১৬ বছর ফ্যাসিস্টদের নির্মম অত্যাচার-নির্যাতন, হত্যা-গুম-খুনের মাধ্যমে গণতন্ত্রব্যবস্থা ধ্বংস করে একদলীয় শাসনব্যবস্থা চিরস্থায়ী করতে চেয়েছিল আওয়ামী শাসকগোষ্ঠী। ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে ফ্যাসিবাদের পতন হয়েছে। সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে নতুন করে বাংলাদেশ গড়ার। এ আন্দোলনে যাঁরা শহীদ হয়েছেন তাঁদের জানাচ্ছি আন্তরিক শ্রদ্ধা। আহতদের সমবেদনা। তাঁদের এ আত্মত্যাগ জাতি চিরকাল মনে রাখবে। গুম-খুন, বিচারবহির্ভূত হত্যার শিকার যাঁরা হয়েছেন তাঁদের তালিকা প্রস্তুত করতে হবে। দ্রুত বিচার ও রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। প্রতিটি পরিবারের সম্মানজনক পুনর্বাসন ও নিরাপদ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে হবে। তিনি বলেন, আমাদের সামনে যে সুযোগ তৈরি হয়েছে-নতুন করে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার, তা আমাদের নিশ্চিত করতে হবে এবং জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। সর্বোপরি বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করতে হবে। যে কোনো মূল্যে শহীদের এ রক্তস্রোত, মায়ের অশ্রুধারা যেন বৃথা না যায়, তা বজায় রাখতে হবে। যে কোনো মূল্যে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। আসুন আমরা সবাই মিলে শহীদ জিয়ার স্বপ্ন বাস্তবায়ন করি। বাস্তবায়ন করি ১৮ কোটি মানুষের নতুন বাংলাদেশ নির্মাণের স্বপ্ন।

এ অনুষ্ঠানে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেন, বিএনপি জনগণের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করতে চায়। ২৪-এর গণ অভ্যুত্থানের মাধ্যমে আমাদের সামনে একটি সুন্দর বাংলাদেশ বিনির্মাণের সুযোগ তৈরি হয়েছে। জনগণের সরাসরি ভোটে জবাবদিহিমূলক ইনসাফভিত্তিক, গণতান্ত্রিক ও মানবিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার এখনই সময়। তিনি শহীদের চেতনায় দেশকে উপলব্ধি করতে সবার প্রতি আহ্বান জানান।

জুলাই-আগস্ট স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের শোক ও বিজয়ের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে ৩৬ দিনব্যাপী কর্মসূচির উদ্বোধনী বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে শহীদ পরিবারের সদস্যদের হাতে দলের পক্ষ থেকে সম্মানসূচক ক্রেস্ট তুলে দেন মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

বেলা ৩টায় শুরু হওয়া অনুষ্ঠানে রুহুল কবির রিজভীর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া। বিশেষ অতিথি ছিলেন মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। অনুষ্ঠানে শহীদ পরিবার, আহত নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের পাশাপাশি ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে যুক্ত ৬৩টি রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতা, বুদ্ধিজীবী, সিনিয়র সাংবাদিকসহ নানান শ্রেণি-পেশার মানুষও উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে গণ অভ্যুত্থানের একটি ডকুমেন্টারি প্রদর্শন করা হয়।

শহীদ পরিবারের সদস্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন পুলিশের গুলিতে নিহত আবু সাঈদের ভাই রমজান আলী, মীর মুগ্ধের বাবা মীর মোস্তাফিজুর রহমান, ওয়াসিমের বাবা শফিউল আলম, ইয়ামিনের বাবা মহিউদ্দিন, ফারহান ফাইয়াজের ছোট বোন ফারিন, আবরার ফাহাদের বাবা বরকত উল্লাহ, পুরান ঢাকার বিশ্বজিৎ দাশের বাবা আনন্দ দাস, আবদুল্লাহ বিন জাহিদের মা ফাতেমাতুজ জোহরা, নুরুজ্জামান জনির ছোট ভাই মনিরুজ্জামান হীরা, পারভেজ হোসেনের মেয়ে আবিদা ইসলাম হৃদি, কাজী ফাহমীম জাফরের মা কাজী লু ফাহিম, গুম থেকে বেঁচে যাওয়া বিএনপির গণশিক্ষাবিষয়ক সহসম্পাদক আনিসুর রহমান তালুকদার খোকন এবং মায়ের ডাক-এর আহ্বায়ক সানজিদা ইসলাম তুলি, জুলাই-আগস্ট অভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ হয়ে পঙ্গু নাভিল, পুলিশের গুলিতে চোখ নষ্ট হয়ে যাওয়া রেদোয়ান হোসেন রিয়াদ এবং ফ্যাসিবাদ সরকারের আমলে নির্যাতনের শিকার চিকিৎসক সাখাওয়াত হোসেন সায়ান্থ।

তারেক রহমান বলেন, ১৯৭১ সালে স্বাধীনতাযুদ্ধের মুক্তিযোদ্ধাদের যেমন মানুষ ভোলেনি, তেমনই ২৪-এর যোদ্ধাদেরও জাতি ভুলবে না। বিএনপি ক্ষমতায় গেলে বিভিন্ন স্থাপনা শহীদদের নামে নামকরণের চিন্তা আমাদের আছে। দেশ ও জনগণের স্বার্থে যাঁরা আত্মত্যাগ করেছেন তাঁদের জন্য কিছু ভাবনা তুলে ধরছি। আমরা দেশকে একটি চিরস্থায়ী ভিত্তির ওপর দাঁড় করাতে চাই, যেখানে জনগণের হাতে থাকবে সব ক্ষমতা। তবেই রাজনৈতিক দুর্নীতি ও দুর্বৃত্তায়ন কমে আসবে বলে বিশ্বাস করি।

তিনি বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ফ্যাসিস্ট পলায়নের পরই আমার প্রথম বক্তব্যে বলেছিলাম তার মধ্যে ছিল-গণ অভ্যুত্থানে যাঁরা তাঁদের সন্তান হারিয়েছেন সেই মায়েদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানাই। অনেকেই প্রিয়তম স্বামী ও প্রিয়তম ভাইকে হারিয়েছেন। অনেক ত্যাগের বিনিময়ে ৫ আগস্ট আরেকটি বিজয় দেখেছে বাংলাদেশ। একজন শহীদ শুধু আপনাদের স্বজন নন, তাঁরা দেশের গৌরব ও মুক্তিকামী জনতার। তাঁদের জানাই গভীর শ্রদ্ধা।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, দেড় দশকের আন্দোলনে গুম-খুনের শিকার হয়েছেন বহু মানুষ। অপহরণের তালিকা অনেক দীর্ঘ। শুধু জুলাই আন্দোলনে বিএনপির ৪২৪ জনসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার অন্তত দেড় হাজার মানুষ শহীদ হয়েছেন। ৩০ হাজারের বেশি মানুষ আহত হয়েছেন। ১ হাজারের বেশি পঙ্গু হয়েছেন। শিশু-বাচ্চারাও শহীদ হওয়া থেকে বাদ যায়নি। বাংলাদেশের ইতিহাসের প্রতিটি অধ্যায়ে এভাবে শহীদ আবু সাঈদ, ওয়াসিম ও মুগ্ধর মতো অনেকেই জীবন দিয়েছেন। মানুষের প্রশ্ন-এভাবেই কি মানুষ জীবন দিতেই থাকবে?

সংখ্যানুপাতিক ভোট প্রসঙ্গে তারেক রহমান বলেন, কোনো কোনো রাজনৈতিক দল সংখ্যানুপাতিক হারে নির্বাচনি ব্যবস্থার দাবি তুলেছে। বিশ্বের কোনো কোনো দেশে সংখ্যানুপাতিক নির্বাচনি ব্যবস্থার বিধান রয়েছে। বাংলাদেশের বিদ্যমান বাস্তবতায় এবং ভৌগোলিক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে এ মুহূর্তে কতটুকু উপযোগী অথবা উপযোগী কি না সেটি গুরুত্বের সঙ্গে ভেবে দেখার জন্য আমি সবার প্রতি অনুরোধ রাখব। বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক বিধিব্যবস্থাকে শক্ত ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত রাখতে হলে, বাংলাদেশকে তাবেদার মুক্ত রাখতে হলে- এ মুহূর্তে জনগণের ঐক্য সবচাইতে বেশি প্রয়োজন। সংখ্যানুপাতিক নির্বাচনি ব্যবস্থা দেশে ঐক্যের পরিবর্তে বিভক্তিমূলক সমাজ এবং অস্থিতিশীল সরকার সৃষ্টির কারণ হয়ে উঠতে পারে কি না এ বিষয়গুলো গুরুত্ব সহকারে আরও একবার ভেবে দেখার জন্য আমি সব রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দকে বিনীত আহ্বান এবং অনুরোধ করব। সংখ্যানুপাতিক নির্বাচনি ব্যবস্থার আড়ালে পুনরায় দেশের রাজনীতিতে নিজেদের অজান্তেই পতিত, পরাজিত অপশক্তি পুনর্বাসনের পথ সুগম করে দেওয়া হচ্ছে কি না এ বিষয়টিও আমাদের প্রত্যেকের অত্যন্ত সিরিয়াসলি ভাবা দরকার। জুলাই-আগস্ট গণ অভ্যুত্থান, শোক ও বিজয়ের বর্ষপূর্তি পালন কমিটির আহ্বায়ক রুহুল কবির রিজভীর সভাপতিত্বে স্বাগত বক্তব্য দেন এ কমিটির সদস্যসচিব ও বিএনপির গণশিক্ষাবিষয়ক সম্পাদক অধ্যাপক ড. মোর্শেদ হাসান খান। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, সালাহউদ্দিন আহমেদ, নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, জাতীয় পার্টির (জাফর) চেয়ারম্যান ও ১২ দলীয় জোটের প্রধান মোস্তফা জামাল হায়দার, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আবদুল হালিম, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ, গণসংহতি আন্দোলনের জোনায়েদ সাকি, এনপিপির চেয়ারম্যান ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, লেবার পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, এলডিপির মহাসচিব ড. রেদোয়ান আহমেদ, জাতীয় গণফ্রন্টের সমন্বয়ক টিপু বিশ্বাস, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক, আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু, এনসিপির যুগ্ম সদস্যসচিব আরিফুল ইসলাম আদিব, এনডিএমের চেয়ারম্যান ববি হাজ্জাজ, হেফাজতে ইসলাম ঢাকা মহানগরীর সভাপতি মাওলানা জোনায়েদ আল হাবিব, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দি, বাংলাদেশ জাসদের সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হক প্রধান, খেলাফত মজলিসের নায়েবে আমির আহমদ আলী কাসেমি, গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ রাশেদ খান। এ ছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আবদুল্লাহ আল মামুনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন- বিএনপির ড. আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সেলিমা রহমান, ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন, কেন্দ্রীয় নেতা নিতাই রায় চৌধুরী, আমানউল্লাহ আমান, আবদুস সালাম, ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন, অধ্যাপক সুকোমল বড়ুয়া, ইসমাইল জবিহউল্লাহ, এমএ মালিক, শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, খায়রুল কবির খোকন, সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, আবদুস সালাম আজাদ, ব্যারিস্টার নাসির উদ্দিন আহমেদ অসীম, সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু, মীর সরাফত আলী সপু, কৃষিবিদ শামীমুর রহমান শামীম, নজরুল ইসলাম আজাদ, মীর নেওয়াজ আলী নেওয়াজ, ব্যারিস্টার মীর হেলাল, মিফতাহ সিদ্দিকী, নিলোফার চৌধুরী মনি, ড. মাহদী আমিনসহ সারা দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে আহত ব্যক্তি, শহীদ পরিবার ও তাদের পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

পারভেজের কন্যার বক্তব্যে কাঁদলেন তারেক রহমান : গুমের শিকার ছাত্রদল নেতা পারভেজের কন্যার বক্তব্য শুনে বারবার চোখের জল মুছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। গুমের শিকার ছাত্রদল নেতা পারভেজের কিশোরী কন্যা বাবাকে দেখে না অনেক বছর। তার ছোট ভাই বাবার মুখটি দেখতেও পায়নি। এখন তার একটাই প্রশ্ন- আমি আর আমার ভাই বাবাকে কি কোনোদিন জড়িয়ে ধরতে পারব না? এমন প্রশ্নে থমকে যায় পুরো অনুষ্ঠানস্থল। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানও সে প্রশ্নে থমকে যান, পারেননি চোখের জল আটকে রাখতে। পারভেজের কন্যার বক্তব্য শুনে বারবার চোখের জল মুছেন তিনি। অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

ক্ষোভের মুখে সরানো হলো উপস্থাপক এহসান মাহমুদকে : এ অনুষ্ঠানের একজন উপস্থাপককে নিয়ে তীব্র সমালোচনা হয়েছে। এহসান মাহমুদ নামের ওই ব্যক্তিকে অনুষ্ঠান মঞ্চে উপস্থাপনা করতে দেখে ক্ষোভ প্রকাশ করেন বিএনপি বিটের উপস্থিত সাংবাদিকরা। তারা এহসান মাহমুদকে স্বৈরাচারের দোসর আখ্যা দিয়ে জুলাই গণ অভ্যুত্থানের মতো অনুষ্ঠানে উপস্থাপনায় আপত্তি জানান। পরে তাকে আর মঞ্চে উঠতে দেওয়া হয়নি।

এই বিভাগের আরও খবর
কাকরাইলে হামলার ঘটনায় মামলা করবেন নুর
কাকরাইলে হামলার ঘটনায় মামলা করবেন নুর
অঙ্গীকার করতে হবে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিতে
অঙ্গীকার করতে হবে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিতে
ঢাকায় ১২৩ সংগঠনের ১,৬০৪ বার অবরোধ
ঢাকায় ১২৩ সংগঠনের ১,৬০৪ বার অবরোধ
দেশে ভোটার সাড়ে ১২ কোটি
দেশে ভোটার সাড়ে ১২ কোটি
সংস্কার জীবন্ত প্রক্রিয়া, জনগণের কাছে পৌঁছাতে হবে
সংস্কার জীবন্ত প্রক্রিয়া, জনগণের কাছে পৌঁছাতে হবে
অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ বাকৃবি হল ত্যাগের নির্দেশ
অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ বাকৃবি হল ত্যাগের নির্দেশ
আগস্টে সাংবাদিকের ওপর সহিংসতা বেড়েছে তিন গুণ
আগস্টে সাংবাদিকের ওপর সহিংসতা বেড়েছে তিন গুণ
প্রতিবন্ধীরা ভোটাধিকার পাবেন
প্রতিবন্ধীরা ভোটাধিকার পাবেন
হত্যাচেষ্টা মামলায় ফখরুলকে অব্যাহতি
হত্যাচেষ্টা মামলায় ফখরুলকে অব্যাহতি
তারা এখন পাটের ব্যাগ বানাবে
তারা এখন পাটের ব্যাগ বানাবে
দুর্বল ব্যাংক ঠিক করতে অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত
দুর্বল ব্যাংক ঠিক করতে অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত
মন্ত্রী না হয়েও পেলেন টাকার খনি
মন্ত্রী না হয়েও পেলেন টাকার খনি
সর্বশেষ খবর
টেকনাফে অস্ত্র ও ইয়াবাসহ কারবারি আটক
টেকনাফে অস্ত্র ও ইয়াবাসহ কারবারি আটক

৩৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

হোটেল ওয়েস্টিনে মিলল মার্কিন নাগরিকের লাশ
হোটেল ওয়েস্টিনে মিলল মার্কিন নাগরিকের লাশ

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বাকৃবি ও চবিতে হামলার রাতে ঘটনায় শেকৃবিতে বিক্ষোভ মিছিল
বাকৃবি ও চবিতে হামলার রাতে ঘটনায় শেকৃবিতে বিক্ষোভ মিছিল

২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

চবিতে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা, প্রতিবাদে জবিতে বিক্ষোভ
চবিতে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা, প্রতিবাদে জবিতে বিক্ষোভ

২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ভ্রমণে গিয়ে এড়িয়ে চলুন এই ভুলগুলি
ভ্রমণে গিয়ে এড়িয়ে চলুন এই ভুলগুলি

৩ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

‘মুনিয়ার ঘটনায় তৌহিদ আফ্রিদি রেহাই পেয়েছে পিএম অফিসের জন্য’
‘মুনিয়ার ঘটনায় তৌহিদ আফ্রিদি রেহাই পেয়েছে পিএম অফিসের জন্য’

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সিপিএলে সাইফার্টের ৪০ বলে সেঞ্চুরি
সিপিএলে সাইফার্টের ৪০ বলে সেঞ্চুরি

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নড়াইলে নিখোঁজের ৮ ঘণ্টা পর অপহৃত শিশু উদ্ধার, গ্রেফতার ৪
নড়াইলে নিখোঁজের ৮ ঘণ্টা পর অপহৃত শিশু উদ্ধার, গ্রেফতার ৪

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জিম্বাবুয়েকে হোয়াইটওয়াশ করল শ্রীলঙ্কা
জিম্বাবুয়েকে হোয়াইটওয়াশ করল শ্রীলঙ্কা

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আর্সেনালকে হারিয়ে শীর্ষে লিভারপুল
আর্সেনালকে হারিয়ে শীর্ষে লিভারপুল

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

গ্রিসের হাইড্রা দ্বীপ: যেখানে মোটরযান নয়, ঘোড়াই ভরসা
গ্রিসের হাইড্রা দ্বীপ: যেখানে মোটরযান নয়, ঘোড়াই ভরসা

৪ ঘণ্টা আগে | পরবাস

চবি শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে ইবিতে বিক্ষোভ
চবি শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে ইবিতে বিক্ষোভ

৫ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

চবির ঘটনায় বিচার বিভাগীয় তদন্তের দাবি চসিক মেয়রের
চবির ঘটনায় বিচার বিভাগীয় তদন্তের দাবি চসিক মেয়রের

৫ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

শীতলক্ষ্যায় মাথাবিহীন লাশ, দুইজন গ্রেফতার
শীতলক্ষ্যায় মাথাবিহীন লাশ, দুইজন গ্রেফতার

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পরিবেশ বিপর্যয় নিয়ে শাবিপ্রবিতে পোস্টার প্রেজেন্টেশন
পরিবেশ বিপর্যয় নিয়ে শাবিপ্রবিতে পোস্টার প্রেজেন্টেশন

৫ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

কে এই রহস্যময় আবু ওবায়দা?
কে এই রহস্যময় আবু ওবায়দা?

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ব্রহ্মপুত্র নদে মাছ ধরতে গিয়ে যুবকের মৃত্যু
ব্রহ্মপুত্র নদে মাছ ধরতে গিয়ে যুবকের মৃত্যু

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রূপসা সেতুর নিচ থেকে সাংবাদিক বুলুর মরদেহ উদ্ধার
রূপসা সেতুর নিচ থেকে সাংবাদিক বুলুর মরদেহ উদ্ধার

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ব্রাইটনের বিপক্ষে আবারও হারলো ম্যানসিটি
ব্রাইটনের বিপক্ষে আবারও হারলো ম্যানসিটি

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হামাসের সামরিক শাখার মুখপাত্র আবু ওবায়দাকে হত্যার দাবি ইসরায়েলের
হামাসের সামরিক শাখার মুখপাত্র আবু ওবায়দাকে হত্যার দাবি ইসরায়েলের

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাকৃবি অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা, হল ত্যাগের নির্দেশ
বাকৃবি অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা, হল ত্যাগের নির্দেশ

৬ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

নির্বাচন নিয়ে কেউ বিকল্প ভাবলে তা হবে জাতির জন্য বিপজ্জনক : বলেছেন প্রধান উপদেষ্টা
নির্বাচন নিয়ে কেউ বিকল্প ভাবলে তা হবে জাতির জন্য বিপজ্জনক : বলেছেন প্রধান উপদেষ্টা

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

চবিতে সাংবাদিকদের ওপর হামলায় সিইউজের নিন্দা
চবিতে সাংবাদিকদের ওপর হামলায় সিইউজের নিন্দা

৬ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

মাদারীপুরে ‘১৮০ টাকায়’ ১৬ জন পুলিশে চাকরি পেলেন
মাদারীপুরে ‘১৮০ টাকায়’ ১৬ জন পুলিশে চাকরি পেলেন

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইজিবাইককে আধা কিলোমিটার টেনে নিয়ে যায় ট্রেন
ইজিবাইককে আধা কিলোমিটার টেনে নিয়ে যায় ট্রেন

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চবি শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে জাবিতে মানববন্ধন
চবি শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে জাবিতে মানববন্ধন

৬ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

গাজীপুরে পুকুরে গোসল করতে নেমে দুই শিশুর মৃত্যু
গাজীপুরে পুকুরে গোসল করতে নেমে দুই শিশুর মৃত্যু

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দেশের মানুষ এখন ভোটমুখী: দুলু
দেশের মানুষ এখন ভোটমুখী: দুলু

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ট্রান্সফার ফির রেকর্ড গড়ে নিউক্যাসলে ভল্টামাডা
ট্রান্সফার ফির রেকর্ড গড়ে নিউক্যাসলে ভল্টামাডা

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রেমিকার ফোন ব্যস্ত পাওয়ায় গ্রামের বিদ্যুৎ সংযোগ কেটে দিল যুবক
প্রেমিকার ফোন ব্যস্ত পাওয়ায় গ্রামের বিদ্যুৎ সংযোগ কেটে দিল যুবক

৭ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

সর্বাধিক পঠিত
হাসনাত আবদুল্লাহর জন্য উপহার পাঠালেন রুমিন ফারহানা
হাসনাত আবদুল্লাহর জন্য উপহার পাঠালেন রুমিন ফারহানা

১৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

রামদা দিয়ে কুপিয়ে ছাদ থেকে দুই শিক্ষার্থীকে ফেলে দিল 'স্থানীয়রা', উত্তপ্ত চবি
রামদা দিয়ে কুপিয়ে ছাদ থেকে দুই শিক্ষার্থীকে ফেলে দিল 'স্থানীয়রা', উত্তপ্ত চবি

১২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

‘জাতীয় পার্টির ভেতর দিয়ে আওয়ামী লীগকে ফেরানোর পরিকল্পনা চলছে’
‘জাতীয় পার্টির ভেতর দিয়ে আওয়ামী লীগকে ফেরানোর পরিকল্পনা চলছে’

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারতকে কাঁদিয়ে বাংলাদেশের জয়
ভারতকে কাঁদিয়ে বাংলাদেশের জয়

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রাকসু নির্বাচন ঘিরে দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত বেশ কয়েকজন
রাকসু নির্বাচন ঘিরে দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত বেশ কয়েকজন

১৫ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

উন্নত প্রযুক্তির স্যাটেলাইট উন্মোচন করল ইরান
উন্নত প্রযুক্তির স্যাটেলাইট উন্মোচন করল ইরান

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ছেলের সঙ্গে মারামারি গড়াল ডিএনএ পরীক্ষায়, জানলেন সন্তানদের বাবা নন তিনি
ছেলের সঙ্গে মারামারি গড়াল ডিএনএ পরীক্ষায়, জানলেন সন্তানদের বাবা নন তিনি

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চবি এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি
চবি এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি

১৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ছেলের জন্মদিনের উপহার নিয়ে ঝগড়া, স্ত্রী ও শাশুড়িকে হত্যা করল স্বামী
ছেলের জন্মদিনের উপহার নিয়ে ঝগড়া, স্ত্রী ও শাশুড়িকে হত্যা করল স্বামী

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পূর্বাচলে হচ্ছে চার নতুন থানা
পূর্বাচলে হচ্ছে চার নতুন থানা

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যমুনায় এনসিপির প্রতিনিধি দল
যমুনায় এনসিপির প্রতিনিধি দল

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মাকে অমানবিক নির্যাতনের ভিডিও ভাইরাল, ছেলে-বউসহ আটক ৫
মাকে অমানবিক নির্যাতনের ভিডিও ভাইরাল, ছেলে-বউসহ আটক ৫

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ভ্রমণবিলাসী সাইফুজ্জামান পাচার করেছেন ৬২০০ কোটি টাকা
ভ্রমণবিলাসী সাইফুজ্জামান পাচার করেছেন ৬২০০ কোটি টাকা

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাজা যুদ্ধে ৯০০ ইসরায়েলি সেনা নিহত
গাজা যুদ্ধে ৯০০ ইসরায়েলি সেনা নিহত

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বিএনপির বৈঠকের সময় পরিবর্তন
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বিএনপির বৈঠকের সময় পরিবর্তন

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারত সফরের পরিকল্পনা বাতিল করেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প
ভারত সফরের পরিকল্পনা বাতিল করেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাক্কোদার পাহাড়ে আজও ‘শোনা যায়’ ১৯৯ সেনার মৃত্যুর আর্তনাদ!
হাক্কোদার পাহাড়ে আজও ‘শোনা যায়’ ১৯৯ সেনার মৃত্যুর আর্তনাদ!

১৪ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

চীনে পৌঁছেছেন পুতিন
চীনে পৌঁছেছেন পুতিন

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সালমানের ব্যাটে ৬ বলে ৬ ছক্কা, ১২ বলে ১১: শেষ ২ ওভারে উঠল ৭১ রান
সালমানের ব্যাটে ৬ বলে ৬ ছক্কা, ১২ বলে ১১: শেষ ২ ওভারে উঠল ৭১ রান

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রিয়জন হারালেন রশিদ খান
প্রিয়জন হারালেন রশিদ খান

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইংল্যান্ডে গাড়ির কাঁচ মুছে টাকা দাবি, ‘ভারতীয়’ শিক্ষার্থীর ভিডিও ভাইরাল
ইংল্যান্ডে গাড়ির কাঁচ মুছে টাকা দাবি, ‘ভারতীয়’ শিক্ষার্থীর ভিডিও ভাইরাল

১৪ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

আলোচনা ফলপ্রসূ হয়েছে, ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে নির্বাচন: মির্জা ফখরুল
আলোচনা ফলপ্রসূ হয়েছে, ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে নির্বাচন: মির্জা ফখরুল

৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ওষুধে কমিশন বাণিজ্যের দুঃসহ বোঝা রোগীর ঘাড়ে
ওষুধে কমিশন বাণিজ্যের দুঃসহ বোঝা রোগীর ঘাড়ে

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ডাকসু নির্বাচন: ফরহাদের প্রার্থিতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট, শুনানির দিন ধার্য
ডাকসু নির্বাচন: ফরহাদের প্রার্থিতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট, শুনানির দিন ধার্য

১৪ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩১ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩১ আগস্ট)

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে ৩ দলের বৈঠক আজ
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে ৩ দলের বৈঠক আজ

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সরকার ভর্তুকি মূল্যে পাটের ব্যাগ সরবরাহের উদ্যোগ নিয়েছে: পরিবেশ উপদেষ্টা
সরকার ভর্তুকি মূল্যে পাটের ব্যাগ সরবরাহের উদ্যোগ নিয়েছে: পরিবেশ উপদেষ্টা

১৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নুরের শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিলেন রাষ্ট্রপতি
নুরের শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিলেন রাষ্ট্রপতি

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

৯৯ বছরের তাপমাত্রার রেকর্ড ভাঙল এশিয়া
৯৯ বছরের তাপমাত্রার রেকর্ড ভাঙল এশিয়া

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আরও দুই হাজার চিকিৎসক নিয়োগের সুপারিশ জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে
আরও দুই হাজার চিকিৎসক নিয়োগের সুপারিশ জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
আওয়ামী লীগের তিন কালের নয় কাহিনি
আওয়ামী লীগের তিন কালের নয় কাহিনি

সম্পাদকীয়

রণক্ষেত্র বিশ্ববিদ্যালয়
রণক্ষেত্র বিশ্ববিদ্যালয়

প্রথম পৃষ্ঠা

স্বস্তির সঙ্গে আছে শঙ্কাও
স্বস্তির সঙ্গে আছে শঙ্কাও

প্রথম পৃষ্ঠা

মন্ত্রী না হয়েও পেলেন টাকার খনি
মন্ত্রী না হয়েও পেলেন টাকার খনি

প্রথম পৃষ্ঠা

ভারত ইস্যুতে সরব মার্কিন সোশ্যাল মিডিয়া!
ভারত ইস্যুতে সরব মার্কিন সোশ্যাল মিডিয়া!

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

বেগম জিয়া না মজনু? প্রচারণায় অন্যান্য দল
বেগম জিয়া না মজনু? প্রচারণায় অন্যান্য দল

নগর জীবন

পশ্চিমা বাজারের ওপর নির্ভরতা পোশাক খাতের বড় চ্যালেঞ্জ
পশ্চিমা বাজারের ওপর নির্ভরতা পোশাক খাতের বড় চ্যালেঞ্জ

পেছনের পৃষ্ঠা

জিতলেই সিরিজ বাংলাদেশের
জিতলেই সিরিজ বাংলাদেশের

মাঠে ময়দানে

৫৬ জেলে এখনো নিখোঁজ
৫৬ জেলে এখনো নিখোঁজ

পেছনের পৃষ্ঠা

রেড লেডি, ফার্স্ট লেডি জাতের পেঁপে চাষে লাভবান চাষিরা
রেড লেডি, ফার্স্ট লেডি জাতের পেঁপে চাষে লাভবান চাষিরা

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির পাঁচ মনোনয়নপ্রত্যাশী জোর প্রচারণায় জামায়াত
বিএনপির পাঁচ মনোনয়নপ্রত্যাশী জোর প্রচারণায় জামায়াত

নগর জীবন

শিক্ষার্থীর তুলনায় নারী প্রার্থী কম
শিক্ষার্থীর তুলনায় নারী প্রার্থী কম

পেছনের পৃষ্ঠা

গুজব সিন্ডিকেট আবারও সক্রিয় শেয়ারবাজারে
গুজব সিন্ডিকেট আবারও সক্রিয় শেয়ারবাজারে

পেছনের পৃষ্ঠা

আগস্টে সাংবাদিকের ওপর সহিংসতা বেড়েছে তিন গুণ
আগস্টে সাংবাদিকের ওপর সহিংসতা বেড়েছে তিন গুণ

প্রথম পৃষ্ঠা

আবার খুলছে সুন্দরবন
আবার খুলছে সুন্দরবন

পেছনের পৃষ্ঠা

অশুভ শক্তির তৎপরতা দৃশ্যমান : তারেক রহমান
অশুভ শক্তির তৎপরতা দৃশ্যমান : তারেক রহমান

প্রথম পৃষ্ঠা

হাসিনাপুত্র জয়ের কারণে বছরে ২০০ কোটি টাকা রাজস্ব নেই
হাসিনাপুত্র জয়ের কারণে বছরে ২০০ কোটি টাকা রাজস্ব নেই

পেছনের পৃষ্ঠা

জরাজীর্ণ আশ্রয়ণের ঘর বসবাসের অনুপযোগী
জরাজীর্ণ আশ্রয়ণের ঘর বসবাসের অনুপযোগী

নগর জীবন

ভয়াবহ হয়ে উঠছে নারী নির্যাতন
ভয়াবহ হয়ে উঠছে নারী নির্যাতন

নগর জীবন

দুর্বল ব্যাংক ঠিক করতে অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত
দুর্বল ব্যাংক ঠিক করতে অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত

প্রথম পৃষ্ঠা

১৩০ বছরের বৃদ্ধের পাশে তারেক রহমান
১৩০ বছরের বৃদ্ধের পাশে তারেক রহমান

পেছনের পৃষ্ঠা

বিয়ের পরদিনই ধর্ষণের শিকার
বিয়ের পরদিনই ধর্ষণের শিকার

দেশগ্রাম

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে যৌন হয়রানি বড় উদ্বেগ
রোহিঙ্গা ক্যাম্পে যৌন হয়রানি বড় উদ্বেগ

পেছনের পৃষ্ঠা

চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেলেন র‌্যাব ও এসবি প্রধান
চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেলেন র‌্যাব ও এসবি প্রধান

পেছনের পৃষ্ঠা

কারাগারে দুই ভাইকে দেখতে এসে গাঁজাসহ আটক অপর ভাই
কারাগারে দুই ভাইকে দেখতে এসে গাঁজাসহ আটক অপর ভাই

পেছনের পৃষ্ঠা

কাকরাইলে হামলার ঘটনায় মামলা করবেন নুর
কাকরাইলে হামলার ঘটনায় মামলা করবেন নুর

প্রথম পৃষ্ঠা

ডাকসু নিয়ে উত্তাপ ক্যাম্পাসে
ডাকসু নিয়ে উত্তাপ ক্যাম্পাসে

প্রথম পৃষ্ঠা

মাকে নির্যাতন ছেলে-পুত্রবধূসহ আটক ৫
মাকে নির্যাতন ছেলে-পুত্রবধূসহ আটক ৫

দেশগ্রাম

ওয়াশিংটনের কাছে মাথা নত করবে না দিল্লি
ওয়াশিংটনের কাছে মাথা নত করবে না দিল্লি

পূর্ব-পশ্চিম